উত্তরাধিকার # ৫ম পর্ব

আয়নাটা বিশাল। আয়নার সামনে দাঁড়ালে পুরো শরীরটা এক সাথে দেখা যায়। নুসরাত অবাক হয়ে চিন্তা করে খন্দকার আরিফুর রহমানের রুচির কথা। মানুষটা আসলেও অনেক রুচিবান ছিল।

নুসরাতকে যেই রুমটাতে থাকতে দেওয়া হয়েছে সেই রুমটা জমিদারবাড়ির অন্য রুমগুলোর তুলনায় বড় না হলেও অনেক গোছানো। খুব টিপটপ করে সাজানো। ঘরটা গোছানোতে কেমন যেন মেয়েলী মেয়েলী ছাপ আছে। যদিও এই জমিদারবাড়িতে কোন মেয়ে আছে বলে তো মনে হচ্ছে না। সত্যি বলতে কি মনে হচ্ছে এই বাড়িতে তারাপদ আর আজিজ সাহেব ছাড়া আর কেউ থাকে না।


আয়নাটা বিশাল। আয়নার সামনে দাঁড়ালে পুরো শরীরটা এক সাথে দেখা যায়। নুসরাত অবাক হয়ে চিন্তা করে খন্দকার আরিফুর রহমানের রুচির কথা। মানুষটা আসলেও অনেক রুচিবান ছিল।

নুসরাতকে যেই রুমটাতে থাকতে দেওয়া হয়েছে সেই রুমটা জমিদারবাড়ির অন্য রুমগুলোর তুলনায় বড় না হলেও অনেক গোছানো। খুব টিপটপ করে সাজানো। ঘরটা গোছানোতে কেমন যেন মেয়েলী মেয়েলী ছাপ আছে। যদিও এই জমিদারবাড়িতে কোন মেয়ে আছে বলে তো মনে হচ্ছে না। সত্যি বলতে কি মনে হচ্ছে এই বাড়িতে তারাপদ আর আজিজ সাহেব ছাড়া আর কেউ থাকে না।

অদ্ভুত এক লোক এই আজিজ সাহেব। লোকটাকে প্রথমে খুব জলি মাইন্ডেড মনে হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা চলে যাবে বলবার পর যেই মুখায়বব তিনি দেখিয়েছেন তাতে তাঁকে খুব ভয়ংকর মানুষ বলেই মনে হচ্ছে। যেই ধাঁধা তিনি দিয়েছেন সমাধান করতে সেই ধাঁধাটাকে নুসরাতের খুবই ফালতু মনে হচ্ছে। এটা কিভাবে সম্ভব। নুসরাত তাঁর বাবা-মায়ের কথা স্পষ্ট মনে করতে পারে। তাঁর ছোটবেলার কথাও সে বিস্মৃত হয় নি। আত্মীয়স্বজনের আদর বা বঞ্চনার কথাও ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তাহলে আজিজ সাহেবের দাবী সত্যি হওয়া কিভাবে সম্ভব? নুসরাতের মন বলছে ধাঁধার পুরো ব্যাপারটাই ভুয়া। খন্দকার আজিজের অন্য কোন মতলব আছে এবং সেটা ভয়ঙ্কর না হয়েই যায় না। কথাটা মনে আসতেই শরীরটা কেমন যেন আড়ষ্ট হয়ে গেল।

রুমনের কথা মনে হতেই আড়ষ্ট ভাবটা কেটে গেল। ছেলেটা খারাপ না। সে অনেক তেজ দেখানো সত্ত্বেও ছেলেটা ভাব ধরে নি। রুমনকে একটু বাজিয়ে দেখা যেতে পারে। বাজিয়ে দেখার চিন্তা মাথায় আসতেই নুসরাতের হাসি পেয়ে গেল। এই জমিদারবাড়ি থেকে আদৌ প্রাণ নিয়ে বের হতে পারবে কি না সেই বিষয়েই সে নিশ্চিত নয় আর মনে রোমান্টিসিজমের দোলা লাগছে। মানুষ আসলেও বড় বিচিত্র জীব।

আয়নার দিকে আবার তাকাল নুসরাত। মাত্রই সে গোসল সেরে এসেছে। শরীরে কেবল একটা তোয়ালে জড়ানো। বড় তোয়ালে দিয়ে প্রায় পুরো শরীরটাকেই ঢেকে ফেলা হয়েছে। কেবল পা আর বুকের উপর থেকে খোলা। আচ্ছা, আমি কি খুব সুন্দরী?

প্রশ্নটা নিজেকেই করল নুসরাত। উত্তরটা যে হ্যাঁ সেটা খুব ভালো করেই সে জানে। সে যে সুন্দরী সেটা বলেনি এমন কাউকে আজতক পায় নি। সুন্দরী মেয়েদের বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কর্মক্ষেত্রে সেটা তো আরও বেশি। তাকেও মুখোমুখি হতে হয়েছে। আগে যেই পত্রিকায় চাকরি করত সেটার সম্পাদকের নজর পড়েছিল তাঁর উপর। দারুন একটা অফার পেয়েছিল সে। সম্পাদকের সাথে জাতিসংঘের একটা সন্মেলন কাভার করার সুযোগ। একই হোটেলে থাকবে দুজন। বিনিময়ে দেশে ফিরেই সাব-এডিটরের পোস্টটা তাঁর দখলে চলে আসবে। প্রস্তাবটা ফিরিয়ে দিতে তাঁর এক মুহূর্তও ভাবতে হয় নি। একটা উত্তরই দিয়েছিল সম্পাদককে,

“আপনাকে অনেক শ্রদ্ধা করি। দয়া করে সেই জায়গা থেকে নিজেকে নিচে নামাবেন না।“

চাকরি ছেড়ে দিয়ে কিছুদিন বেকার কাটাতে হয়েছে। সম্পাদক সাহেব ব্যাপারটা অপমান হিসাবেই নিয়েছিলেন তাই তাঁর চাকরি যোগাড় করতে একটু সমস্যাই হয়েছে। হেরে যাওয়া স্বভাবে নেই বলেই হয়ত সে হাল ছাড়ে নি। ঠিকই আরেকটা চাকরি যোগাড় করে নিয়েছে।

আয়নাটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কি মনে করে তোয়ালেটা গা থেকে খুলে বিছানার উপর ফেলে দিল নুসরাত। কিছুক্ষণের জন্য সে ভুলে গেল সমস্ত দুশ্চিন্তা। মন থেকে সমস্ত শুন্যতা বিদায় নিল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে আয়নায় নিজের নগ্নতার সৌন্দর্য অবলোকন করতে করতে সে উপলদ্ধি করল তাঁর শরীর জেগে উঠছে। শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কি এক অজানা শিহরণ প্রবাহিত হওয়া শুরু করেছে। কিসের প্রতীক্ষায় যেন তাঁর প্রতিটি রুমকোপ কেঁপে কেঁপে উঠছে। খোপার চুল লুটিয়ে পড়েছে কোমর পর্যন্ত। সেই চুলের স্পর্শে শিহরণ বাড়ছে বই কমছে না।

সোনালী আলোর ঝলকানিতে নুসরাতের চোখগুলোও সম্ভবত ঝলসে যাচ্ছিল তাই প্রথমে ব্যাপারটা ধরতে পারে নি। হঠাত করেই মনে হল কেউ তাকে দেখছে। ব্যাপারটা মাথায় আসার সাথে সাথেই দ্রুত বিছানা থেকে তোয়ালেটা তুলে নিয়ে নিজেকে ঢেকে ফেলল সে। আয়নার দিকে তাকিয়েই চমকে উঠল। এক মহিলা তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। বিদ্যুৎবেগে পিছনে ফেরা মাত্রই ছবিটা তাঁর চোখে পড়ল। আশ্চর্য, ছবিটা আগে কেন তাঁর চোখে পড়ে নি?

*****
ইদ্রিস বেশ ভালই আছে। গণপিটুনি থেকে বাঁচা গেছে এতেই সে খুশি। জমিদারবাড়িতে পুলিশ আসবে না এই ব্যাপারে সে নিশ্চিত। পুলিশ আর পাবলিকের মাইরের কোন দুশ্চিন্তা নাই তাঁর উপর সম্পত্তিও পাওয়া যেতে পারে ভাবতেই তাঁর ভাল লাগছে। এইসব জমিদাররা লুইচ্চা প্রকৃতির হয়ে থাকে সে জানে। বলা যায় না ছোট হুজুরের বাবা হয়ত কোনকালে তাঁর মায়ের সাথে যৌন খাহেশ মিটিয়েছিল আর তাঁর ফসলই সে। কে তাঁর বাপ তাতে ইদ্রিসের কিছুই আসে যায় না। জন্মের পর থেকে বাবা-মা কাউকেই সে দেখে নি। সত্যি কথা বলতে কে তাঁর বাবা-মা এটাও সে জানে না। ইদ্রিসের মন বলছে খন্দকার বাড়ির উত্তরাধিকারী হবার সম্ভাবনা তাঁরই বেশি। না হলেও সমস্যা নেই। তাঁকে কেউ আটকাতে পারবে না। বিপদ দেখলে ঠিকই সে পালাতে পারবে। ওই দুই বৃদ্ধ তাঁকে আটকে রাখতে পারবে না। বেশি ঝামেলা করলে জায়গামত ছুড়ির দুইটা ঘা বসিয়ে দিলেই হবে। মামলা ডিসমিস।

ঝামেলা হবে না ওই বিদেশী ছেলেটাকে নিয়েও। কিছুটা বোকা কিসিমের পোলা। সেটাকেও ছুড়ি দিয়ে সাইজ করা যাবে। তবে ঝামেলা হবে মেয়েটাকে নিয়ে। মেয়েটাকে ইদ্রিসের বেশ ভাল লেগেছে। এইরকম তেজি মেয়েই তাঁর পছন্দ। এই মেয়েকে সহজে বাগে আনা যাবে না। দরকার কি? রেপ করবে সে। রেপ করার অভিজ্ঞতা তাঁর আগেও হয়েছে। আগে যেই দুইটা মেয়েকে রেপ করেছে তাঁদের কাউকেই সে বাঁচিয়ে রাখে নি। এইসব ব্যাপারে কোন সাক্ষী রাখতে নেই। নারী নির্যাতনের কেইসগুলো খুব মারাত্মক হয়। জামিন পাওয়া যায় না।

*****
খাটটা বিশাল। শোয়ার পর দেখা গেল খাটের অর্ধেকটাই খালি। সাদা চাদরে একফোঁটা ময়লা নেই। আগের দিনের লোকেরা ছোট কোন কিছুই মনে হয় পছন্দ করত না, ভাবল রুমন। বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে আজকের ঘটনাটাই ভাবছিল সে। কোন সন্দেহ নেই, তাঁদেরকে নিয়ে কিছু একটা গেইম খেলা হচ্ছে। মূল খেলোয়াড় অবশ্যই খন্দকার আজিজ। নাকি আরও কেউ আছে? তাঁদেরকে নিয়ে এই ধাঁধা ধাঁধা খেলার পিছনের রহস্য কি? শুধুই কি উত্তরাধিকারী খোঁজা নাকি অন্য কিছু আছে এর পিছনে। ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছে সেটা নিজেও জানে না রুমন।

*****
ঘুমটা কেন ভাঙল জানে না রুমন। তাঁর ঘুম খুব গভীর হয়ে থাকে। এমন কিছু নিশ্চই ঘটেছে যা তাঁর অবচেতন মনে আঘাত করে তাঁকে জাগিয়ে দিয়েছে। কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে শুয়ে থেকে ঘুমের ঘোরটা কাটাতে চেষ্টা করল সে। তখনই প্রথম শব্দটা কানে আসল। কেউ কাঁদছে। নাকি গান গাইছে? বুঝতে পারল না রুমন। নিঃশব্দে উঠে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে শব্দের উৎসের দিকে এগুতে থাকল সে। তাঁকে থাকতে দেওয়া হয়েছে তিনতলার একটা ঘরে। শব্দটা আসছে সম্ভবত নিচতলার কোন ঘর থেকে। অন্ধকারের মধ্যেই দেয়াল হাতড়ে হাতড়ে শব্দের উৎসের দিকে এগুতে থাকল সে। পায়ের নিচে সিঁড়ি ঠেকল। সিঁড়ি বেয়ে যতই নিচে নামছে ততই শব্দ জোরালো হচ্ছে। কেউ কাঁদতে কাঁদতে গান গাইছে। আশ্চর্য নুপুরের শব্দ শোনা যাচ্ছে কেন? নাচছে নাকি কেউ?

রুমন ধারণা করল সে শব্দের উৎসের কাছে চলে এসেছে। একটা দরজার সামনে সে দাঁড়িয়ে আছে। দরজার ওপাশ থেকে গানের শব্দের সাথে সাথে অনেক লোকের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে দরজার ওপাশে কোন উৎসব হচ্ছে। দরজাটা খুলবে নাকি খুলবে না সেটা কিছুক্ষণ ভাবল সে। অবশেষে কৌতূহলের কাছে পরাজিত হতে বাধ্য হল। দরজাটা ধাক্কা দিয়ে খুলে ফেলল রুমন এবং থমকে গেল। চোখের সামনে যা দেখছে তাঁর জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। (……চলবে)

উত্তরাধিকার # ৪র্থ পর্ব

১৮ thoughts on “উত্তরাধিকার # ৫ম পর্ব

  1. আবারো অপেক্ষা করতে ভালোই
    আবারো অপেক্ষা করতে ভালোই লাগছে। জমে গেছে। একটা কথা বলে নেই, কোন লেখক কিন্তু কাউকে অনুসরন করে না তিনি তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনা থেকেই লিখেন আর তেমনি আপনিও। এই কথাটি বলার উদ্দেশ্য হলো একদম লাস্টে এসে যখন আপনি বাইজী ঘরে রুমনকে ঠেলে দিলেন তখন আপনাআপনিই মনে বেজে উঠলো “আমি যে তোমার.. শুধু যে তোমার……”
    যেহেতু একইরকম কিছু আগে দেখেছি সুতরাং সেটি মনে আচমকা বেজে উঠতেই পারে।

    (*** মিয়া প্রথম প্যারাতে পুরাই হর্নি বানাইয়া ফালাইছিলেন :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: )

    1. বাইজী ঘর? বাইজী ঘরের কথা
      বাইজী ঘর? :খাইছে: বাইজী ঘরের কথা আমি কখন বললাম? :মাথানষ্ট:
      আপনে এত লুজ কিল্লাই? এত তাড়াতাড়ি কেউ হর্নি হয় নাকি? :শয়তান:

      1. ঐ যে দরজার ওপাশেরটা কিসের
        ঐ যে দরজার ওপাশেরটা কিসের ঘর?
        লুজের কি আছে? বয়স বাড়তেছে, যৌবনের পাহাড়ের ভেতরে আগ্নেয়গিরি ফুটতাছে, পুরুষ বইলা কথা হর্নি হমু না তো কি হমু? :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

  2. নূসরাতের ঘটনা বেশ চমৎকার
    নূসরাতের ঘটনা বেশ চমৎকার লাগছে। একটু বেখায়ালি হয়ে লাস্টে ডরাইছি :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা:

    আর কিছু কমুনা। চালায়ে যাও …দরজার ওপাশে নাচাগানা হচ্ছে ,তাই না? এত রাইতে আর নাচ গান দেহুম না। পরের পর্বে দেখাইও :দেখুমনা:

    গল্প উত্তম হচ্ছে :ফুল:

    1. নাচাগানা দেখার এত শখ কেনু?
      :মানেকি: নাচাগানা দেখার এত শখ কেনু? আপনে তো মিয়া লোক ভালু না :চিন্তায়আছি:
      প্রশংসার জন্য ধইন্যা :ধইন্যাপাতা:

  3. কৌতূহল বাড়াচ্ছেন। পাঠক আকর্ষণ
    কৌতূহল বাড়াচ্ছেন। পাঠক আকর্ষণ বোধ করছে, কিন্তু নুস্রাতের যে বর্ণনা দিলেন সেটা একেবারেই বেখাপ্পা অতিরঞ্জিত মনে হয়েছে। হঠাৎ তারা এমন এক পরিস্থিতিতে পড়ল যেখান থেকে জীবিত বের হতে পারবে কিনা সন্দেহ সেখানে সে সৌখিন ভঙ্গিতে টাউল পেঁচিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াবে, অন্য ছেলে বা নিজের শরীরের কামনা বাসনা নিয়ে ভাববে বড্ড বেশি বেমানান লেগেছে আমার কাছে। এক পর্যায়ে মনে হয়েছে যেন কাহিনীতে অন্য আবেদন আনার জন্য স্বেচ্ছাকৃত ভাবে কাজটি করা হয়েছে। না করলেই পারফেক্ট হত।
    অন্যভাবে নিবেন না, সমালোচনা করেছি মাত্র।

    অন্য সব কিছু ভালই লেগেছে। :গোলাপ:

    1. নুসরাত কিন্তু স্বেচ্ছায় এমন
      নুসরাত কিন্তু স্বেচ্ছায় এমন করে নি। ঘরের পরিবেশে এমন কিছু ছিল যা কি না তাঁকে এমন করতে বাধ্য করেছে। ভৌতিক বাড়িতে অনেক কিছুই হতে পারে রে ভাই। মন তো আর সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

  4. ভালই হচ্ছে। শেষ পার্ট কবে
    ভালই হচ্ছে। শেষ পার্ট কবে প​ড়িব হে গুনি লেখক? :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    1. অপেক্ষা করছেন তো? করতে থাকুন।
      অপেক্ষা করছেন তো? করতে থাকুন। আমি নিজেও জানি না কবে শেষ হবে। যেদিন বুঝতে পারব যে আর টানতে পারছি না, সেদিন দুম করে শেষ করে দিব। এমন অভ্যাস আমার আছে। আসলে ধারাবাহিক লেখা খুব ঝামেলার কাজ। যতদিন গল্প শেষ না হয় ততদিন মনের উপর অনেক প্রেশার পড়ে। :মনখারাপ:

  5. চমৎকার লাগল। আসলেই বেশ
    চমৎকার লাগল। আসলেই বেশ চমকপ্রদ হচ্ছে কাহিনী। পাঠক জমে পুরা পাত্থর হয়ে গেছে। :ভালুবাশি: :বুখেআয়বাবুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *