ধর্ম ভেদে স্বপ্ন যোগ।

পুরোহিত মশাই, ঈমাম সাহেব, ফাদার (একই, ধর্ম ভিন্ন)।
মন্দির, মসজিদ, গির্জা (ধর্ম পালন স্থান)।
ভগবান, আল্লাহ, ঈশ্বর (একই স্রষ্টা)
পুরোহিত মশাই ইনি একটি মন্দিরের ঈমাম। তাদের ঐ মন্দিরের যত গুলা মানুষ সব একই পুরোহিতের অনুশারী হিসেবে স্বীয় ভাবে ধর্ম পালন করে।
ঈমাম সাহেব উনি একটি মসজিদের নেটা। তাদের মসজিদে যতগূলা মানুষ সব অই একই ঈমামের অনুশারী হিসেবে ধর্ম পালন করে।
ফাদার, উনি একটি গির্জার ঈমাম মানে নেতা। ওদের অই গির্জার সব মানুষ উনার অনুশারী হিসেবেই ধর্ম পালন করে থাকে।
এখন হচ্ছে মানব জাত! মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই একটি ধর্মের অনুশারী হতে হবে।
আমরা মুসলিম জাতি সাধারণত বলে থাকি, আমাদের ধর্মই সকল ধর্মের চেয়ে উর্ধে। আর হিন্দু এবং খৃষ্টান জাতি বলে থাকি আমাদের ধর্মই সবার উর্ধে।
আচ্ছা, সবার ধর্মই সবার কাছে উর্ধে থাকাটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। ধর্ম নিয়ে বসে থাকলেই কি সব কিছুর সমাধান ঘটবে?? নাকি ধর্মটাকে পালন করতে হবে?
আচ্ছা, একদিনের জন্য হলেও পৃথিবীটা মনে করে নেই এটি কেবল মাত্রই একটা ঘুমের ঘরে স্বপ্ন যোগ। এখন ভেবে দেখেন, তাহলে ধর্ম দিয়ে কি আসে যায়!! ধর্মের দোহাই দিয়ে কোন প্রকার ফল লাভ হবে কি?? নাকি মানুষের জন্য মানুষ মানবতার কাজ করতে হবে?
পৃথিবী টা যদি ঘুমের স্বপ্ন হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তো স্বপ্নের মাধ্যমেই স্রষ্টাকে জানতে হবে প্লাস চিনে ঘুম টাকে জাগ্রত করতে হবে।
আমি মুসলিম, মসজিদের ঈমাম সাহেবকে বিশ্বাস করতে পারছি না, আর একজন অন্য ধর্মের মানুষও কিন্তু ঠিক একই কথা বলছে। তারা তাদের পুরোহিত মশাই আর খৃষ্টানদের ফাদার কেও বিশ্বাস করছে না। বিশ্বাস না করাটাই এখন কার যুগে স্বাভাবিক। আমরা সব কিছুই নিজের প্রয়োজনের জন্য করে নিচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *