রাষ্ট্রের বিচারহীনতার অপসংস্কৃত‌ি ।আদিবাসী নারী ধর্ষণ

কি হচ্ছে এসব আমাদের দেশে ? আদিবাসীদের আজ কোথাও শান্তি নেই ।পার্বত্য চট্টগ্রামে একের পর এক আদিবাসী নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে ।বিচার চাইবো কার কাছে ? রাষ্ট্র তো ধর্ষকদের প্রশ্রয় দেয় ।
মানবতা আজ কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে?
কিছুদিন আগে গত ২৮ জুলাই খাগড়াছড়ি জেলায় দীঘিনালা উপজেলায় ৯ বছরের শিশু কৃত্ত‌িকা ত্রিপুরা (পুনাত‌ি)কে যেভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে তা নিশ্চই ভাবিয়ে তুলে । শুধু ধর্ষণ করে ক্ষান্ত হন নি তার যোনিপথে বাশ ও পায়ু পথে গাছ ঢুকিয়ে দিয়েছিলো ।কি নৃশংস ,লোমহর্ষকভাবে হত্যা করা হয়েছে ছোট্ট শিশুটিকে ।
অথচ এই ধর্ষণকারীরা গ্র‌েপ্তার হল‌েও
দিনশেষে আবার এরাই ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন চাবে আর হয়ত পেয়েও যাবে আর তারপর….?
আর তারপর এইসব নর পিশাচেরা আবার হয়ত কোন নারীকে তার লালসার শিকার করবে??
একটা ধর্ষণের ঘটনা শেষ হতে না হতে আরেকটা সংগঠিত হয় ।আমার পার্বত্য চট্টগ্রামে এটাই বর্তমান বাস্তবতা । সেটেলার বাঙালিদের এহেন কার্যক্রম দেখে দেশের প্রগতিশীল,সুশীল সমাজ কবে জাগবে? কবে প্রতিবাদ করবে ? সমতল বন্ধুরা ,পার্বত্য চট্টগ্রামে শুধু সৌন্ধর্য্যর রূপকে খুজবেন না ?পাহাড়ের কান্নাকেও একটু খুঁজুন ?
একের পর এক ধর্ষণের শিকার হচ্ছে আদিবাসী নারীরা । দিন দিন বাড়ছে সেটেলার বাঙালি কর্তৃক আদিবাসী নারী ধর্ষণের মতো অনৈতিক কর্মকান্ড। দ‌েশের বিচারহীনতার কারণে দিন দিন ধর্ষণকারীরা আরো বেপরোয়া হচ্ছে। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়ে উল্টো ভিকটিম ও তার পরিবারই পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছে। ধর্ষণের পর হত্যা করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না ধর্ষণকারী। কোন কোন সময় লাশও গুম করা হচ্ছে । সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থির হলো পার্বত্য চট্টগ্রামে কোথাও নিরাপদ নয় আদিবাসী নারীরা । মুসলিম সেটেলার বাঙালির হাতে মেয়ে ধর্ষণের মতো ঘটনায় সামাজিক মূলোবোধের অবক্ষয় পাহাড়ে আজ বিবেকের ধস নেমেছে । ধর্ষণের মতো বর্বরতার পর হত্যা করার ঘটনা ঘটেই চলেছে প্রতিনিয়ত । এদেশে বিচার হয় না ।বরং ধর্ষণকারীদের আশ্রয় দেয়া হয় ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি কর্তৃক নারী ধর্ষণ যেন নিত্য দিনের ঘটনা । সম্প্রতি বেড়ে গেছে ধর্ষণকাণ্ড। একের পর এক এমন ঘটনায় বিবেকবান মানুষ জাগবে কি ? ন্যক্কারজনক এহেন বর্বরতা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না পাহাড়ের নারীরা। ত্রিশ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে যে দেশ, সেই দেশে এমন মধ্যযুগীয় অসভ্যতার কারণে প্রশ্ন জেগেছে- এমন দেশই কি চেয়েছিলেন প্রাণের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন যারা? এই কি আমাদের সেই স্বপ্নের দেশ? এ কেমন বর্বরতা?

যে জাতির নারী হোক সে ই নারী তো। নারীর পেঠের ভেতরে তোর জন্মস্থান,তোর দেশ,তোর প্রথম ঘর,তোর পৃথিবী! তার যোনিনালী তোর পৃথিবীতে আগমনের দুয়ার।নারীর স্তনের বোঁটাই ছিল তোর ক্ষুদা নিবারণের একমাত্র উৎস। নারীর কোলই ছিল আজকের এই অনিরাপদ পৃথিবীর নিরাপদ স্থল।তবে তোরা ধর্ষক তার মাঝে কিভাবে খুজেপাস ফইন্নি বেশ্যা হুর??
খুব কঠিনভাবে বলছি-
“অকেজো আইন থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো।তাই হয় ধর্ষণ সংক্রান্ত সব আইন বাতিল করা হোক,না হয় কঠিন থেকে কঠিনতর ভাবে আইনগুলোর বাস্তবায়ন করা হোক।” ধর্ষকদের মৃত্যুদন্ধ হোক একমাত্র শাস্তি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *