ব্যঙ্গাল সাংবাদিকের মন ৩ নম্বর পর্ব আর বিচিয়াল শাসকের গু জব


চাইর তারিখে নিউইয়র্ক টাইমসে এপির (এসোসিয়েটেড প্রেস) একখান নিউজ দিছিলো, ঐহানে আমাগো অতীত আর বর্তমান শাসকরে মিস্টার মিস্টার কইয়া বিচিয়াল বানাইয়া দিছে। হেইডার শোধ নিলো এপির সাংবাদিকের উপর। এইডা কিছু হইলো? গু জব।

তেনা না প্যাঁচাইয়া আসল কথায় আসি। লীগের খুনীরা আমার ছোট ভাই, বন্ধু, সহযোদ্ধা আহাদরে মাইরা ফেলনের ট্রাই করছিল। আহাদের কপাল ভালা সে মরে নাই। দুনিয়াডা হাত ধইরা দেখাইতে হইবো, এই ওয়াদা দিয়া রাখছিলো বোধহয় নিজের সন্তানরে। কিন্তু মিশুক মুনীর মরছিলো, সাগর রুনি রেহায় পায় নায়। খুনী শাসকের সাথে এডির যোগসাজস আছিলো ব্যঙ্গাল চাঁটা চোষা সাংবাদিকের। আগের পর্বে কইছিলাম, এরা দু:শাসকের যৌন ক্রীতদাস।

এক সময় হাল্কা লিটলম্যাগ আন্দোলনের সময় আমার ছোট কাগজে আর রাজি স্যার লিখছিলেন, “সাংবাদিকতা ওভার ম্যানের পেশা, যে নগদের ধার ধারে না”, ঐ কথাডা আজও মনে প্রাণে জায়গা দিয়া ঘুইরা বেড়াই। আসলে কী সাংবাদিকতা নিছক মাল কামানোর পেশা? না, মোটেই না। এইডা হইলো দ্যাশের প্রতি, জনগণের প্রতি দায়িত্ব। আজকাল সবাই ফিরিস্তি দেয় চাকরি থাকবো না, পেটে লাথি পড়বো এইসব কইয়া। আমার কথা হইলো লেওড়া তোরে সাংবাদিক হইতে কইছে কেডা। ইয়াবা বেচ, মেলা টেকা। না তুই পড়ছোস সন্তোষ গুপ্ত, না মোনাজাত উদ্দিন। তুই দেখছোস খালি দালাল টিভি আর গোলাম সম্পাদক কিংবা এইরাম পোষা ক্রীতদাস। তোর দৌড় দালালি, চামচামি কিংবা গান্ধীর তিন বান্দরের বেশি কিছু হইবো কেমনে? তবে আইজকা এই কথা শক্ত মজবুত কইরা কউন দরকার এই চাঁটার দালালগুলা দ্যাশ আর মাইনষের শত্রু। দ্যাশে যারা সৎ সাংবাদিক বইলা মাইর খাইতাছে, তারা সম্মিলিতভাবে সততা দিয়া হেগোরে লাথি দিয়া মাজা ভাইঙ্গা দিতে হইবো।

আইজকা আহাদ এবং বাকি যেসব সাংবাদিকরে হত্যা চেষ্টা করা হইছে তাগো লাইগা তার সহযোদ্ধারা রাস্তায় নামবো। আমি এহনো কর্মসূচি জানি না, জানতে পারলাম সার্ক ফোয়ারার ঐহানে কিছু হইবো। কিন্তু কী হইবো? মুখে কালা পট্টি বাইন্ধা মানববন্ধন? লীগরে নিন্দা জানানো? এই দুই পয়সার সস্তা মানববন্ধন কইরা বা নিন্দা জানাইয়া আহাদের সন্তানের চোখের দিকে তাকাইতে পারবো কেউ, সাগর রুনির পোলার চোখের দিকে কেউ তাকাইতে পারে? এই আচোদা মানববন্ধন কইরা বিচার চাওনের কিছু নাই। হত্যা লিপ্সু দু:শাসক একনায়িকার কাছে বিচার চাওন মানে আহাদ এবং তার সহযোদ্ধারে অপমান করা। বরং সৎ সাংবাদিকরা একনায়িকার সমস্ত উন্নয়নের চোদন মার্কা নিউজ বর্জন করবার পারে। হপ্তা বা মাসখানেক উন্নয়নের ঠাপ না দেখলে পেটে ভাতে মরবো না কেউ। এই বর্জনে কেউ বাঁধা দিলে তারেও বর্জন করাটাই উচিত হইবো। নিউজ এডিটর কি মালিক। এবং খুব শক্তভাবে দালাল চাঁটার দল সাংবাদিকরা এই সমাবেশে থাকবার পারবো না, সোজা কথা। খুব কঠিন কিছু? পেটে ভাতের চিন্তা? দালালের চাকরি না কইরা কৃষিকাজ কইরা খাইতে খুব প্রবলেম হইবো? গেরামে থাকতেও? আমরা না হয় একসাথে থাকলাম সবাই, আমি কিছু ব্যাংক লোন কইরা কিছু জমি কিনলাম। সবাই মিল্ল্যা চাষ করলাম, পুকুর কাটলাম, ছাগল গরু পাল্লাম, আমাগো আকাশটায় কবুতর উড়বো।

পোষাইবোনা তাইতো? তাইলে আহাদ তুই ওয়েট কর, তোগো আমাগো সন্তানরা একদিন মুইতা দিবো এই নির্বোধ আচোদা চেতনায়। বোমা মাইরা উড়াইয়া দিবো দু:শাসকের কুলাঙ্গার তৈরির কারখানা।

৬ আগস্ট ২০১৮, রাত ১২টা ৫০
ম্যূন্সটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *