জিয়া জীবনী (সংগৃহিত)

আগেই বলে দিচ্ছি পোস্ট টি সংগৃহিত। জীয়া সম্পর্কে আমার এত ধারনা নেই কি করেছে সে জানি না । তাই এই পোস্ট টি শেয়ার করলাম এই গুলো কি সত্যি বলবেন একটু।
যদি সত্যি হয় আজ থেকে ঘৃণ্য ব্যক্তিবর্গের তালিকায় আরো একটি নাম যুক্ত হবে সেটি হল “”””জিয়াউর রহমান “””””

________________________________________

কী হিশেবে স্মরণ করা হবে জিয়াউর
রহমানকে?

জিয়া বাংলাদেশের একজন
রাষ্ট্রপতি ছিলেন, আমাদের স্বাধীনতার
ঘোষণাপত্রের অন্যতম পাঠক ছিলেন
এবং মুক্তিযুদ্ধে তিনি একটি সেক্টরকে ৩ম
নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, একটি ফোর্স গঠন
করেছিলেন এবং তিনি একজন বীরউত্তম।
বীরউত্তম ও প্রাক্তন

আগেই বলে দিচ্ছি পোস্ট টি সংগৃহিত। জীয়া সম্পর্কে আমার এত ধারনা নেই কি করেছে সে জানি না । তাই এই পোস্ট টি শেয়ার করলাম এই গুলো কি সত্যি বলবেন একটু।
যদি সত্যি হয় আজ থেকে ঘৃণ্য ব্যক্তিবর্গের তালিকায় আরো একটি নাম যুক্ত হবে সেটি হল “”””জিয়াউর রহমান “””””

________________________________________

কী হিশেবে স্মরণ করা হবে জিয়াউর
রহমানকে?

জিয়া বাংলাদেশের একজন
রাষ্ট্রপতি ছিলেন, আমাদের স্বাধীনতার
ঘোষণাপত্রের অন্যতম পাঠক ছিলেন
এবং মুক্তিযুদ্ধে তিনি একটি সেক্টরকে ৩ম
নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, একটি ফোর্স গঠন
করেছিলেন এবং তিনি একজন বীরউত্তম।
বীরউত্তম ও প্রাক্তন
মুক্তিযোদ্ধা হিশেবে তিনি অবশ্যই
স্মর্তব্য। যেহেতু আমাদের আরো অনেক
বীরউত্তম ও সেক্টর কমান্ডার রয়েছেন,
সেক্ষেত্রে জিয়াকে আলাদা করে স্মরণ
করারও কিছু থাকে না;
তবে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করায়
এবং দলটি টিকে থাকায় তাকে স্মরণ
করা হচ্ছে এবং করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক
দলটি গঠন না করলে ইতিহাস
আলাদাভাবে তাকে স্মরণ করত না।

মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বড়
সুবিধাভোগী জিয়া। মুক্তিযুদ্ধ
না হলে তিনি কখনোই
রাষ্ট্রপতি হতে পারতেন না। সেই
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই যতভাবে ধূলিস্যাত্
করা যায়, জিয়া ততভাবেই তা করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধে চেতনাবিরোধী কাজ
করতে করতে তিনি ম্লান করে ফেলেছেন
তার মুক্তিযুদ্ধকালীন
ভূমিকাকে এবং নিজেকে তিনি চিহ্নিত
করেছেন একজন প্রাক্তন
মুক্তিযোদ্ধা হিশেবে। ‘একবার রাজাকার
মানে চিরকাল রাজাকার, কিন্তু একবার
মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল
মুক্তিযোদ্ধা নয়’ — এই উক্তিটি হুমায়ুন
আজাদ হয়তো জিয়াকে ভেবেই
লিখেছিলেন।

স্বাধীনতার পরও গোলাম আজম ৭বছর
বিদেশে বিদেশে তদবির করেছিল
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ফেডারেশন
গঠনের জন্য, আজম ব্যর্থ হলেও জিয়া আজমের
এজেন্ডা প্রচ্ছন্নভাবেই বাস্তবায়িত
করেছিলেন
এবং বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারা
একটি রাষ্ট্রে পরিণত করতে সচেষ্ট
হয়েছিলেন।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও বাহাত্তরের
সংবিধানের সবচেয়ে বড় খুঁটিটিই ছিল
ধর্মনিরপেক্ষতা, জিয়া ক্ষমতায় এসেই
ধর্মনিরপেক্ষতার বিধান সংবলিত
অনুচ্ছেদটি সংবিধান থেকে তুলে দেন,
যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিই এক
চপেটাঘাত।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের যেন বিচার না হয়,
সেজন্য জিয়া দায়মুক্তি অধ্যাদেশ
বা ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স
জারি করেছিলেন। কেন করেছিলেন?
বঙ্গবন্ধুহত্যার বিচার হলে তার
কী ক্ষতি হতো? একজন রাষ্ট্রপতি কেন
অধ্যাদেশ জারি করে অন্য কারোর
হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করবেন?
যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচারপ্রক্রিয়াকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন জিয়া,
মসনদে বসেই তিনি ‘দালাল আদেশ’ বাতিল
করেন, রাজাকারদের বিচারে গঠিত
ট্রাইবুনালগুলো বন্ধ করে দেন, বিচারাধীন
হাজার হাজার রাজাকারকে জেল
থেকে মুক্ত করে দেন! কেন দেন? একজন
মুক্তিযোদ্ধা কীভাবে রাজাকারদের
বিচার বন্ধ করলেন?
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের
বিরোধিতাকারী সকল সংগঠনের
রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল, নিষিদ্ধ ছিল
জামায়াত-ছাত্রসংঘ কিংবা মুসলিম লিগ।
মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াতের চাইতেও
অধিক নৃশংস ছিল ছাত্রসংঘ, ডিসেম্বরের
বুদ্ধিজীবীহত্যাকাণ্ড পুরোটাই ঘটিয়েছিল
ছাত্রসংঘ। ফলে পরবর্তীতে জামায়াত নাম
বদল না করলেও জনসাধারণের
কাছে ‘ছাত্রসংঘ’ নামটি আতঙ্কের
প্রতিশব্দ হওয়ায়
বর্তমানে ট্রাইবুনালে বিচারাধীন
রাজাকার-আলবদর নেতা মির কাশেমের
নেতৃত্বে ‘ছাত্রসংঘ’ নাম
পালটে ‘ছাত্রশিবির’ হয়েছিল ১৯৭৭
সালে জিয়ার আমলে, জামায়াত
রাজনীতিতে পুনর্বাসিতও হয়েছিল জিয়ার
আমলে, জিয়াই পাকিস্তানি নাগরিক
গোলাম আজমকে ১৯৭৮
সালে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন
এবং বাংলাদেশী পাসপোর্ট ছাড়াই আজম
১৯৭৮ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত
অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করে!
কীভাবে এটি সম্ভব হলো?
মুক্তিযোদ্ধা জিয়া কেন মুক্তিযুদ্ধের
বিরোধিতাকারী নিষিদ্ধ
সংগঠনগুলোকে রাজনীতিতে পুনর্বাসিত
করলেন? মুক্তিযোদ্ধা জিয়া কেন শীর্ষ
মুক্তযুদ্ধবিরোধী ঘৃণ্য দানব গোলাম
আজমকে দেশে ফিরিয়ে আনলেন? জিয়ার
আমলেই
কীভাবে বুদ্ধিজীবী কিলিং স্কোয়াড
আলবদর-ছাত্রসংঘ নাম পালটে ‘ছাত্রশিবির’
সেজে রাজনীতি করার সুযোগ পেল? মুসলিম
লিগ-জামায়াত-রাজাকার-আলবদর-ছাত্
রসংঘ-গোলাম আজমদের সাথে জিয়ার
কিসের সম্পর্ক ছিল?
ক্ষমতায় এসে জিয়া আরেক
যুদ্ধাপরাধী শাহ্ আজিজুর
রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন ১৯৭৯
সালে, আজিজ দালাল আদেশের আওতায়
বিচারাধীন ছিল এবং ১৯৭৩-এ বঙ্গবন্ধুর
সাধারণ ক্ষমার আওতায় আজিজ
মুক্তি পেয়েছিল। স্বাধীনতার মাত্র
৭বছরের মাথায় একজন স্বাধীনতাবিরোধী
দেশের প্রধানমন্ত্রী — কেমন দেখাচ্ছিল
দৃশ্যটি? দৃশ্যটি মুক্তিযোদ্ধাদের
কাজে কেমন লাগছিল? জিয়া কেন একজন
চিহ্নিত মুক্তিযুদ্ধবিরো
ধীকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন?
বেছে বেছে স্বাধীনতাবিরোধীচক্রের
সাথেই জিয়ার কেন এত এত সুসম্পর্ক ছিল?
জিয়ার ক্ষমতাগ্রহণের প্রক্রিয়াটিই ছিল
ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। সেনা অভ্যুত্থান আর
পালটা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায়
আসেন জিয়া। যে কর্নেল তাহের জিয়ার
জীবনরক্ষা করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত
করেছিলেন, পাকিস্তানপ্রত্যাগত সেনাদের
প্রেসক্রিপশনে সেই
তাহেরকে পূর্বনির্ধারিতভাবে অত্যন্ত
ঠাণ্ডা মাথায় প্রহসনের বিচারের
মাধ্যমে হত্যা করেছিলেন জিয়া,
সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতও
তাকে তাহেরের পরোক্ষ
খুনি হিশেবে চিহ্নিত করেছে।
জিয়াকে সেনাপ্রধান বানিয়েছিল গাদ্দার
খন্দকার মোশতাক; তাহেরকে হত্যার
মাধ্যমে জিয়া যেন তাহেরের পদাঙ্কই
অনুসরণ করলেন, তাহেরহত্যার
মাধ্যমে জিয়া অবতীর্ণ হলেন দ্বিতীয়
মোশতাকের ভূমিকায়!
ইতিহাসই ঠিক করবে যে, জিয়াকে ইতিহাস
কী হিশেবে স্মরণ করবে। একজন
খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা হয়েও
জিয়া ক্ষমতার পুরোটা সময় পুনর্বাসিত ও
লালনপালন করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিরো
ধী শক্তিকে, বানচাল করেছেন
যুদ্ধাপরাধীদের ও বঙ্গবন্ধুহত্যার বিচার,
একে একে বাস্তবায়িত করেছেন
জামায়াতি ও পাকিস্তানি এজেন্ডা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধীদের জন্য
জিয়ার আমল ছিল স্বর্ণযুগ, বাংলাদেশ
অংশকে হারাবার পরে পাকিস্তানও যেন
বাংলাদেশে জিয়ার মতোই একজন
রাষ্ট্রপ্রধান চেয়েছিল।
এককালের মহাপ্রমত্তা রাজনৈতিক দল
মুসলিম লিগ জনস্রোতের
উলটো দিকে চলতে গিয়ে বিলুপ্ত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতের
সাথে আঁতাত করে এবং যুদ্ধাপরাধীদের
বিচার পুনরায় বানচালের
অপচেষ্টা করে বিএনপি আবারও
জনস্রোতের উলটো দিকে সাঁতার কাটছে।
ফলে বিএনপির পরিণতিও মুসলিম লিগের
মতো হতে পারে, তখন ইতিহাসে জিয়ার
অবস্থান কোথায় হয়, সেটিই দ্রষ্টব্য বিষয়!

কার্টেসীঃ আখতারুজ্জামান আজাদ

____________________________________________

জানাবেন এগুলো কি সত্যি নাকি মিথ্যা??

২২ thoughts on “জিয়া জীবনী (সংগৃহিত)

  1. আজাদ ভাই এর লেখাটি পড়া হয়ে
    আজাদ ভাই এর লেখাটি পড়া হয়ে গেছে । তাই ২য় বার পড়লাম না।। উনি যা বলেছেন টা নির্মম সত্য

    1. ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্যে।
      ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্যে।

      পূর্ব কথা অনুযায়ী
      ঘৃনার তালিকায় যুক্ত হল আরেক জন।

      তবে আর কারো মন্তব্য নেই দেখছি। তারা কি আমার মতই সত্য জানেন না। ??

  2. নতুন করে এসব সত্য বলার দরকার
    নতুন করে এসব সত্য বলার দরকার হয না। ইতিহাস তো মিথ্যা না।এদেশর যত ক্ষতি হয়েছে তার অধিকাংশই করেছে জিয়া। দেশটাকে পাকিস্থানের দিকে ধাবিত করতে জিয়াই।সব অন্যায় ও বিচারের পথ বন্ধ করেছে জিয়া। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে জামাত শিবিরকে এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই তাকে গৃণা না করে পারা যায় না।

  3. পুরান ক্যাচাল ।। লেখাটা আগে
    পুরান ক্যাচাল ।। লেখাটা আগে না পড়লেও, ঘটনা গুলো জানা । ধন্যবাদ আপনাকে নতুন করে ইতিহাস তুলে ধরবার জন্য ।।

  4. কারো লেখা কপি-পেস্ট করে ব্লগ
    কারো লেখা কপি-পেস্ট করে ব্লগ পোস্ট দেয়া ঠিক না। তার উপরে এভাবে কবিতার মত করে লেখার কি দরকার?

    1. মোবাইল থেকে কপি পেস্ট করে
      মোবাইল থেকে কপি পেস্ট করে পোস্ট করেছেন মনে হয়। তাই এইরকম কবিতা হয়ে গেছে 😀 😀

      তবে আরেকজনের লেখা এমনে কপি পেস্ট মারার কি দরকার ? :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন:

      জিয়া কি সেটা খালেদা জিয়াও জানেন। কিন্তু বলেন ভিন্ন কথা,এইটাই সমস্যা

      1. জিয়া কি সেটা খালেদা জিয়াও

        জিয়া কি সেটা খালেদা জিয়াও জানেন। কিন্তু বলেন ভিন্ন কথা,এইটাই সমস্যা

        সহমত… চমৎকার বলেছেন!!

    2. আমি জানতাম না এই সম্পর্কে তাই
      আমি জানতাম না এই সম্পর্কে তাই জানার জন্য এখানে দিয়েছি। এই লিখাটি অনেক পেজে দেখেছি আজ। আর আমি কার্টেসি সহ। দিয়েছি।

      যদি কোন নিয়ম লঙ্ঘ ন হয় বলবেন। আর দেব না কখন ও।

      আমি মোবাইল দিয়ে সকল পোস্ট লিখি তাই এমন হয়।

  5. ইতহাস কথা বলে! কর্নেল তাহের
    ইতহাস কথা বলে! কর্নেল তাহের হত্যা মামলায় মহামান্য হাই কোর্টের রায় তাই বলে…

  6. এই পাপিষ্ঠ হানাদারের এজেন্ট
    এই পাপিষ্ঠ হানাদারের এজেন্ট আজ মরেও স্বাধীনতার চেতনা ধ্বংসে লিপ্ত…
    সত্যের জয় হোক, ইতিহাস ছড়িয়ে যাক!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *