বৃস্টি ও একজন সালাম মিয়া……

আজ বেশ গরম পড়েছে,সূর্যর তাপও যেন আজ খুব বেশি,হালকা বৃস্টি হলে ভালই হত…….
রাস্তায় হাটতে হাটতে এইসব চিন্তাই করছিল সালাম মিয়া। সালাম মিয়া আসলে নির্দিষ্ট কোন কাজ করেন না,তিনি একাধারে অনেক কিছু করেন…….তিনি মুলত একটি মাদ্রাসার প্রধান,এছাড়া তিনি ওই মাদ্রাসার কেয়ারটেকার,মাদ্রাসার সাহায্য সংগ্রাহক,মাদ্রাসার একমাত্র শিক্ষক এবং সর্বোপরি ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা…….এর মানে তিনিই ওই মাদ্রাসার সবকিছু,তাকে একাই সব কাজ করা লাগে…….মাদ্রাসা বলতে আসলে যা বোঝায় তার মাদ্রাসাটা আসলে তেমনও নয়।ছোট্ট একটা দোচালা ঘর,সেই ঘরের ভেতর দুইটি কক্ষ,একটিতে সালাম মিয়া নিজের পরিবার নিয়ে থাকেন,অন্যটিতে মাদ্রাসার ছাত্ররা থাকে ও পড়ে…..



আজ বেশ গরম পড়েছে,সূর্যর তাপও যেন আজ খুব বেশি,হালকা বৃস্টি হলে ভালই হত…….
রাস্তায় হাটতে হাটতে এইসব চিন্তাই করছিল সালাম মিয়া। সালাম মিয়া আসলে নির্দিষ্ট কোন কাজ করেন না,তিনি একাধারে অনেক কিছু করেন…….তিনি মুলত একটি মাদ্রাসার প্রধান,এছাড়া তিনি ওই মাদ্রাসার কেয়ারটেকার,মাদ্রাসার সাহায্য সংগ্রাহক,মাদ্রাসার একমাত্র শিক্ষক এবং সর্বোপরি ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা…….এর মানে তিনিই ওই মাদ্রাসার সবকিছু,তাকে একাই সব কাজ করা লাগে…….মাদ্রাসা বলতে আসলে যা বোঝায় তার মাদ্রাসাটা আসলে তেমনও নয়।ছোট্ট একটা দোচালা ঘর,সেই ঘরের ভেতর দুইটি কক্ষ,একটিতে সালাম মিয়া নিজের পরিবার নিয়ে থাকেন,অন্যটিতে মাদ্রাসার ছাত্ররা থাকে ও পড়ে…….ছাত্ররা বলতে তিনজন,কামাল,হারুন আর কাওছার……
সালাম মিয়া আজ বের হয়েছিলেন সাহায্য সংগ্রহে।মাদ্রাসাটা আসলে সালাম মিয়ার দেয়ার কোন ইচ্ছাই ছিল না,কিন্তু মা মারা যাবার আগে বলে গিয়েছিলেন একটা মাদ্রাসা দিতে,তাই সে দিয়েছে।কিন্তু মাদ্রাসা দিলেই তো হল না,এর পিছনে খরচও রয়েছে আর সালাম মিয়া এমন কেউ না যে একটা মাদ্রাসা সে নিজের টাকায় চালিয়ে নিতে পারবে,তাই তো সব কাজ তাকে একাই করতে হয়,আর মাদ্রাসাও দিতে হয়েছে নিজের ঘরের একটি অংশে…..
যাই হোক,মাদ্রাসার জন্য টাকা সাহায্য চাওয়াটা আজকাল ভিক্ষার মতই,মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়।এই কাজটা সালাম মিয়ার মোটেও ভালো লাগে না,এর ওপর শোনা লাগে নানান কথা।কেউ বলে এইসব ভাঁওতাবাজি,কেউ বলে মাদ্রাসা নাকি আজকাল জংগি বানানোর আস্তানা ইত্যাদি ইত্যাদি …..জংগি বানানোর কারখানা কথাটা মিথ্যা নয়,সে নিজে যেই মাদ্রাসায় পড়েছে সেটিই তো সেইরকম একটা ছিল,সে অনেক কস্টে ওখান থেকে নিজেকে উদ্ধার করেছে।থাক সে কথা……
মানুষের কথা শোনাটা তার গা সওয়া হয়ে গেছে,কিন্তু আজকে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে এক লোক,সে আজ যাচ্ছেতাই ভাষায় গালাগাল করেছে তাকে,বলেছে সে নাকি হেফাজতি,এইসব টাকা তুলে সে নাকি হেফাজতিদের দেবে,তারপর ভাংচুর করবে আরো কত কি!!!
সালাম মিয়ার মাথাটা ঝা ঝা করছে,নিরবে কথাগুলো হজম করে সে আবার রাস্তায় চলা শুরু করেছে।সে হেফাজতি নয়,তাদের সমর্থনও করে না,এইসব রাজনীতি,আস্তিক-নাস্তিক সে বোঝে না,তাকে একজন এসে বলেছিলও তাদের সাথে মতিঝিল যেতে,টাকাও সেধেছিল ভাল অংকের,কিন্তু সে যায় নি।কি লাভ গিয়ে??এসব সে বোঝে না।সে শুধু চায় তার মায়ের কথা রাখতে,মাদ্রাসাটা কে চালিয়ে নিতে,কিন্তু কিছু স্বার্থপর,অর্থলোভী হুজুরদের জন্য তাদের মত লোকেদের আজ লাঞ্ছিত হতে হয়,অপমানিত হতে হয়,কিন্তু তারা কারো সাতেও থাকে না,পাচেও থাকে না………
এইসব ভাবতে ভাবতে সালাম মিয়া দেখে আকাশ কালো হয়ে গেছে এবং একফোঁটা দুফোঁটা করে বৃস্টি নেমে গেছে,সবাই ছুটছে নিজেকে ভেজার হাত থেকে বাচাতে।
সালাম মিয়ার হঠাৎ কি জানি হল,সে নিজেকে ভেজানোর হাত থেকে বাচানোর চেস্টা না করে রাস্তায়ই দাড়িয়ে থাকল……..
প্রবল বৃস্টির মধ্যে একটি ব্যাস্ত রাস্তায় একজন পায়জামা-পানজাবি পরা লোক ভিজছে,ভিজেই চলেছে…….এটা হয়ত এই ব্যাস্ত নগরির মানুষ খেয়ালই করেনি,কি জানি হয়ত করেছে……..

২১ thoughts on “বৃস্টি ও একজন সালাম মিয়া……

  1. গল্পের মোটিভ টা ভালো। আরো
    গল্পের মোটিভ টা ভালো। আরো একটু গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করুন, সামনে আরো ভালো লেখবেন… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. অহেতুক ডট এর অতিরিক্ত করেছেন।
    অহেতুক ডট এর অতিরিক্ত করেছেন। যায় হোক গল্পের প্লাটফর্ম ভাল , তবে উপস্থাপনা আরও ভাল হলে সুন্দর একটা মাত্রা পেত এটা ! :খুশি:

    1. ধন্যগ্রহন,এইটা আসলে আমার
      ধন্যগ্রহন,এইটা আসলে আমার প্রথম লেখা,আপনার কথাগুলো মাথায় রাখলাম……… 😀

  3. গল্পের প্লট ভালো| কিন্তু আরো
    গল্পের প্লট ভালো| কিন্তু আরো অনেক কারু কাজ করার সুযোগ ছিল বলে মনে হয়| হয়ত একটু বেশি সরল রৈখিক হয়ে গেছে| সালাম মিয়া, সালাম মিয়া, সালাম মিয়া, নামটা শুরুতে বেশ কয়েকবার পর পর এসেছে| এটা মনে হয় avoid করা যেত| অচিন্ত্য দূর্বাঘাস যেটা বলেছেন “………….” একটু কম হলে ভালো হয়| ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, লিখতে থাকুন| :গোলাপ: শুভেচ্ছা রইলো| :খুশি:

    1. এটা আমার প্রথম লেখা ত,তাই
      এটা আমার প্রথম লেখা ত,তাই তেমন অভিজ্ঞতা ছিল না,পরেরবার এই ভুল সংশোধনের চেস্টা করব……..পড়ার জন্য ধন্যগ্রহন…….. 😀

  4. প্রথম লেখা হিসেবে ভালো। থিম
    প্রথম লেখা হিসেবে ভালো। থিম ভালো নির্ধারণ করেছেন। অন্য গল্পের থিমটাও ভালো ছিল। কিন্তু আপনি খুব দ্রুত সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
    লিখতে থাকুন, আরও ভেবে চিন্তে লেখার অভ্যাস করুন।
    শুভ কামনা।

  5. লিখা বড় করলে আরও কিছুটা ভাল
    লিখা বড় করলে আরও কিছুটা ভাল হত এত স্বল্প কথায় মুল্ভাবটা ঠিক প্রকাশ করা যায়না ।। ভালো হয়েছে ………

  6. প্রথম লিখা হিশেবে বলব সবই
    প্রথম লিখা হিশেবে বলব সবই ভাল…
    আরেকদিন গল্পটাকে আরও পরিপাটি করে পোস্ট দিয়েন!
    আমি বৃষ্টিতে ভিজার সাথে একটা মন্তাজ দিয়ে চেতনাগত পরিবর্তনের আভাস আশা করি!!
    লিখতে থাকুন, আপনাদেরই খুঁজছে ব্লগ!! 😉

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *