মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুমিনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে , কিন্তু আল্লাহর সমালোচনা করলে কিছু বলে না , কারন কি ?

একটা বিষয় বেশ চোখে পড়ার মত। আল্লাহকে নিয়ে কিছু বললে , মুমিনরা তেমন উত্তেজিত হয় না কিন্তু মুহাম্মদকে নিয়ে কিছু বললেই সাথে সাথে ক্ষিপ্ত বর্বর পশুর মত আচরন করে। কারনটা কি ? আমি এ বিষয়ে গবেষণা করে কিছু তথ্য বের করলাম।


একটা বিষয় বেশ চোখে পড়ার মত। আল্লাহকে নিয়ে কিছু বললে , মুমিনরা তেমন উত্তেজিত হয় না কিন্তু মুহাম্মদকে নিয়ে কিছু বললেই সাথে সাথে ক্ষিপ্ত বর্বর পশুর মত আচরন করে। কারনটা কি ? আমি এ বিষয়ে গবেষণা করে কিছু তথ্য বের করলাম।

মুমিনরা মুহাম্মদকে সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ বলে বিশ্বাস করে। তাই যদি হয় , তাহলে যাবতীয় মানবিক গুন মুহাম্মদের চরিত্রে থাকবে। এভাবে মুমিনরা সর্ব মানবিক গুন বিশিষ্ট একটা কাল্পনিক চরিত্র হিসাবে মুহাম্মদকে বিবেচনা করে যার সাথে বাস্তব বা ঐতিহাসিক মুহাম্মদের চরিত্রের কোন মিল নেই। মুহাম্মদকে যে তারা এরকম একটা সর্বশ্রেষ্ট মানুষ হিসাবে কল্পনা করে , সেটা আসলে তারা শৈশব থেকে শুনে শুনেই করে থাকে। কখনও কোরান হাদিস সিরাত তাফসির এসব পড়ে তারা এটা করে না। আর সমস্যাটা সেখানেই।

এভাবে কল্পনা করতে করতে , এমন একটা পর্যায়ে তাদের কল্পনা উন্নীত হয় , যে এক পর্যায়ে যখন কোরান বা হাদিস বা সিরাত ইত্যাদিতে মুহাম্মদের কোন কর্মকান্ড যা অমানবিক মনে হয় , মুমিনরা সেসবের জন্যে সব দোষ আল্লাহর ওপর চাপিয়ে মুহাম্মদকে নিস্কলুষ হিসাবে রাখতে চায়। অর্থাৎ কোন ভাবেই সেসব কাজের জন্যে মুহাম্মদকে দায়ী করতে চায় না , বরং তারা সেটার দায় আল্লাহর ওপর চাপায়। একটা উদাহরন দিলেই বিষয়টা পরিস্কার হবে —

বহু সহিহ হাদিসে আছে , মুহাম্মদ প্রৌড় বয়সে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করে তার ৯ বছরের সময় মুহাম্মদ তার সাথে যৌনকাজ করে। যে কোন বিচারে এটা একটা অমানবিক কাজ। কোন সুস্থ মানুষ কখনও প্রৌড় বয়সে ৬ বছরের শিশু বিয়ে করে , তার ৯ বছরের সময় তার সাথে যৌন কাজ করবে না। আর যদি সেই মানুষটাকে একজন শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ হিসাবে বিবেচনা করা হয় , তাহলে তো কোনভাবেই সে সেটা করবে না। বিষয়টা মুমিনদেরকেও বিচলিত করে। তারা প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও , এই ঘটনাটা যে একটা অমানবিক বা অনৈতিক কাজ সেটা অন্তরে উপলব্ধি করে। তখন তারা আয়শা যে কত প্রকারে ৬ বছরের সময় বিয়ের যোগ্য হয়েছিল , বা ৯ বছরের সময় যৌনকাজের যোগ্য হয়েছিল সেটা প্রমানের আপ্রান চেষ্টা করে , তাতে কাজ না হলে নানা অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রমানের চেষ্টা করে আয়শার বয়স আসলে তখন ছিল ১৪ বা ১৬ বা ১৮ ইত্যাদি। যখন কোন কিছুতেই কাজ হয় না, তখন মরিয়া হয়ে মুমিনরা উক্ত ঘটনার সব দায় চাপায় আল্লাহর ওপর। বলে – আল্লাহ বলেছিল তাই মুহাম্মদ করেছে। যার সোজা অর্থ – এই ধরনের অনৈতিক কাজে মুহাম্মদের কোন দোষ নেই , দোষ আল্লাহর।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুখে না বললেও , অন্তর থেকে মুমিনরা আল্লাহকে নয় , বরং মুহাম্মদকেই বেশী সম্মান করে , ভক্তি করে। অন্য কথায় , তারা বুঝে বা না বুঝে , বস্তুত: মুহাম্মদকেই উপাসনা করে। সেই উপাসনার বহি:প্রকাশটা ঘটে মুমিনের ব্যাক্তিগত জীবনে। সে জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে মুহাম্মদকে অনুসরন করার চেষ্টা করে। যেমন – মুহাম্মদ কি পোশাক পরত , কেমন করে হাটত , কিভাবে নামাজ পড়ত , কথা বলত , কিভাবে খাবার খেত , কিভাবে যৌনকাজ করত ইত্যাদি প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুমিনরা মুহাম্মদকে অনুসরন করার চেষ্টা করে।

মজার বিষয় হলো শিশু বিয়ে বা দাসীর সাথে যৌন সঙ্গম বা বন্দিনী নারীর সাথে যৌন সঙ্গম বা অমুসলিমদের বিরুদ্ধে চিরকালীন যুদ্ধের বিধান ইত্যাদি কিন্তু আবার সিংহভাগ মুমিন অনুসরন করে না। যুক্তি হিসাবে তারা তখন বলে , মুহাম্মদ ওসব করেছিল কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে আল্লাহর নির্দেশে। তার মানে আল্লাহ তাকে বাধ্য করেছিল ওসব কাজ করতে , আর তাই আজকের সাধারন মুমিনের জন্যে ওসব পালন বাধ্যতামূলক নয়। এক্ষেত্রেও মুমিনরা মুহাম্মদ কৃত সব ধরনের অমানবিক , অনৈতিক নৃশংস ইত্যাদি কাজের দায় চাপায় আল্লাহর ওপর , আর মুহাম্মদকে তারা রাখতে চায় ফুলের মত চরিত্রের মত করে।

উপসংহার হলো – মুমিনরা বুঝে বা না বুঝে , মুহাম্মদকে আল্লাহর ওপরে স্থান দেয়।আর সেই কারনেই কেউ মুহাম্মদের নামে সমালোচনা করলে পাগলা কুত্তার মত ক্ষিপ্ত হয়ে কামড়াতে যায়। কিন্তু কেউ আল্লাহর সমালোচনা করলে কিছুই বলে না , কারন তারা তো আগেই আল্লাহকে দোষী সাব্যাস্ত করে বসে আছে।

২ thoughts on “মুহাম্মদের সমালোচনা করলে মুমিনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে , কিন্তু আল্লাহর সমালোচনা করলে কিছু বলে না , কারন কি ?

  1. আল্লাহ তো মুহাম্মদের কাল্পনিক
    আল্লাহ তো মুহাম্মদের কাল্পনিক সৃষ্টি, তাই মুসলমানদের নিকট আগে মুহাম্মদ পরে আল্লাহ। কিন্তু একটা বুদ্ধিমানের কাজ করেছে গৌতম বুদ্ধ। সে আল্লাহ জাতীয় কিছু বানায় নাই। এখন বৌদ্ধরা বুদ্ধকেই তাদের আল্লাহ বলে মানে।

  2. মোহাম্মদ বলে গিয়েছেন, মুসলমানদেরকে তাদের মাতাপি, স্ত্রী , সন্তান, সকল প্রকার ধনসম্প, এমনকি তাদের জীবনের চেয়েও মুহম্মদকে ভালবাসতে হবে। এছাড়া মুহাম্মদকে অনুসরণ করা সুন্নত।

    আশাকরি বুঝতে পেরেছেন এটার মূল কোথায় গ্রথি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *