উত্তরাধিকার # ১ম পর্ব


প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন খন্দকার আজিজ আব্দুর রহমান। বুক থেকে ঘরঘর শব্দ হচ্ছে। পানির গ্লাসটা হাতে নিতে গিয়ে ফেলেই দিলেন। গ্লাস ভাঙার শব্দের সাথে সাথেই পাশের রুম থেকে দ্রুতপায়ে কারও এগিয়ে আসার শব্দ পাওয়া গেল। দরজা খুলে ঝড়ের বেগে তারাপদ প্রবেশ করল। চোখ লাল হয়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছে কাঁচা ঘুম ভেঙে উঠে আসতে হয়েছে বেচারাকে। একপলক আজিজ সাহেবের দিকে তাকিয়েই সে ড্রয়ারে হাত দিল। হ্যাঁ, ওইতো নেবুলাইজারটা দেখা যাচ্ছে। দ্রুত সে নেবুলাইজারটা আজিজ সাহেবের মুখে লাগিয়ে পুশ করল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আজিজ সাহেবের বুকের ঘরঘরানি কমে গেল। ক্লান্ত ভঙ্গিতে বিছানায় শরীরটা এলিয়ে দিলেন তিনি।

“সময় হয়ে এসেছে তারাপদ। আর বেশিদিন নেই। আমাকে চলে যেতেই হবে। আর কতদিন তুমি পাশে থাকবে বল? কোন এক রাতে হয়ত এভাবেই মরে পড়ে থাকব। কেবল আমার লাশটা পাবে এসে।“

চোখ বন্ধ করেই কথাগুলো বললেন খন্দকার আজিজ। অল্প অল্প হাফাচ্ছেন তিনি। চোখ খুলে চারপাশে তাকালেন। ঢাউস আকারের পুরাতন দেয়ালঘড়িটার উপর এসে তাঁর দৃষ্টি থেমে গেল। ঘড়ির কাটাগুলো দুইটা ১০ এর ঘরে এসে স্থির হয়ে আছে। সেই ছোটবেলা থেকেই দেয়ালঘড়িটাকে একইরকম দেখছেন। তিনি আজ বার্ধক্যের শেষসীমায় উপনিত হয়েছেন কিন্তু ঘড়িটা সেই আগের মতই আছে যেমনটা ছিল প্রথম দেখার সময়। তাঁর দাদা ঘড়িটা উপহার পেয়েছিল ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক বিলেতি সাহেবের কাছ থেকে। আনুগত্যের পুরষ্কার। ব্রিটিশদের হয়ে নিজের স্বজাতির উপর অত্যাচারের পুরষ্কার।

তিনি খন্দকার আজিজ আব্দুর রহমান। খন্দকার বংশের শেষ জীবিত বংশধর। শেষ উত্তরাধিকারী। এই বিশাল জমিদার বাড়ি তাঁর দাদা খন্দকার সাইফুর রহমান তৈরি করেছিলেন। খুব দয়ালু জমিদার ছিলেন না তিনি। ইংরেজদের সাথে গভীর সম্পর্ক ছিল সাইফুর রহমানের। ইংরেজদের পক্ষ হয়ে তিনি খাজনা আদায় করতেন। খাজনা দিতে না পারলেই সাধারণ জনগণের উপর নেমে আসত অত্যাচার। এই বাড়ির প্রতিটা ইট আর পাথরে মিশে আছে অত্যাচারিত মানুষের রক্ত আর ঘৃণা। আজিজ সাহেব মাঝে মাঝে অবাক হন, এত অভিশাপ নিয়েও তাঁরা বংশপরম্পরায় কিভাবে এতদিন টিকে আছেন? প্রকৃতি যে প্রতিশোধ নেয় নি তা নয়। নিয়েছে বলেই আজ তিনি একা একা মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। অবশ্য খুব বেশি সময় একা থাকতে হবে না। মোহন পাগলার কথা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে কেউ না কেউ তো আসবেই।

মোহন পাগলার কথা মনে আসতেই তাঁর বুকটা শিরশির করে উঠল। লোকটা কিভাবে ভূত-ভবিষ্যৎ সবকিছু বলে দিতে পারত? মোহনকে এই জমিদার বাড়িতেই খুন করা হয়েছিল। মৃত্যুর আগ মুহূর্তে মোহনের তীব্র চাহনির কথা আজিজ কোনদিনও ভুলতে পারবেন না। ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর চোখের সামনেই প্রথমে মোহনের চোখ দুটি উপড়ে নেওয়া হয়। তারপর মুখ, হাত-পা বেঁধে পুকুরে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। মোহন একবারের জন্যও কোন শব্দ করে নি। অবাক ব্যাপার হচ্ছে মোহনের লাশ পুকুরে ভেসে উঠে নি। পুকুরে লোক নামিয়ে খোঁজা হয়েছিল মোহনের লাশ, কিন্তু পাওয়া যায় নি। দাদার বারণ সত্ত্বেও মৃত্যুর আগের রাতে মোহনকে তিনি পানি খাইয়েছিলেন। তখনই মোহন তাঁকে সংবাদটা দেয়।

আজিজ সাহেব তারাপদের দিকে তাকালেন। তারাপদ কোন কথা বলছে না। সে এমনিতেও কথা কম বলে। তিন পুরুষ ধরে তারাপদের বংশধরেরা তাঁদের সেবা করে যাচ্ছে। তারাপদ তাঁর বংশের শেষ পুরুষ। আজিজের থেকে বয়সে ১০ বছর ছোট হবেন। তাঁর এবং তারাপদের মৃত্যুর পর খন্দকার বংশ ইতিহাসের অংশ হয়ে যাবে। পরিসমাপ্তি ঘটবে ঘটনাবহুল এক অন্ধকার অধ্যায়ের।

“আমার মৃত্যুর পর কি করবে কিছু ভেবেছ?”

তারাপদের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করলেন আজিজ। তারাপদের মুখে বিষণ্ণতা ভোর করল।

“এখনও জানি না। আগে থেকেই সব কিছু ভেবে কি লাভ ছোট হুজুর? জীবন তাঁর নিজের গতিতেই এগুবে। এতদিন যেহেতু পার করতে পেরেছি, বাকি জীবনটাও পার করে দিতে পারব।“

তারাপদ মাঝে মাঝেই দার্শনিকের মত কথা বলে। শুনতে খারাপ লাগে না। সঙ্গী হিসাবে তারাপদ মন্দ নয় ভাবলেন আজিজ। জীবনের শেষ সময়ে তিনি যে একজন সঙ্গী পেয়েছেন সেটাই বা কম কিসে? তাঁর বাবা কিংবা দাদা কেউই তাঁর মত নিশ্চিত মৃত্যু পায় নি। দাদা মারা গিয়েছিল আগুনে পুড়ে। না কোন দুর্ঘটনা নয়। গ্রামবাসী পুড়িয়ে মেরেছিল। জমিদার বাড়িটাও তাঁর দাদার সাথে পুড়ে গিয়েছিল। অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে কেউ কিছুই লুটপাট করে নি। এই বাড়ির প্রতি সবারই একটা ভীতি কাজ করে। ভয় খুব সংক্রামক ব্যাপার। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ভয় দ্বারা তাড়িত হয়। এই কারণেই এখনও লোকজন পারতপক্ষে তাঁদের জমিদার বাড়ির ত্রিসীমানায় আসে না।

পুড়ে যাওয়া বাড়িটাকে আবার সংস্কার করান তাঁর বাবা খন্দকার মুহিবুর রহমান। তিনি ছিলেন শৌখিন এবং রুচিবান মানুষ। তাই সংস্কারের পর বাড়িটার জৌলুশ বহুগুণে বেড়ে যায়। অন্দরমহলের জৌলুশ বাড়ানোর ব্যাপারেও বাবা অনেক কর্তব্য পরায়ণ ছিলেন। তাই মাঝে মাঝেই অন্দরমহলে নাচগানের আসর বসত। বাবার পছন্দ ছিল দারুণ। কোথা থেকে যে সুন্দরী সুন্দরী মেয়েদেরকে তিনি যোগাড় করতেন কে জানে? সারারাত সেই মেয়েগুলো অন্দরমহল জমিয়ে রাখত। মধ্যরাতে মায়ের কান্না শুনে ঘুম ভেঙে গেলে সেই সুন্দরীদের হাসি আর নূপুরের শব্দ ঠিকই তাঁর কানে আসত। বাবাও একদিন হঠাত করেই ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। এক বাইজীকে বিদায় জানাতে গিয়েছিলেন। তাঁর আগেই অবশ্য তাঁর মা’ও চিরবিদায় গিয়েছিলেন। কোন এক বর্ষণমুখর রাতে বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে তিনি মারা যান। তাঁর মৃতদেহটা পাওয়া যায় পুকুর ঘাটে। লাশটা কে পুকুর ঘাটে নিয়ে গিয়েছিল কেউ জানে না। মায়ের লাশ আজিজ দেখতে পারেন নি। তাঁকে দেখতে দেওয়া হয় নি। অপুর্ব সুন্দরী মায়ের এমন করুন মৃত্যু শিশু আজিজ মেনে নিতে পারবে না বলেই বাবা তাঁকে লাশের কাছে ভিড়তে দেন নি। ভালই হয়েছে, ভাবলেন আজিজ। তাঁর স্মৃতিতে এখনও তাঁর মায়ের সেই রুপ গেঁথে আছে। থাকুক না। তারাপদের দিকে ফিরলেন তিনি-

“আগামীকাল কি পূর্ণিমা?”

“জী, ছোট হুজুর।“

“সময় হয়ে গেছে তারাপদ। এর পরের পূর্ণিমাতে আমাকে আর তুমি পাবে না। যা করার এখনই করতে হবে। যাদের আসার কথা তাঁরা ইতোমধ্যেই রওনা হয়ে গেছে। কেউ কেউ হয়ত পৌঁছেও গেছে।“

“কে আসবে? আপনি কাউকে খবর পাঠিয়েছেন?”

“হাসালে তারপদ। কাউকে খবর পাঠানোর সময় বা সুযোগ কি আমার আছে? নাহ, কাউকে খবর পাঠাই নি। কিন্তু আমি জানি অন্তত ৩ জন আসছে। মৃত্যুটা যতটা নিরানন্দ হবে ভেবেছিলাম ততটা নিরানন্দ মনে হয় হবে না। একা একা মারা যাবার থেকে একজন শত্রুও যদি মৃত্যুর সময় পাশে থাকে তাহলে ব্যাপারটা মনে হয় খারাপ হবে না। কি বল?”

আজিজ হাসলেন। এখন অনেকটা সুস্থ লাগছে। কে বলবে এই ১০ মিনিট আগেই তিনি মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছেন। তারাপদ চুপ করেই আছে। তাঁর আসলে বলার মত কিছু নেই। আজিজ যা বলবে সেটা করতে হবে এটুকুই সে জানে। আবার মুখ খুললেন আজিজ,

“তুমি এখনই বের হয়ে পড়। প্রথমে উত্তরে যাবে। রাস্তার মাথায় আধা ঘন্টা অপেক্ষা করবে। কেউ না কেউ আসবে। তাঁকে এই বাড়ির রাস্তা চিনিয়ে দিয়ে পুর্বে চলে যাবে। সেখানেও কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে আধা ঘন্টা অপেক্ষা করবে। আরেকজনকে পাবে। তাঁকে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসবে।“

“মানুষ তো তিনজন। আরেকজনকে কোথা থেকে নিয়ে আসব?”

মুচকি হাসি খেলে গেল আজিজের মুখে।

“আরেকজন নিজে থেকেই আসবে। কষ্ট করে তোমার যেতে হবে না। দোতলার দক্ষিন দিকের তিনটা রুম পরিষ্কার করে রেখেছ তো? সেগুলোতেই তাঁরা থাকবে। তুমি এখন বের হয়ে যাও।“

তারাপদ মাথা নেড়ে সন্মতি জানিয়ে বের হয়ে পড়ল। কোন কোন ঘটনা কিভাবে ঘটবে সেটা ছোট হুজুর কিভাবে জানতে পারল সেই ব্যাপারে তাঁর কোন মাথাব্যথা নেই। সে শুধু জানে যে ব্যাপারগুলো ঘটবেই। সেই ছোটবেলা থেকেই এমন ঘটে আসছে। ছোট হুজুর কিছু বলেছে আর সেটা ঘটেনি এমনটা আজতক হয় নি। ভবিষ্যতেও হবে না।

*****
তারাপদ বের হয়ে যাওয়ার পর বিছানায় শুয়ে আজিজ চোখ বন্ধ করে অনেক আগের একটা ঘটনা মনে করার চেষ্টা করলেন। হঠাত করেই তিনি অতীতে ফিরে গেলেন।

একটা ছোট্ট ছেলে গুটি গুটি পায়ে ভীত ভঙ্গিতে একটা বদ্ধ কক্ষে প্রবেশ করছে। ছোট্ট ছেলেটার পিছন পিছন মাথায় ঘোমটা দেওয়া একজন অল্পবয়স্ক রমণী হেঁটে আসছেন। এই রমণী ছোট্ট বালকটির মা। বদ্ধ কক্ষটিতে একজন লোককে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। লোকটি একদম নিশ্চুপ। ছেলেটির হাতে গ্লাস ভর্তি ঠান্ডা পানি। লোকটার নাম মোহন। সবাই ডাকে মোহন পাগলা। পাগল তো তাই এই নামে ডাকে হয়ত। লোকটাকে খুব মারা হয়েছে। মারের ঠোঁটগুলো কেটে যাওয়াতে চেহারাটা বীভৎস আকার ধারন করেছে।

ছেলেটা কাঁপা কাঁপা হাতে পানির গ্লাসটা লোকটার মুখের দিকে এগিয়ে দিল। লোকটা চোখ বন্ধ করে পড়ে ছিল। হঠাতই জেগে উঠে খুব শান্তস্বরে বলে উঠল-

“এই ছেলে, তোর নাম কি?”

“আজিজ”

“ও, সাইফুরের নাতি তুই? হাহা, সবাই শেষ হয়ে যাবি। সবাই। সবই থাকবে কিন্তু ভোগ করতে পারবি না। তোদের বংশ অভিশপ্ত বংশ। হাহা।“

শান্ত লোকটার এই অশান্ত আচরণে ছোট্ট ছেলেটা কেঁপে উঠল। তাঁর হাতের পানির গ্লাস পড়েই যাচ্ছিল। এমন সময় পেছন থেকে সেই নারীকন্ঠের আওয়াজ শোনা গেল-

“আজিজ, লোকটাকে পানিটুকু খাইয়ে দে। উনার অনেক পিপাসা পেয়েছে বুঝছিস না?”

নারীকণ্ঠের আওয়াজ শোনা মাত্রই মোহন আবার শান্ত হয়ে গেল। শান্তভাবে পানিটুকু শেষ করল সে। আজিজ চলে আসছিল এমন সময় পিছন থেকে তাঁকে ডাকল মোহন।

“তুই আমাকে পানি খাইয়েছিস তাই তোকে কয়েকটা কোথা বলি শোন। তোদের বংশের সবাই অপঘাতে মারা গেলেও তোর স্বাভাবিক মৃত্যু হবে। তোর মৃত্যু হবে এক পূর্ণিমার রাতে। যেই পূর্ণিমায় তুই মারা যাবি তাঁর আগের পূর্ণিমায় তোর কাছে তিনজন অতিথি আসবে। তাঁদের একজনের শরীরে তোদের অভিশপ্ত বংশের রক্ত প্রবাহিত হবে।“

ছোট্ট আজিজ ভয় পেয়ে তাঁর মায়ের কাছে দৌড়ে আসল। পিছন থেকে মোহনের শ্লেষমিশ্রিত হাসি শোনা গেল।

“তুই অনেক ভাগ্যবান যে মৃত্যুর সময় তুই তোর উত্তরাধিকারীকে শিয়রে পাবি। তোর বংশের আর কারও এমন সৌভাগ্য হবে না ছেলে।“

*****
চোখ খুললেন আজিজ। তাঁর সারা শরীর ঘামে ভিজে গেছে। তারাপদ গ্লাসটা ভরে রেখে গেছে। পানিটুকু শেষ করে তিনি উঠে বসলেন। এখন ঘুমানো যাবে না। তাঁকে প্রস্তুত হতে হবে তাঁর উত্তরাধিকারীর মুখোমুখি হওয়ার জন্য। কিছুটা উত্তেজনা বোধ করছেন তিনি। এত বছর ধরে যার জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁকে সামনাসামনি দেখবেন ব্যাপারটা ভাবলে উত্তেজিত হওয়াই তো স্বাভাবিক।

(……….চলবে)

উত্তরাধিকার # ২য় পর্ব

৩০ thoughts on “উত্তরাধিকার # ১ম পর্ব

  1. ভৌতিক থ্রিলার গল্পের লেখক খুব
    ভৌতিক থ্রিলার গল্পের লেখক খুব কম। সেক্ষেত্রে আপনার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। গল্পটা পড়ে পরের অংশের জন্য আগ্রহ বোধ করছি। তার মানে আপনি এই ক্ষেত্রেও সফল। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। :অপেক্ষায়আছি:

    1. আসলেই খুব চিন্তায় ছিলাম রে
      আসলেই খুব চিন্তায় ছিলাম রে ভাই। এই জাতীয় গল্প লিখবার শখ অনেক দিনের কিন্তু সাহস পাচ্ছিলাম না। মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহ প্রদানের জন্য ধন্যবাদ। নিয়মিত বিরতিতেই পরের পর্বগুলো পাবেন ইনশাল্লাহ। :খুশি:

  2. হ্যাটস অফ টু ইউ ব্রো ।
    হ্যাটস অফ টু ইউ ব্রো । অসাধারান । পরের পর্ব পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম :খুশি:

  3. বেশি কিছু কইলে তেল মারা হইয়া
    বেশি কিছু কইলে তেল মারা হইয়া যাবে, কোপাইয়া ভাঁজ কইরা দিছেন 🙂

  4. ভাই দাড়ান আগে একটু পানি খাইয়া
    ভাই দাড়ান আগে একটু পানি খাইয়া আসি।রাত তো কম হইল না। বাকী কথা আইসা লিখতেছি।

  5. আমি চরম ভীতু মানুষ। ভয়ে ভূত
    আমি চরম ভীতু মানুষ। ভয়ে ভূত এফএম এর রূপকথাও শুনি না। গল্পটা পড়ে বুঝলাম এত রাতে এটা পড়া ঠিক হয় নাই। বাকীগুলা ভর দুপুরে পড়ব। আর ক্যানো জানি আমার মনে হইল এই গল্পটা আগের সিরিজটার চাইতেও ভাল হইছে। পাচ তারা।

    জানি কিছু মনে করেন নাই। তবুও স্যরি। জীবনের যাতাকলে ব্যাস্ত ছিলাম বলেই না……..

    1. হে হে, এখনই এত ভয় পাইলে কি
      হে হে, এখনই এত ভয় পাইলে কি চলবে রে পাগলা? গল্প তো মাত্র শুরু। সামনে আরও কত ক্লাইম্যাক্স বাকি আছে…. :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

  6. হুমায়ূন আহমেদ এর অভাব হবে না।
    হুমায়ূন আহমেদ এর অভাব হবে না। 😀 :-B

    থ্রিলার বিনোদনের জন্য উত্তম। চালিয়ে যান। :গোলাপ:

    1. এইডা কিছু হইল? আমি কাউরে
      এইডা কিছু হইল? :মাথাঠুকি: আমি কাউরে কপি মারি না তার পরেও বসের সাথে (হুমায়ূন আহমেদ) মিলাচ্ছেন কেনু? :মাথানষ্ট:

      1. আহা… মাথা খুঁটেন কেন?
        আহা… মাথা খুঁটেন কেন? হুমায়ূন আহমেদ হইলে অসুবিধা কি। বললাম না থ্রিলার বিনোদনের জন্য উত্তম। :ফুল:

  7. ব্যাক্তিগত কারনে ব্লগে আসা
    ব্যাক্তিগত কারনে ব্লগে আসা হচ্ছে কম। তবে যতিটুকু আগ্রহ নিয়ে শুরু করেছিলাম ততটুকু উত্তেজনা নিয়ে শেষ করতে পারলাম না। পরের পর্বগুলো না পড়ে তাই “ভালো”/”মন্দ” ট্যাগ দিতে পারছিনা। বর্ননাভংগিটা ঠিক থ্রিলার গল্পের মতো হচ্ছেনা মনে হয়, জাস্ট ঘটনা বলে যাওয়ার মতো হচ্ছে। দেখি পরে কেমন আগায়। অন্যদের সাথে একমত হতে পারলাম না বলে দুঃখিত।

    নোটঃ এ্যাজমা পেশেন্টের ইনহেলার অন্য কেউ পুশ করে দিতে পারেনা। এটা নিজেকেই করতে হয় কারন এখানে কিছু ট্যাকনিকাল ব্যাপার আছে। শ্বাস প্রবাহের সাথে পুশের একটা “টাইমিং” এর ব্যাপার থাকে তাই ইনহেলার অন্য কেউ পুশ করে দেয়াটা সম্ভব না। এগিয়ে দিতে পারে। এইক্ষেত্রে নিবুলাইজেশন মেশিনের কথা লিখলে ঠিক হতো। এ্যাজমা প্যাশেন্ট ত,তাই ঐ ভুলটা আমার চোখে পড়ল গল্পের শুরুতেই :শয়তান: :শয়তান: ।

    1. ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য আপনেরে
      ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য আপনেরে ধইন্যা বস :ধইন্যাপাতা: এখুনি ঠিক করে দিচ্ছি। :বুখেআয়বাবুল:
      ধারাবাহিক গল্প। জমতে তো একটু সময় লাগবেই। :আমারকুনোদোষনাই: ওয়েট করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *