উত্তরাধিকার # ২য় পর্ব

নুসরাত এখনও ব্যপারটা ধরতে পারছে না। সে কিছুটা ধোঁয়াশার মধ্যে আছে। পুরো ব্যাপারটাই কেমন যেন রহস্যময় রহস্যময় লাগছে। আচ্ছা, প্রথম থেকে শুরু করা যাক।

সে একজন সাংবাদিক। তাঁকে নতুন একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রাচীন কিছু জমিদার বাড়ির ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মিথ নিয়ে একটা রিপোর্ট তৈরি করা। দায়িত্ব পাওয়ার পর এশিয়াটিক সোসাইটিতে খোঁজ করে বেশ কিছু জমিদার বাড়ির লিস্ট সে বের করে। ৫ টা বাড়িকে সে টার্গেট করে যেগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে নলুয়া জমিদার বাড়ি। ধোঁয়াশার শুরু এখান থেকেই।


নুসরাত এখনও ব্যপারটা ধরতে পারছে না। সে কিছুটা ধোঁয়াশার মধ্যে আছে। পুরো ব্যাপারটাই কেমন যেন রহস্যময় রহস্যময় লাগছে। আচ্ছা, প্রথম থেকে শুরু করা যাক।

সে একজন সাংবাদিক। তাঁকে নতুন একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রাচীন কিছু জমিদার বাড়ির ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মিথ নিয়ে একটা রিপোর্ট তৈরি করা। দায়িত্ব পাওয়ার পর এশিয়াটিক সোসাইটিতে খোঁজ করে বেশ কিছু জমিদার বাড়ির লিস্ট সে বের করে। ৫ টা বাড়িকে সে টার্গেট করে যেগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে নলুয়া জমিদার বাড়ি। ধোঁয়াশার শুরু এখান থেকেই।

লাইব্রেরীর বই ঘেঁটে নলুয়া জমিদার বাড়ি সম্বন্ধে খুব কমই তথ্য পাওয়া গেল। শুধু লেখা আছে এই বাড়ির প্রধান জমিদার তাঁর প্রজাদের লাগানো আগুনে পুড়ে মারা যান। এই একটা তথ্যই তাঁকে আগ্রহী করে তুলে নলুয়া জমিদার বাড়ির ব্যাপারে। কিন্তু এছাড়া আর কোন তথ্যই নেই। এটা কিভাবে সম্ভব? এশিয়াটিক সোসাইটির বইতে যদি না থাকে তাহলে আর কোথায় থাকবে?

এরপর সে ইন্টারনেটে সার্চ দিল। অন্যান্য জমিদার বাড়ি সম্বন্ধে দুই একটা লাইন লেখা থাকলেও নলুয়া জমিদার বাড়ি সম্বন্ধে কোন তথ্যই সে পেল না। এমনকি গুগল ইমেজ সার্চ করেও জমিদার বাড়ির কোন ছবি পাওয়া গেল না।

জমিদার বাড়ির লোকেশন জানার জন্য গুগল আর্থে সার্চ দিয়েও সে কিছুই পেল না। শুধু এইটুকুই জানতে পারল হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় এই জমিদারবাড়ির অবস্থান। বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমান্তে এক গভীর জঙ্গলের বাংলাদেশ অংশের একপাশে কোন এক জায়গায় সেটি আছে। শুধুমাত্র এইটুকু তথ্য পেনড্রাইভে ভরে ল্যাপটপ আর ট্র্যাভেল ব্যাগ নিয়ে সে চুনারুঘাটের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েছে।

ধোঁয়াশা আরও বাড়ল চুনারুঘাট বাজারে আসবার পর। যাকেই সে নলুয়া জমিদার বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করছে সেই তাঁকে এড়িয়ে চলা শুরু করেছে। স্মার্ট একটা সুন্দরী মেয়ে দেখে সবাই এগিয়ে আসলেও তাঁর উদ্দেশ্যের কথা শুনে সবাই পিছিয়ে যাচ্ছে। এবং সবার চোখে মুখেই একটা চাপা আতঙ্ক খেলা করছে। এর কারণটা নুসরাত বুঝতে পারছে না। কোন একটা ব্যাপারে তাঁরা সবাই ভীত। কি হতে পারে সেটা?

অনেক কষ্টে একটা ইজিবাইক ম্যানেজ করা গেছে। সেটায় করে চা বাগানের ভিতরকার আঁকাবাঁকা উঁচুনিচু পথ ধরে এই মুহূর্তে সে চলছে। চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য অসাধারণ। কোন এসাইনমেন্ট না থাকলে ভ্রমণটা উপভোগ করা যেত। কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে নুসরাতের। জমিদার বাড়িতে যাবার ব্যাপারে মন কেন জানি বাঁধা দিচ্ছে। আবার কৌতূহলও যে হচ্ছে না তা নয়। আর কে না জানে ভয় আর কৌতূহলের যুদ্ধে ভয় সবসময়ই পরাজিত হয়।

আধা ঘন্টা চলার পর খুব নিরব একটা জায়গায় পৌঁছাল নুসরাত। এমন সময় ইজি বাইক থেমে গেল।
“কি হল মামা, আর যাবেন না?”

“না। এখানেই নামতে হবে। এই যে রাস্তাটা দেখছেন সেটা ধরে সোজা চলে যান। জমিদার বাড়িতে পৌঁছে যাবেন।“

একটা মেঠো পথ চোখে পড়ল নুসরাতের। ধন্যবাদ দিয়ে ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে হাঁটা শুরু করবে এমন সময় বাইকওয়ালার কথায় ফিরে তাকাল আবার।

“আপা, আপনি আমার সাথে ফিরে চলেন। আমি ভাড়া নিব না। ঐ বাড়িতে যাবেন না। বাড়িটা ভাল না। কাল পূর্ণিমা। এখন ঐ বাড়িতে যাওয়া আপনার ঠিক হবে না।“

“আপনাকে ধন্যবাদ। জানেনই তো, সাংবাদিকেরা কখনও পিছু হটে না। পূর্ণিমাতে স্পেশাল কিছু হয় নাকি ওখানে?”

“আমি কিছু বলব না। শুধু অনুরোধ করছি আপা, ফিরে চলুন।“

“আমাকে নিয়ে টেনশন করবেন না। কিচ্ছু হবে না আমার।“

“আপা আমি সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানেই থাকব। যদি ফিরে আসেন তাহলে এখানেই পাবেন আমাকে।“

নুসরাত মেঠো রাস্তা ধরে হেঁটে চলল। কিছুটা চিন্তিত সে। সবাই এমন করছে কেন? একবার ভাবল ফিরেই যাবে কিন্তু হার না মানার মানসিকতা তাঁকে ফিরতে দিল না। অনেক সংগ্রাম করে আজকের অবস্থান তৈরি করতে হয়েছে। লোকের কথায় সেটা তো আর বিসর্জন দেওয়া যায় না।

দূর থেকেই লোকটাকে চোখে পড়ল নুসরাতের। সাদা চাদর গায়ে দিয়ে লম্বা মতন একটা লোক রাস্তার শেষ মাথায় দাঁড়িয়ে আছে।

“এক্সকিউজ মি। আমি নলুয়া জমিদার বাড়িতে যেতে চাই। আপনি কি আমাকে রাস্তাটা বলে দিতে পারেন?”
“আপনাকে সেখানে নিয়ে যাবার জন্যই আমি দাঁড়িয়ে আছি।“

“তাঁর মানে? আপনি কি জানতেন আমি আসব?”

“আমি না, ছোট হুজুর জানতেন। তিনিই আমাকে পাঠিয়েছেন যেন আপনাকে নিয়ে যাই। ব্যাগটা আমার হাতে দিন।“

“আপনার ছোট হুজুরটা কে? তিনি কিভাবে জানেন যে আমি আসব?”

“সেটা না হয় ছোট হুজুরকেই জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন। এখন চলুন।“

****
ধুর, গাড়ি নষ্ট হওয়ার আর সময় পেল না?

রুমন খুবই বিরক্ত। বিরক্ত আসলে তাঁর নিজের উপর। কারণ এই অবস্থার জন্য এই মুহূর্তে নিজেকে ছাড়া আর কাউকেই সে দোষ দিতে পারছে না। কি দরকার ছিল বন্ধুদের সাথে জেদ ধরে একা একা এদিকে চলে আসার?

দুইমাসের জন্য রুমন দেশে এসেছে। এই দেশ তাঁর মাতৃভূমি যদিও সে এখানে থাকে না। রুমনের জন্ম বাংলাদেশে হলেও তাঁর বেড়ে উঠা অস্ট্রেলিয়াতে। তাঁদের পরিবার সে যখন ছোট তখনই অস্ট্রেলিয়াতে মাইগ্রেট করেছে। গ্রেজুয়েশন শেষ করার পর চাকরি জীবনে প্রবেশ করার আগে সে নিজের দেশটাকে ঘুরে দেখতে এসেছে। উঠেছে বড় মামার বাসায়। মামাতো ভাই আর ভাইয়ের দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে তাঁরা দেশ ঘুরতে বের হয়েছে। দুইটা প্রাইভেট কারে করে গত ১০ দিন ধরে তাঁরা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম আর কক্সবাজার ঘুরে এখন যাচ্ছে সিলেট। বিপত্তিটা ঘটেছে ঘণ্টা দুয়েক আগে। হবিগঞ্জের কোন একটা জায়গায় এসে তাঁরা দেখল একটা রাস্তা দুইভাগ হয়ে দুইদিকে চলে গেছে। বড় রাস্তাটা সোজা সিলেট চলে গেছে। আরেকটা রাস্তার মাথায় সাইনবোর্ডে লেখা আছে “সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রাস্তা”। জিজ্ঞেস করে জানা গেল এই রাস্তা ধরেও সিলেট যাওয়া যাবে তবে ঘুরতে হবে অনেকটা। অরণ্য রুমনের খুবই প্রিয়। সে সিদ্ধান্ত নিল এই অরণ্যের মাঝ দিয়েই সে যাবে। কিন্তু বাকিরা কেউ রাজী হচ্ছে না। একপ্রকার জিদ করেই সে বাকি তিনজনকে চ্যালেঞ্জ করে বসল যে এই পথ দিয়ে সে সবার আগে সিলেট পৌঁছুবে। ব্যস, বাকিরা গেল একপথে আর সে এই পথে।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রাস্তাটা চমৎকার। চারপাশে চা বাগান আর চা বাগান। চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। একটা সবুজ রঙের চাদর যেন টুপ করে আকাশ থেকে নেমে এসে চারপাশ ঢেকে দিয়েছে। নাহ, তাঁর সিদ্ধান্ত ঠিকই আছে। জঙ্গলে যখন পৌঁছুল তখন সুর্য প্রায় ডুবতে বসেছে। গভীর জঙ্গলে অন্ধকার নেমে আসার মুহূর্ত খুবই রোমাঞ্চকর এবং এই রোমাঞ্চ রুমন সবসময়ই উপভোগ করে। তাঁর ইচ্ছে হচ্ছিল রাতে এখানে ক্যাম্পফায়ার করার কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তো সাথে নেই। আগে থেকে প্ল্যান করা থাকলে তাঁবু এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসা যেত। চাইলে বার্বিকিউ পার্টিও করা যেত।

কি আর করা, পরেরবার এই ভুল আর করবে না ভাবতে ভাবতে সে গাড়ির কাছে ফিরে আসল। গাড়িটা রাস্তা থেকে সরিয়ে জঙ্গলের বেশ খানিকটা ভিতরে একটা ফাঁকা জায়গা দেখে দাড় করানো আছে। স্টার্ট দিতে গিয়ে দেখা গেল গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছে না। এই সময়ে তাঁর মনে হল যে তাঁর সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল।

কি করবে ভাবতে ভাবতেই একটা পায়ে চলা পথ রুমনের চোখে পড়ল। পথটা খুব বেশি ব্যবহার না হলেও ব্যবহার যে হয় সেটা বোঝা যাচ্ছে। সে হাঁটা শুরু করল। টর্চ আর পানির বোতলটাই কেবল সাথে আছে। প্রথমে জঙ্গল গভীর হওয়া শুরু করল। কেমন অদ্ভুত একটা অনুভূতি হচ্ছে রুমনের। ভয়ের না। তাঁর মনে হচ্ছে কেউ যেন তাঁর উপর নজর রাখছে। গা টা শিরশির করে উঠল রুমনের। অনুভূতিটা যাচ্ছে না, বরং আরও চেপে বসছে মনের ভিতর। অন্ধকারে কিছুই চোখে পড়ছে না তাই টর্চ জ্বালাতে হল। কতক্ষণ হাঁটল সে জানে না কিন্তু হঠাত করেই জঙ্গল হালকা হওয়া শুরু করল। বিশাল একটা অশথ গাছের নিচে এসে থামল রুমন। সেখানে তাঁর জন্য একটা বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। সাদা চাঁদরে মোড়া শুভ্রকেশের এক বৃদ্ধকে দেখল রুমন।

“প্রিয় অতিথি, আমার সাথে চলুন। ছোট হুজুর আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছেন।“

“আমাদের জন্য মানে? আপনি কি জানতেন যে আমি আসব? কিভাবে জানতেন? আর কারা আসবে? কে আপনি, আর আপনার ছোট হুজুরটাই বা কে?”

“আমার সাথে চলুন, সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন। আপনাকে দেখে বোঝা যাচ্ছে আপনি ক্লান্ত। রাতটা আমাদের বাড়িতেই না হয় কাটালেন। এছাড়া আর কোথাও যাবার জায়গাও তো নেই আপনার।“

****
রুমন, নুসরাত কেউ কাউকে চিনে না। তাঁরা কল্পনাও করতে পারছে না কি ভয়ানক ভবিষ্যৎ তাঁদের জন্য অপেক্ষা করে আছে। যেই ভবিষ্যৎ তাঁদের পুরো অস্তিত্বকেই এলোমেলো করে দিবে। …… (চলবে)

উত্তরাধিকার # ১ম পর্ব

২৮ thoughts on “উত্তরাধিকার # ২য় পর্ব

  1. চমৎকার হচ্ছে।
    বেশ

    চমৎকার হচ্ছে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    বেশ সাসপেন্স ফীল করছি। নিয়মিত চাই পর্বগুলো। নাহলে মজা নষ্ট হয়ে যাবে।

  2. ধুর… পুরাটা একসাথে দেন।
    ধুর… পুরাটা একসাথে দেন। খালি খালি পড়ার আগ্রহ রেখে দিয়ে লেখা শেষ করে দেন। তাড়াতাড়ি ছাড়েন। :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    1. একসাথে ছাড়লে অনেক বড় হয়ে যাবে
      একসাথে ছাড়লে অনেক বড় হয়ে যাবে রে ভাই। তখন তো পড়বার সময় পাবেন না। আর হরর গল্পে সাসপেন্স না থাকলে জমে নাকি রে ভাই? :ভালুবাশি:

    1. ভাই আশরাফ, আপনি কি “বেশ ভাল”
      ভাই আশরাফ, আপনি কি “বেশ ভাল” এই কথা ছাড়া আর কোন কমেন্ট করতে জানেন না? :ভাবতেছি: :অপেক্ষায়আছি:

  3. ভাই দুই পর্বের মধ্যে সময়ের
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    ভাই দুই পর্বের মধ্যে সময়ের পার্থক্যটা কমান।এত দিন পর পর দিলে চলে নাকি রে ভাই।

    1. হুম অক্কে, নেক্সট পার্ট আজ
      হুম :ভাবতেছি: অক্কে, নেক্সট পার্ট আজ না পেলেও আগামীকাল অবশ্যই পাবে। :খাড়া:

  4. লেখক মানুষদের এই এক সুবিধা
    লেখক মানুষদের এই এক সুবিধা আছে, যেখানেই যাক না কেন, গল্পে সেই জায়গার সুন্দর একটা বর্ণনা দিয়ে দেয় :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি:

    আর সবাই লিখা নিয়ে তো আগেই বলে ফেলেছে, আমার জন্য কোন কথা রাখেনি :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

  5. দিজ ওয়ান ইজ বেটার দ্যান দ্যা
    দিজ ওয়ান ইজ বেটার দ্যান দ্যা আরলি ওয়ান। প্লটটা পুরাতন(মানে এই থ্রিল/হরর গল্প আসলেই পুরাতন বাড়ি,অভিশপ্ত জমিদার এগুলোই আসে বেশি বাংলা সাহিত্যে) তাই দেখতে চাই পুরাতন বোতলে কেমন নতুন মদ দিতে পারো। নেশা হলে :কথাইবলমুনা:

    1. জীবনের প্রথম ভৌতিক থ্রিলার
      জীবনের প্রথম ভৌতিক থ্রিলার লেখার চেষ্টা করছি, এক-আধটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। এত ধরছেন কেনু? আপনেরে মাইনাচ। :ক্ষেপছি:

  6. পুরা সিনেমা দেখা শুরু করলাম,
    পুরা সিনেমা দেখা শুরু করলাম, পড়তে পড়তে কল্পনায় দেখার যে কি মজা তা বলে বোঝাইবার ধৈর্য্য এই মুহুর্তে নাই।

    1. সাইকো বা থ্রিলার গল্প লেখার
      সাইকো বা থ্রিলার গল্প লেখার মজাটা এখানেই। লিখতে গেলেই চোখের সামনে পুরা প্লট ভেসে উঠে। মনে হয় যেন মুভি দেখছি। দুঃখ একটাই, নিজের চোখে যতটা ভাসে ততটা লেখায় ফুটাতে চেষ্টা করলেও ১০০% সফল হতে পারি না। :মনখারাপ:

      1. চিন্তা করেন আপনার চিন্তাশক্তি
        চিন্তা করেন আপনার চিন্তাশক্তি কত প্রখর। আপনি যা লিখছেন সেটাই পুরাপুরি দৃশ্যায়ন করতেছি এখনো আর আপনে আগে থেকে দৃশ্যায়ন করে সেগুলো লিখে আবার বলছেন

        নিজের চোখে যতটা ভাসে ততটা লেখায় ফুটাতে চেষ্টা করলেও ১০০% সফল হতে পারি না।

        মিয়া ভাত খান নাকি অন্যকিছু? আপনের খাবার মেনু ফলো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *