বেহেস্ত না কি পতিতালয় ?

ইসলামে বহুল প্রচলিত একটি প্রলোভন হল – হুর । বেহেস্তে নাকি একজন পুরুষ একাধিক হুরের অধিকারী হবে !
এখন কথা হল হুর কি ? ইসলামী ধর্মগুরুদের মতে , হুর হল বেহেস্তে অবস্থানকারী অতি অপরূপা রমনী যাদেরকে আল্লায় শুধু মাত্র বেহেস্তী পুরুষদের জন্য সৃষ্টি করেছেন । এবার এসম্পর্কে কোরানের কিছু আয়াত দেখি –
সূরা আন- নাবা : ৩১ থেকে ৩৪ আয়াতে বলা হয়েছে , ” পরহেযগারদের জন্য রয়েছে সফল্য, উদ্যান , আঙুর , সমবয়স্কা পূর্ণযৌবনা তরুণী এবং পূর্ণ পান পাত্র ”
অর্থাৎ , যারা বেহেস্তী তারা উদ্যান ,আঙুর তো পাবেনই সাথে পাবেন যৌবনদিপ্ত নারী আর ড্রিংকস ।
সুরা আর- রহমান : ৫৬ আয়াতে বলা হয়েছে , ” তথায় থাকবে আনতনয়না রমনীগণ , কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহায় করে নি ”
এই একি কথা আবার ৫৮,৭২,৭৪ আয়াতে এভাবে বলা হয়েছে , ” প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ্য রমণীগণ , তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ , কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদের স্পর্শ করেনি ”
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে হুর হল নারী রূপী এক প্রকার ভোগ্য পন্য যার কাজই হলো পুরুষের দ্বারা ভোগ্য হয়ে পুরুষ কে যৌন ও ইন্দ্রিয় সুখ প্রদান করা । আমরা মর্তবাসী সহজ কথায় যাকে বলি বেশ্যা বা পতিতা । আর যেখনে এরা অবস্থান করে সেখান টাকে বলি বেশ্যালয় বা পতিতালয় ।
আমাদের মর্তে যেমন পুরুষতান্ত্রিক নারীদের ভোগের উদ্দেশ্যে চিরদিন নির্যাতন আর নিপিড়ন শোষন করে তৈরী করেছে বেশ্যাপল্লী আল্লা ও তার ব্যতিক্রম নয় । তিনি পুরুষদের জন্য সকল সুখ রাখিলেন নারীদের জন্য রাখিলেন ঠেঙ্গা ।
মুহম্মদের কল্পিত বেহেস্তে তো নারীদের অধিকারের কোন টিকি ও পাওয়া যায় না। এখনে নারীর কোন ইন্দ্রিয় সুখের কথাই বলা নেই ।
তবে কি আমি বলতে পারি না – মুহম্মদের আল্লার কল্পিত বেহেস্ত শুধুই পুরুষদের যৌন ও ইন্দ্রিয়সুখ দানে একটা বেশ্যাপল্লী মাত্র ?

৬ thoughts on “বেহেস্ত না কি পতিতালয় ?

  1. মোল্লারা যেহেতু আরবি হুর
    মোল্লারা যেহেতু আরবি হুর শব্দের বাংলা অর্থ যৌবনা নারী বলেছে, সে সূত্রে আপনার বক্তব্য সঠিক। কিন্তু আরবি হুর শব্দের অর্থ যৌবনা নারী নয়। হুর শব্দের বাংলা অর্থ মুক্ত। অর্থাৎ, জান্নাতে সকলেই মুক্ত থাকবে। কেউই সেখানে আবদ্ধ থাকবে না।
    এখানে জানার বিষয় হলো- আবদ্ধতা কি? আবদ্ধতা হলো-রোগ, ব্যাধি, ক্ষুধা ও মৃত্যুর কাছে আমরা আমরা আবদ্ধ। জান্নাতে এ সকল আবদ্ধতা থাকবে না। তাঁরা সেখানে হুর পাবে। অর্থাৎ মুক্তি পাবে। তাঁরা মুক্ত হয়ে যাবে।
    এখন আশা করি জান্নাত বিষয়ে আপনার করা মন্তব্যটি, একেবারেই যুক্তিহীন।
    আর আপনাদের মতো ইসলাম বিদ্বেষী মানুষেরা সারা জীবনই কোন না কোন ভাবে, ইসলামের নিন্দা করতেই থাকবেন। আর এটাই হচ্ছে ইসলামের মাহাত্ম।
    মূলত আপনার লেখায় মন্তব্য করতে রুচিতে বাধে। কারণ- এতো নিচু ও হীন মনা মানুষ যে হতে পারে, তা আপনার লেখা না পড়লে বুঝতে পারতাম না। এতো নিচু ও হীন মানসিকতার লেখায় মন্তব্য করতে মন চাই না।

    1. ইসলামের এত বড় বড় আলেম,
      ইসলামের এত বড় বড় আলেম, তাফসিরকারকরা হুর শব্দের সঠিক অর্থ খুঁজে পেল না এতদিন। আপনি অবশেষে খুঁজে পেলেন। পুরা পৃথিবীর সকল আলেমদের আপনার বায়াত গ্রহন করা দরকার। বিড়াল হাগু করে অন্য কেউ দেখবে বলে বালি, মাটি বা খড়কুটো দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু দুর্গন্ধ ছড়ালে মানুষ ঠিকই খুঁজে বের করে ফেলে। ইসলামেরও দুর্গন্ধ লুকিয়ে রাখতে পারবেন না। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে!

    2. ফালতু কথা না বলে আয়াত গুলো
      জনাব সালিম সাহা এসব ফালতু কথা না বলে আয়াত গুলো সূক্ষ্মভাবে পর্যোবেক্ষণ করুন । হুর বলতে যদি মুক্তিই বোঝানো হয় তবে তা কি ভাবে তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হয় জনাব ? সমবয়স্কা পূর্ণযৌবনা রমণীর ব্যপারে কি বলবেন ? আবার কোন জিন ও মানব তাদের স্পর্শ করেনি এমন সার্টিফিকেট এর ব্যাপারে কি বলবেন ?
      সত্য সর্বদা কটুই হয় । আপনার খারাপ লাগলেও এটাই সত্য । আর হ্যা আপনার অবগতিতে বলছি আমি ধর্মহীন, ইসলাম বিদ্বেষী নই । ইসলাম আমার কাছে অন্য সকল অলীক ধর্মের মতই । আমি ত্রুটি দেখছি কারণ ধর্মের বেড়াজালে আবদ্ধ নই , আপনি দেখছেন না বা দেখতে চাইছেন না বরং ফালতু যুক্তি দিয়ে সত্য আড়াল করতে চাইছেন কারণ আপনার চোখে ইসলামের কালা চশমা লাগানো । আশা করি বুঝতে পেরেছেন । ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য ।

  2. মূল বিষয় হলো- কেউ জানা ও
    মূল বিষয় হলো- কেউ জানা ও বুঝার বাসনা নিয়ে কোন কাজে মনোনিবেশ করলে, সেই বিষয়টিকে সে যেভাবে বুঝতে সক্ষম হবে, আর শুধু মাত্র হিংসা বশত নিন্দা করার জন্য কেউ কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করলে, সে সেই বিষয়ের মর্মার্থ কোন ভাবেই বুঝতে সক্ষম হবে না। আর আপনার অবস্থাও তাই নিন্দুকের পক্ষেই পড়ে।
    প্রচলিত কোরআন জানতে ও বুঝতে হলে, কোন ইতিহাস দিয়ে নয়, মূলত প্রচলিত কোরআনের সঠিক অর্থ ধরেই বুঝতে হবে। সেখানে সূরার নামকরণ ও নাজিলের অবস্থান বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকলে প্রচলিত কোরআন বুঝা সম্ভব নয়।
    আসুন, প্রচলিত কোরআনের বিষয়কে জানা ও বুঝার জন্য, যে কোন একটি বিষয় দিয়ে শুরু করি। আশা করি তাহলে আপনাদের সকলের মুখে স্কসটেপ পড়ে যাবে।
    এলোমেলো ভাবে উপস্থাপন না করে, আপনাদের ইচ্ছামতো যে কোন একটি বিষয় দিয়ে শুরু করুন। তবে শর্ত এই যে, একটি বিষয়ের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত, অন্য কোন বিষয় উপস্থাপন করা যাবে না।
    তবে সব থেকে ভালো লাগে এই ভেবে যে, ধনহীন যেমন ধনীর ধন দেখে ঈর্ষা করে, রূপহীনা যেমন রূপসীর রূপ দেখে ঈর্ষায় জ্বলে মরে, ঠিক আপনাদের অবস্থাটা সেই রকম জ্বলনিয়।

    1. জনাব সলিম সাহা পক্ষে অবস্থান
      জনাব সলিম সাহা পক্ষে অবস্থান করে আপনিই মূল পতিপাদ্য কে আড়ালের প্রয়াস করছেন । যে প্রশ্নগুলো করেছি তা আমি রেফারেন্স দিয়েই করেছি । এর পর ও যদি আপনি আড়াল করতে চান তবে তা হবে বৃথা প্রয়াস । চোখে আগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার পরও যদি‌ না দেখে তবে বলব আপনি অন্ধ বই অন্য কিছু না । পরলে যে প্রশ্ন করেছি তার উত্তর খুুজে দেখুন । আশা করি বোধে আসবে ।

      1. তাহলে আসুন, প্রথমে আমরা আপনার
        তাহলে আসুন, প্রথমে আমরা আপনার এই পোষ্টের বিষয়ে মীমাংসা শেষ করি। তবে শর্ত এই যে, এই প্রসঙ্গ শেষ না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ, আপনার এই পোষ্টে থাকা বিষয়ে মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত, অন্য বিষয়ে আলোচনা করা যাবে না। আর উভয়ের আলোচনায় যে সিদ্ধান্ত আসবে, অপ্রিয় হলেও তা মেনে নিতে হবে, এবং এই বিষয়ে আর কখনো বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করবেন না।
        রাজী থাকলে শুরু করতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *