ডাঃ আপসা, ডাঃ সাজিয়া, …….এরপর????

চিনতে পারেন ছবিটা। হ্যা এটা শাহবাগেরই ছবি,তবে এটা ৫ই ফেব্রুয়ারীর না। ছবিটা গত ২০শে মে’র। এখানে সিডাটিভ,সেলিনা মওলা,বাঁধনরা নাই। তবে এখানে যারা আছে ওরা তাদের মতই ঘরের খেয়ে বনের মহিষ তাড়াচ্ছে,অন্তত চেষ্টা করছে। হয়ত ওরা ৪২ বছরের জঞ্জাল দূর করবার জন্যে আজ দাঁড়ায় নাই। তবে তারাও চায় খুনের বিচার,আসামীর যোগ্য শাস্তি। মানববন্ধনটি হয়েছিল ডাঃ শেজাদী আপসা’র হত্যাকারীর গ্রেফতার দাবীতে। হয়ত অনেকেই এটা দেখেছেন কিন্তু এড়িয়ে গিয়েছিলেন,হয়ত অনেকে আজকেই প্রথম জানলেন।


চিনতে পারেন ছবিটা। হ্যা এটা শাহবাগেরই ছবি,তবে এটা ৫ই ফেব্রুয়ারীর না। ছবিটা গত ২০শে মে’র। এখানে সিডাটিভ,সেলিনা মওলা,বাঁধনরা নাই। তবে এখানে যারা আছে ওরা তাদের মতই ঘরের খেয়ে বনের মহিষ তাড়াচ্ছে,অন্তত চেষ্টা করছে। হয়ত ওরা ৪২ বছরের জঞ্জাল দূর করবার জন্যে আজ দাঁড়ায় নাই। তবে তারাও চায় খুনের বিচার,আসামীর যোগ্য শাস্তি। মানববন্ধনটি হয়েছিল ডাঃ শেজাদী আপসা’র হত্যাকারীর গ্রেফতার দাবীতে। হয়ত অনেকেই এটা দেখেছেন কিন্তু এড়িয়ে গিয়েছিলেন,হয়ত অনেকে আজকেই প্রথম জানলেন।

ডাঃ শেজাদী আপসা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২৮ তম ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন। খুন হয়েছেন নিজের বাসায় স্বামীরই হাতে। স্বামীর নাম শফিকুল ইসলাম। ও হ্যা এই শফিকুল ইসলাম একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা,বর্তমানে (হ্যা ভুল পড়ছেন না,এখন অব্দি) লেঃ কর্নেল। সে তার স্ত্রীকে নিজের বাসায়,কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের মত সুরক্ষিত স্থানে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে খুন করেছে,নিজের ক্ষমতা আর দাম্ভিকতা দেখিয়েছে। আর সে জন্যেই হয়ত আজ কোন মানবতাবাদীদের মুখে কোন কথা নাই, নারী অধিকার আন্দোলনের নেত্রীরা বালিতে মুখ গুজেছেন, সুশীলতার সোল এজেন্টরা চুপচাপ, হুলো মিজান জেগে জেগে ঘুমাচ্ছে। খুনী সেনা কর্মকর্তা বলেই হয়ত ডাঃ আপসা’র ১০ বছর বয়সী ছেলেটির জন্যে কারো এতটুকু মায়া হচ্ছে না, মানববন্ধনের সংবাদ কাভার করতে এসেও সাংবাদিকরা ফিরে গ্যাছে বাক্স-পেটরা গুছিয়ে। হাজার হোক খুনী যে উর্দিধারী জলপাই।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এইরকম চিকিৎসক খুনের ঘটনা কিন্তু অহরহই ঘটছে। এর কিছুদিন আগে নিজের কর্মস্থলে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে রাজধানীর দক্ষিনখান এলাকায় হাসপাতালে খুন হন ডাঃ সাজিয়া আফরিন হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় এর হাতে। সে খুনের দগদগে ঘা এখনও আমাদের মন থেকে শুকায় নি। আজও আমরা চিৎকার করছি Justice for Dr. Sajia Afrin Eva বলে।ফলাফল শূন্য। এই মৃত্যু নিয়ে খুব আবেগঘন একটা লেখা পড়েছিলাম সাজিয়া তো চলেই গেল, বিচার হবে তো? শিরোনামে। এটা পড়বার পরও যদি আপনার চোখে পানি আটকে থাকে তবে আপনিই পারবেন,আপনাকেই খুজছে জাতি।

এরও কিছুদিন আগে অগাস্ট মাসে নিজ বাসভবনে খুন হন ডাঃ নিতাই চন্দ্র। ঘুমন্ত অবস্থায় বাসায় ডাকাতি করতে এসে সন্ত্রাসীরা খুন করে যায় তাকে। পরবর্তীতে অল্প কিছুদিন ঘটনা এমন (ডাঃ নিতাই হত্যাকান্ডের ঘটনায় ফুঁসে উঠছে মমেক)থাকলেও কোন প্রকৃত খুনী আজও ধরা পড়েনি। বরং চলছে সরকারের পক্ষ থেকে ধামাচাপা দেবার নির্লজ্জ চেষ্টা। আর এসব ঘটনার মাঝেই একদিন বিএনপির ডাকা হরতালে আগুনে পুড়ে গ্যাছে ড্যাবেরই সমর্থক তিন চিকিৎসক। যাদের দুইজনই ছাত্রজীবনে করতেন ছাত্রদলের রাজনীতি।

এইসব ঘটনার কোনটারই আমরা কোন ফলো-আপ পাই না কোন পত্রিকায়,টেলিভিশনে। সবাই আশ্চর্য রকম নিশ্চুপ। মাঝে মাঝে সবার এই আচরন আমাকে লজ্জায় ফেলে দেয়। আমরা ডাক্তারদের কাছে সবচাইতে ভাল সেবা আশা করি,মুখে মুখে তাদের ব্যাপারে মানবতার খই ফুটাই,সমাজের সিউডো-উচ্চ শ্রেণীর এই সমাজের প্রতি আশার পাহাড় চাপিয়ে দেই। কিন্তু তাদেরকে নিয়ে ভাল কথা,তাদের সমস্যার কথা সমাজকে জানাতে পারি না। নিদেনপক্ষে কর্মস্থলে,নিজের বেডরুমে নিরাপত্তা টুকুও দিতে পারি না। অথচ কষাই থেকে ধর্ষকে পদোন্নতি দিতে আমাদের এতটুকু বিবেকে বাধে না।

ফিরে যাই প্রথম ঘটনায়। এই হত্যাকান্ডের খবরটি প্রথম মিডিয়ায় আসে ১৫ তারিখের দিকে। অথচ ঘটনা তার দুই দিন আগের। ফেসবুকে ব্যাপক প্রচারের পর কিছু মিডিয়া ইনিয়ে বিনিয়ে খবর প্রকাশ করলেও মূল হোতা,খুনী রয়ে গেল বহাল তবিয়তে, নিজের জায়গায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ইতোপুর্বে নারী ঘটিত ঘটনার কারনে পরিবার থেকে আপত্তি জানানো হলে তাকে জাতিসংঘ মিশন থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। তবুও কোন শাস্তি ক্যানো দেয়া হয় নাই আমার জানা নাই। এরই ধারাবাহিকতায় ঝরে গ্যালো আরো একটি প্রাণ। চিকিৎসক বলেই হয়ত গা করে নাই ফেসবুক সেলিব্রেটিরাও। একাধিক নারী অনলাইন এক্টিভিস্টকে ফেসবুক ম্যাসেজের মাধ্যমের জানানো হলেও তারা ছিলেন মুখে কুলুপ এঁটে। যা শুধু আমাদের বিস্মিতই করে নাই,হতভম্ব করেছে। চুপ ছিল ‘শাহবাগে সাইবার যুদ্ধ’ সহ আরো কিছু জনপ্রিয় পেইজগুলোও। হুমায়ুন আজাদ অনেকদিন আগে লিখেছিলেন ‘জলপাই রঙের অন্ধকার।’ আর উতসর্গ করেছিলেন সেই প্রজন্মের প্রতি যারা বেড়ে উঠবে সেই অন্ধকার সময়ের পর। সেই সব অন্ধকার সময় পার করে আসলেও সেই জলপাই রঙের জুজু যে আমাদের আজও পিছু ছাড়ে নাই তা এই ঘটনা পরম্পরায় বুঝতে আর সমস্যা নাই।

চিকিৎসকদের একটি সংগঠন আছে বিএমএ নামে। আর দলীয় সংগঠন স্বাচীপ ও ড্যাব। নামে আলাদা হলেও তাদের কাজ একই। নিজেদের আখের গোছানো। দলীয় লেজুড়বৃত্তী আর দূর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত এই সংগঠনগুলোর প্রতি কারো এতটুকু আশা করা উচিত না। তাদের কাজ এই সব ঘটনায় পোষ্টমোর্টেমের যেন কোন ঝামেলা না হয় স্রেফ এই পর্যন্ত বলে দেয়া। আর এটা কে না জানে নিজের দলের লোক না হলে তারা সেইসব মানুষদের গায়ে পেশাব পর্যন্ত করে না। তাই বিএমএ তে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য থাকলেও খুনী থেকে যায় বহাল তবিয়তে।

টুকটাক মতভেদ ছাড়া গত ৫ বছরে এটা প্রমান হতে আর বাকী নাই এই সরকারের মন্ত্রীসভা একটি অথর্ব মন্ত্রীসভা। তাই পান থেকে চুন খসলেই আমাদের তদবির করতে হয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর। সমস্যা হয়ে যায় তখনই যখন আমাদের মত ম্যাংগো পিপল বিপদে পড়েও দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারে না। সকলের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, যখন এভারেস্ট বিজয়ী সজল খালেদ এর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় অনলাইনে ঝড় বয়ে যায়, পত্রিকা-টেলিভিশনে খবর প্রকাশ হয় তখন আমার এই বোনটির হত্যার খবরটি নিভৃতে কাঁদে। যখন প্রধানমন্ত্রী লাশ ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন তখন কিছুই করতে না পারার কষ্টে আমরা লজ্জিত হই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই চেষ্টা করেন নিজ উদ্যোগে নির্যাতিত দুঃখী মানুষটির কাছে পৌছতে। তাই আমিও সেই আশা নিয়ে তার কাছে আবেদন করতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কি ডাঃ শেজাদী আপসার খুনীকে ধরার কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন? কেউ কি নাই যে খবরটা পৌছে দিতে পারেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী বরাবর?

ছবিসূত্র

২১ thoughts on “ডাঃ আপসা, ডাঃ সাজিয়া, …….এরপর????

  1. কি বলব…? কিছু বলতে ইচ্ছা
    কি বলব…? কিছু বলতে ইচ্ছা করেনা। বললেই অনেকে বলবেন, নিজ পেশার লোক নিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে নাকিকান্নার কি আছে? হ্যাঁ রে ভাই, ডাক্তার হয়ে গেলে তুমি আর মানুষ নও, ভিন্ন প্রজাতির কিছু একটা হয়ে যাও। সবে তো এমবিবিএস শেষ করে ঘরে ফিরলে, এবার বুঝবে বাস্তবতা কি জিনিস?
    এবার প্রস্তুতি নাও বিসিএস দিয়ে দিল্লীকা লাড্ডু খাওয়ার। এফসিপিএস নামক সোনার হরিণের পেছনে নিজের তারুণ্য আর যৌবন বাজী রাখার রেসে। বিসিএস দিয়ে উপজেলায় এসে প্রস্তুতি নাও, এলাকার গুন্ডা আর পলিটিশিয়ানদের লাত্থি, কিল, ঘুষি এবং অকথ্য গালাগাল হজম করার জন্য। মনের পাকিস্থলিকে অনেক বেশী মজবুত করো, নাহলে এসব হজম করবে কিভাবে? গত পরশুই আমার এখানে সদ্য চাকরীতে জয়েন করা এক চিকিৎসক থাপ্পড় খেয়েছে ছুটির দিনে আউটডোর রোগী দেখতে অপারগতা জানানোয়। আর নিজের অভিজ্ঞতা আর নাই বা বললাম। এসবের কোন বিচার কখনই তুমি পাবে না। কারন, তুমি আছো এক মহান (?) পেশায়। সবকিছু নীরবে হজম করে যেতে না পারলে আর কিসের মহান হইলা তুমি? তাই হজম করার প্রাকটিস শুরু করো।

    যদি ইস্টিশন মাস্টারের ইচ্ছা হয় এই অমানবিক ঘটনায় একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিবাদে সামিল হতে, তাহলে পোষ্টটা স্টিকি করতে পারেন। কিছু না হোক, এট লিস্ট সবার নজরে আসুক। নিচু স্বরে হলেও একটু প্রতিবাদ জানান ডাঃ আফসার খুনীর শাস্তির দাবী নিয়ে।

    1. হ্যা ভাই।সেই সব চড়-থাপ্পর আর
      হ্যা ভাই।সেই সব চড়-থাপ্পর আর দিল্লীকা লাড্ডু খাওয়ার আশায়ই হয়ত শুক্রবার পরীক্ষা দিয়ে আসলাম।

  2. এখানে সিডাটিভ,সেলিনা

    এখানে সিডাটিভ,সেলিনা মওলা,বাধনরা নাই।

    এগের এইখানে টাইনে আনাটা কি খুউব আবশ্যক ছেলো? না আনলি পরে হতো না?

    আপনে; অনেক ক্ষোভ থেকে; পোস্টটি দিয়েছেন; বুঝতি পারিছি; কিন্তু; গণহারে; সবডিরে দোষারোপ করাডা কি; ঠিক হইয়েছে? ডাক্তারগের সংগঠন যদি; ভালো কইরে; পদক্ষেপ নিতো; তালি পরে; একটা জোয়ার হইতো। মিডিয়াওয়ালারা তো; তেমন কইরে কিছু করে নাই। তালি পরে সবাই; জানবে কেবা কইরে?
    তারপরেও; আপনি; এখানে দেছেন; দেখা যাক; এখান থাকি কতডা কাম দেয়, আপনি জানাইছেন; সকলে হয়তো দেখিচ্ছে; এবার; তাগের করার পালা।

    1. ভাই যাদের নাম লিখছি তারা আমার
      ভাই যাদের নাম লিখছি তারা আমার পছন্দের মানুষ। পজিটিভলিই বলতে চাইছি। এছাড়া আর কোন উদ্দেশ্য নাই।আগামীকাল দুপুর ২ টায় আপনিও চলে আসেন বিএসএমএমইউ এর সামনে।

      1. হনলুলু থাকি কিরাম কইরে আসতি
        হনলুলু থাকি কিরাম কইরে আসতি পারি কাইলকে দুপুরে? :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ: :টাইমশ্যাষ:

  3. একদিনের জন্য হলেও পোস্টটা
    একদিনের জন্য হলেও পোস্টটা স্টিকি করবার জন্য ইষ্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

  4. শুধুই লেখা শুধুই আফসোস,
    শুধুই লেখা শুধুই আফসোস, উর্দিধারীটিকে কেউ আইন অনুসারে না পারলে নিজ হাতে শেষ করে আসার সাহস দেখায় না। দেখালে……..আইন ই আর লাগতো না, নেকস্ট এ অন্যরা ভ​য় পেত​। যেমন দেখেন, এত আইন, হাবিজাবি এর পর ও ইভটিজিং বন্ধ হ​য় না। কারন, টিজ করার পরে মেয়েরা একত্রিত হ​য়ে সর্বোচ্চ কান ধরে উঠবস করায়। আত্মহত্যা না করে ক​য়েকটা লো লাইফ এর লাশ ফেলে আসার সাহস করলে এত দূর্ভোগ হত না।

  5. ঢাকায় থাকলে অবশ্যই অংশ নিতাম।
    ঢাকায় থাকলে অবশ্যই অংশ নিতাম। তবে আপনাদের এই প্রতিবাদে আমার একাত্মতা জানালাম। আর নর পিশাচদের মৃত্যুদন্ড চাই। আশাকরি এই পোস্টের পর সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে।

  6. বিচারে প্রধানমন্ত্রীর
    বিচারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে সেদিন প্রেসক্লাবে শেজাদী আফসার পরিবার প্রেস কনফারেন্স করেছিল। শেজাদীর ভাই বাবা মা বর্ননা করলো কিভাবে দিনের পর পর জানোয়ার স্বামী নির্যাতন করেছে। সেজাদির অপরাধ ছিল সে খুনির পকেট থেকে কিছু টাকা নিয়ে ছেলেকে দিয়েছিল টিফিন খাওয়ার জন্য। ওই সেনা কর্মকর্তার লুইচ্চামীর জন্য একবার শান্তিরক্ষী মিশন থেকে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। আমাদের দেশের বিচার ব্যাবস্থা এমনি যে এইরম জানোয়ারের ফাঁসি চাইতে মানুষদের রাস্তায় নামতে হয়।
    আরেকটা ব্যাপার, অত্যচার সইতে না পেরে খুন হবার কয়েকমাস আগে শেজাদী বাবার বাড়ি চলে আসে। কিন্তু তার পরিবার বুঝিয়ে আবার থাকে কুমিল্লা ফেরত পাঠায়। আমাদের পরিবারগুলোর এমন পুরুষতান্ত্রিক মানুষকতা এদেশের নারীদের মৃত্যু মুখে ঠেলে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে কোন মুল্যে স্বামীর ঘর আকড়ে থাকতে হবে, তা সেই নারী একজন ডাক্তার হোক আর শিক্ষিত কর্মজীবী হোক। আর অন্যের উপর নির্ভরশীল হলে হলে তো কথাই নেই।

    1. আমি সব সময় একটা কথা বলি-
      আমি সব সময় একটা কথা বলি- আমাদের সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ৫০% ভুমিকায় থাকে নারী। যে দেশের নারীর এগিয়ে চলার অন্তরায় নারী, সেদেশে নারীর পরিপূর্ণ ক্ষমতায়নে সময় লাগবে অনেক। আর পশুত্ব আমাদের জ্বীনে আছে। এটা থেকে মুক্তির জন্য যে মুক্তমন প্রয়োজন, সেটা এখনো চর্চা পর্যায়ে আছে। তবে উন্নতির গ্রাফ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের খুবই ভাল। এটাই আশার কথা।

      1. দুলাল ভাইয়ের সাথে সহমত।সমাজে
        দুলাল ভাইয়ের সাথে সহমত।সমাজে যে কোন দাম্পত্য কলহের কথা কানে আসলে আমাদের প্রথমেই মাথায় আসে মেয়েটার কোন সমস্যা নাই তো বা তার চরিত্র ভাল তো?আর এই চিন্তার ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের চাইতে অনেকাংশে এগিয়ে।

  7. কিছু বলার নেই… শব্দগুলো
    কিছু বলার নেই… শব্দগুলো এলোমেলো লাগে… আরও বেশি অবাক হয়ে গেলাম শামীমা মিতুর কমেন্টে কারণটা জানতে পেরে। নিজের ছেলেকে টিফিন খাওয়ার টাকা দেয়ায় একটা মেয়েকে খুন হতে হয়??? কোন সমাজে বাস করছি আমরা??? এর নাম কী সমাজ??? এই সমাজে কি কোন মানুষ বাস করে??? মনে হয় না…

    1. এটা তো স্রেফ একটা উসিলা।আর
      এটা তো স্রেফ একটা উসিলা।আর আমাদের সমাজটা নষ্ট আরো বহু আগে থেকেই।শুধু যতক্ষন পর্যন্ত আমাদের কাছের মানুষের উপর আঘাত না আসে ততক্ষন সেটা আমাদের ছুয়ে যায় না।

  8. কি আর বলব বলুন, আমার মানবতায়
    কি আর বলব বলুন, আমার মানবতায় যে কি পরিমান আঘাত লেগেছে তা আমি বুঝাতে পারব না। এ নিয়ে তেমন কোন লিখাই কেন হলো না আমি বুঝতেছি না। যেখানে দুদুর একটা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তোলপাড় হয় ফেসবুকের পথেঘাট সেখানে এই গুরুত্বপূর্ন বিষয়টা নিয়ে ফেসবুকের গুনীজনদের এত নীরবতা কেন? এটা অনেক বেশি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার মত ঘটনা। আর সাজিয়ার ঘটনাটা পড়ে দ্বিতীয়বারের মত চোখের পানি ফালালাম। আমি বোধ হয় কিছু করতে পারব না তাই।

  9. জানি না লাভ হবে কিনা !
    জানি না লাভ হবে কিনা ! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া তো এই দেশে কিছু হচ্ছে না ! তিনি কি এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন নাকি মন্ত্রী স্যার রা কিছু করবেন ?

    বিচারের দাবি জানিয়ে গেলাম ।

  10. সকল হত্যাকান্ডেরই সঠিক ন্যায়
    সকল হত্যাকান্ডেরই সঠিক ন্যায় বিচার আশা করি। এক্ষেত্রেও এক্ই দাবী জানাচ্ছি…

  11. প্রধানমন্ত্রী শুধুমাত্র
    প্রধানমন্ত্রী শুধুমাত্র সেখানেই হস্তক্ষেপ করেন, যা নিয়ে আমাদের হলুদ সাংবাদিকগণ মাতামাতি করেন……

    ডাক্তারদের আমরা শুধুই ডাক্তার ভাবি, আগে যে তিনি একজন মানুষ, সেটা ভুলে যাই

  12. আর নতুন কি ? আর ভাল্লাগেনা
    আর নতুন কি ? আর ভাল্লাগেনা দেখতে দেখতে… পুলিশ,ডাক্তার,উকিল,আর্মি এদের কোনো অন্যায় নাই। এরা রাষ্ট্রের ক্ষমতাসম্পন্ন গুন্ডা। এদের নিয়ে তাই আর কথা বলেও লাভ নাই। যা খুশি করবে ,নিজেকে বাঁচিয়ে চলতে পারলেই হলো।

  13. ভাই সবাই খারাপ মেনে নেওয়া যায়
    ভাই সবাই খারাপ মেনে নেওয়া যায় কিন্তু আমাদের জাতির বিবেক সম্মানিত মাধ্যমগুলো মুখে কুলুপ এটেছেন কিসের স্বার্থে?
    কেউ শালা পাদ দিবার পারেনা ওমনেই ক্যামেরা, টেপ, অডিও ইত্যাদি রেকর্ডার টাইপ জিনিস আইসা ভইরা যায়। বিশ্বজিত কুপ খাইতেছে, পুলিশে গুলি খাইতেছে, ছাগুরা গণহত্যার শিকার হইতেছে এইরকম খবর শীৎকার দিয়া ছাপে আর দেখায় তারা এইসব নিয়া গোঙায় কেনু?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *