স্বপ্নভঙ্গের গণজাগরন!!!

১৯৪৭ সাল, ব্রিটিশ রাজেরা এই উপমহাদেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ করলো। ভারত, পাকিস্তান নামে দুটি দেশ হলো, স্বাধীনতা পেলো তারা।



১৯৪৭ সাল, ব্রিটিশ রাজেরা এই উপমহাদেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ করলো। ভারত, পাকিস্তান নামে দুটি দেশ হলো, স্বাধীনতা পেলো তারা।

কিন্তু সেই স্বাধীনতার স্বাদ পেলো না পূর্ব বাংলার মানুষেরা, পদে পদে শোষণের ছাপ দেখতে পেলো। শোষণ যখন নিজের মায়ের ভাষার উপর চাপতে লাগল ক্ষোভে ফেটে পড়লো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানিরা। রক্ত ঝরিয়ে ইতিহাসের পাতায় বাংলা ভাষার নাম লিখে গেলেন শহীদেরা।

পশ্চিম পাকিস্তানীরা বুঝতে পারলো পূর্ব পাকিস্তানকে যদি মুহুর্তেই দমানো না যায় তাহলে বিপদের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে, শুরু হলো শোষণের পাল্লা ভারী করার কাজ। যতবারই পাল্লা ভারী করতে চাইল তারা ততবারই প্রতিবাদ করে আন্দোলন গড়ে রক্ত দিতে থাকলো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানিরা। ১৯৫৪, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এ সময়ে যতবারই শোষণের পাল্লা ভারী করতে চাইলো পশ্চিম পাকিস্তানীরা, ততবারই পূর্ব পাকিস্তানিরা আন্দোলন করল, রক্ত ঝরালো। এরপর ১৯৭১-এ পূর্ব পাকিস্তানিরা মরণ কামড় বসাতে উদ্যত হলো, মার্চ ৭ জাতির কান্ডারী মহামঞ্চে এসে এই জাতির স্বাধীনতার ডাক দিয়ে গেলেন।

ভীত-সন্ত্রস্থ পশ্চিম পাকিস্তানীরা, সকলরকম পূর্ব-পরিকল্পনা করে হামলে পড়লো ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে। ঘুমন্ত বাঙালীর উপর দিয়ে বয়ে যায় ইতিহাসের ভয়াল এক কালো রাত। গণহত্যা নাম শুনলেও পরদিন ২৬ মার্চ দেখতে পায় গণহত্যাযজ্ঞের আসল রুপ।

এরপর শুরু হয়ে গেলো যুদ্ধ। দেশ স্বাধীন করার যুদ্ধ, মাতৃভুমি রক্ষার যুদ্ধ। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। সারা বিশ্বজুড়ে সেইসময়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল এই যুদ্ধ।


আলোড়ন ফেলেছিল এই যুদ্ধের ফলে অভুক্ত শরনার্থীদের ভিনদেশে আশ্রয়ের চিত্র,


আলোড়ন ফেলেছিল পাকিস্তানি হায়েনাদের হাতে নিরস্ত্র বাঙালিদের মৃত্যু, উঠে এসেছিল লাখো শহীদদের লাশ,


উঠে এসেছিল বীরাঙ্গনাদের লোমহর্ষক চিত্র।
সবকিছু ছাপিয়ে মরণপণ বাঙ্গালীদের রুখে রাখার ক্ষমতা আর পাকিস্তানিদের হয়নি।


চুড়ান্ত হার মেনে পরাজয় বরণ করে নিল পাকিস্তানিরা জন্ম হলো স্বাধীন একটি দেশের, আমাদের সোনার বাংলাদেশের। স্বাধীন হলেও, বিজয়ী হলেও ভুলতে পারলো না দীর্ঘ নয়টি মাসের যন্ত্রণা। তারা সেই সময়ে এই দেশের পাকিস্তানি দালালদের বিচার চাইলো, তাদের বিচারের আশ্বাস দিলেন এই জাতির পিতা। পরাজিত হয়ে থেমে থাকেনি পাকিস্তানিরা, তারা এবার গোপনে এই দেশ ধ্বংস করার পায়তারা করলো। তারা তাদের সকল বন্ধুদের সাহায্য নিতে শুরু করলো। এই দিকে দেশ গড়ায় আর পাকিস্তানি দালালদের বিচারের কাজে ব্যস্ত বাঙালি জাতির জনক। কিন্তু তাঁকে সেই সময় দেওয়া হলো না, দেশী-বিদেশী চক্রান্তে জর্জরিত হতে হতে একদিন স্বপরিবারে নিহত হলেন জাতির পিতা। ঘোর অমানিশায় পড়ে গেলো জাতি, মীরজাফরেরা মিলে একে একে নতুন থেকে নতুনতর পদ্ধতিতে শোষণ করতে লাগলো এই জাতিকে। শোষণ সইতে সইতে পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায় তখন আবারো জেগে উঠে এই জাতি। আন্দোলন করে, রক্ত দেয়, জীবন দেয় শোষণের হাত থেকে মুক্তি পাবার আশায়। কিন্তু যখন মুক্তির বদলে নতুনরুপের বন্দী শেকল আসে সেই পুরোনো শকুন থেকে, তখন তাদের দমাতে আবারো জাগে এই জাতি। ছেলে হারা মায়ের বুক কেঁপে উঠে, কেঁপে উঠে স্বামী হারা স্ত্রীর বুক, ভাই হারা ভাইয়ের বুক, সম্ভ্রম হারানো নারী জেগে উঠে ক্ষোভে।


অথচ সেই জেগে উঠাকে দমিয়ে দেয় পাকি দালালদের দোসরেরা, যাঁর ডাকে জেগেছিল এই বাংলা সেই শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যায়িত করে দেয় তারা। মাথায় অপবাদ নিয়ে জননী আমাদের ছেড়ে চলে যান। ঝিমিয়ে পড়ে জাতি। মাঝে মাঝে একটুখানি আশায় বুক বাঁধে আবার খানিকবাদেই ঝিমিয়ে পড়ে সেই আশা। এভাবে বারবার আশাগুলোকে ঝিমিয়ে রাখতে রাখতে একসময় একটু নীরব আকারে আওয়াজ দেয় আশাগুলি। নীরব আওয়াজে কাজ হয়ে যাওয়াতে আশার সঞ্চার হয় এই জাতির। হঠাৎ যখন সেই আশাতে একটু আঘাত লাগে ঠিক তখনই ৪২ বছর ধরে জমে থাকা সব ক্ষোভ একসাথে হয়ে উঠে প্রবল জোরে চিৎকার দেয় সারা বাংলাজুড়ে, ঠিক যেমনটি নবজাত শিশু দীর্ঘদিন গর্ভে থাকার পর পৃথিবীর আলো দেখে চিৎকার করে কেঁদে উঠে মায়ের কোলজুড়ে। সেই আওয়াজে সাড়া দিতে ছুটে আসে এই জাতির সকল স্তরের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষ, যেমনটি নতুন শিশুকে দেখতে ছুটে আসে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন। স্বপ্ন দেখে তারা, যারা ৪২ টি বছর ধরে কুঁকড়ে কেঁদে মরছিলো বিচারের আশায়। স্বপ্ন দেখে তারা যারা এই দেশের স্বাধীনতায় মনে প্রাণে বিশ্বাস করে, এমনকি বাদ সেই স্বপ্নের ভাগীদার হতে চলে আসে মাসুম বাচ্চারাও। দিন নেই রাত নেই, নাওয়া নেই খাওয়া নেই, কেবল শ্লোগানে মুখর আর জাগরন তৈরী চলছে সারা দেশজুড়ে। ভয়ে শিউরে উঠেছিল পাকি পিশাচেরা, দিনের আলোয় প্রকাশ্যে বের হওয়া তাদের জন্য দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই স্বপ্নের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বাজে কথা বলে রেহায় পায়নি কেউই। সেই স্বপ্ন যখন কারো হাতে তুলে দেয়া হলো, তারা যেভাবে নিতে চাইলো পুরো জাতির স্বপ্ন সেভাবে ঘুরতে থাকলো। কিন্তু এই জাতির ইতিহাসে তো আন্দোলন মানেই রক্ত, আন্দোলন মানেই প্রাণ বিসর্জন। এবারেও অন্যথা হয়নি, রক্ত ঝরলো, জীবন দিলো কিন্তু স্বপ্ন পুরণ হচ্ছে না। আস্তে আস্তে ঝিমিয়ে পড়তে লাগলো স্বপ্ন, বহু ক্রোশ পাড়ি দিয়ে আসা ক্লান্ত পথিকের ন্যায় ঝিমিয়ে পড়তে লাগলো। ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে দেখতে লাগলো এতোদিন কি কি করেছে, কতজনের হাত বদল হয়েছে, কিভাবে হয়েছে, কখন হয়েছে এসব। যারা স্বপ্নের হিসাব চাইলো তাদের কৌশলে অপবাদ লাগিয়ে দেয়া হলো কিনবা কৌশলে সরিয়ে দেয়া হলো। দাবার খেলা শুরু হলো, সৈন্য মারে তো সৈন্য মারো আবার তাকে বাঁচিয়ে তোলো। এরপর সেই দাবার খেলা দেখতে দেখতে বাকী স্বপ্নগুলো আরো ঝিমিয়ে পড়তে শুরু করলো। এখন চরম ভয় জাগছে স্বপ্নগুলোর মনে কখন না জানি পুরোই ঘুমিয়ে যায় তারা।

(এই লেখার মূল সারসংক্ষেপ হলো যেই কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবীতে শাহবাগ জেগেছিল ৬০ দিন পার হয়ে গেলেও তা নিয়ে স্বপ্নরা জাগছে না। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল ধীরে ধীরে নিজেদের মধ্যে কাদা ছুড়াছুড়ির ফলে ক্লান্ত হয়ে ঝিমিয়ে পড়ছে অন্য স্বপ্নগুলো। ৪২ বছর ধরে জমে থাকা যে আশা আর স্বপ্ন এই বাংলার জনগন তুলে দিয়েছিলো আমাদের হাতে সেই আশা আর স্বপ্নগুলো কি আমরা রক্ষা করতে পারবো? কথা ছিলো এই গণজাগরণ নিয়ে কোন নোংরা রাজনীতি হবে না কিন্তু আমরা এখন কি দেখতে পারছি? যে যার যার আখের গোটা গুছিয়ে নেওয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। একদিন যখন এই জাতি তাদের স্বপ্নের হিসাব চাইবে তখন কি উত্তর দিবো আমরা?)

৩২ thoughts on “স্বপ্নভঙ্গের গণজাগরন!!!

  1. আমার মনে হয় শিরোনামের মত করে
    আমার মনে হয় শিরোনামের মত করে বলার মত সময় এখনও আসে নি…
    আমি আশাবাদী তাই খুব স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছা করে যে অন্তত এইবার বাঙ্গালী ব্যর্থ হয় নাই!!

    1. অনেকদিন পর ফেসবুকে ঢুকে গত
      অনেকদিন পর ফেসবুকে ঢুকে গত দুইদিন সকল কিছু জেনেছি, একদিকে ডাক্তার আইজু নানানভাবে দোষী করেই যাচ্ছে অপরদিকে কেউ সেই দোষের যথাযথ উত্তর না দিয়ে প্রতিহিংসা পরায়ন হচ্ছে।
      তাই মনে সন্দেহ জাগছে।

  2. বেশ কিছু ব্যাপারে বোয়ান ভুল
    বেশ কিছু ব্যাপারে বোয়ান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
    এছাড়া
    আওয়ামী সরকারের বর্ণচোরা মনোভাব বাকিসব নষ্ট করে দিল।
    :মাথাঠুকি:

    1. আওয়ামী সরকার আর কিইবা করবে?
      আওয়ামী সরকার আর কিইবা করবে? অন্তত এইটাই কি কম সৌভাগ্যের ব্যাপার যে টানা এক মাস আন্দোলন চালাতে পেরেছি আমরা, ১৯৯২ এর মত পুলিশ এসে পিটায়নি।

  3. সপ্ন নষ্ট হওয়ার মতো এখন কিছু
    সপ্ন নষ্ট হওয়ার মতো এখন কিছু হয় নি, বরং সপ্ন নষ্ট হওয়ার এখন অনেক কিছু বাকি ।।।

  4. শাহবাগ থেকে প্রাপ্তি- আমরা যে
    শাহবাগ থেকে প্রাপ্তি- আমরা যে এক হয়ে প্রতিবাদ জানাতে ভুলে যাইনি সেটা আবার প্রমাণ হোল। বাকিটা ভবিষ্যৎ বলে দেবে।

    1. এক হয়ে প্রতিবাদ জানাতে আমরা
      এক হয়ে প্রতিবাদ জানাতে আমরা জানি সেটার প্রমাণ শাহবাগ কিন্তু এক হয়ে মোকাবেলা করতে পারি সকল বিভেদ ভুলে সেটার প্রমাণ ফেসবুক ক্যাচাল।

  5. স্বপ্ন কখনো ভাঙে না। স্বপ্ন
    স্বপ্ন কখনো ভাঙে না। স্বপ্ন সত্য করার দায়ীত্ব আপনার নিজের। আপনি যদি চান তাহলে কোন স্বপ্নই ভাঙবে না। গণজাগরণ আছে, থাকবে।

    1. এতো বিশাল স্বপ্ন কারো একক
      এতো বিশাল স্বপ্ন কারো একক ব্যক্তিগত নয়। লাখো বাঙালীর স্বপ্ন, লাখো বাঙ্গালিকে এক হয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হবে।

  6. দুঃখের বিষয়, এই ইতিহাসগুলো
    দুঃখের বিষয়, এই ইতিহাসগুলো দেশের বিরাট একটা অংশ ভুলে গেছে অথবা ভুলে যেতে চায়।
    বলে ৪২ বছর পর এগুলো নিয়ে মাতামাতির কি দরকার?

    ফলে একটা বিরাট অংশ দেশকে নয়, ভালবাসে কয়েকটা বিশ্বাসঘাতক রাজাকারদের আর তাদের দোসরদের।

    আফসোস দেশকে কলংকমুক্ত করার স্বপ্নে যে তরুনেরা জেগেছিল, তারা আজ শতধা বিভক্ত।

    তবু স্বপ্ন দেখি বাংলা রাজাকার মুক্ত হবেই।

    1. আফসোস দেশকে কলংকমুক্ত করার

      আফসোস দেশকে কলংকমুক্ত করার স্বপ্নে যে তরুনেরা জেগেছিল, তারা আজ শতধা বিভক্ত।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  7. স্বপ্নেরা ঝিমিয়ে পড়ে কিন্তু
    স্বপ্নেরা ঝিমিয়ে পড়ে কিন্তু হারিয়ে যায় না। জেগে ছিলাম, আছি, থাকব।

    1. স্বপ্নেরা ঝিমিয়ে পড়ে কিন্তু

      স্বপ্নেরা ঝিমিয়ে পড়ে কিন্তু হারিয়ে যায় না। জেগে ছিলাম, আছি, থাকব।

      :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

  8. যুগে যুগে সত্যের জয় হয়েছে।
    যুগে যুগে সত্যের জয় হয়েছে। এবার ও হবে ।

    বাঙ্গালিকে কোন আন্দোলনে কেউ দমাতে পারেনি। একটু দেরি হলেও জয় আমাদের ই হয়েছে।

    আমরা আবার জিতব। ওদের বিচার হবেই
    :থাম্বসআপ: । সত্যের জয় হবেই।

    1. আমরা আবার জিতব। ওদের বিচার

      আমরা আবার জিতব। ওদের বিচার হবেই

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

      1. আমি নতুন তো তাই একটু হেল্প
        আমি নতুন তো তাই একটু হেল্প করেন

        লিখা টুকু যে সবুজ রং ঐ টা কি করে দিয়েছেন।

        1. মন্তব্য করার সময় বা পোস্ট
          মন্তব্য করার সময় বা পোস্ট লেখার সময় দেখবেন > ” < এরকম একটা চিহ্ন আছে, যেটাতে মাউস নিয়ে দেখাবে {Quote (Alt+Q)}। এটা কারো লেখা উদ্ধৃত হিসেবে ব্যবহার করতে ব্যবহৃত হয়।

          1. ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি
            ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন শিকল টানুন-এ গিয়ে।

  9. যে স্বপ্ন; ভেঙ্গে যায়, সে
    যে স্বপ্ন; ভেঙ্গে যায়, সে স্বপ্ন; দেখার চাইতে; না দেখাই ভালো। আপনারা কি জানতেন না; যাদের হাতে; সারা বাংলার মানুষ; তাদের; ৪২ বছরের; আশা-আকাংখা তুলে দিয়েছে; তারা; ধুলিস্যাত করে দিতে; একবারও ভাববে না; নিজেদের হীন স্বার্থের তরে? এর দায়; এড়িয়ে যেতে পারবেন না; এটা; মনে রাখবেন। আপনারা প্রত্যেকেই; কম-বেশী যেহেতু জড়িত; তাই; এর দায় এড়ানো; সহজ নয়।

  10. আপনার কথার সাথে কোনভাবেই একমত
    আপনার কথার সাথে কোনভাবেই একমত হতে পারলাম না। স্বপ্ন দেখতে সমস্যা কই? মানুষ স্বপ্ন দেখেই তো আগামীর পথে পা বাড়ায়।

    আর এড়িয়ে যাবার কি আছে? হ্যাঁ আমরা ছিলাম। আমরা ঐ গণজাগরণ মঞ্চের জন্য দিন-রাত এক করে খেটেছি স্বপ্ন পূরণের জন্য কিন্তু যখন তারা এই স্বপ্ন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে লাগল ভাই-ভাই কমিটির মাধ্যমে তখনই সরে দাঁড়িয়েছি, প্রতিবাদ করেছি।

    1. আপনি; একমত হবেন কি হবেন না,
      আপনি; একমত হবেন কি হবেন না, সেটি; সম্পূর্ণ; আপনার; ব্যক্তিকেন্দ্রিক অবস্থান। আপনার লেখায়; মন্তব্য করে জানালাম; আমার অবস্থান। স্বপ্ন দেখেন; কিন্তু; সেই স্বপ্ন; অন্যের হাতে; তুলে দেবার মানে কি; যাকে; আপনি জানেনই না; সে; আপনার স্বপ্ন; পূরণে কতটা; যোগ্যতা সম্পন্ন!

      সরে দাঁড়িয়ে, প্রতিবাদ করে; লাখো বাঙালীর; স্বপ্নভঙ্গের দায় কি; এড়িয়ে যেতে চাইছেন না?

      1. এখানে আমার দ্বিমত আছে।
        এখানে আমার দ্বিমত আছে।

        বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন আজ এই সেই বাংলাতেই আমি আছি।
        তিনি গ্রেফতার হন,তার স্বপ্ন পুর্ন করার দ্বায়িত্ব দিয়ে যান এই বাঙ্গালি যোদ্ধাদের হাতে। তিনি কি তাদের ব্যক্তিগত ভাবে চিন্তেন ?? না চিন্তেন না ।
        কিন্তু তার স্বপ্ন তো পুর্ন হল।

        তিনি কি ভেবে ঐ দ্বায়িত্ব দিয়েছিলেন? এই ভেবে যে সেও একই স্বপ্ন দেখে তার মত।

        আমাদের বিভিন্ন জনের বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও এক জায়গায় আমাদের মতের মিল তা হল যুদ্ধাপরাধিদের ফাসি,

  11. আমরা আবার জিতব। ওদের বিচার

    আমরা আবার জিতব। ওদের বিচার হবেই

    কিন্তু বিচারের রায় কাজ্জকর হইব না , কারো ফাঁশি হইব না, জাতিতে আমারা হইলাম চুতিয়া, আর কিছু দিন পরে আমাদের মনে থাকবো না আমারা কি চাইছিলাম।

    1. “””””” আর কিছু দিন পরে আমাদের
      “””””” আর কিছু দিন পরে আমাদের মনে থাকবো না আমারা কি চাইছিলাম।””””””””

      সহ মত কিন্তু এটা তো অন্য ঘটনা নয়
      এটা যে মুক্তিযুধাপরাধিদের নিয়ে

      এটা সহজে ভুলব না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *