বিছানায় প্রেতাত্মা

সে বিছানায় তার স্ত্রীকে নেয় টেনে
আলো নিভিয়ে, কাপড় খুলে আনে
কিন্তু তার স্ত্রী পাথর ও শীতল।
সে চমকায়, হয় হত বিহ্বল।

তার নাকে ভাসে কর্পূর লোবানের ঘ্রাণ
ঠাণ্ডা স্পর্শে তার চোখ হয় ম্রিয়মাণ
সে শুধোয়, ‘কী হয়েছে তোমার?’
সে আবার বোতাম লাগায় জামার।

সে বিছানায় তার স্ত্রীকে নেয় টেনে
আলো নিভিয়ে, কাপড় খুলে আনে
কিন্তু তার স্ত্রী পাথর ও শীতল।
সে চমকায়, হয় হত বিহ্বল।

তার নাকে ভাসে কর্পূর লোবানের ঘ্রাণ
ঠাণ্ডা স্পর্শে তার চোখ হয় ম্রিয়মাণ
সে শুধোয়, ‘কী হয়েছে তোমার?’
সে আবার বোতাম লাগায় জামার।

তার স্ত্রী বলে, ‘আমি গিয়েছি মরে’
চমকায় সে, দ্যাখে চোখ বড়ো করে।
দৌড়ে পালায়, আলো জ্বালে ঘরে।
‘বেঁচেই তো আছো’, স্ত্রীর ‘পরে চোখ পড়ে।

“না, আমি মৃত”, কঠোর কণ্ঠে স্ত্রী বলে
সে ভয়ে ছোটে দিগ্বিদিক এই রাত্রিকালে
ছুটতে ছুটতে ভুলে ঢুকে পড়ে স্নানঘরে
সেখানে আরো কড়া গন্ধে তার ভয় করে!

হঠাৎ কী মনে করে হাতে নেয় তুলে সাবান।
আরে! ও তো সাবানেরই ঘ্রাণ!
আবার সে ঘরে ফেরে, হয়ে সটান।
বলে, ‘রসিকতাটা ক্যান, মিসেস রহমান?’

স্ত্রী বলেন, “আমায় ফেলে শুয়েছিলে অন্য মেয়ের ঘরে”
মনটা আমার সেদিনই গিয়েছিলো মরে।
মন ছাড়া কেবল হুঁশ নিয়ে, হয় না মানুষ।
বুঝবে না তুমি। তুমি অমানুষ।”

১১/০১/২০১৩
সন্ধি মুহিদ

৯ thoughts on “বিছানায় প্রেতাত্মা

  1. মন ছাড়া কেবল হুঁশ নিয়ে, হয় না
    মন ছাড়া কেবল হুঁশ নিয়ে, হয় না মানুষ।
    বুঝবে না তুমি। তুমি অমানুষ
    । :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. আপনার কাব্যে চমৎকার একটি
    আপনার কাব্যে চমৎকার একটি বিষয় তুলে ধরেছেন , শুধু মাঝখানের ছন্দটায় খেল হারিয়ে গিয়েছিল , এমনিতে ভাল হয়েছে ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *