পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীবাদী পুরুষের পরিচয়

সেদিন আমরা তিন বান্ধবী এক রেস্তোরায় খেতে গেছি। বেশ কিছুক্ষণ গল্প করার পর আমার এক বান্ধবীর প্রেমিক চলে আসে। একটু পর ওরা দু’জন চলে যায়। আমি আর আমার আরেক বান্ধবী গল্প করতে থাকি। খাবার অর্ডার দেবার কিছুক্ষণ পর ঐ বান্ধবীর প্রেমিক ফোন দেয়। তারপর সে ও ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমি তখন একা। কিছু করার নেই। আশেপাশে তাকালাম। কোথাও মজার কিছু ঘটলে যেন চোখ এড়িয়ে না যায় তাই বারবার এদিক ওদিক দেখছি। আমাদের টেবিলের পাশেই তিনজন মধ্য বয়সের ছেলে বসে গল্প করছিল। প্রথম দিকে তেমন একটা খেয়াল করিনি। কিন্তু হঠাৎ তাদের একজনের মোবাইলের তীব্র রিংটোনের শব্দে চোখ চলে গেল।
– তোর বউ ফোন করসে।
– ধুর! বা*! বাদ দে।

সেদিন আমরা তিন বান্ধবী এক রেস্তোরায় খেতে গেছি। বেশ কিছুক্ষণ গল্প করার পর আমার এক বান্ধবীর প্রেমিক চলে আসে। একটু পর ওরা দু’জন চলে যায়। আমি আর আমার আরেক বান্ধবী গল্প করতে থাকি। খাবার অর্ডার দেবার কিছুক্ষণ পর ঐ বান্ধবীর প্রেমিক ফোন দেয়। তারপর সে ও ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আমি তখন একা। কিছু করার নেই। আশেপাশে তাকালাম। কোথাও মজার কিছু ঘটলে যেন চোখ এড়িয়ে না যায় তাই বারবার এদিক ওদিক দেখছি। আমাদের টেবিলের পাশেই তিনজন মধ্য বয়সের ছেলে বসে গল্প করছিল। প্রথম দিকে তেমন একটা খেয়াল করিনি। কিন্তু হঠাৎ তাদের একজনের মোবাইলের তীব্র রিংটোনের শব্দে চোখ চলে গেল।
– তোর বউ ফোন করসে।
– ধুর! বা*! বাদ দে।
– কাইটা দে। রিংটোন শুনে কান ফাইটা যাইতেসে।
– সাইলেন্ট করে দিসি।
এদের মধ্যে একজন এতক্ষণ চুপ ছিল। হঠাৎ সে বলে ঊঠল
– ফোন ধরলি না ক্যান? ধরে বলে দিতি আমাদের লগে আসস।
– না, মাইয়া মানুষের স্বভাব তুই জানোস না? মনে নাই রাফাতের ঘটনা? গার্লফ্রেন্ডরে বলসিল ফ্রেন্ডের লগে আসি। তখন মেয়ে কইল, ‘তোমার কাছে আমি আগে না তোমার ফ্রেন্ড?’। রাফাত বলসিল, ফ্রেন্ড আর লগে লগে ব্রেক আপ।
– ও! হ। তয় রাফাতরে ছাড়সে ভালই করসে। রাফাত ওরে মোটেও পছন্দ করত না। হুদাই দাম বাড়ানোর জন্য রাখসিল।
– হ, তুই তো তাই কবি। তোর আর কাম কি? তোর কাসে তো মাইয়া মানেই ঠিক, পোলা মানেই ভুল। শালা হাফ লেডিস!
এমন সময় এক মেয়ে এসে তাদের সাথে বসল। এদের একজনেরই গার্লফ্রেন্ড। এটা তাদের কথায় বুঝতে পারলাম। স্বাভাবিক কথা বার্তা চলছিল। হঠাৎ প্রথম ছেলে বলে উঠল
– মাইশারে ফোন লাগামু? কথা বলবা, আরতি?
– দাও ফোন। দেখি কেমন।
– একটু আগে ফোন দিসল, ধরি নাই।
ছেলেটির মুখে বিজয়ীর হাসি। আরতিও মৃদ্যু হাসল। ছেলেটি মাইশাকে ফোন দিচ্ছিল।
– ধরে না। বা*।
আগের ছেলে বলে উঠল- একটু আগে ধরস নাই তুই। তাই এহন উই ধরে না।
– তোরে বলসে? একটু পর ঠিকই ফোন দিব নে।
এরপর আবার স্বাভাবিক কথা চলছি। কিছুক্ষণ পর কথামত মাইশা ফোন দিল।
– হুমম… বল।
– ……………।(অপর পক্ষের কথা শুনতে পারিনি)
– কই না তো? আমি তো ব্যস্ত এখন। ভুলে মনে হয় টিপ পড়সিল।
– ……………
– পরে বইলো। এখন বিজি আসি। রাখি।
ফোনটা কেটে দিয়ে ছেলেটা বলল- কি বলসিলাম না, ফোন দিব?
আরতি- তোমার তো আমাকে কথা বলতে দেবার কথা।
– না। এখন ভাব নেবার সময়। পরে একদিনে বলায়া দিব।
আগের ছেলেটি আবার বলল- মেয়েটাকে মিথ্যা বলে ভাব নেবার কি আসে? যা হইসে তা বললে তোর দাম কি এমন কমতো? মেয়েটা কতক্ষণ ধরে তোরে ফোন দিতেসে। তুই একবারো কথা বলিস না। সমস্যা কি? পসন্দ না হইলে ছাইড়া দে। এমনে ইগনোর করার কি আসে?
– মামা, তুমি জ্ঞান দিতে আইস না। তোমার বেলায় দেখসি। মেয়েদের নমঃ নমঃ করস। পুরা সত্য কথা বইলা বিশুদ্ধ ছিলা। দেখসি মাইয়া কেমনে নেড়ী কুত্তার মত তোমারে ছুইড়া মারসে। খুব নারীবাদী ছিলা , আছ , থাকবা। তুমি হাফ লেডিস থাক প্রব্লেম নাই। আমাগোরে বানাইতে চাইও না। অহন ভাল মাইনষের মত খাবার অর্ডার দাও দেহি।
ছেলেটা আর কিছু বলল না। উঠে গেল খাবার অর্ডার দিতে। ছেলেটা চলে গেলে। আরতি বলে উঠল- রাতুল তোমাদের দলে আসল ক্যামনে? ও কেমন জানি মেয়েলি মেয়েলি ভাব দেখায়।
– নিজেই আসছে। আমরা কিছহু কই না। উইড়া আয়া জুইড়া গেসে। ওর কথা বাদ দাও। তোমার কথা বল। দিন দিন তো সুন্দর হয়্যা যাইতেস। ব্যাপার কি?
এরপর আবার তাদের স্বাভাবিক আলাপ চলতে থাকে। আমি আর কান দেই না। দু’একবার রাতুলের দিকে তাকাই। খারাপ লাগে ছেলেটার শুকনো মুখ দেখে। তবে মনে মনে সম্মান দিতে থাকি।

বাইরের গল্প তো বলা হল। এবারের নাড়ীর নারীর কথা বলি। আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি। গত দু’বছর হল ফুপি, দাদী আমরা একসাথে থাকি। দু’বছর আগে ফুপিরা কানাডা থেকে ফিরেছে। তার আগে ফুপিদের তেমন চিনতাম না। সে যাই হোক। আসা থেকেই ফুপাকে দেখেছি। বেশ শীতল মেজাজের একজন মানুষ। ফুপা-ফুপির রাগারাগি হলে ফুপি প্রায়ই জোরে কথা বলে আর ফুপা ভুঁড়ু কুঁচকে হলেও নম্রভাবে বলতে থাকে। আমার কাজিনদের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে ফুপা ফুপি দু’জনেই সমান মতামত দেয়। ভাল করে তুলে ধরতে পারছি না, কিন্তু মোটের উপর ব্যাপার হল ফুপা ফুপিকে অনেক সম্মান দেয়। ফুপির মতে বহু বছর বাইরে থাকার ফলে আর ভাল মানুষ হিসেবে এই মানসিকতা অর্জন করেছে। সে যে কারণেই হোক আমি ফুপার এই নারীবাদী চরিত্রকে শ্রদ্ধা করি সবসময়। কিন্তু সমস্যা হল সমাজ। আগেই বলেছি আমাদের এলাকা নিন্মবিত্তদের এলাকা। বিত্ত ব্যাপার না, ব্যাপার হল মানসিকতা। এখানে সেরকম উচুঁ মানসিকতার কাউকে পাওয়াও কঠিন।
এখন ফুপা আমাদের সাথে থাকে বলে প্রায়ই লোকে ঘরজামাই বলে তুচ্ছ করতে থাকে। ঘরজামাই শব্দটির সাথে আমাদের সমাজে একধরনের নিচতা ঢুঁকে গেছে। আমার তো মনে হয় চোরের চেয়ে বেশি ঘৃণা মানুষ ঘরজামাইকে করে। যাই হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক ইচ্ছে করে কখনো এরকম ঘরজামাই গালি শুনে বসে থাকে করে না। ফুপির কষ্ট হয় তিন ছেলেকে সামলাতে। ফুপা-ফুপি না থাকলে আমরা যত্ন নিতে পারি আরো নানা সুবিধা দেখেই এখানে থাকে। কিন্তু এসব দিকগুলো কেউ চিন্তা করে না। আমার বাবাই মাঝে মাঝে বলে- আস্ফির বাপের বাড়িতে থাকে তো, তাই আস্ফি হাজার চিল্লাচিল্লি করলেও মইন কিছু বলে না। লোকে ঘরজামাই বললেও মইন এ বাসায়ই পড়ে থাকে আস্ফির আঁচলের তলায়। কিসের ছাতা অধ্যাপক জানি।’ কিছু বলি না।পরিবারের অধীনে থাকো যখন এগুলো হীনমানসিকতাকে গ্রহন করেই থাকতে হবে নয়ত ঘরছাড়া হতে হবে।

তবে হ্যাঁ। আমার ক্ষেত্রে বাবার নৈতিকতা কেন জানি পালটে যায়। আমি নারীবাদী হয়ে বড় হয়ে উঠছি তাতে তেমন আপত্তি করে না। শুধু মাঝে মাঝে সমাজ সম্পর্কে সচেতন করে। শুধু আমাকে স্বাধীনতা দেবার ক্ষেত্রে বাবাকে একজন উঁচু মানসিকতার বাবা বলা যায়। লোকের বাঁকা চোখকে ভেংচি কেটে কিভাবে অধিকারের জন্য লড়তে হয় তাও বাবা শিখিয়েছে। না শিখিয়েছে বললে ভুল হবে বাবা শুধু দেখিয়ে দিয়েছে অন্যান্য মেয়েরা কিভাবে সংগ্রাম করছে। সেটাই আমার জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু সমস্যা হল সমাজ, পরিবার, ধর্ম। আমার এই স্বভাব তাদের কাছে উগ্রতা। তার চেয়ে বড় অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে। মেয়েকে নষ্ট করার অভিযোগ। একটু খাপছাড়া মনে হচ্ছে কি? আগের অংশের সাথে সামঞ্জস্যহীন লাগছে? না, ফুপার ঐ ঘটনায় কিছু বলা যায় না কারণ তখন বাবা একা নয় সাথে আরো জ্ঞানী-গূণী নারীবিদ্বেষী মুর্খও থাকেন। ওখানে প্রতিবাদ করে কিছু বলার মানে আমার ঘরছাড়া হওয়া। আর আগেই বলেছি শুধু আমার ক্ষেত্রেই বাবার দৃষ্টিভঙ্গী পালটে যায়। কারণ, হাজার হোক নিজের মেয়ের সাথে কেউ পুরুষত্ব দেখাবে আর মেয়ে দাসীরুপে গ্রহণ করবে তা কোন বাবাই মানতে পারেনা।

যাই হোক মূল প্রসঙ্গে যাই। সমাজ। হ্যাঁ, আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এতটা অদ্ভুত যে এখানে কোন ছেলে প্রকৃত অর্থে মেয়েদের সমান অধিকারের পক্ষে কথা বললে তাকে ‘হাফ-লেডিস’ বলা হয়; এমনকি মেয়েরা পর্যন্ত বলে ‘ছেলেটা কেমন মেয়েলি মেয়েলি’। কোন স্বামী নম্রভাবে স্ত্রীর সাথে কথা বললে তাকে ‘বুর্জোয়া, অকর্মণ্য স্বামী’ ধরা হয়, এমনকি স্ত্রীও মনে মনে স্বামীর পৌরষত্বের অভাবকে দুষতে থাকেন। কোন বাবা মেয়েকে স্বাধীন গতি দিলে ‘মেয়েকে নষ্ট’ করার অভিযোগ শুনতে হয় আর মেয়েটিকে সমাজ ‘নষ্ট-উগ্র’ উপাধী দেয়। এ সমাজে কোন পুরুষের নারীবাদী মনোভাবই পাপ, পৌরষত্বের অপমান। এই হল পবিত্র গাভীদের সমাজ!…

২৪ thoughts on “পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীবাদী পুরুষের পরিচয়

    1. আপনার মত শক্ত ব্যক্তিত্বের
      আপনার মত শক্ত ব্যক্তিত্বের মানুষকে দেখে ভাল লাগল। সত্যের পথেই থাকুন। আশা করি একদিন সত্যের জয় হবে। ধন্যবাদ

  1. বেশ কিছু বাস্তব সত্য উঠে
    বেশ কিছু বাস্তব সত্য উঠে এসেছে। আমাদের দেশে নারী অধিকারের ক্ষেত্রে মেয়েরাও কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। আর ছেলেরা তো আছেই। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

  2. আমার কেন জানি সব সময় মনে হয়
    আমার কেন জানি সব সময় মনে হয় এই পুরুষতান্ত্রিকতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে নারী জাতি শুধু মানুষ থেকে শো-পিস হয় নাই আমরা বোধহয় তাদের জেনেটিক কোডও পাল্টে দিয়েছি..

    আমার বড় ভাইয়ের মেয়ে আর আরেক বড় ভাইয়ের ১০-১২ বছরের দুই ছেলে আর মেয়ে বাচ্চাকে যখন দেখি যথাক্রমে মাঠে খেলতে আর আয়নার সামনে বসে সাজতে তখন ভাবিকে দুটা কথা শুনিয়েই আমার প্রতীবাদের শেষ হয়। কারণ আগে এই ‘মা’দের সোচ্চার আর সচেতন হতে হবে…
    একটা বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন!! ধ্বজাধারী পুরুষতান্ত্রিক পুরুষদের কথা আর কি বলব…
    যেখানে সাইদিরা চাদে আর শাহ্‌রিয়ার কবিরেরা ফাঁদে!!

    1. ভাল বলেছেন। তবে আমাদের
      ভাল বলেছেন। তবে আমাদের ‘মা’-রা যে পরিমাণ পুরুষতান্ত্রিক তাতে এই চিত্রই স্বাভাবিক। আমাদের মায়ের নিজেদের অধিকারের ব্যাপারেই সোচ্চার নয় আর ছেলে-মেয়েকে কীভাবে সাম্যের শিক্ষা দিবে? আমাদের সমাজ মায়েদের এমন শিক্ষাই দেয়- মার খাবে, অত্যাচারিত হবে তবু স্বামীর ঘর ছাড়তে পারবে না। ঘরছাড়া যেকোন মেয়ে এ সমাজে অসতী।

      1. ঐযে বললাম কৃষিসভ্যতার পর থেকে
        ঐযে বললাম কৃষিসভ্যতার পর থেকে যখন নারীর স্বাবলম্বী স্বত্বা কে বন্ধী করল পুরুষ তখন থেকেই অবধারিত ভাবে নারী হয়ে উঠল পন্য-সম্পদ (হৈমন্তী দশা)-আর বিপণনের বিষয়!! নারীর সব দ্রোহের মৃত্যু হয় তাঁর অর্থনৈতিক দাসত্বে…

        1. আমার কিন্তু তা মনে হয় না।
          আমার কিন্তু তা মনে হয় না। অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী নারীর মনেও দাসত্ব মনোভাব থেকে যায়। দাসত্ব এখনও একজন আদর্শ স্ত্রী, কন্যা, মা অন্যান্য ভুমিকার পরিচায়ক

          1. কারণ মানুষের মানসিকতার
            কারণ মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হলে চাই ব্যাক্তির নিজের স্বদিচ্ছা ও পরিবেশগত অনুকূল্য… এখন যদি কোন ব্যক্তি/নারী নিজে থেকেই আগে পুরুষতন্ত্রে হিপনোটাইজ হয়ে থাকে তবে তার নৈতিকতার উৎকর্ষ সাধন আপনি কীভাবে করবেন?
            তাই প্রত্যেক নারীকে আগে নিজে স্বাবলম্বী হতে হবে তবেই সে নিজের অধিকার সচেতন হবে আর এটাই গড়ে তুলবে মানুষের স্বদিচ্ছা আর সুশিক্ষা সচেতনতা আর সমাজের পরিবেশগত অনুকূল প্রেক্ষাপট সর্বাংশে সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে…
            ভাল থাকবেন!! আপনাকেও :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    1. সম্মান রেখে কথা বলুন,
      সম্মান রেখে কথা বলুন, সুমিত!!
      এই নারীকে আমাদের পুরুষতন্ত্রই এমন বানাইছে…
      আর আপনার কথার সেই প্রাণীর গর্ভেই আমার আপনার জন্ম!

      যখন কোন বিশ্লেষণে লিখবেন তখন হয়ত প্রাসঙ্গিক মনে হত, কিন্তু স্বাধীন এই বাক্যটি খুব আপত্তিকর…

      1. এভাবে উপহাস্যকর মন্তব্য আশা
        এভাবে উপহাস্যকর মন্তব্য আশা করিনি। একমত প্রকাশ করছি তারিক লিংকনের সাথে…

        1. আরেকটা বিষয় বলে রাখি সুমিত
          আরেকটা বিষয় বলে রাখি সুমিত চৌধুরী, হুমায়ুন আহমেদ HOLY COW গালিটির বাংলা পবিত্র গাভী বলে শুধু নারীদের চিহ্নিত করেননি। cow এর সঠিক বাংলা ব্যবহার করে সমগ্র বিষয়কে তিরস্কার করতেন।

  3. “আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও,
    “আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদেরকে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিব ” মনে পড়ে গেল কিংবদন্তি এই উক্তিটি ।।

  4. “আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও,
    “আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদেরকে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিব ” মনে পড়ে গেল কিংবদন্তি এই উক্তিটি ।।

    1. আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষিত
      আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষিত মায়েরা এই গদবাঁধা সমাজ ব্যবস্থার সাথে তাল মেলায়। শিক্ষা তাদের প্রতিষ্ঠা করেছে কিন্তু মনের দ্বার আর খুলতে পারেনি

  5. খুব আশ্চর্য হই, যখন দেখি
    খুব আশ্চর্য হই, যখন দেখি মেয়েরাই বলে, ঐ মেয়েটা উগ্র।

    বড় আফসোস, অন্ধের দেশে চশমা ফেরি করি।

    1. অহত হয় কিন্তু বিস্মিত হয়
      অহত হয় কিন্তু বিস্মিত হয় না…
      কারণ এইটা প্রত্যাশিত! এখন সমাজ তেমনটাই আছে,
      পরিবর্তন হবে মহাকাল ব্যাপী কেননা দূষণও হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে…
      মানবতার জয় একদিন হবেই!!
      জীর্ণতা অপসৃত হতে বাধ্য…

    2. ভাল বলেছেন… আমাদের দেশের
      ভাল বলেছেন… আমাদের দেশের মেয়েরা ছেলেদের চেয়েও বেশি আত্মকেন্দ্রিক। নিজে যখন পুরুষতন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করে। তখন অন্য মেয়ে এই সমাজের বিরোধিতা করলে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য সে মেয়েকে ‘উগ্র’ বলে। এদিকে সে যে ‘দাসী’ তা আর তার মনে থাকে না…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *