রাজশাহীর স্থানীয় নির্বাচনেও ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রাজশাহীর স্থানীয় নির্বাচনেও ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে ইসলামকে চান নাকি লিটনকে চান। ধর্মের নিয়ে খেলা স্বাধীনতার আগে ৪৭,৫২,৬২,৬৯,৭০,৭১ সাল গুলোতে প্রকোপ আকার ধারণ করেছিলো তা দেখেছে এই দেশের মানুষ। ইসলাম গেলো ইসলাম গেলো বলে রাজনীতি সত্যই দুঃখ জনক। ইসলামের বিপরীতে জোর করে দার করিয়ে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী প্রার্থীদের।
মেয়র লিটনই রাজশাহীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান কে পুর্ণতা রুপ দিয়েছেন। তিনি মসজিদ গুলোকে সংস্কার করেছেন। স্থানীয় ঈদগাহ গুলোকে আরো উন্নত করেছেন তার বড় প্রমান পদ্মা আবাসিক সহ আরো বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে।

রাজশাহীর স্থানীয় নির্বাচনেও ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে ইসলামকে চান নাকি লিটনকে চান। ধর্মের নিয়ে খেলা স্বাধীনতার আগে ৪৭,৫২,৬২,৬৯,৭০,৭১ সাল গুলোতে প্রকোপ আকার ধারণ করেছিলো তা দেখেছে এই দেশের মানুষ। ইসলাম গেলো ইসলাম গেলো বলে রাজনীতি সত্যই দুঃখ জনক। ইসলামের বিপরীতে জোর করে দার করিয়ে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী প্রার্থীদের।
মেয়র লিটনই রাজশাহীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান কে পুর্ণতা রুপ দিয়েছেন। তিনি মসজিদ গুলোকে সংস্কার করেছেন। স্থানীয় ঈদগাহ গুলোকে আরো উন্নত করেছেন তার বড় প্রমান পদ্মা আবাসিক সহ আরো বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে।
এদেশের মুসলিমরা ইসলামের প্রতি অনুগত্য তাই ইসলাম কে ব্যবহার করে নির্বাচনের জয়ী হওয়ার পায়তারা করছে বিপরীতরা।তারা ভুলে যাচ্ছে যে এ দেশের মানুষ সচেতন তাই এগুলো করে এখন লাভ নেই।

এইভাবে যদি প্রচারণা চালানো হয় তবে রাজশাহীতে সাম্প্রদায়ীক সহিংসতা লেগে যেতে পারে। যা হয়ত পুরো দেশে ছরিয়ে যাবে। আর হয়ত এমন সাম্প্রদায়ীক সহিংসতাই লাগানোর একটা অপচেষ্টা চলছে রাসিক নির্বাচনকে ঘিরে।
হেফাজতে ইসলাম ও নেমেছে এই নির্বাচনের প্রচারণা নিয়ে। তারা বলেছিল তাদের কোন রাজনৈতিক ম্যন্ডেট নেই কিন্তু তারা রাজনৈতিক ভাবেই মাঠে নেমেছে এই নির্বাচনে। ফলে রাসিক নির্বাচনে ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রতিটা ধাপে। এতে ধর্মীয় উস্কানিমুলোক প্রচারণা বেড়েছে অনেকাংশেই।

সচেতনতাই পারে এই ধরনের সাম্প্রদায়ীক অপশক্তিকে রুখতে।

– জয় বাংলা।।

৯ thoughts on “রাজশাহীর স্থানীয় নির্বাচনেও ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

  1. যে দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি
    যে দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এখনো বিদ্যমান সেই দেশে এসব কোনই ব্যাপার না।

  2. বাংলাদেশে ধর্মীয় চেতনাকে পণ্য
    বাংলাদেশে ধর্মীয় চেতনাকে পণ্য স্বরূপ ব্যবহার করা হচ্ছে ।!!!!! অশিকাংশ মানুষ এই পণ্য কিনছে নতুন নতুন বিশ্বাস এর মোড়কে । !!!! চেতনা নামক শব্দ টা অনুপস্থিত !!! :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ:

  3. সবাই কমবেশী অন্ধকারকে ভয়
    সবাই কমবেশী অন্ধকারকে ভয় পায়।।যেখানে বিশ্বাসের প্রশ্ন সেখানেই অন্ধকার। অন্ধকার বিশ্বাসের ক্ষেত্রে থাকা না থাকা মূখ্য নয়। বিশ্বাসটাই মূল্য।আমি ধর্ম মানি একটা বিশ্বাস থেকে আর সেই ধর্ম বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও একটা অন্ধকার অনুভূতির বিশ্বাসও আছে। সেই বিশ্বাসকে শক্ত করতে মিথ্যা দিয়ে হলেও ধর্ম বিশ্বাসের দোহাই দেই। সেই অন্ধকার যুগের ছোয়া পাড়ি দিতে দিতে আমরা হারিয়ে যাব। তবুও আলোর দেখা পাবো না।যারা অন্ধকারে আছে তারা অন্ধকারেই রয়ে যাবে।এরা অন্ধকারের দিকেই টানতে থাকবে আর মানুষ মিথ্যার আশায় ঝাপ দিয়ে আত্মাহুতি দিতেই থাকবে।

  4. এখনও ধর্মের রাজনীতি বিদ্যমান
    এখনও ধর্মের রাজনীতি বিদ্যমান ! সত্যি কথা বলতে কি এসব কথা বলতে আর ভাল লাগেনা… এর শেষ কোথায় ?

    1. এর শেষ নাই মুকুল ভাই । কারন
      এর শেষ নাই মুকুল ভাই । কারন জাগ্রত বাঙালি অপেক্ষা ঘুমন্ত বাঙ্গালিরা সংখ্যাই অধিক :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস:

  5. লিটন মেয়র হিসেবে খারাপ না।
    লিটন মেয়র হিসেবে খারাপ না। কিন্তু তার জেতা খুব কঠিন।
    কারণ রাজশাহীবাসী মিনু ছাড়া কিছু বুঝেনা। সে যা বলবে, মানুষ তাই করবে।

    হেফাজতের কথায় কি বাল আসে যায়। কিন্তু বুলবুলের জিতার সম্ভাবনা সর্বাধিক। আর উত্তরবঙ্গে বিএনপির অবস্থান ও শক্তিতো কারো অজানা নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *