সত্যের গল্প।

আজকে ইংরেজী দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা
দিয়ে আসলাম।এখন শুধু প্রাক্টিক্যাল বাকি।আজকের পরীক্ষায় স্টোরি এসেছে…Shantipur is a remote village in the district of bogra.There lived a poor Farmer.He had three sons and a daughter.Her name was shukhi.God knew why she was named so.She started going to a primary School three miles away from her village…বাংলায় বাকিটা…
শিরোনাম: অন্ধ চোঁখের ভিতরের গল্প।
সুখি খুব পরিশ্রমী ও মেধাবী হওয়ায় খুব সহজে সে প্রথম স্থান অধিকার করে এবং উপজেলা বৃত্তি লাভ করে।কিন্তু তার সাথেই পড়ত এক নেতার মেয়ে রিয়া।
ফলে বৃত্তিটা রিয়ার ঝুলিতে চলে যায় খুব সহজে।

আজকে ইংরেজী দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা
দিয়ে আসলাম।এখন শুধু প্রাক্টিক্যাল বাকি।আজকের পরীক্ষায় স্টোরি এসেছে…Shantipur is a remote village in the district of bogra.There lived a poor Farmer.He had three sons and a daughter.Her name was shukhi.God knew why she was named so.She started going to a primary School three miles away from her village…বাংলায় বাকিটা…
শিরোনাম: অন্ধ চোঁখের ভিতরের গল্প।
সুখি খুব পরিশ্রমী ও মেধাবী হওয়ায় খুব সহজে সে প্রথম স্থান অধিকার করে এবং উপজেলা বৃত্তি লাভ করে।কিন্তু তার সাথেই পড়ত এক নেতার মেয়ে রিয়া।
ফলে বৃত্তিটা রিয়ার ঝুলিতে চলে যায় খুব সহজে।
সুখী দেখতেও ভারি মিষ্টি।স্কুল থেকে আসার পথে কলেজ পড়ুয়া ছাত্র নেতারা শারিরীক ভাবে লান্ছিত করতো।বিচার চাওয়ায় সমাজ পতিরা ওকে দুশ্চরিত্রা উপাধী দান করে।ইভটিজিংয়ের কারনে তার স্কুলে যাওয়া নিষিদ্ধ হয়ে যায়।বাবা,মা কাঁধ থেকে বোঝা নামাতে স্থানীয় এক সমাজকর্মীর সাথে একলক্ষ টাকা যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ে দেন।সুখীর বয়স সতের স্বামীর বয়স উনচল্লিশ।একলক্ষ টাকায় স্বামীর খুধা মিটেনি।তার আরো চাই মাস পেরোতেই সুখীর উপর অত্যাচার চলত।কিন্তু সুখী নিরুপায়।হঠাৎ একটা দুর্ঘটনায় সুখীর স্বামী দুচোঁখ হারায়।সুখী অত্যাচারিত হয়ে যতটা না কাঁদত কিন্তু এখন সে নির্বাক।স্বামীকে পেলে সে চলে যায় না বরং সে অতিদ্রুত স্বামীর চোঁখের আলো ফিরিয়ে দিতে চায়।ব্যাঙ্ক হতে স্বামীর সোশ্যাল ওয়ার্কের নমুনা দেখিয়ে বেশ কিছু টাকা লোন নিয়ে নিজের দুটি চোঁখ স্বামীকে দান করে।স্বামী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে।এখবর শুনে সুখী বেশ সুখ লাভ করে।অপরদিকে তার স্বামী চোঁখের আলো ফিরে পেয়ে অনুভব করে কেন একটা অন্ধ মেয়ের সাথে সে জীবন কাটাবে।সে সুখীকে ডিভোর্স…..
সুখী স্থান পায় এক অন্ধ ভিক্ষুক পল্লীতে।
সেই সমাজ কর্মী স্বামী এবার রাজনীতি শুরু করে।ভোটে জিতে এমপি-মন্ত্রী।
মোরাল:ভালবাসতে অর্থ থাকা জ্বরুরী নয়,বিবেক থাকা জ্বরুরী।
এই পর্যন্ত লিখেছি খাতায়।
স্টোরিটার মূল কথা হলো আমরা খুব বেশি আত্মকেন্দ্রীক ও লোভী হয়ে যাচ্ছি।

৬ thoughts on “সত্যের গল্প।

  1. আসলেই খুব বেশি আত্মকেন্দিক
    আসলেই খুব বেশি আত্মকেন্দিক হয়ে যাচ্ছি। একটাই কথা চোখ থাকতেও অব্ধ আমরা

  2. আমরা প্রত্যেকেই খুব বেশী
    আমরা প্রত্যেকেই খুব বেশী আত্মকেন্দ্রিক ! এজন্যই আমাদের সমাজের এই অবস্থা… কেউ অন্যের দুঃখ, কষ্ট বুঝতেই চায় না.. শুধু নিজেরটা বড় করে দেখে আর কি….

    1. কথা টা ঠিক হলেও আপনি জানেন
      কথা টা ঠিক হলেও আপনি জানেন আমাদের দেশের মত কোন দেশের মানূষ এত হেল্পফুল না!!

  3. অন্ধ ভালবাসা হচ্ছে বড়
    অন্ধ ভালবাসা হচ্ছে বড় ফুটা ওয়ালা ঝাল মুড়ির ঠোংগার মতো, যতই মুড়ি ঢালো ফুটা দিয়ে নিচে পড়ে যাবে ।।

Leave a Reply to দুরন্ত জয় Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *