হাঁস পাপী

সন্ধ্যার আগে আগে সাধারণত বিগ বসদের জরুরী মিটিং এর কথা মনে পড়ে। টাইমলি বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি, সেরকম একটা সময়ে মিটিং এর ডাক পেয়ে বিরক্ত মনে, কিন্তু মুখে তেলতেলে হাসি ঝুলিয়ে এমডি’র রুমে ঢুকে দেখি আমার ডাইরেক্ট বস আগেই পৌঁছে গেছেন। উল্টোদিকের সোফায় জায়গা করে নিয়ে সতর্ক চোখে চারদিকে খেয়াল করতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম, আমার বস তার বাম পায়ের উপর ডানপা তুলে, পা’টা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু দ্রুত নাচাচ্ছেন। কারনটা বুঝতে পারলাম। তার পায়ে চকচকে নতুন একজোড়া জুতো। জুতোর শুকতলীতে পরিষ্কার লেখা দেখা যাচ্ছে, Hush Puppies! ব্যাপারটা সারাদিন খেয়াল করিনি কেন, দুটি ভালো কমেন্ট করিনি কেন, ভাবতেই অপরাধবোধে আক্রান্ত হলাম। ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্যে, বললাম,

১।
সন্ধ্যার আগে আগে সাধারণত বিগ বসদের জরুরী মিটিং এর কথা মনে পড়ে। টাইমলি বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি, সেরকম একটা সময়ে মিটিং এর ডাক পেয়ে বিরক্ত মনে, কিন্তু মুখে তেলতেলে হাসি ঝুলিয়ে এমডি’র রুমে ঢুকে দেখি আমার ডাইরেক্ট বস আগেই পৌঁছে গেছেন। উল্টোদিকের সোফায় জায়গা করে নিয়ে সতর্ক চোখে চারদিকে খেয়াল করতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম, আমার বস তার বাম পায়ের উপর ডানপা তুলে, পা’টা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু দ্রুত নাচাচ্ছেন। কারনটা বুঝতে পারলাম। তার পায়ে চকচকে নতুন একজোড়া জুতো। জুতোর শুকতলীতে পরিষ্কার লেখা দেখা যাচ্ছে, Hush Puppies! ব্যাপারটা সারাদিন খেয়াল করিনি কেন, দুটি ভালো কমেন্ট করিনি কেন, ভাবতেই অপরাধবোধে আক্রান্ত হলাম। ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্যে, বললাম,

– বস! নতুন শু দেখছি মনে হচ্ছে! মিলাদ তো করালেন না! হাস পাপি নাকি, বস!
– হু! অরিজিনাল হাস পাপিস। আজকে লাঞ্চ আওয়ারে ওদের গুলশান এক নম্বরের শোরূম থেকে আনলাম। ফিফটিন থাউজেন্ট। আমার আবার একটা সমস্যা আছে। হাস পাপি ছাড়া আর কোন ব্র‍্যান্ড কম্ফোরটেবল মনেই হয়না। গত আট বছর ধরে পরছি। অন্য কোন ব্র‍্যান্ড পরতেই পারি না।
– বস, আপনার বাসা উত্তরা না? নেভাল হেড কোয়ার্টারের সামনে দিয়েই তো যান? আজকে কখন বের হবেন, বস?
– এইতো, মিটিংটা শেষ হলেই বের হব। কিন্তু কেন, বলেন তো?
– না মানে, আমার কিছু বন্ধু বান্ধব আর্মী, নেভী, এয়ারফোর্সে মোটামুটি সিনিয়র পোষ্টে আছেন। আপনার বের হওয়ার খবরটা ওদেরকে জানিয়ে দিতে হবে। আমার নেভীর বন্ধুটি প্রথমে আপনার গায়ে একটা টর্পেডো মারবে। তাতে কাজ না হলে আর্মীর আর্টিলারির একটা প্লাটুন কামানের গোলা দিয়ে আপনাকে উড়িয়ে দেবে। শুধু খেয়াল রাখতে বলবো, যেন আপনার জুতো জোড়া অক্ষত থাকে। এয়ারফোর্সের কাউকে বলতে চাচ্ছিনা, তাদের মিসাইলের নিশানা ভালো না। গায়ে মারতে গিয়ে দেখা যাবে পায়ে মেরে দিয়েছে। জুতা ছিন্ন ভিন্ন। আমার দরকার আপনার এই জুতাগুলি। হেব্বি জিনিশ মনে হচ্ছে, বস। আমার পায়েও ভালোই মানাবে, মনে হচ্ছে। শুধু জুতার গুনেই আমার পারসোনালিটি ৩২ থেকে বেড়ে বাষট্টি হয়ে যেত, মাশাল্লাহ!

বস আর্মীর লোক না। রশিকতা মোটামুটি বোঝেন। তাই, আহলাদে বিগলিত হয়ে মিটিংয়ে মনোযোগ দিলেন।

২।
আমি আমার বনানীর অফিস থেকে আদাবরের বাসায় ফিরি রিকশায়। প্রথমে হাঁটতে হাঁটতে সৈনিক ক্লাব পার হয়ে ক্যান্টনমেন্টে ঢুকে ইউনিফর্ম পরা রিকশায় করে ইব্রাহীমপুর, সেখান থেকে আরেক রিকশায় করে শিশু হাসপাতালের সামনে। সেখান থেকে কিছুটা হেটে রাস্তা পার হয়ে আরেক রিকশায় আদাবর মনসুরাবাদে।

শিশুমেলার পাশে, ফুটপাথের ধারে কিছু জুতার দোকান আছে। সেখানে কমদামে নতুন জুতার পাশাপাশি কিছু সেকেন্ড হ্যান্ড বা রিকন্ডিশন্ড জুতা পাওয়া যায়। কপাল ভালো হলে অল্প কয়েকদিন ব্যাবহার হওয়া প্রায় নতুন, ভালো ব্রান্ডের জুতাও বেশ সস্তায় পাওয়া যায়।

সেখান দিয়ে আসার সময় না চাইলেও মাঝে মাঝে চোখ চলে যায়। সেরকমই একটা ঘটনা ঘটনা ঘটে গেল। চোখ চলে গেল। গেল তো গেলই, আর ফীরে আসে না! কারন আমার চোখ আটকে গেছে, একজোড়া জুতায়। হ্যা! হুবহু, বসের সেই হাসপাপী জুতাজোড়াই। আর, জুতার সাইজও মাশাল্লাহ! এক্কেবারে খাপের খাপ! ৪৩!

আমি প্রথমে অন্য দু’তিন জোড়া জুতা হাতে নিয়ে, নাড়াচাড়া করে, পায়ে দিয়ে হাটাহাটি করে হালকা দামদর করে, হয় সাইজ মিলছেনা দামে পোষাচ্ছেনা, এমন ভাব নিয়ে, আমার আসল টার্গেট, সেই হাসপাপী জুতোজোড়া চাইলাম। দোকানদার আমি আসলে কি সাইজের জুতা পরি জানতে চাওয়ায় এক সাইজ কমিয়ে বললাম, বেয়াল্লিশ!
– পায়ে দিয়ে দেখেন, স্যার। লাগতেও পারে। যাহা বেয়াল্লিশ তাহাই তেলাল্লিশ! অরিজিনাল হাসপাপী স্যার! দুইদিনের বেশী পরাই হয় নাই! বেচারা বোধহয় জুতা রাইখ্যা নামাজ পড়তে গেছিল! এক হিরুঞ্চি চুরি কইরা আমারে দিয়া গেছে!
– পায়ে নাহয় দেয়া যাবে। কিন্তু এইটা কি আসল হাসপাপী নাকি?
– আসল মানে! খাটি অরজিনাল জিনিশ। রাস্তা পার হয়া অইপারে শোরুমে গিয়া দেইখা আসেন। চইদ্দ হাজার নয়শ পঞ্চাশ টাকার এক পয়সা কমে পাইবেন না। এই সেম জিনিশ! আপনে পায়ে দিয়ে দেখেন।

পায়ে আর কি দিব! আমি তো জানিই, এটা আমার পায়ের সাইজেরই। তার পরও, পায়ে দিয়ে, একটু ল্যুজ হচ্ছে, এরকম একটু খুতখুতে ভাব দেখালাম।

– আরে বস, একটু ল্যুজ হলেই তো ভাল। একটু খাপবে না! কয়েকদিন পরে বুঝবেন, এইটাই আপনার আসল সাইজ।

নেব কি নেবোনা, এরকম দোনোমনো ভাব দেখিয়ে দামের প্রসঙ্গ তুললাম।

– ঈদের মার্কেট হইলে এই জিনিস চোউখ বন্ধ কইরা ছয় হাজারে বিক্রি হয়া যাইতো। এখন বাজার খারাপ। তাছাড়া, আপনে তো আমাগোর রেগুলার কাস্টোমার। আপনার লগে দামাদামি করমু না। একদাম। চাইর হাজার টাকা দিউন লাগব।
– ভাই, আমি আমার জীবনে একহাজার টাকার বেশী দামে কোন জুতা-সেন্ডেল কিছুই কিনি নাই। আর, আপনার কপাল ভালো, আমার হার্টের কোন সমস্যা নাই। নাইলে, আপনার এই দাম শুনে তো যে কারো হার্ট এটাক করতো! আপনি তখন পড়ে যেতেন অন্য বিপদে!
– কি যে কন বস! আমাদের এখানে আট দশ হাজার টাকা দামের জুতাও পাওয়া যায়। আপনে নিবেন কিনা বলেন! এইরকম জিনিশ হঠাত হঠাত পাওয়া যায়। আপনার কপাল ভালো!
– বাদ দেন! যে দাম আপনি চাচ্ছেন, সেই টাকায় আমি কোট প্যান্ট শার্ট টাই জুতামোজা থেকে শুরু করে আন্ডার ওয়্যার পর্যন্ত হয়ে যাবে। এই জুতাও আমার কপালে নাই। আল্লাহ্‌ হাফেজ!
– একটা দাম তো বলতে পারেন! নিতেই হবে, তা তো না!
– না রে ভাই! যে দাম আপনি বললেন, তারপর আবার নাকি একদাম! আমি তো দাম বলতেই শরম পাচ্ছি!
– শরমের কি আছে! আপনি কাস্টমার, দাম বলবেন। আপনি দাম বললেই যে আমি দিয়ে দিব, তা তো না। আর আমি যা চাইব, তা-ই দিবেন, তা তো না। কত দিতে চান, বলেন শুনি!
– বারশো টাকা দিব। আমারও কিন্তু একদাম। এক পয়সাও বেশী দিতে পারব না। কোন দামাদামি নাই।
– কি যে বলেন স্যার! এই জুতার শুকতলির দাম দেড়হাজার টাকা। এইদামে আপনি বাটার জুতা পাইবেন, এপেক্স পাইবেন, কিন্তু হাসপাপী পাইবেন না। যাউকগা, আপনার কথা বার্তা আমার পছন্দ হইসে, শুধু আপনার জন্যে, লাষ্ট একদাম, তিনহাজার হইলে নেন।
– আমার কথাবার্তার দাম একহাজার টাকা? কও কি তুমি! তাইলে আরো কিছুক্ষণ কথা বলি, একহাজার টাকায় নামলে, বইল। আমার কিন্তু একদাম। তোমার একদাম এক লাফে একহাজার টাকা কমায়া দিতে পার, কিন্তু, আমার একদাম বলে দিয়েছি, একশো টাকাও বাড়াবোনা। আমি গেলাম! কি আর করা! কপালে হাসপাপী না থাকলে…..

বলে, আমি চলে যেতে উদ্দত হই। দশ পা যাওয়ার আগেই কাতর কন্ঠের পিছুডাক –

– স্যার! আর তিনশটা টাকা দিয়েন। বাজার খারাপ। বেচাকিনি নাই!

আমি ফীরে এসে বললাম, তুমি কি, “মরদ কা বাত, হাতিকা দাঁত।”- এই কথার মানে জানো? যা বলার, আমি বলে দিয়েছি। আর এক টাকাও দেয়া যাবেনা। আর দামাদামি করলে কিন্তু বারশো টাকাও দেয়া যাবেনা। তুমি আমার অনেক বেশী কথা খরচ করাচ্ছো। দিলে দিয়ে দেও, নইলে আমি চললাম। ঐযে সামনের খাম্বাটা দেখছো, ওটা পার হলে হাতি দিয়ে টেনেও আমাকে আর ফিরিয়ে আনতে পারবে না। বিনা পয়সায় দিলেও তখন তোমার এই জুতা আমি নিব না। আল্লাহ হাফেজ!

বলে, আমি দ্বিতীয় বারের মত চলে যাওয়ার ভাব নিলাম। জুতাওয়ালা আমাকে খাম্বার কাছাকাছি যেতে দিলনা।
– লয়া যান, বস। খালি আর একশোটা টেকা দিয়েন! নাইলে লস হয়া যাবে!
– আমার কাছে আমার কথার দাম অনেক বেশী। তোমাকে এক পয়সা বেশী দিয়ে আমার কথার দাম কমাতে পারব না।

অত:পর, পুরাতন জুতাজোড়া পলিথিনে ঢুকিয়ে, নতুন জুতো পায়ে দিয়ে বাড়ি ফিরলাম।

৩।
মিথ্যা বলা মহাপাপ। কিন্তু জান-মান বাচানো কিংবা গৃহশান্তির জন্য, অনেক মহাপুরুষের মত, টুকটাক মিথ্যা কথা আমাকেও বলতে হয়। বাজার থেকে মাছ, নতুন ওঠা সবজি বা ফলমূল, বউয়ের জন্যে শাড়ী কিনে এনে অর্ধেক বা দ্বিগুণ দাম বলতে হয়নি, এমন দাবী যদি কেউ করে, নিশ্চিত ধরে নিতে পারেন, উনি বিয়েই করেন নি, অথবা বোবা। আমি বিয়ে করেছি এবং বোবা নই। কাজেই, প্রায় নতুন জুতাজোড়া পরে বাসায় ফেরার পর বউ যখন বলল,
– তুমি আবার চোরাই জুতা কিনেছো?
– আমি না কিনলেও কেউ না কেউ তো কিনতোই। ওরা আমাকে ভালোবেসে, পনের হাজার টাকার জুতা সাড়ে সাতশো টাকায় দিয়ে দিল। তাছাড়া পুরানা জুতাজোড়ার অবস্থাও তো সুবিধার না। তাই ভাবলাম….
– তাও ভালো, যে ছোটোবেলার মত, পুরানা স্যান্ডেল পরে নামাজ পড়তে গিয়ে, ফেরার পথে অন্য কারো জুতা পরে চলে আসোনি!
– ছিঃ ছিঃ! এসব কি বল!
– তোমার ফেইজবুকে তুমিই তো নাকি লিখেছো এসব কথা। তোমার ফ্রেন্ডলিষ্টে আমাকে ব্লক করেছো, ভালো কথা। কিন্তু আমার এক বান্ধবী কিন্তু প্রায়ই তোমার পোষ্টগুলো আমাকে দেখায়!

যুগ জামানা আসলেই খারাপ হয়ে গেছে! ফেইজবুকের এতো এতো বন্ধুবান্ধবীর মধ্যে আমার বউয়ের বান্ধবীটি কে, সেটা এখন কিভাবে খুঁজে বের করি! মনের কিছু কথা নিজের মনে করে অচেনা কাউকে বলে হালকা হব, তারও উপায় থাকছে না।

৪।
পরদিন সকালে অফিসে গিয়ে বিনা উসিলায় বসকে গুড মর্নিং আর হাই-হ্যালো করতে গিয়ে বসের টেবিল থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে, আমার পায়ের দিকে তাকিয়ে পা মোচড়াতে থাকলাম। কাজ হল। বস আমার প্রায় নতুন চকচকে জুতাজোড়া খেয়াল করলেন। প্রথমে তার নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে তার জুতাজোড়া পায়ে আছে কিনা, নিশ্চিত হয়ে নিলেন। তারপর, চিমশানো গলায় বললেন,
– কিনেই ফেললেন তাহলে?
– কি আর করা, বস! গরীবেরও তো ঘোড়ারোগ হয়! আর কালকে আপনার জুতাজোড়া দেখার পর আমার হাতিরোগ হয়ে গেল। লোভ সামলাতে পারলাম না। কিনেই ফেললাম।
– কিন্তু আপনি, আই মীন, আপনার স্যালারীর চার ভাগের একভাগ খরচ করে, এই জুতো…. একটু বেশী বেহিসাবি হয়ে গেলনা!
– না বস! আমার মত গরীবের আর কেউ না থাকলেও আল্লাহ আছেন না?
– বলেন কি! আপনি তো শুনেছি নামাজ কালাম কিছুই পড়েন না।
– আমি না পড়লে কি হবে, অনেকেই তো পড়ে। এমনকি, এরকম জুতার মালিকেরাও কিন্তু নামাজ পড়ে। সেজন্যেই তো আমার মত গরীব মানুষেরাও এরকম জুতো পরার চান্স পাই।

এই বলে, গতকালের জুতো কেনার ঘটনা খুলে বললাম। দামের ব্যাপারে বউকে যে দাম বলেছিলাম, তার চেয়েও দেড়শো টাকা কমিয়ে বললাম। সব শুনে, আমার অত্যন্ত হিসেবী বসের চেহারা আর হাবভাব দেখে মনে হল, গতকাল সন্ধ্যায় তার অতিরিক্ত পা নাচানোর মত বেয়াদপি করার একটা উচিৎ শাস্তি দেয়া গেল। পোয়েটিক জাষ্টিস!

বিঃদ্রঃ জুতাজোড়া আমি তিনমাস যাবত পরছি। তার পরও যদি কোন নামাজি ব্যাক্তি জুতা হারিয়ে, আল্লাহর উপর নাখোশ হয়ে ক্ষোভে দুঃখে মসজিদে নামাজ পড়া ছেড়ে দেয়ার চিন্তা করেন, তার মনের শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য জুতাজোড়ার ছবি দিয়ে দিলাম। উপযুক্ত প্রমান আর আমার কেনা দামের সাথে অল্প কিছু লাভ সহ বিকাশ করে টাকা পাঠিয়ে দিলে আমি জুতাজোড়া পালিশ করে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যাবস্থা করব।

আর বন্ধুরা, আপনারা এই জুতাজোড়ার ছবিটি বেশী বেশী শেয়ার করে জুতা হারিয়ে মন ভাঙা একজন নামাজী মুমিনের মন জোড়া লাগানোর ব্যাপারে সহযোগিতা করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো একজন ভগ্নহৃদয় মুমিন বান্দার দুর্বল ঈমান আবার পুনরুজ্জীবিত এবং মজবুত করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *