সুখপাখি

সুখপাখি তুমি ভালো থেকো
ডানার রৌদ্রে সুখ লুকিয়ে রেখো
আমি চাইবোনা উড়বার স্বাধীনতা
শুধু বলে দিও তারে এ বারতা…

‘ এই পথে ভালোবাসা এসেছিলো চুপিসারে
চাঁদ ডুবে গেলে রাত্রির গাঢ় আধারে



সুখপাখি

সুখপাখি তুমি ভালো থেকো
ডানার রৌদ্রে সুখ লুকিয়ে রেখো
আমি চাইবোনা উড়বার স্বাধীনতা
শুধু বলে দিও তারে এ বারতা…

‘ এই পথে ভালোবাসা এসেছিলো চুপিসারে
চাঁদ ডুবে গেলে রাত্রির গাঢ় আধারে
মিলেছিলো নক্ষত্ররা অজস্র নক্ষত্র’র সাথে
রেখেছিলো হাত মহা পৃথিবীর অলৌকিক হাতে
তবে কেন সেই হাত কী এক অমোঘ ইশারায়
মহাশূন্যতা ছুঁয়ে ফিরে এলো নির্বাক এ ধরায় ।

কেউ জানেনা কেউ জানবেনা কোনোদিন
ঘুনপোকা এসে নীরবে খেয়ে যাবে একদিন
এইসব পাণ্ডুলিপি এইসব প্রিয় আয়োজন
তবু মহাকালের স্মৃতি হয়ে মেটাবে প্রয়োজন ।

নীলার দীর্ঘশ্বাসের রাতে চাঁদ ডুবে গেলে
তবুও জ্বলবে নীল জোনাকিরা সব ভুলে
প্রহরে প্রহরে রাত্রি জাগবে কারো বুকে
শোকের আয়ু কারো বাড়বে নিদারুণ অসুখে

সোমেশ্বরীর জলে ডুবে কেউ মাপবে গভীরতা
তবু সুখপাখি বলে দিও তারে এই নীরবতা
অজস্র মৃত্যু, মারী ও খরা সয়ে বিষণ্ণ বেহাগ
হয়েছিলো কারো বিভোর স্বপ্নে চন্দ্রাস্ত রাগ । ’

২৩ thoughts on “সুখপাখি

  1. ভালো কবিতা । কিছুটা জীবনানন্দ
    ভালো কবিতা । কিছুটা জীবনানন্দ সুঘ্রান পাওয়া যাচ্ছে ।
    ‘ চন্দ্রাস্ত রাগ ’ বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন ?

    1. কিছুটা জীবনানন্দ সুঘ্রান

      কিছুটা জীবনানন্দ সুঘ্রান পাওয়া যাচ্ছে ।

      @ ভাই/ সিস্টার প্রাজ্ঞ প্রাবন্ধিক মনে হলো আমার কবিতা টা এই মাত্র পোস্টমর্টেম ঘুরে এসেছে । জীবনানন্দ দাশ সম্ভবত আমি সবথেকে কম পড়েছি ।

      ‘ চন্দ্রাস্ত রাগ

      @ এখানে প্রভাত সঙ্গীত বুঝানো হয়েছে । যাই হোক এতো মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ !

  2. সুখপাখি তুমি ভালো থেকো
    ডানার

    সুখপাখি তুমি ভালো থেকো
    ডানার রৌদ্রে সুখ লুকিয়ে রেখো
    আমি চাইবোনা উড়বার স্বাধীনতা
    শুধু বলে দিও তারে এ বারতা…

    এই চরণ গুলোর সাথে বাকি কবিতার বা বাকি কবিতার সাথে উক্ত চরণ গুলো কেমন যেন ছন্নছাড়া মনে হচ্ছে । এমনিতে ভালো লিখেছেন । আশা করি আরও ভালো কবিতা পাবো আপনার ব্লগে ।

    1. আপনি সম্ভবত লক্ষ্য করেন নি,
      আপনি সম্ভবত লক্ষ্য করেন নি, ‘

      শুধু বলে দিও তারে এই বারতা …

      পর,সেই বারতা বা কথা গুলো বর্ণনা করা হয়েছে যা কি না সুখপাখি বলে দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে । এখানে কেন যে আপনার খাপছাড়া মনে হলো আমার বোধে আসছনে ।

      আপনি বেশ কবিতা ভক্ত বলে মনে হচ্ছে । আপনার লেখা খুঁজলাম । পেলাম না । নতুন জয়েন করেছেন । বোঝা যাছে । আপনার পোস্ট এর আশায় রইলাম ।

  3. ভালো লিখেছেন । এক ধরণের ইলুশন
    ভালো লিখেছেন । এক ধরণের ইলুশন তৈরি করতে পেরেছেন বলে আমার মনে হয় ।
    ওনাদের মন্তব্য বিষয়ে আমি পুরাপুরি একমত নই । যদিও স্টাইলটা কিছুটা জীবনানন্দই ।

  4. মনে হল যেন জীবনানন্দের কবিতা
    মনে হল যেন জীবনানন্দের কবিতা পড়লাম” কমপ্লিমেন্ট দিলে আপনি খুশি হবেন, “আপনিও আপনার কবিতা জীবনানন্দ দ্বারা অধিক আক্রান্ত প্রক্রান্ত প্রভাবিত” বললে অখুশি হবেন। জীবনানন্দের লেখা চলবে, আপনি জীবনানন্দের মত লিখলে চলবে না।

    1. আমি সম্ভবত বুঝতে পারছি
      আমি সম্ভবত বুঝতে পারছি সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে আপনার মতো ককেকজনের…

      চাঁদ

      ,

      রাত্রির গাঢ় আঁধার

      ,

      পাণ্ডুলিপি

      ,

      আয়োজন

      ,

      পেঁচা

      ,

      শালিক

      ,

      শঙ্খচিল

      ইত্যাদি শব্দগুলো জীবনানন্দ দাশ অমরত্ব দিয়ে গেছেন । ভাই, আপনি আমাকে বলবেন উনি কী ওই শব্দগুলো পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে দলিল করে লিখে রেখে গেছেন কি না ? এখন ওই শব্দ প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করা যাবেনা ? সমালোচনা করেন খুব ভালো কথা । আমার অবস্থান স্পষ্ট কবিতা হতে হবে মৌলিক । তবে হাঁ, পূর্বসূরিদের কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে । এটাকে আমি বস্তুবাদি দৃষ্টিকোন থেকে বলতেই পারি পঞ্চ ইন্দ্রিও দ্বারা যেহেতু চেতনার সৃষ্টি সেহেতু প্রভাব থেকে আমরা কেউ আসলে মুক্ত নই । তবে কথা হল, বোধের ঘরে কিছু ভাবনা যুক্ত হতে পারলো কি না । আমার পক্ষে জীবনানন্দ দাশ হওয়া সম্ভব না। সে চেষ্টা আমি করিনা । কবিতা নিয়ে পরীক্ষা করতে আমার ভালো লাগে । ভালো থাকবেন ।

  5. কেউ জানেনা কেউ জানবেনা
    কেউ জানেনা কেউ জানবেনা কোনোদিন
    ঘুনপোকা এসে নীরবে খেয়ে যাবে একদিন
    এইসব পাণ্ডুলিপি এইসব প্রিয় আয়োজন
    তবু মহাকালের স্মৃতি হয়ে মেটাবে প্রয়োজন ।

    ভালো লাগলো লাইনগুলো……

  6. আপনার অনেক পোস্ট পড়েছি লেখার
    আপনার অনেক পোস্ট পড়েছি লেখার হাত ভাল।। চালিয়ে যান। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  7. আমি আমার মন্তব্যর একটা
    আমি আমার মন্তব্যর একটা ব্যাখ্যা দিতে চাই । ‘ স্টাইলটা জীবনানন্দিও ’ আমি বলেছি । তাতে আমি দোষের কিছু মনে করিনা । কথা হচ্ছে কবিতার মৌলিকত্ব নিয়ে । আমি জীবনানন্দের একজন ভক্ত পাঠক । ওনার প্রায় সব কবিতা আমার পড়া । তাই বলতে পারি এই কবিতা জীবনানন্দের কোন কাব্য গ্রন্থে নাই । আমরা অহেতুক কবির ভালো একটা লেখাকে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করছি । একটু ভালো করে পড়লে দেখতে পাবো কিছু অসাধারন কবিতার চরণ । এই যেমন –

    নীলার দীর্ঘশ্বাসের রাতে চাঁদ ডুবে গেলে
    তবুও জ্বলবে নীল জোনাকিরা সব ভুলে
    প্রহরে প্রহরে রাত্রি জাগবে কারো বুকে
    শোকের আয়ু কারো বাড়বে নিদারুণ অসুখে

    এবং

    কেউ জানেনা কেউ জানবেনা কোনোদিন
    ঘুনপোকা এসে নীরবে খেয়ে যাবে একদিন
    এইসব পাণ্ডুলিপি এইসব প্রিয় আয়োজন
    তবু মহাকালের স্মৃতি হয়ে মেটাবে প্রয়োজন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *