আল্লা নাশথিখ অয়ে ঘেসেন

গুমায়ে সিলাম। ঘবির রাত। খাশির আওয়াঝে গুম বেংগে দেকি এক বুরা। গরের দইজ্জায় খারায়ে খাইশতেসে আর ঢাইকতেসে, “ভাভা ঈষা, ঊড!”

আমার খাছা গুম বাংগানয় থ্যাখত ভিরখত অয়ে আমি তারে দমক দিয়ে ভইললাম,
– খে তুমি? খি ছাইচ্ছ?
– চরশটা!
– কিশের চরশ! আমার কাচে কোন চরশ নাই। আমি চরশ কাইনা। ঘাঞ্জা ছলভে নাখি, ভল?
– না, মানে আমি, চরশটা!
– গরার ডিম! বইললাম তো ছরশ আমার কাচে নাই! অন্য কিচু লাইগলে ভলে পেল। নাইলে বাগো!
– না, মানে বলতে চাচ্চিলাম আমি তমাধের চরশটা!
– আমাধের খারো কাচেই খোন ছরশ নাই। তুমি একন বাগো! রাস্তা মাইপ্তে ফারো!
– আমি আল্লা! তমাদের মাবুদাল্লা! তমাদের চিষ্টিকত্তা! চরশটা!
– ওমা কয় কি, হালার ফুতাইন খিথা খয়! তুই চ্রষ্টা! মানে, আল্লা! ছাফা মারার ঝাগা ফাও নাই! ছাপা অন্যকানে মার। ভালের আল্লা আইশে ঘেচেন! ঝা! বাগ!
– হ ভাভাজি! আমিই শেই আল্লা! খতা একধম সইত্ত।
– আচ্চা, আল্লা হন, বগবান হোন আর বুত হন, অসুবিদা নাই। ষালার ছরশ কাওয়া ভুড়া ভইলচে আমি চ্রষ্টা! আচ্চা, খি ভইলথে ছাও, তারাতারি ভলে পেল! ভলে ভিধায় হও!
– ভলচিলাম খি, পেইঝবুকে…..
– পেইঝবুকে কি হয়েসে?
– পেইঝবুকে, ভ্লগে, ঝেকানে শেকানে আমাকে নিয়ে অভাবে ওসব লিক্লে….
– লিক্লে অসুবিদা কি? তুমিও পেইজবুক একাউন্ট কুলে বলে দেও! এই আমি আল্লা! কাঠি এবং আশল আল্লা! ভলার সাতে জামেলা কতম!
– না, মানে ভইলতে ছাইচ্চিলাম, আমি “আল্লা” নাম দিয়ে বিবিন্ন বাশায় পেইঝভুক এখাউন্ঠ কুলেসিলাম। আমার মুমিন ভান্দারাই রিফোর্ট মারে মারে আমার ষব এখাউন্ঠ ঢিশেভল খরে ধিচ্চে! খারে খেমনে খি খই, ভুজিনা! এধিকে, এরখম খরে আমাখে আর আমার ধুস্তকে নিয়ে ওরকম কখতা ষুনে আমাধের বগবান আর বুতদের সমাজে মান ইজ্ঝত নিয়ে ভেশে তাখা মুস্কিল হয়ে ফরেসে। একন থুমিও যদি ওষব খইরতে তাকো, আমাধের ত খশু গাসে খশুর লথি দিয়ে পাশিতে জুলে মরা সারা আর কোন রাষথা তাইকবেনা! একটু ধয়া খর ভাভাঝি! আমারে এখটু মান ইজ্ঝত নিয়ে মইত্তে ধেও! আমারে লয়ে থম্রা ঝা খইত্তেশো, একন ষেশখালে নিঝের ষেশ খতাঠুখু ভলে ঝাইথে সাই!
– কিন্তু থার আঘে ভলো, থুমি জেষব বয় দেকায়েসো, তার কি হবে? মানুষ্কে তুমি আঘুনে ফুড়ায়ে খাবাব ভানাতে ছায়েসো, শাপ ভিচ্চু আর ফুঁজ কাওয়ার বয় দেকায়েসো কেন? হুরের লোব দেকায়ে হুজুরদেরকে দুনিয়াতেই হুর নিয়ে হুড়াহুড়ি খরায়েসো, খিচ্চু খইত্তে ফারো নাই, থা এই আল্লা দুয়ে আমরা কি ফানি কাবো! ঝবাব দেও! ষিশুগুলারে দরষন খরি মাইল্লো, থুমি খি ভাল পালাইতেশিলে!
– বাবাগো! আমি ওসব বয়ানক মিত্তা কতা বলি নাই একটুও খুনদিনো। আমি বালো। কুব বালো। অই পাগলা এতিম কি বলেসে না বলেসে, কি করেসে না করেসে তার জন্য আমাকে তমরা খ্রাপ বল, এতে আমি অনেক দুক্ক পাই। আমি তমাদের সবাইকে বালোবাসি। তমাদের এই দর্মগুলিতে আমাকে যেবাবে দেকায়েসে, আমি তেমন না। তুমি মানুষদেরকে বলে দেও, আমি সবাইকে কমা করে দিয়েসি। সবাই জেন আমাকে কমা করে দেয়। এঠা থাধেরখে ঝানায়ে ঝেথে ফাইল্লে আমি একন ষান্থিতে মইত্তে ছাই!
– তমার এই কতাঘুলি তাইলে খুন খুন দর্মের লোধেদেরকে ভইলব? আপনি মুস্লিম, হিন্দু ক্রিষ্টান, নাকি ভউদ্দ?
– বাবাজি, নবী কবি শাদু মহাফুরুশ দান্দাভাজ বকাছোধা বেকুবগুলা যেসব গল্প বলে গেসে, সব বুয়া! আমি কুনো দরমের মইদ্দে নাই। ওরা ঝা খইত্তেসে, এদের ঝে খারো দলে তাইকলে মানুশ আমাকে দরে নিয়ে ঝুতাফিঠা খইরভে নাইলে পাশিতে জুলায়ে দিবে। সবকিচু দেকে শুনে, আমি আসলে ঘফনে নাষথেকদের দলে ডুকে গেসি। এদের বুদ্দি বালো। ভম পুটায় না, উড়াঝাহাঝ ছালায়ে ভিলঢিং বাংগে না, বরা ভাঝারে ঠ্রাখ ছালায় না। এরা দম্মঠাকে জেবাবে সোধন দিথেশে, মানুশ অসিরেই দম্ম কম্ম ভন্দ খরে দিভে। আর মাতা খ্রাপ সাঘলের ধল ষুদু ম্যা ম্যা খইত্তে তাইখবে!

– ইয়া মাবুদ! আল্লা থুমি খও খিতা! থুমি নাষথেক হয়ে গেলে অধেরকে খে ভাছাবে!

-ওরা এমনিথেই নিঝেঘর মইদ্দে মারামারি কইত্তে কইত্তে নিঝেরাই দংষ অই জাবে ষিগ্রই। ভাভারা, আরেখঠু দইজ্জ দরো!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *