ড:স্টিফেন হকিং- এর মৃত্যু ও ইসলামের সত্যতার প্রমান

বিশ্ববিখ্যাত বৃটিশ বিজ্ঞানী ড: স্টিফেন হকিং সম্প্রতি মারা গেছেন। আইনস্টাইনের পর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী হিসাবে স্টিফেন হকিং সবচাইতে বিখ্যাত ছিলেন।ব্লাকহোলের গঠন নিয়ে মূলত: তিনি গবেষণা করতেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টির পিছনে যে কোন স্রষ্টা আছে , তা তিনি বিশ্বাস করতেন না।করার কথাও না। কারন যে সব তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায় , তার ভিত্তিতেই কোন স্রষ্টার হস্তক্ষেপ ছাড়াই মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য ব্যখ্যা করা যায়। তাই স্বভাবত:ই মোমিন মুসলমানরা তাকে ভয়ংকর শত্রু ও ইসলাম বিদ্বেষী হিসাবে গণ্য করত।

বিশ্ববিখ্যাত বৃটিশ বিজ্ঞানী ড: স্টিফেন হকিং সম্প্রতি মারা গেছেন। আইনস্টাইনের পর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী হিসাবে স্টিফেন হকিং সবচাইতে বিখ্যাত ছিলেন।ব্লাকহোলের গঠন নিয়ে মূলত: তিনি গবেষণা করতেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টির পিছনে যে কোন স্রষ্টা আছে , তা তিনি বিশ্বাস করতেন না।করার কথাও না। কারন যে সব তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায় , তার ভিত্তিতেই কোন স্রষ্টার হস্তক্ষেপ ছাড়াই মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য ব্যখ্যা করা যায়। তাই স্বভাবত:ই মোমিন মুসলমানরা ছিল তাকে ভয়ংকর শত্রু হিসাবে গণ্য করত, যদিও তিনি কোনদিন ইসলামের ব্যপারে কোন মন্তব্য করেছেন বলে শোনা যায় নি।

মোমিন মুসলমানদের বিশ্বাস, তাদের আল্লাহ বাইবেলের ঈশ্বরের কায়দায় ৬ /৮ দিনে দ্বীন দুনিয়া সৃষ্টি করেছে। যদিও সেই সৃষ্টিতত্ত্ব পড়লে বোঝা যায় , তা শুধুই পৃথিবী কেন্দ্রিক। মহাবিশ্বের কোন ধারনা তাতে নেই। বর্তমানে কথিত ইসলামী বিজ্ঞানীরা( যারা কোরান হাদিস রিচার্জ করে বিজ্ঞান আবিস্কার করে ) অবশ্য সেটাকেই মহাবিশ্ব হিসাবে চালায়। কোরানে সাত আসমানের কথা বলেছে , আর বলেছে সাতটা জমিনের কথা।সৌরজগতে যদি মাত্র সাতটা গ্রহ থাকত তাহলে ইসলামী বিজ্ঞানীরা সেগুলোকেই সাতটা জমিন বলে দিব্বি চালিয়ে দিত।যদিও জমিন ও পৃথিবী মোটেই এক জিনিস না। পৃথিবীর অতি ক্ষুদ্র কোন অংশকে জমিন বলে। তাই জমিনকে পৃথিবী বলে চালানোটা মূর্খতা , আর কোরানের বার বার জমিন শব্দটা উচ্চারন প্রমান করে , আল্লাহ গোটা পৃথিবী সম্পর্কে মোটেই কোন ধারনা রাখত না। কিন্তু সাত আসমান জিনিসটা যে কি , সেটা এখনও বিজ্ঞানীরা আবিস্কার করতে পারে নাই , হয়ত ভবিষ্যতে পারবে।

তো মোমিন মুসলমানদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে উক্তরূপ ধারনাকে ড: স্টিফেন হকিং অর্থহীন বলে উড়িয়ে দিতেন আর বলতেন ওসব হলো উদ্ভট কিচ্ছা কাহিনী।

তো এই ধরনের একজন বিজ্ঞানী অবশেষে মারা গেলেন , যদিও কোন বিজ্ঞানী বা নাস্তিক কখনই দাবী করে না যে মানুষ অমর, বরং সবাই প্রকৃতির বিধান মেনে মৃত্যুকে মেনে নিয়েছেন যে সেটা অবশ্যম্ভাবি। কিন্তু মোমিন মুসলমানদের অকাট্য যুক্তি , মানুষ যে মারা যায় , সেটাই প্রমান করে কোরানের আল্লাহ আছে , আর মুহাম্মদ তার নবী। এইমত অবস্থায় হকিং এর মত একজন বিখ্যাত নাস্তিক মারা যাওয়াতে মোমিন কুল খুবই উচ্ছসিত । তারা তারস্বরে সোসাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে প্রচার করছে – স্টিফেন হকিং এর মত একজন বিখ্যাত নাস্তিকও শেষ পর্যন্ত মারা গেছে , আর তাই তাদের আল্লাহর অস্তিত্ব আছে ও মুহাম্মদ যে তার নবী সেটাও অকাট্যভাবে প্রমানিত।

সুতরাং মোমিন মুসলমানদের যুক্তি : ড: স্টিফেন হকিং মারা গেছে, সেটাই প্রমান করে , ইসলাম সত্য ধর্ম। অন্তত: ফেসবুকের মোমিনদের প্রতিক্রিয়া দেখলে সেটাই মনে হচ্ছে।

১ thought on “ড:স্টিফেন হকিং- এর মৃত্যু ও ইসলামের সত্যতার প্রমান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *