বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক সম্পর্ক ও একটি সমালোচনা

আমরা যখন সমাজিক নিয়ম কি রকম হবে তা নিয়ে আমাদের মতবাদ দেই তাহলে আমরা মনে করতে পারি এই নিয়মটা আইন করলে এটা মেনে চলতে বাধ্য হবে এবং এটা মেনে সমাজের কোন অপকার হবে না। আবার আমরা যখন মতবাদ দিব দেখতে হবে এটি যদি সবাইও মেনে চলে তাহলে এটি সমাজ তথা পরিবারকে অপকার করবে কিনা। এবং সচেতন থাকা উচিত ঠিক এই নিয়ম ব্যাবহার করেই কোন বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে কিনা। আবার দেখা যায় ঠিক সেই নিয়মটাই এক জন ব্যাবহার করলে ঠিক থাকে আবার আরেকজন ব্যাবহার করলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সভ্যতা- তখন টানতে হয় একটা সীমারেখা । যেমন আমি যদি নির্মোহ ভাবে বলি, আমরা যখন মানুষিকভাবে স্বীকার করব বাক স্বাধীনতার অধিকারের কথা আমাদের বুঝতে হবে এটি আমরা সবার জন্যেই বলেছি। কিন্তু যদি দেখা যায় এই বাক স্বাধীনতার অধিকার দিয়ে কেউ অনিষ্ট করে তাহলে আমরা নিয়মটা সংস্করন করি। আমরা সেই বাক স্বাধীনতার মধ্যেও একটা সীমারেখা টেনে দেই। আমরা এমন একটা বাক স্বাধীনতার কথা বলি যেখানে মিথ্যা এবং অপপ্রচার থাকবে না এবং থাকবে যুক্তিনিষ্ঠতা। তাহলেই কিন্তু আমরা বাক স্বাধীনতার নতুন নিয়মটা সবার জন্যে উন্মুক্ত করে দিতে পারি।

আমরা এতটুকু লিখা স্বীকার করে নিলে যা বুঝতে পারি, একটি মতবাদ সর্বোচ্চ শুদ্ধ হতে পারে যদিঃ

১। এটি সবার জন্যে উন্মুক্ত হবে
২। সবাই এ মতামত মেনে চললেও সমাজের কোন ক্ষতি হবে না
৩। মতবাদ দিয়ে যদি উচ্ছৃংখলা ঘটানো যায় তাহলে এর সীমারেখা টেনে দেয়া যে ঠিক এই মতবাদটা ঠিক কিভাবে মানুষ ব্যাবহার করতে পারে।

কোনটা ঠিক কোনটি বেঠিক তা নিয়ে বিশাল আলোচনা করা যেতে পারে ঠিক এখনই। কিন্তু আমি যদি অতি সংক্ষিপ্তভাবে বলতে চাই ‘ঠিক’ ব্যাবস্থা হবে এমন একটি ব্যাবস্থা যা জীবন ধারন পরিচ্ছন্ন করবে এবং একটি সুষ্ঠ পরিবার গঠন করবে যা পরিশেষে এমন একজন সুন্দর ব্যাক্তি জন্ম দিবে যা সমাজকে সুশৃংখল করার ভুমিকা পালন করে। পুরো জিনিসটি সহজভাবে বলতে গেলে ‘ঠিক’ ব্যাবস্থা বলতে আমরা তাই বুঝি যেখানে একটি সন্তানের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে পারি। যার জন্যে পরিবার গঠন করা হয়ে যায় অত্যন্ত জরুরী। কারন আপনি যেভাবেই চিন্তা করুন না কেন একটি স্থিতিশীল পরিবার এক্ষেত্রে জরুরী হয়ে পরে এই জন্যেই যে অস্থিতিশীল পরিবারের সন্তানরা মানুষিক সমস্যায় ভুগে থাকে। তাই হয়তো আমাদের হয়তো পরিবারের সাথে কমিটমেন্টও জরুরী হয়ে পরে খুব।

সমালোচনা ঃ

আমি গতকাল যখন ব্লগে ঘুরছিলাম একজনের একটা লিখা পড়লাম সেটা ছিল অবাধ যৌনতার বিষয়ে। আপনারা যদি আমার উপড়ের লিখাগুলো মেনে নিন তাহলে আমরা সেই লিখার আলোকে দেখতে পারি অবাধ যৌনতার উপযোগিতা কতটুকু আমাদের সমাজে। আর এটাও বুঝা যেতে পারে লিমিটেড যৌনতা কতটুকু জরুরি। (আরেকটা কথা বলে নেই ধর্মের প্রত্যেকটা বিষয়ের বিরুদ্ধে যাওয়ার প্রবনতা মুক্তমনের প্রকাশ করে না, সেটা একটা বন্ধাত্ব হতে পারে। আমরা তার বিরুদ্ধেই যাবে যা সমাজের বিরুদ্ধে যায়।) ব্লগে সেই লিখাটি পড়তে পারবেন এখানে ক্লিক করে

“যে বয়সে একটা ছেলের স্কুলের পড়া আর হোমওয়ার্ক নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকার কথা, তাকে আমর দেখতে পাই পাড়ার চায়ের স্টলে কোন মেয়ের অপেক্ষায় বসে আছে। এক সময় জড়িয়ে যাচ্ছে ইভটিজিং নামক অপরাধে। এই ছেলেটি যার জন্য বসে আছে, সেই মেয়েটিকে যদি তার সাথে মিলিয়ে দেয়া যায়, দেয়া যায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ, তাহলে ছেলেটি কয়বার, কতদিন স্টলে আর পাড়ায় আড্ডায় জড়াবে? জড়াবে কি ইভটিজিং-এর মত সামাজিক অপরাধে? ধর্ষনের ক্ষেত্রেও কি এই কথাটা প্রয়োগ করা যায় না? ”

আমরা যদি এরকম মতবাদ দিতে চাই তাহলে কি বলা যেতে পারে? যেকোন একটা ছেলে যেকোন একটা মেয়েকে পছন্দ করে শারিরীক সম্পর্ক করতে পারে? সেই ছেলেটি যদি আমি হই এটি আমার জন্যে একটা সুখবর হতে পারে কিন্তু সেই মেয়েটির জন্যে? কিংবা আমার বোনের জন্যে? আমার আত্মীয়ার জন্যে? এজন্যেই আমি বলি এমন একটা মতবাদ দেয়া উচিত যেটা হবে সবার জন্যে। লেখককে একটা প্রশ্ন করতে চাই ওনার নিয়মের মানদন্ড কি পুরুষ নাকি ওনার চাহিদা নাকি একজন ইভটিজারকে কেন্দ্র করে?
আমি অনুসিদ্ধান্তের কথা বাদ দিয়ে যদি উক্তিগুলোর একটা বৈজ্ঞানিক সমালোচনা করতে চাই তাহলে বলতে হয়, মেয়েরা যার তার সাথে যৌনতায় নামে না এর কারন সাংস্কৃতিক না এর কারন প্রাকৃতিক। এবং প্রকৃতি চায় নারী পুরুষের লং টাইম রিলেশন হোক। যে কেউ চাইলে এর উপড়
Elizabeth G. Pillsworth এবং Martie G. Haselton বৈজ্ঞানিক গবেষনাটা দেখা যাবে এখানে ক্লিক করে

“সতীত্ব কি শারীরিক? না কি মানসিক? মানসিক না হলে ধর্ষিতাকে অসতী আখ্যা দেয়াটাও যুক্তিযুক্ত নয় কি? আবার, সতীত্ব যদি মানসিক ব্যপার হয়, তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায়। সমাজে এমন কোন নারী কিংবা পুরুষ কি পাওয়া যাবে যারা জীবনে একবারো স্বপ্নদোষ নামক ব্যধিতে আক্রান্ত হননি? স্বপ্নদোষের সঙ্গমে কেউ কি তার বিবাহিত স্বামী কিংবা স্ত্রীর সাথেই মিলিত হন? স্বপ্নদোষে সতীত্ব নষ্ট না হলে মানসিক সতীত্বের ধারনা কতটুকু গ্রহনযোগ্য? ”

জ্বি। উনি ঠিক বলেছেন। সতীত্ব ব্যাপারটা মানুষিক। কারন একটা সতী এবং অসতীর শারিরীক পার্থক্য নাও থাকতে পারে কোন কোন ক্ষেত্রে। কিন্তু স্বপ্নের ব্যাপার এখানে আনার মানে কি? আমি বুঝতে পারি। এখানে কি লেখক এই বলতে চেয়েছেন স্বপ্নের বিশ্বাস আমরা বাস্তবে বিশ্বাস না করলেই সেটা মানুষিক ব্যাপার হবে না? তাহলে অনেক কিছু বলতে পারি। যেমনঃ স্বপ্নে অপরাধ করলে সেটা যদি বাস্তবে এসে আমরা অপরাধী না হয় বলতে হবে অপরাধ শারিরীক মানুষিক কিছুই নয়। আরো উদাহরন দেহা যায়। সুতরাং এ প্যারায় লেখকের সাথে আমি আংশিক একমত এবং আংশিক ভিন্নমত।

“বিভিন্ন ধর্ম ও শাস্ত্রে বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে মারাত্নক একটি পাপ বলে গন্য করা হয়েছে। কোন কোন ধর্মে এর শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে, তদোপরি নরকবাস তো আছেই। অন্যদিকে রাষ্ট্র এমন কাজকে অসামাজিক হিসেবে গন্য করেছে, শাস্তির বিধানও রেখেছে। কথা হলো এমন বিধি নিষেধ ও শাস্তির ভয় কি আদতেই মানুষকে এহেন অবৈধ কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারছে? পারছে যে না তার ভুরি ভুরি উদাহরন আমাদের সমাজে বিদ্যমান। মানুষ যদি এসব নিয়ম বিধান না’ই মানে অথবা মানতে না পারে তাহলে এমন বিধি ঘাড়ে চাপিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু? ”

এখানে আমি যদি বলি ধর্মে এর অনিয়ম করতে সত্যিই সমস্যা হয়েছে কি? আমি আগেই বলেছি পরিবার গঠনে কমিটমেন্ট অনেক জরুরী এবং এর জন্যে আরো একটা গবেষনা দেখতে পারবেন এখানে ডিরেকট ডাউনলোডে। এটি পুরোটা পড়লে আর কনফিউশন থাকার কথা না। আমরা এতটুকু বুঝতে পারছি যে একটি স্থায়ী সম্পর্ক বা পরিবার সন্তান গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে এবং সমাজ এটাই চায়। হ্যা পরবর্তিতে হয়তো পরিবারের নারী পুরুষের মাঝে বিভাজন দেখা দিতে পারে সেক্ষেত্রে কি করতে হবে? সেক্ষেত্রে একটাই করনীয় যে নিয়মের সীমারেখাটানা যেমনটা আমি আগে বলেছি বাক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কিন্তু বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক তো নয়ই। এটি একটি সমাজের জন্যে হুমকি হতে পারে। আর আপনি অবাধ সম্পর্কের কথা বললেন সেক্ষেত্রে সীমারেখা টানবেন কোন কোন ক্ষেত্রে এটি করা যেতে পারে। না হলে এই তত্ত্ব আনার প্রশ্নই আসে না।

আর লেখক বলেছেন বিধান না মানার কথা। এটা আমার কাছে বাজে যুক্তি মনে হচ্ছে। মিথ্যা কথা বলা অন্যায় আমরা তা মানতে পারছি না, হিংসা করা ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, স্বার্থপরতা ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, অহংকার ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, ধর্ষন করা ভাল না আমরা তা মানতে পারছি না, পরচর্চা করা ভাল নয় আমরা তা মানতে পারছি না, ঘুষ খাওয়া ভাল আ আমরা না খেয়ে থাকতে পারছি না… এরকম আছে বহু জিনিস যা আমরা মানতে পারছি না, এতে কি প্রমান হয়? এই নিয়মগুলো আমরা অস্বীকার করব? নাকি করা উচিত? আপনি একটা নিয়ম দেখাতে পারলে ভাল লাগত যেইগুলা বিধান হওয়ার পর মেনে চলা হচ্ছে তাহলেও হয়তো এই তত্ত্ব পরিপূর্ণ হতে পারে।

“স্বামীটি, স্ত্রীটি যদি অপেন সেক্স-এ অভ্যস্থ থাকতো এবং সেভাবেই বেড়ে উঠত, তাহলে সেক্স বিষয়ক জটিলতার চিন্তা না করে,নিজেদের সংসারের উন্নতির চেষ্টাই করতো না কি”

এটা আরো বাজে যুক্তি। আবারো এসে পরে কমিটমেন্ট। এক্ষেত্রে আমি যদি ওপেন সেক্স বৈধ করতে চাই তাহলে আমি সবক্ষেত্রেই এটি চাই। আমার ক্ষেত্রে চাই , আমার স্ত্রীর ক্ষেত্রে চাই , আমার বাবা-মায়ের ক্ষেত্রে চাই। আর লেখক যেহেতু তার মতবাদের কোন সীমারেখা টানেন নি তাহলে বলা যেতে পারে (আমাকে মাফ করবেন) পিতা-কন্যা, মাতা-পুত্র, শিক্ষক-ছাত্রী,দাদা-নাতনী,নাতি-দাদী সব ক্ষেত্রেই এর বৈধতা থাকবে। আপনারা যদি এটিতে আপত্তি তোলেন তাহলে আমি বলব, “সমস্যা কি? পরিবার সমাজ বড় কথা না বস, আপনার যা দরকার জৈবিক চাহিদা। আর এ জৈবিক চাহিদার পূরন তো কারো তো অর্থনৈতিক ক্ষতি করছে না। বাদ দেন পরিবার-সমাজের কথা। আগে শিশ্নের ক্ষুধা মিটান”। মেনে নিবেন?

আমার মনে হয় আমি আমার ব্লগ জীবনে এত অযৌক্তিক পোস্ট দেখিনি। সবার প্রতি আমার আহবান হবে, আপনারা এমন কোন মতবাদ দিতে পারেন ঠিকই কিন্তু উচিত হবে না যদি সেটা সামাজিক স্বার্থের চেয়ে ব্যাক্তি স্বার্থ প্রাধান্য দেয়। এখন কার সামাজিক ব্যাবস্থা এমন হয়েছে যে সেখানে সমাজ ‘ব্যাক্তি-স্বার্থ’ দেখে না, দেখে সামাজিক স্বার্থ। মাঝে মাঝে এ দুটি ক্ল্যাশ করতে পারে। আমাদের মানব সমাজ এ বহু আগে ছিল অবাধ যৌনতা কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে এই যৌনতার উপড় দেয়া হয়েছে এর একটি সীমারেখা কারন বিবর্তনীয় দৃষ্টিতে এটি ফলপ্রসু করে। বিবর্তন কখনো জৈবিক চাহিদা দেখে না, দেখে- প্রযোজনীয়তা। আপনারা যদি বলেন এটা তো প্রাকৃতিক তাহলে এটাকে বলা হয় ন্যাচারালিস্টিক ফ্যালাসী, কারন প্রাকৃতিক হলেই যে বৈধ হতে হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এইটা আমার কথা না এটা বিজ্ঞানীদের কথা। আমাদের খুন, ধর্ষনের ব্যাপারটা কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে আসা, সেক্ষেত্রে এধরনের কুযুক্তি দেয়ার কোন মানে হয়?

আমিও কিছু ক্ষেত্রে মনে করি একটা অবিবাহিত নারী পুরুষের যৌনতা কিভাবে খারাপ হয়, কিভাবে খারাপ হতে হয় প্রেমিক প্রেমিকার অধিকারের কথা ! কিন্তু ওই যে আমি প্রথমে বলেছিলাম, আমরা এমন মতবাদ দিব যাতে সেটার কেউ অপব্যাবহার না করতে পারে, আর যদি সেটা একান্তই দরকারি হয় তাহলে এর সীমারেখা টানা জরুরী। যেখানে দেখানো হবে ঠিক কোন পরিবেশে এটা করা যেতে পারে। এখন আমি করে দিলাম অবাধ যৌনতা এটা ভেবে যে নারী-পুরুষের চাহিদা পূরন কেন অন্যায় হবে- তাহলে উদ্ঘাটন করা জরুরি যৌনতার উৎপত্তি কেন ! আমরা অপব্যাবহার তাকেই বলি যখন যেটি যে উদ্দ্যশ্যে তৈরী সেটিকে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যাবহার করা হয়। যেমন যৌনতার উৎপত্তি শুধু জন্ম দেয়ার ক্ষেত্রে কোন চাহিদা মেটানোর জন্যে না। সন্তান জন্ম দেয়ার জন্যে এটি দরকারি তাই মানব প্রকৃতিই এটিকে চাহিদা হিসেবে ধরে নিয়েছে। এখন জন্ম দান ছাড়া এটি করলেই কি অপব্যাবহার হয়ে যাবে? একদম সঠিক এবং নিখুত উত্তর হবে ‘হ্যা’। যেহেতু আমি মোহের কাছে হার মানব সেহেতু আমি একটা সীমারেখা দিয়েছি যে একটা স্থায়ী সম্পর্কের নারী পুরুষ একাধিকবার যৌন মিলন ঘটালেও কোন অনিয়ম হবে না। আমার নিয়মটা এভাবে হয়েছে। এটি মানতে অসুবিধাও নেই কারন এটা সামাজিক স্বার্থকে তেমনভাবে আঘাত করছে না। আমি কিন্তু এর বেশি যাই নি। এর বেশি হলে কি হতো? চাহিদা মিটানোর জন্যে আমরা সবাই সবার কাছে ছুটতাম? একটা বিশৃংখলা হতো না? লং টার্ম সম্পর্কে চির ধরাতো না? সন্তানের উপড় প্রভাব পড়তো না? সমাজের বিকাশের জন্যে কোন জিনিস নিজের বলে মনে করা জরুরী। একটা নারী হতে পারে আমার। একটা পুরুষ হতে পারে একটা নারীর। তাহলে একটা সুশৃংখলতা বজায় থাকে। অধিকার জন্মানোর জন্যে বস্তু আলাদাভাবে দেখা জরুরী।

তারপরও যদি কেউ চায় এর বেশি কিছু করতে তাহলে একটা সুনির্দিষ্ট সীমারেখা টেনে যাতে সবাই সেই মতবাদ মেনে চললেও যাতে কোন কিছু ক্ষতি না হয়। সবার স্বার্থই যাতে বজায় থাকতে পারে। ব্যাপারটা গুনাহ, পাপ, অপরাধের না ; ব্যাপারটা নিয়মের ব্যাপার। আমি গুলি করলে একটা পাখি মারলে আমি নিশ্চিত কোন অপরাধবোধে থাকব না, কিন্তু আমার দেখা উচিত পাখিটা মারা উচিত কিনা। যদি আমরা উচিত করে দেই তাহলে দেখতে হবে এই উচিত কাজটা সবাই করতে পারবে কিনা, সবাই যদি পাখি মারা শুরু করে তাহলে প্রকৃতির কি হবে? এ জন্যে পাখি মারার ক্ষেত্রে আসবে সীমারেখা। কিছুক্ষেত্রে মারা যাবে এবং সীমারেখাটা দেখাতে হবে ঠিক কোন ক্ষেত্রের মধ্যে !

আমার তো কোন তত্ত্বেই সমস্যা নেই। আমার দরকার সুন্দর একটা সীমাক্ষেত্র সেটাতে অবাধভাবে সবাই বিচরন করলেও কারো কিচ্ছু যায় আসবে না। যৌনতার ক্ষেত্রে সমাজ যদি মনে করে সবাই যাচ্ছে তাই যৌনচারন করলে সমাজে অস্থিতিশীলতা আসতে পারে সেক্ষেত্রে সমাজ বা রাস্ট্র একটা সার্টিফিকেট দিতেই পারে কার কার মাঝে যৌনাচার ঘটলেও সমাজের সমস্যা নেই। সেক্ষেত্রে বিয়েতে আমি কোন সমস্যা দেখি না। আমার কথা একটাই আমার সমস্যা মানুষিক নয়, আমার সমস্যা সামাজিক। আমার অথা সমাজের কাছে আমি কতটুকু পরিচ্ছন্ন থাকতে পারি।

কারো বিপক্ষ যুক্তি থাকলে কমেন্ট তো আছেই। লিখা আরো অনেক বড় করা যেতে পারত কিন্তু কমেন্টের জন্যে রেখে দিলাম।

৪২ thoughts on “বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক সম্পর্ক ও একটি সমালোচনা

  1. আমরা যদি এরকম মতবাদ দিতে চাই

    আমরা যদি এরকম মতবাদ দিতে চাই তাহলে কি বলা যেতে পারে? যেকোন একটা ছেলে যেকোন একটা মেয়েকে পছন্দ করে শারিরীক সম্পর্ক করতে পারে? সেই ছেলেটি যদি আমি হই এটি আমার জন্যে একটা সুখবর হতে পারে কিন্তু সেই মেয়েটির জন্যে? কিংবা আমার বোনের জন্যে? আমার আত্মীয়ার জন্যে? এজন্যেই আমি বলি এমন একটা মতবাদ দেয়া উচিত যেটা হবে সবার জন্যে। লেখককে একটা প্রশ্ন করতে চাই ওনার নিয়মের মানদন্ড কি পুরুষ নাকি ওনার চাহিদা নাকি একজন ইভটিজারকে কেন্দ্র করে? –

    ছেলে কিংবা মেয়ে আলাদা আলাদাভাবে সুবিধাভোগী হবে কেন? হলে তো দুজনেই একসাথে হবে?

    আর অধিক নিষিদ্ধের কারনেই কি যৌনতায় লাভের প্রশ্ন আসে না? ফ্রি হয়ে গেলে লাভ লসের ব্যপারট চুকে যায় না কি?

    1. আপনাকে একটা গবেষনা প্রবন্ধ
      আপনাকে একটা গবেষনা প্রবন্ধ দিয়েছিলাম আমি। সেটি পড়েছেন কিনা জানি না। আপনি হয়তো নাও জানতে পারেন যৌনতা রুচিবোধের সাথে সম্পর্কযুক্ত। কারন যৌনতাই শেষ কথা না। যৌনতা শুরুর কথা। চাহিদাও শেষ কথা না, চাহিদাও শুরুর কথা।

      এবং আমি বলেছি কেন অবাধ যৌনতায় লাভের প্রশ্ন আসে না। এবং বিবর্তনের প্রান্তিক জ্ঞান তাই বলে।

  2. স্বপ্নে অপরাধ করলে সেটা যদি

    স্বপ্নে অপরাধ করলে সেটা যদি বাস্তবে এসে আমরা অপরাধী না হয় বলতে হবে অপরাধ শারিরীক মানুষিক কিছুই নয়। –

    খুব সুন্দর যুক্তি, কিন্তু আমরা জানি স্বপ্নের পেছনে ব্যক্তির একটা আকাংখ্যা থাকে, অর্থাত ব্যক্তির চিন্তা দ্বারা স্বপ্ন তৈরী কিংবা প্রভাবিত হয় বলতে পারেন।

    প্রশ্নটা ছিল এমন যদি স্বপ্নদোষের সঙ্গমে সতীত্ব নষ্ট না হয়, তাহলে সতীত্বকে মানসিক ব্যপার বলা হবে কেন? কারন স্বপ্ন তো ব্যক্তির মনের থেকেই উতসারিত।

    1. এবং আমার কথা ছিল ঠিক এইটাই,
      এবং আমার কথা ছিল ঠিক এইটাই, অপরাধবোধও মনের থেকেই উতসারিত।
      আবার এই জিনিসটাও কিন্তু ব্যাক্তির চিন্তা ধারা প্রভাবিত হয়। সেক্ষেত্রে আমি নতুন কোন সমাধান পাচ্ছি না।

    2. পৃথু স্যন্যাল
      পৃথু স্যন্যাল সাহেব…
      স্বপ্নে আমি তিনটা খুন করলাম। তাতে যদি আমি মানসিক ভাবে খুনি না হই, তাহলে বাস্তবে খুন করলে কেন খুনি হবো?
      তত্ত্বটা যদি এমনই হয় তাহলে- স্বপ্ন দোষ হলে যদি তার স্বতীত্ব নষ্ট না হয় তবে বাস্তবে সেক্স করলেও তার স্বতীত্ব নষ্ট হবে না (সেটা শারীরিক বা মানসিক ২ভাবেই!)
      তাহলে স্বপ্নে যদি কাউকে খুন করা দোষের না হয় তবে বাস্তবে খুন করলেও আমি খুনি না!

      এখন আপনি কেন তাহলে আমাকে বাস্তবে খুন করার জন্য ফাঁসিতে লটকাইবেন? যুক্তি দেন।

  3. এখানে আমি যদি বলি ধর্মে এর

    এখানে আমি যদি বলি ধর্মে এর অনিয়ম করতে সত্যিই সমস্যা হয়েছে কি? /blockquote>

    সমস্যা হচ্ছে না কিভাবে? আপনার কি মনে হয় নীতিবিরুদ্ধ কাজ করলে ব্যক্তি অন্তর্দহনে ভোগে না? যদি না ভোগে তবে কি মানুষ। প্রস্তাবনা ছিল অন্তর্দহন, অপরাধবোধে ভোগার থেকে মুক্তি দেয়ার।

    1. সেক্ষেত্রে কথা হচ্ছে, আপনি
      সেক্ষেত্রে কথা হচ্ছে, আপনি ডিভোর্স দিয়ে সেই সঙ্গীটিকে সামাজিকভাবে স্বীকৃত পন্থায় যৌনসঙ্গি করুন। আপনি যদি ওপেন সেক্স করে সন্তান গঠনে ভুমিকা না নিতে পারেন সেক্ষেত্রেও কিন্তু আপনি ভুগতে পারেন অপরাধবোধে। আপনি এক অপরাধ বোধ ঢাকতে গিয়ে আরেক অপরাধ আনার ব্যাবস্থা করতে পারেন না।

      আর আমাদের নৈতিকবোধ যদি সামাজিক মনে করেন সেটা হবে ভুল। এমিল ডুর্খেইম যে ব্ল্যাংক স্ল্যাটের তত্ত্ব দিয়েছিলেন সেটা কিন্তু এখন বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল প্রমানিত। এখন কিন্তু ব্লাংক স্লেইট না। এখন জৈব বিবর্তনিক ব্যাখা। এখন বিশ্বাস করা হয় ব্যাক্তিভাব সংস্কৃতি থেকে উতসারিত নয়, বরং সংস্কৃতি ব্যাক্তিভাব থেকে উদ্ভূত।

  4. দুইজনের লেখাই মনোযোগ দিয়ে
    দুইজনের লেখাই মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। পৃথু স্যান্নালের লেখার মতবাদ মেনে নিলে কিন্তু “সমাজ” এবং “পরিবার” এই দুটি কনসেপ্ট বিরাট প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে যায়। আমি নূরের লেখা পড়ে যতটুকু বুঝলাম উনারও মূল আপত্তির যায়গা এখানেই। কারন, আমাদের সম্পর্কগুলো শুধুমাত্র ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া বা ভালোলাগার সাথে কিন্তু জড়িত না। সামগ্রিকভাবে আমাদের চিন্তা করতে হয়। আলোচনা চলুক। দেখি সমাধান কোন পথে এগোয়। 😀

  5. পৃথু স্যন্যাল ভাইজানের মতবাদ
    পৃথু স্যন্যাল ভাইজানের মতবাদ আমার মতে অনেক পরিবেশ বান্ধব। ওনার মতবাদ একবার যদি এই নশ্বর গ্রহের বাসিন্দাদের খাওয়ানো যায় তাহলে তা ব্যাপকভাবে বিশ্বের বনসম্পদ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে। কারন স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালতে কোন জায়গায় আর পিতার নাম লিখতে হবে না। বিপুল সংখ্যক কাগজ বাঁচবে অর্থাৎ গাছ কাটা বন্ধ হবে, কাগজের ব্যাবহার কমে গেলে Carbon Emission কম হবে। Green House Effect অনেকাংশে কমে যাবে। আগে তো পৃথিবীটাকে বাঁচাতে হবে, নাকি? জনাব গাজী ফাতিহুন নূর, আপনি বেহুদা তর্ক করছেন। আপনি কি এখনও বুঝতে পারছেন না পৃথু স্যন্যাল ভাইজান আসলে Green House Effect এর হাত থেকে পৃথিবী রক্ষার আন্দোলনে নেমেছেন? শুধু উনার আন্দোলনের স্টাইলটা “জারা হাটকে…” এই যা। ফুর্তিও হবে, পৃথিবীটাও বাঁচবে। পৃথু স্যন্যাল, you are the BOSS. The ultimate GENIUS :মুগ্ধৈছি: তবে শেষ করার আগে একটা ছোট্ট কথা, আমি একজন স্বল্প আই.কিউ সম্পন্ন দুর্বল প্রকৃতির মানুষ। অল্পতেই ভয় খাই। আমার কথায় মাইন্ড খাবেন না কিংবা বকা দিবেন না কাইন্ডলি।

    1. আমি পৃথু সাহেবের পোস্টে যখন
      আমি পৃথু সাহেবের পোস্টে যখন আপনার কমেন্ট পড়ছিলাম বেশ সময় ধরে হাসছিলাম :p প্রকৃতিবিদ পৃথু । :হাহাপগে: আপনার কমেন্টগুলো স্টিকি করা যেতে পারে।

      1. হাসতেই পারেন, আপনাদের জটিল
        হাসতেই পারেন, আপনাদের জটিল চিন্তার জগতে আমি নিতান্তই শিশু। শিশুকে নিয়ে হাসাহাসি দোষের কিছু না।

        শিশু যখন কোন ঘটনা বর্ননা করে, মিথ্যের আশ্রয় নিতে পারে না। সে ঘটনার বর্ননা করে যায় শুধু, কার লাভ হলো কার লস হলো সেটা শিশু চিন্তা করতে পারে না।

        1. আপনি মনে কিছু করবেন না।
          আপনি মনে কিছু করবেন না। সহব্লগারদের মাঝে এরকম হতেই পারে। 😀 আপনি আবার আমাকে আরেকদিন পচাইবেন। ব্যাস :p

    2. তবে ভাইজান, আমিতো ব্লগিং

      তবে ভাইজান, আমিতো ব্লগিং লাইনে নতুন, আপনার কাছ থেকে দারুন একটা শিক্ষা পাইলাম “কিভাবে সহজে হিট খাওয়া যায়” অথবা “হিট খাওয়ার সহজ তরিকা” এই মুহূর্তে মাথায় দারুন একটা টপিক উঁকি দিল “ডায়াবেটিস নিরাময়ে শারমেয় মুত্র পানের উপকারিতা” ভিতরে আব-ঝাব যাই থাক শিরোনাম দেখেই মিনিমাম ১০০০ জন পড়বে। গালি-গালাজ খাওয়ার রিস্ক তো আছে, মাগার নাম তো ফাটবে!

      1. আমি আমার মনের কথাগুলো বলেছি,
        আমি আমার মনের কথাগুলো বলেছি, যৌক্তিক বিশ্লেষন চেয়েছি।
        আমার কথাগুলোর বিপরীতে যুক্তি দেখেছি, পাল্টা যুক্তি থাকলে বলেছি।
        হিট হওয়ার বাসনা আমার নেই।

        হিট হওয়ার অনেক রাস্তা আছে। হিট হতে চাইলে ধর্ম নিয়া শ্যাটায়ার করেন।

        আঙ্গুর ফল টকই হয়

        1. আপনার কি ধারনা আমি যৌক্তিক
          আপনার কি ধারনা আমি যৌক্তিক কোন বিশ্লেষন দেই নি? আর আপনার বিনয়ী মতামতের জন্যে ধন্যবাদ।

        2. ভাইজান, হিট হওয়ার নতুন আইডিয়া
          ভাইজান, হিট হওয়ার নতুন আইডিয়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু অনেকেই হয়ত জেনে দুঃক্ষিত হবেন যে আমি একজন নগন্য আস্তিক। যাকে অনেকে বলে Practicing Muslim. নাস্তিক হবার মত জ্ঞান, স্মার্টনেস কিংবা সময় কোনটাই আমার নাই। আর স্বভাবগত কারনে আমি সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম নিয়ে স্যাটায়ার করার আইডিয়া বাদ। নতুন কোন আইডিয়া দেন। ট্রাই মেরে দেখি। After all you are the IDEA BOSS. Already যা দেখালেন। সাধু, সাধু।

    3. একই সাথে মায়ের নামও লিখতে হবে
      একই সাথে মায়ের নামও লিখতে হবে না। কারণ, তখন স্থিতিশীলতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেলে পরিবার বলতেই কিছু থাকবে না… আমরা আবার বন্য পশু হয়ে যাব। যেই পশুকে জন্মের পরপরই কোন সমর্থন ছাড়াই নিজেকে নিয়েই টিকে থাকতে শিখতে হয়। না পারলে না হয়, মানুষ নামের প্রজাতিটাই পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেল। তাতে কী আসে যায়? পৃথিবী তো রক্ষা পেল। পৃথু স্যন্যাল, আপনাকে লাল সালাম…

  6. আমার মনে হয় আমি আমার ব্লগ

    আমার মনে হয় আমি আমার ব্লগ জীবনে এত অযৌক্তিক পোস্ট দেখিনি।

    সহমত…

    1. “আমার মনে হয় আমি আমার ব্লগ

      “আমার মনে হয় আমি আমার ব্লগ জীবনে এত অযৌক্তিক পোস্ট দেখিনি।”

      কথাটি যথেচ্ছাচার হয়ে গেল না?

      1. বোধ হয় না।
        কারণ, যে পোস্টে

        বোধ হয় না।

        কারণ, যে পোস্টে ক্রমবিবর্তনের ধারায় উন্নতির শীর্ষচূড়ায় আরোহিত একটি জাতিকে টেনে আবার বন্য পশুর স্তরে নামিয়ে আনার থিওরি দেয়া হয়, তাকে আমি এর চেয়ে ভাল কোন অভিধায় অভিহিত করতে পারি না…

  7. পৃথু সাহেবের মতবাদ মানতে
    পৃথু সাহেবের মতবাদ মানতে পারছিনা। ফাতিহুন নূর সাহেবের সাথে একমত। পৃথু সাহেবের মতবাদ সমাজ আর পরিবারকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়। সর্বোপরি নৈতিকতার চর্চাই কাম্য।

    1. আমাদের ধারনা সেক্স অপেন করে
      আমাদের ধারনা সেক্স অপেন করে দিলে সমাজে অযাচার, অনাচার তৈরী হবে।
      কিন্তু খাবার কি আমরা অবিরাম খেতে পারি? একটা সময় উদরপুর্তি হয়, না কি? না কি মানুষ সারাদিন খেতেই থাকে?

      ছেলেতে মেয়েতে বন্ধুত্ব হওয়াটা এখন স্বাভাবিক (হয়ত তা বিছানা পর্যন্ত গড়াচ্ছে না) । কিন্তু তাই বলে কি বন্ধু কিংবা বান্ধবীকে টানাটানি চলছে? না কি এমনিতেই গড়ে উঠছে?

      1. দেখেন পৃথ্য ভাই, আপনি জানেন
        দেখেন পৃথ্য ভাই, আপনি জানেন কিনা আমি জানি না, আগে যেখানে মনে করা হত সেক্স করলে সেক্সের বাসনা কমে এখন উলটা। তবুও আমি তো যৌনতাহীনতায় বিশ্বাসী না। আমি একটা সীমারেখায় বিশ্বাসী। আমি সেটাই চেয়েছিলাম। ধন্যবাদ।

      2. ভাই আমি জানি না আপনি পুরুষ না
        ভাই আমি জানি না আপনি পুরুষ না মহিলা।তবে আপনার কথার সূত্র ধরেই বলতে চাই হ্যা,আমাদের সমাজে পুরুষ মানুষের খাওয়া শুধু চলতেই থাকে।এর জন্যেই নারীকেও সমাজে উপস্থাপন করা হয় ‘খাদ্য’ রূপেই। স্যরি টু সে…

        1. আপনার চরিত্রে যে
          আপনার চরিত্রে যে পুরুষতান্ত্রিকতার আধিপত্য তা এই কমেন্ট পড়লেই বুঝা যায়। ব্যাপারটা খুবই আফসোসেরও হতে পারে। ধন্যবাদ আপনাকে।

      3. চমৎকার বলেছেন পৃথু ভাই! ঠিক
        চমৎকার বলেছেন পৃথু ভাই! ঠিক এই যুক্তিটাই আমি দিমু দিমু করে দিতে সাহস পাই নাই (পাছে লোকে আমায় বেকুব ভাবে!)
        “খাবার কি আমরা অবিরাম খেতে পারি? একটা সময় উদরপুর্তি হয়, না কি? না কি মানুষ সারাদিন খেতেই থাকে?”
        তাই তো! তাহলে পৃথিবীর সকল খাদ্য গুদাম “ওপেন” করে দেয়া হোক। মানুষ কতই বা খাবে? এক সময় তো পেট ভরবেই তাই না?
        তাহলেই তো আর শুধু শুধু মানুষকে খাবার চুরি করে খেতে হয় না!
        আসেন পৃথু দা’ এই দুইটা জিনিষই ওপেন করে দেই…
        তাহলে একসাথে ‘পেট আর চ্যাট (চেট)’ দুইটারই শান্তি। দুনিয়াতে “ওম শান্তি” প্রতিষ্ঠা হয়! এই জিনিসটা এতো দিন মানুষের মাথায় আসেনি কেন বলেন তো!!!

        1. Awesome!!!!!! কঠিন যুক্তি
          :থাম্বসআপ: Awesome!!!!!! কঠিন যুক্তি :
          “তাই তো! তাহলে পৃথিবীর সকল খাদ্য গুদাম “ওপেন” করে দেয়া হোক। মানুষ কতই বা খাবে? এক সময় তো পেট ভরবেই তাই না?
          তাহলেই তো আর শুধু শুধু মানুষকে খাবার চুরি করে খেতে হয় না!
          আসেন পৃথু দা’ এই দুইটা জিনিষই ওপেন করে দেই…
          তাহলে একসাথে ‘পেট আর চ্যাট (চেট)’ দুইটারই শান্তি। দুনিয়াতে “ওম শান্তি” প্রতিষ্ঠা হয়! এই জিনিসটা এতো দিন মানুষের মাথায় আসেনি কেন বলেন তো!!!”

          1. মাঝে মাঝে পাওয়াটা ভাল।
            মাঝে মাঝে :লইজ্জালাগে: পাওয়াটা ভাল। লজ্জা জিনিষটা তো প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে, বিশেষত পলিটিশিয়ানদের মধ্যে থেকে। আপনার আমার মত আম-কাঠাল-আমলকি-ডেউফল জনতার মধ্যে না হয় বেচারা বেঁচে থাক…. 😀

          2. কিন্তু, সমস্যা হয় তখনই, যখন
            কিন্তু, সমস্যা হয় তখনই, যখন মানুষ সামনে খাবার পেলে আরও ভাল খাবার পেতে চায়। যার কোন খাবারই নেই, সে ডালভাতেই সন্তুষ্ট। কিন্তু, যার সেটা আছে, সে চায় মাছ-মাংস। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, সেই মাছ-মাংস যখন খাদ্য হতে রাজি হয় না, তখন সেই ইভ টিজিং/যৌন হয়রানি/ধর্ষণ। এবং আরও ব্যাপকাকারে…

  8. এই বিষয়ে তর্ক চলতেই থাকবে।
    এই বিষয়ে তর্ক চলতেই থাকবে। সমাধানে পৌছনো সম্ভব বলে আপাতত মনে হচ্ছে না।
    স্বামী স্ত্রী বা প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে আকর্ষণ লোপ পেলে তারা অন্য কারো সাথে করতেই পারে, তবে এই মনোভাব পোষণ করা উচিত নয় যে “শুধু আমিই করতে পারব, আমার পার্টনার করতে পারবে না”
    সর্বোপরি, মনের বিপক্ষে জোর করে কিছু করা যায় না। ভালোবাসার মানুষটির প্রতি বিশ্বাস সততাই প্রধান বিষয়। যদি কেউ সত্যি কাউকে ভালোবাসে তবে তার মানুষিক শারীরিক সব চাহিদা তার ভালোবাসার মানুষটিকে ঘিরেই আবর্তিত হয়।

    1. সততা-পরিচ্ছন্নতা-প্রতিজ্ঞা
      সততা-পরিচ্ছন্নতা-প্রতিজ্ঞা একটা সমাজের জন্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ধন্যবাদ আপনাকে।

  9. যে কোন পোষ্টের বিপরীতে
    যে কোন পোষ্টের বিপরীতে কাউন্টার পোষ্ট আমি ব্যাক্তিগতভাবে খুবই পছন্দ করি।ব্লগিং এর মজাটাও এইখানেই।তাই আপনাকে ধন্যবাদ এমন অসাধারন একটা কাউন্টার পোষ্টের জন্যে।

    আর পৃথ্যু স্যানালকেও ধন্যবাদ আলোচনা চালানোর জন্যে এই পোষ্টে।

  10. আলোচনা যে দিকেই যাক খুবই
    আলোচনা যে দিকেই যাক খুবই গুরুত্বপুর্ণ একটা বিষয় উপস্থাপন করেছেন স্যানাল

  11. “গাজী ফাতিহুন নূর” এই পোস্টের
    “গাজী ফাতিহুন নূর” এই পোস্টের শুরুর দিকে একটা কথা বলেছে- “পুরো জিনিসটি সহজভাবে বলতে গেলে ‘ঠিক’ ব্যাবস্থা বলতে আমরা তাই বুঝি যেখানে একটি সন্তানের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে পারি।”

    সবাই কমেন্ট করে যাচ্ছে, অথচ এই পয়েন্টটাকে কেনো গুরুত্ব দিচ্ছে না বুঝলাম না!
    একটা কথা হলো- সমাজে যদি সেক্স ওপেন হয় তাহলে পিতৃ পরিচয় বলে কিছু থাকবে না। তাহলে সন্তানের দায়িত্ব নিবে কে? মা একা? মায়ের একার দায়িত্ব নেয়া সেই সন্তানটির ভবিষ্যত কতটুকু বিকশিত হবে?
    গতানুগতিকভাবে ভগ্ন-পরিবারের সন্তানদের মানসিক অবস্থার কথা না হয় বাদই দিলাম। ধরে নিলাম- পৃথু স্যন্যাল-এর কথাই ঠিক। এক সময় ওপেন সেক্স এর পৃথিবীতে সব মানুষ সেক্স নিয়ে উদাসিন হয়ে গেলো। এখন কেউ ইভ টিজিং-ধর্ষণ বা স্ক্যান্ডালে জড়াচ্ছে না। অন্তত সেক্স রিলেটেড কোন অনাচার-অযাচার সমাজে হচ্ছে না। এমন কি মানুষ এতোটাই সভ্য যে পারস্পরিক সম্মতি ছাড়া কেউ কারো ওপর জোর খাটিয়ে সেক্স করে না। নারী-পুরুষ যে কারো যৌন প্রবৃত্তি হলে পছন্দের সঙ্গীর সাথে সঙ্গীর সম্মতিক্রমে ‘কাম’ সেরে শান্তির ঘুম দেয়… ওয়েল; ভেরি গুড!

    কথা হচ্ছে- আমি তাহলে বিয়ে করবো কেন? আমি নারী হই বা পুরুষ। আমার যৌন ক্ষুধা মিটে গেছে ফলে এখন আমি পুরোদস্তুর “পেটের” দিকে নজর দিলেই পারি!
    আমি যদি নারী হই তো আমার কি দায় পড়েছে একটা পুরুষের জন্য ‘ভাত রান্না’ করার?
    আমি যদি পুরুষ হই তো কি দায় পড়েছে কষ্টের উপার্যিত টাকা থেকে একটা মহিলাকে ‘শাড়ি’কিনে দেবার?
    কারো সাথে আমার কোন কমিটমেন্ট নেই! সুতরাং সত্যিকার অর্থেই আমি স্বাধীণ!
    কথা হলো- আমার সন্তানের দায় কে নেবে?
    (একজন পুরুষ হিসেবে) আমি তো জানিই না কোন নারীর গর্ভে আমার জন্মাচ্ছে!
    কাজেই আমি তো কাকের মত কোকিলের ডিমে তা দিতে পারবো না! আমার কোন সঙ্গী যদি কাল একটা শিশু কোলে করে নিয়ে এসে বলে- এটা তোমার সন্তান! আমি বিশ্বাস করবো কেন?
    (ডি,এন,এ টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে এলে অবশ্য আলাদা কথা! 😛 ) কিন্তু তবু যদি বলি- এই সন্তানের ভরন পোষণ করতে যে খরচ হবে সেই টাকা ব্যাঙ্কে রেখে আমি বুরো বয়সে নিশ্চিন্তে কাটাবো!
    (আর একজন নারী হিসেবে) কোন পুরুষ যখন সন্তান পালনের ভাগ নিবে না তো আমার এতো কিসের দায়? নিজের জন্য “ভাত” জোটাতেই জান যায়, আবার একটা বাচ্চা পালবো! জন্ম দেয়ার কষ্ট তো আছেই… সো নো ওয়ে ম্যান! খাও “মায়া বড়ি”!
    (বাস্তবে এমনই কিন্তু হচ্ছে আজকাল ইউরোপ-আমেরিকার মত ওপেন সেক্সের দেশগুলোতে! আশংকাজনকভাবে কমছে তাদের জনসংখ্যা!)
    তাহলে মানব সভ্যতার ভবিষ্যত কোন চূড়ার দিকে যাবে???

    আপনি বলবেন- আমাদের “স্বার্থপর জিন”ই আমাদের সন্তান নিতে বাধ্য করবে।
    আপনি একটু আশপাসের পশু সমাজের দিকে তাকান না! তাদের ‘জিন’ ও তো স্বার্থপর! পুরুষ কুকুর-বিড়ালকে দেখেছেন? সঙ্গী নেড়িটা বাচ্চা দিলে সে নিজেই সেই বাচ্চাটাকে মেরে ফেলার জন্য সুযোগ খুঁজে!
    নেড়িটা বাচ্চাগুলোকে নিয়ে অনেক সংগ্রাম করে যদি শেষতক বাঁচিয়েও রাখে- শিকার করা শিখিয়েই ছেড়ে দেয়! আজ পর্যন্ত কোন কুকুর-বিড়ালকে তাই ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-বিজ্ঞানী হয়ে উঠতে দেখা যায় নি!!! 😛
    আপনার সন্তান(! বা ভবিষ্যত প্রজন্ম) ওরকম কুকুর-বিড়ালের মত বেড়ে উঠুক- এটাই কি চাচ্ছেন আপনি?

    (প্রশ্নটা পৃথু ও সমমনাদের জন্য রইলো…) ব্যাখ্যা দিবেন আশা করি।

    1. কি আর বলবো সফিক ভাই, আমি আমার
      কি আর বলবো সফিক ভাই, আমি আমার প্রত্যেকটা লিখাতে আমি কোন দার্শনিক বা বিজ্ঞানীর ঋন নিলেও সমগ্র চিন্তার সমাধান টানি আমি আমার নিজস্ব চিন্তা দিয়া। পুরা লিখায় আরো কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ লাইন ছিল। যেই মানদন্ড নিয়া মানুষ অনেক আগে থেকে ভেবে ভেবে ক্লান্ত আমি সেই মানদন্ড গুলো আমার মত দিতে চেষ্টা করি , একটা সমাধান টানি যা হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ও হতে পারে দর্শনের ক্ষেত্রে। এক আপনি ছাড়া কেউ সেইগুলো নিয়া মাথা ঘামায় না সো স্যাড। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
      আর আপনার যেইটা ভাল লাগে খুব ছোট করে একটা জটিল জিনিস আনতে পারেন আপনি লিখার ব্যাপারে অনেক গোছানো। আপনার লজিকগুলোও মজার।
      – See more at: http://www.istishon.com/node/2225#sthash.jtpjwPrA.dpuf

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *