উত্তরাধিকার # ৪র্থ পর্ব

“আমার দাদা খন্দকার সাইফুর রহমান কিভাবে মারা যায় জানেন নিশ্চই?”

প্রশ্নটা করে সবার দিকে একবার করে চোখ বুলিয়ে আবার নিজের পাইপে টান দিলেন খন্দকার আজিজ আব্দুর রহমান। পাইপ টানার এই বনেদিয়ানাটুকু তিনি খুবই উপভোগ করেন। জমিদারবাড়ির ড্রয়িংরুমে বসে তিনি সবাইকে তাঁর গল্প শোনাচ্ছেন। শ্রোতা হিসেবে যেই তিনজন তাঁর সামনে বসে আছে তাঁরা মনোযোগ দিয়ে কথা শুনছে দেখে খুশি হলেন। কেবল ইদ্রসিকেই কিছুটা উস্কুখুস্কু করতে দেখা যাচ্ছে। ছেলে এবং মেয়েটার নার্ভ বেশ শক্ত। কেমন নির্বিকারভাবে বসে তাঁর কথা শুনছে।

“শুনেছি আপনার দাদাকে পুড়িয়ে মেরেছিল গ্রামবাসী। কথাটা কি সত্যি?”


“আমার দাদা খন্দকার সাইফুর রহমান কিভাবে মারা যায় জানেন নিশ্চই?”

প্রশ্নটা করে সবার দিকে একবার করে চোখ বুলিয়ে আবার নিজের পাইপে টান দিলেন খন্দকার আজিজ আব্দুর রহমান। পাইপ টানার এই বনেদিয়ানাটুকু তিনি খুবই উপভোগ করেন। জমিদারবাড়ির ড্রয়িংরুমে বসে তিনি সবাইকে তাঁর গল্প শোনাচ্ছেন। শ্রোতা হিসেবে যেই তিনজন তাঁর সামনে বসে আছে তাঁরা মনোযোগ দিয়ে কথা শুনছে দেখে খুশি হলেন। কেবল ইদ্রসিকেই কিছুটা উস্কুখুস্কু করতে দেখা যাচ্ছে। ছেলে এবং মেয়েটার নার্ভ বেশ শক্ত। কেমন নির্বিকারভাবে বসে তাঁর কথা শুনছে।

“শুনেছি আপনার দাদাকে পুড়িয়ে মেরেছিল গ্রামবাসী। কথাটা কি সত্যি?”

সাংবাদিক মেয়েটার উত্তর দেওয়ার মাঝে মেয়েটার মনের মানসিক দৃঢ়তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মেয়েটাকে আজিজ সাহেবের ভাল লেগেছে।

“হ্যাঁ, সত্যি। কিন্তু তার থেকেও বেশি সত্যি কেউ কিন্তু এই বাড়ি থেকে কিছুই লুটপাট করে নি। এই বাড়ি গ্রামের লোকজন পুড়িয়ে ফেলেছিল। কেন জানেন?”

“কেন?”

প্রশ্নটা রুমনের। ছেলেটা এই প্রথম কোন প্রশ্ন করল। এতক্ষণ মেয়েটাই প্রশ্ন করে যাচ্ছিল।

“ভয়ে। সবাই এই বাড়িকে অভিশপ্ত বাড়ি হিসাবেই জানে। এই বাড়ির কোন জিনিস নিয়ে কেউ অভিশাপের ভাগীদার হতে চায় নি। আমার বাবা কলকাতায় থাকতেন। দাদার মৃত্যুর পর তিনি এখানে এসে থাকা শুরু করেন। তিনিই এই বাড়ি মেরামত করেন। মেরামতের পর অবশ্য বাড়ির সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়।“

“আপনি বলেছিলেন আমাদের জন্য একটা ধাঁধাঁ আছে। কি সেটা?”

নুসরাত আবার কথা বলে উঠল। মুচকি হাসলেন খন্দকার আজিজ,

“বলছি, এত অস্থির হবার কিছু নেই। আমার বাবা খুব শৌখিন মানুষ ছিলেন। কেবলমাত্র আসবাবের ব্যাপারেই নন, নারীদের ব্যাপারেও তার রুচিবোধ ছিল অসাধারণ। খুব বাচ্চা বয়স থেকেই আমি আমাদের বাসায় অনেক সুন্দরী রমণী দেখেছি। সোজা কথায় বাবার বহুগামিতার স্বভাব ছিল এবং সেটা লুকানোর কোন ইচ্ছেই তাঁর ছিল না। আমার মা কান্নাকাটি করতেন কিন্তু কখনও প্রতিবাদ করতেন না। জানতেন প্রতিবাদ করে কোন কাজ হবে না। শেষ পর্যন্ত সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যাই করে বসেন। আমার মায়ের লাশ আমি দেখি নি, হয়ত সহ্য করতে পারতাম না।“

একটু বিরতি দিয়ে আবার শুরু করলেন খন্দকার আজিজ,

“এখন যা বলব খুব মন দিয়ে শুনুন। আমার বাবা অনেক নারীকেই উপভোগ করেছিলেন। তবে তাঁদের মধ্যে কিরণবালা নামের একজন ছিল একদম আলাদা। বাবা সম্ভবত তাকে ভালোবাসতেন। বছরে একবারই বর্ষার সময় কলকাতা থেকে কিরণবালা আসত আমাদের এই জমিদারবাড়িতে এবং পুরো বর্ষাকালটা কাটিয়ে আবার কলকাতায় ফিরে যেত। অবাক ব্যাপার হচ্ছে আম্মার সাথে কিরণবালার কিভাবে যেন খুব ভাব হয়ে যায়। সেই সুত্রে কিরণবালাকে আমার কাছে ঘেঁষতে দিতে আম্মার কোন আপত্তি ছিল না। অদ্ভুত এক মহিলা ছিল এই কিরণবালা। দুর্বোধ্য এক ব্যক্তিত্তের চাদরে নিজেকে আবৃত রাখত সে যা কোন বাইজীর কাছ থেকে আশা করা যায় না। আমাকে অনেক স্নেহ করত সে।

অন্য সব মেয়েদেরকে বাবা বাড়ি থেকেই বিদায় দিতেন, কিন্তু কিরণবালাকে বিদায় জানাতে বাবা নিজে রেলষ্টেশনে যেতেন। এভাবেই একবার বিদায় জানাতে গিয়ে বাবা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান। অনেকে বলে বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল কেউ। আবার অনেকের মতে এটা আমাদের বংশের উপর অভিশাপের পরিণতি। ঘটনা যাই হোক না কেন এর পর থেকে আর কখনও কিরণবালাকে দেখা যায় নি। কলকাতায় গিয়েই সে হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।“

পাইপে তামাক ভরে সবার দিকে তাকালেন জনাব আজিজ। সবাই গোগ্রাসে তাঁর কথাগুলো গিলছে। আবার শুরু করলেন তিনি,

“ধাঁধাঁ শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন সবাই, তাই না? প্রস্তুত হোন। আমরা কেউই যেটা জানতাম না তা হল কিরণবালার গর্ভে বাবার এক ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। অর্থাৎ আমার সৎ ভাই। বাবা মারা যাবার সময় সেই ছেলে কিরণবালার গর্ভে ছিল। কিরণবালাও বাবাকে খুব ভালবাসত তাই ছেলেকে মানুষ করবার জন্য নিরুদ্দেশ হয়ে যায় এবং সেই সন্তানকে প্রতিষ্ঠিতও করে। সেই সন্তান এক নতুন পরিচয়ে বড় হয়। দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে ছেলের চরিত্রেও বাবার ছাপ পড়ে। ফলাফল সেই পিতার পথ ধরে পুত্রের বহুগামিতা। এবং সেই বহুগামিতার ফসল আপনাদের তিনজনের মাঝে একজন। অর্থাৎ আপনাদের তিনজনের একজনের শরীরে আমার বংশের রক্ত বইছে। প্রশ্ন হচ্ছে কে সেই জন? এটাই আপনাদের জন্য ধাঁধাঁ। এই ধাঁধার উত্তর যিনি দিতে পারবেন আইনত তিনিই আমার বংশের শেষ উত্তরাধিকারী। মৃত্যুর আগে আমি তাকেই সবকিছু বুঝিয়ে দিয়ে যেতে চাই।“

ঘরে বাজ পড়লেও এতটা অবাক মনে হয় কেউ হত না। সবাই হতম্ভব। এমন কিছু শোনার জন্য কেউই প্রস্তুত ছিল না। নিজের জন্মপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠলে কে না চমকে যাবে? প্রথমবারের মত কথা বলল ইদ্রসি,

“ছোট হুজুর। এইটা কিন্তু আপনি বেশি বলে ফেললেন।আমি ডাকাত হতে পারি কিন্তু আমার বাপ কে সেইটা আমি জানি।“

“কি বলছেন এইসব। আপনার মাথা কি ঠিক আছে?”

চিৎকার করে উঠল নুসরাত। সে আসলেও শকড। কেবল রুমনকেই শান্ত দেখা গেল।

“দেখুন মিস্টার আজিজ। আপনি যা বলছেন তাঁর কি কোন ভিত্তি আছে? এভাবে আমাদের জন্মপরিচয়ের উপর আঘাত করাটা কি আপনার ঠিক হচ্ছে? আপনার দাবির স্বপক্ষে আপনার কি কি যুক্তি আছে সেটা কি বলবেন?”

খন্দকার আজিজ সাহেবের মুখে এখনও মৃদু হাসিটা লেগে আছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে ব্যাপারটা তিনি খুব উপভোগ করছেন।

“অবশ্যই আছে। তবে সেটা বের করবার দায়িত্ত আপনাদের। এটাই তো আপনাদের ধাঁধাঁ? কেন, ধাঁধাঁটা পছন্দ হচ্ছে না? খুব কঠিন লাগছে? সমাধান করতে পারবেন না?”

“সমাধান করবার কোন ইচ্ছেই হচ্ছে না। আপনি যেহেতু কিছুই বলবেন না তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমি এখানে আর এক মুহূর্তও থাকছি না। আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।“

রুমন তাঁর ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে দরজার দিকে হাঁটা দিল।

“আমি আপনার সাথে গেলে কি কিছু মনে করবেন রুমন? না মনে করলে আপনার সাথে যেতে চাই।“

কথাটা বলে অনুমতির অপেক্ষা না করেই নুসরাত রুমনের পিছন পিছন রওনা দিল।

“এখানে নিজের ইচ্ছেয় যেমন আসেন নি, নিজের ইচ্ছেয় যেতেও পারবেন না। সেটা আপনাদের জন্য ভাল হবে না।“

খন্দকার আজিজের কণ্ঠের আমূল পরিবর্তনটা কারোরই কান এড়াল না। রুমন আর নুসরাত ফিরে তাকিয়েই চমকে গেল। মুখায়বব আমূল বদলে গেছে খন্দকার আজিজের। শান্ত, সৌম্য চেহারার সদাহাস্য এই বৃদ্ধের চেহারায় রাজ্যের কঠোরতা ভর করেছে। দেখলেই অমঙ্গলের অজানা আশঙ্কায় বুক কেঁপে উঠে।

“আপনি কিভাবে আমাদের আটকাবেন দেখি। আমরা চললাম। চলুন নুসরাত।“

কি মনে করে নুসরাতের হাত ধরে দরজার দিকে চলল রুমন। নুসরাত অবাক হয়ে একবার নিজের আরেকবার রুমনের দিকে তাকাল। অন্য কোন সময় হলে না বলে হাত ধরবার অপরাধে এই মুহূর্তে রুমনের গালে একটা থাপ্পর বসিয়ে দিত সে। কিন্তু এখন কেন জানি তাঁর খুব নিশ্চিন্ত আর নির্ভার লাগছে। মনে হচ্ছে রুমন যতক্ষণ আছে ততক্ষণ তাঁর কোন ভয় নেই। জোরে রুমনের হাত চেপে ধরে সে জমিদারবাড়ির বাইরে চলে আসল।

ইদ্রসি চুপচাপ তাকিয়ে দেখল রুমন আর নুসরাতের বের হয়ে যাওয়া। তাঁর কোন ইচ্ছেই নেই বাইরে যাবার। পুলিশের হাতে ধরা খাওয়ার চাইতে এখানে থেকে যদি বিশাল সম্পত্তি ভোগ করা যায় তাহলে কোন পাগল এখান থেকে বের হতে চাইবে?

*****
জমিদারবাড়ির বাইরে রাত নেমেছে। আকাশে বিশাল চাঁদ। আগামীকাল পূর্ণিমা। পূর্ণিমার আগের চাঁদও যে এত আলো দেয় রুমন সেটা জানত না। কোনদিক দিয়ে এসেছে সেটা মনে পড়ছে না। ব্যাপার না, ঠিকই খুঁজে বের করা যাবে। নুসরাত হঠাত করেই রুমনের হাত ছেড়ে দিয়ে শক্ত করে বাহু আঁকড়ে ধরল। কিছুটা চমকে গেল রুমন। ঘাড় ঘুরিয়েই নুসরাতের আড়ষ্ট হয়ে যাবার কারণটা সে ধরতে পারল।

৩ টা বিশাল কুকুর তাদেরকে ঘিরে ফেলেছে। কুকুরগুলো হা করে আছে। জিহবা বের করা। চকচকে সাদা দাঁতগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আশ্চর্য এখানে কুকুর আছে সেটা একবারের জন্যও বোঝা যায় নি। একসাথে অনেকগুলো প্রশ্ন খেলে গেল রুমনের মনের ভিতর। কোথায় ছিল কুকুরগুলো? এত বিশাল সাইজের কুকুর আগে কখনও দেখে নি রুমন। কুকুরগুলো কি বাড়িতে ছিল? থাকলে একবারও শব্দ করে নি কেন? এগুলো কি পোষা নাকি জঙ্গলের বন্য কুকুর? বন্য হলে এই সময়েই এখানে আসল কেন?

কুকুরগুলো তাদেরকে ঘিরে চক্কর কাটছিল। হঠাত তাঁদের দিকে এগুতে শুরু করল আর তাঁরা পিছাতে থাকল। পিছাতে পিছাতে কখন যে আবার তাঁরা জমিদারবাড়ির দরজায় ফিরে এসেছে বুঝতে পারে নি। খন্দকার আজিজের ভরাট কণ্ঠ তাঁদেরকে বাস্তবে ফিরিয়ে আনল।

“বলেছি না, নিজের ইচ্ছেয় আসেন নি, নিজের ইচ্ছেয় যেতেও পারবেন না। আপনাদের বিছানা তৈরি করাই আছে। সবাই গিয়ে শুয়ে পড়ুন। কাল ঠাণ্ডা মাথায় না হয় চিন্তা করবেন সবকিছু। ধাঁধাঁর সমাধান না করা পর্যন্ত আপনাদের কেউ চাইলেও এখান থেকে বের হতে পারবেন না।

আজিজ সাহেবের মুখের মৃদু হাসিটা আবার ফিরে এসেছে। সেই হাসির সাথে এবার মিশে আছে বিদ্রূপ আর সারল্য।
……(চলবে)

উত্তরাধিকার # ১ম পর্ব

উত্তরাধিকার # ২য় পর্ব

উত্তরাধিকার # ৩য় পর্ব

২৮ thoughts on “উত্তরাধিকার # ৪র্থ পর্ব

  1. চমৎকার ধারাবাহিকতা। বেশ ভালো
    চমৎকার ধারাবাহিকতা। বেশ ভালো একটা রহস্য গল্প হবে বলে আশা করছি। দ্রুতই পর্ব ছাড়ার জন্য একটা স্পিশাল থ্যাংকু। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. জমে উঠছে। ধাঁধাটা বেশ
    জমে উঠছে। ধাঁধাটা বেশ ট্যাকনিকাল হয়েছে,গতানুগতিক লাগেনি এই জায়গাটাতে। আগের পর্বে মন্তব্য করেছিলাম যে বোতলটা পুরানো তাই মদটা কেমন হয় দেখতে চাই। মনে হচ্ছে মন্দ হবেনা… :জলদস্যু: :জলদস্যু:

    প্যাঁচ ধরা পুরান অভ্যাস… এই ধাঁধার সমাধান করা ত এখন হাতের ময়লা। জিন টেস্ট করলেই ত কাড়বার শেষ :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

    1. খুঁত ধরবার জন্য আপনেরে মাইনাচ
      খুঁত ধরবার জন্য আপনেরে মাইনাচ :ক্ষেপছি:
      এমন গভীর রাইতে হবিগঞ্জের জঙ্গলের ভিতর পুরাতন এক জমিদারবাড়িতে জিন টেস্ট করবার মেশিন কই থাইক্কা আইব। অধমের মাথা আওলাইছে রে :শয়তান:

      1. মেশিন ঐখানে যাইবো ক্যান?
        মেশিন ঐখানে যাইবো ক্যান? অস্ট্রেলিয়া থাইকা “রুমন” আইছেনা? সে ৪টা ব্লাড সেম্পল নিয়া যাইবো। আর মেইল কইরা রেজল্ট শিট পাঠায়ে দিবো। এই হাইটেক যুগে জমিদার বাড়ি-ই কি আর ভূতের বাড়ি-ই কি?

        মাথা তাইলে কারটা আউলাইল :পার্টি: :পার্টি:

          1. এহেম, এহেম, এইখানে মেশিন
            এহেম, এহেম, এইখানে মেশিন টানাটানি কইরেন না :দেখুমনা: :আমারকুনোদোষনাই:

  3. গত দুইটা মাস এত ব্যস্ততার
    গত দুইটা মাস এত ব্যস্ততার মধ্যে আছি, ব্লগের সব পোস্ট কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়ার চেষ্টা করলেও মন্তব্য করা হয়ে উঠেনি। আপনার দুইটা পর্ব আগেই পড়েছিলাম। আজকে তৃতীয় ও চতুর্থটা একসাথে পড়লাম। পড়ার পর মন্তব্য না করার অপরাধবোধ থেকে লগিন করতে বাধ্য হলাম।

    আমি এক কথায় বলব- আপনি চর্চা অব্যাহত রাখলে রাকিব হাসানকেও ছাড়িয়ে যেতে বেশী সময় লাগবেনা। চমৎকার এই সিরিজটার জন্য আপনাকে স্যালুট।

    1. অনেক ধন্যবাদ দুলাল ভাই। আপনার
      অনেক ধন্যবাদ দুলাল ভাই। আপনার মন্তব্য সবসময়ই আমাকে অনুপ্রেরণা যোগায়। আসলে সাইকো, থ্রিলার বা ভৌতিক এই ধরণের গল্পগুলোর প্রতি এক ধরণের নেশা ছিল ছোটবেলা থেকেই। এ জন্যেই হয়ত এই ধরণের গল্প লিখে মজা পাচ্ছি। বিখ্যাত হওয়ার জন্য লিখি না, লিখি মনের টানে। বোনাস হিসাবে যদি নামডাক হয় তাহলে ক্ষতি কি বলেন? :আমারকুনোদোষনাই:

      1. লেগে থাকলে নামডাক আপনার
        লেগে থাকলে নামডাক আপনার পেছনেই ঘুরবে। কারণ, আপনার সেই যোগত্যা আছে।

  4. নুসরাত মেয়েটা মনে হ​য় সেই
    নুসরাত মেয়েটা মনে হ​য় সেই উত্তরাধিকারি। মেয়েটাকে আজিজ সাহেবের পছন্দ হ​য়েছে রক্তের টানে। আর মেয়েটা দৃঢ়চেতা। কথায় আভিজাত্য আছে। যাই হোক গেস করলাম। দারুন লিখছেন কিন্তু।

    1. এত দ্রুত কোন সিদ্ধান্তে আইসেন
      এত দ্রুত কোন সিদ্ধান্তে আইসেন না, পরে শকড হইতে পারেন। টুইস্ট কিন্তু আমার হাতে :শয়তান:

      1. আরে ভাই আমার প্রেডিকশন শুনে
        আরে ভাই আমার প্রেডিকশন শুনে যাতে সঠিক না হ​য় তবে ইচ্ছা করে আরেকজনকে ডিসেন্ডেন্ট বানায় দিলে তো কিছু করার নাই। তবে আপনি ক্রিয়েটর আপনার ইচ্ছা।

        1. ফিনিশিং কি হবে সেইটাই তো
          ফিনিশিং কি হবে সেইটাই তো সাসপেন্স। এত দ্রুত প্রেডিক্ট করলে চলে নাকি? :শয়তান:

  5. শিট শিট……. ….
    শিট শিট……. :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: …. এটার পরে আপডেট নাই। পুরা এডিক্টেড বানাইয়া দিলেন। কুইক সাপ্লাই দেন নাইলে কইলাম খবর আছে।

    1. এত অস্থির হইতে নাই রে পাগলা।
      এত অস্থির হইতে নাই রে পাগলা। সবুর কর। সবুরে গল্প ফলে :কল্কি: :কল্কি:

      1. পাঠক চাহিবা মাত্র লেখক তার
        পাঠক চাহিবা মাত্র লেখক তার এখা দিতে বাধ্য থাকিবে – এইরকম একটা বিধি চাইতেছি ইস্টিশনে। :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন:

  6. আপনার গল্পের ফ্যান হইয়া গেলূম
    আপনার গল্পের ফ্যান হইয়া গেলূম :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *