যুগে যুগে নিষিদ্ধ বই

যুগে যুগে নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় যুক্ত হয়েছে অনেক বিখ্যাত বই। আবার অনেক বই নিষিদ্ধের পর হয়েছে বিখ্যাত। সালমান রুশদীর ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ কিংবা তসলিমা নাসরিনের ‘লজ্জা’ হল সাম্প্রতিক কালের নিষিদ্ধ বই। নিষিদ্ধ বই বললেই প্রথম যে বইটির নাম আসে তা হল ডি,এইচ, লরেন্সের ‘লেডি চ্যাটারলিজ লাভার’। স্যাটানিক ভার্সেস,লজ্জা আর লেডি চ্যাটারলিজ লাভার নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ এক নয়। এমন নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় হুমায়ূন আজাদের ‘নারী’ এবং সমরেশ বসুর ‘প্রজাপতি’ ও রয়েছে। সমরেশ বসুকে তার প্রজাপতির জন্য কোর্টেও দাড়াতে হয়েছে, লেডি চ্যাটারলিজ লাভার নিয়ে মামলাতো ঐতিহাসিক ঘটনা।

যুগে যুগে নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় যুক্ত হয়েছে অনেক বিখ্যাত বই। আবার অনেক বই নিষিদ্ধের পর হয়েছে বিখ্যাত। সালমান রুশদীর ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ কিংবা তসলিমা নাসরিনের ‘লজ্জা’ হল সাম্প্রতিক কালের নিষিদ্ধ বই। নিষিদ্ধ বই বললেই প্রথম যে বইটির নাম আসে তা হল ডি,এইচ, লরেন্সের ‘লেডি চ্যাটারলিজ লাভার’। স্যাটানিক ভার্সেস,লজ্জা আর লেডি চ্যাটারলিজ লাভার নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ এক নয়। এমন নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় হুমায়ূন আজাদের ‘নারী’ এবং সমরেশ বসুর ‘প্রজাপতি’ ও রয়েছে। সমরেশ বসুকে তার প্রজাপতির জন্য কোর্টেও দাড়াতে হয়েছে, লেডি চ্যাটারলিজ লাভার নিয়ে মামলাতো ঐতিহাসিক ঘটনা।
মজার ব্যাপার হল অশ্লীল বলে জেমস জয়েসের ‘ইউলিসিস’ আমেরিকায় নিষিদ্ধ ছিল ১৫ বছর। মার্কিন ডাক বিভাগ ১৯১৮ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত বইটি জব্দ করত। অশ্লীল দাবী করে ভলতেয়ারের স্যাটায়ার গ্রন্থ ক্যান্ডিডের কপি আটক করা হয়। হাবাডার(?) দুজন অধ্যাপক তার প্রতিবাদ করলে পরে অন্য একটি সংস্করনকে প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়।
জন ক্লেল্যান্ড এর ‘ফ্যানি হিল’ (এক প্রমোদবালার স্মৃতিকথা) ১৭৪৯ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই নানান ভাবে বাধাগ্রস্থ হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৯৬৬ সালে একে অশ্লীলতার দায় থেকে মুক্তি দেয়।

এরিস্টোফেনের ‘লিসিস্ট্রাটা’, চসারের ‘ক্যান্টাবেরি টেলস’,বোকাচ্চিওর ‘ডেকামেরন, ড্যানিয়েল ডিফোর ‘মল ফ্লান্ডারস এবং ‘এরাবিয়ান নাইটস’ এর বিভিন্ন সংস্করন ১৮৭৩ সালের কমস্টক আইন বলে মার্কিন ডাক চলাচলে নিষিদ্ধ থাকে কয়েক যুগ। কমস্টক আইন সরকারিভাবে কেন্দ্রীয় অশ্লীলতা বিরোধী আইন হিসেবে পরিচিত। এ আইন অনুসারে ডাকযোগে অস্লিল,অভদ্র,নোংরা জিনিসপত্র আদানপ্রদান নিষিদ্ধ। এখন অবশ্য এই আইনটি বলবৎ নেই। যুদ্ধ বিরুধী লিসিস্ট্রাটা ১৯৬৭ সালে আবার নিষিদ্ধ করা হয় গ্রীসে। গ্রীসে তখন সামরিক শাসন।
কমস্টক আইনে জন্মনিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত তথ্য বিলিও নিষিদ্ধ। ১৯১৫ সালে মার্গারেট স্যাঙ্গারের ‘ফ্যামেলি লিমিটেশন’ বিতরণ করার দায়ে তার স্বামীকে কারাবন্দী করা হয়। ফ্যামেলি লিমিটেশনে জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি এবং এর প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করা হয়। স্যাঙ্গারকে বিচার এড়াতে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। পরে তিনি ১৯১৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং অ্যামেরিকান বার্থ কন্ট্রোল লীগ গঠন করেন।

কিছু কবিতায় বর্ণনামূলক ভাষা ব্যাবহারের কারণে বোস্টনের ডিসট্রিক্ট এটর্নির ফৌজদারি বিচারের মুখে ওয়াল্ট হুইটম্যান এর বিখ্যাত কবিতা সংকলন ‘লীডস অব গ্রাস’ বাজার থেকে তুলে নেয়া হয় ১৮৮১ সালে। পরে তা ফিলাডেলফিয়া থেকে প্রকাশিত হয়।

জনশৃঙ্খলার জন্য বিপদজনক এই অভিযোগ তুলে জ্যা-জ্যাক রুশোর আত্মজীবনী ‘কনফেশনস’ ১৯২৯ সালে মার্কিন শুল্ক বিভাগ নিষিদ্ধ করে। তার দর্শনের বইও ১৯৩৫ সালে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নে নিষিদ্ধ করা হয়। তার কিছু কিছু দর্শনের বই অষ্টাদশ শতকে ক্যাথলিক চার্চের নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় ছিল।

মার্কিন স্বাধীনতার স্বপক্ষের লেখক হিসেবে পরিচিত থমাস পেইন ইংল্যান্ডে রাজনৈতিক অবাধ্যতার অভিযোগে অভিযুক্ত হন তার ‘রাইটস অব ম্যান’ বইটির জন্য। বইটিতে ফরাসী বিপ্লবের পক্ষে কথা বলা হয়। তার ‘এজ অব রিজন’ ছাপার জন্য একাধিক প্রকাশককে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়।
পবিত্র কোরআন এবং বাইবেল সমাজতান্ত্রিক রাশিয়াতে নিষিদ্ধ ছিল ১৯২৬ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত এবং বিভিন্ন লাইব্রেরী থেকেও এগুলো সরিয়ে ফেলা হয়।

এসব রাজনৈতিক, অশ্লীলতার অভিযোগে নিষিদ্ধ করা ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অনেক নিরীহ বইকে কতৃপক্ষের রোষানলে পড়তে হয়েছে। যেমন- শেক্সপিয়রের ‘টুয়েলবথ নাইট’কে মেরিম্যাকের হাইস্কুলগুলো পাঠ্যসূচী থেকে তুলে দেয় যখন স্কুল বোর্ড ‘প্রহিবিশন অব অল্টারনেটিভ লাইফস্টাইল ইন্সট্রাকশন’ আইন পাস করে। টুয়েলবথ নাইটে বেশ কয়েকটি রোমান্টিক বন্ধনের বর্ণনা রয়েছে, সে সাথে এক তরুণী ছেলের ছদ্মবেশ ধারন করে।
১৯২৫ সালে হাইস্কুলে ডারউইনের বিবর্তনবাদ পড়ানোর দায়ে সাজা দেয়া হয় জন.টি.স্কোপস কে। বিবর্তনবাদ পড়ানো নিষিদ্ধ করা টিনেসী আইন ১৯৬৭ সালে পুনঃস্থাপিত হয়।

মার্ক টোয়েনের এর টম সয়ার ও হাকলবেরি ফিন অন্যান্য লাইব্রেরীর পাশাপাশি ব্রুকলিন পাবলিক লাইব্রেরীর শিশুকিশোর বিভাগ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। বর্ণবাদের অভিযোগে হাইস্কুলের পাঠ্য তালিকা থেকে হাকলবেরি ফিন কে নিষিদ্ধ হয়। ‘নিগার’ শব্দটি ব্যাবহারের কারণে ‘আঙ্কল টমস কেবিন’কে আদালতের চ্যালেঞ্জের মুখে পরতে হয়েছে। শেক্সপিয়রের ‘মার্চেন্ট অব ভেনিস’কে মিশিগানের মিডল্যান্ডের স্কুলে নিষিদ্ধ করা হয় ইহুদি শাইলকের চরিত্রটির কারণে। এর আগে বাফেলো এবং ম্যানচেস্টারও বইটি নিষিদ্ধ করা হয়।

এরকম যুগে যুগে অসংখ্য বই নানা কারণে নিষিদ্ধ হয়েছে। হয়তো ভবিষ্যতেও হবে।

১৬ thoughts on “যুগে যুগে নিষিদ্ধ বই

    1. চিত্রকলা ঠিক সে অর্থে নিষিদ্ধ
      চিত্রকলা ঠিক সে অর্থে নিষিদ্ধ হওয়ার নজির নেই, তবে ক্যাথলিক চার্চ বা এ ধরণের ক্ষমতাবান ধর্মীয় বা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তি দ্বারা চিত্রকলা ধ্বংস করার অসংখ্য নজির আছে।

  1. ভারতের মকবুল ফিদা হোসেনের
    ভারতের মকবুল ফিদা হোসেনের কতিপয় চিত্রকলা কি নিষিদ্ধ হয়েছিল ? তাকে তো সম্ভবত নির্বাসিত হতে হয়েছিল

    1. আপনাকে ধন্যবাদ সংবিগ্ন
      আপনাকে ধন্যবাদ সংবিগ্ন পাখিকূল আপনার মন্তব্যের জন্য। মকবুল ফিদার কোন চিত্রকলা সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে এমন না। তবে তার কিছু চিত্রকলা জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক বিতর্কিত হয়েছিলো এবং তাকে নানান মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ফিদার নির্মিত চলচিত্র ‘মিনাক্ষী : আ টেল অব থ্রি সিটিজ ‘এ একটা গান ছিল। তাতে একটা কথা ছিল : নূর উন আলা নূর। নায়িকার রূপ বর্ণনার জন্য ব্যবহার করা হইছিল কুরআনের আয়াত। তখনই তিনি সর্বপ্রথম বিতর্কে আসেন। সে সময় অল ইন্ডিয়া উলেমা কাউন্সিল তাকে ধর্মদ্রোহী হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল। ১৯৭০ সালে তার আঁকা সরস্বতী দেবীর নগ্ন চিত্রটির জন্য ১৯৯৬ সালে মহারাষ্ট্রের তৎকালীন সংস্কৃতিমন্ত্রী এবং শিবসেনা নেতা প্রমোদ নাভালকার মুম্বাই পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন,পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করে এবং ১৯৯৬-এর ৮ অক্টোবর, ভারতীয় পেনাল কোড, ধারা ২৯৫-এ বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাগ বা ঘৃণার উদ্রেক ইত্যাদি এবং ধারা ২৯৫ সুচিন্তিত এবং বিদ্বেষপ্রসূত কাজ যা যে কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুভূতির ওপর প্রচন্ড আঘাত হানে-এর অধীনে ফিদার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এর পরপরই বজরঙ দল নামের হিন্দু মৌলবাদী রাজনৈতিক দল আহমেদাবাদের হারউইট গ্যালারির বিখ্যাত হুসেন- দোশি গুফা কমপ্লেক্সে হানা দিয়ে সেখানে রক্ষিত হুসেনের প্রায় সব চিত্রকর্ম ধ্বংস করে। ১৯৯৮ সালে নগ্ন সীতাকে হনুমানের লেজের ওপর অঙ্কন করায় আবার তিনি আক্রোশের মুখে পড়েন। ২০০৬ সালে ফিদার অঙ্কিত ‘নগ্ন ভারতমাতা’ চিত্রটির জন্য তাকে পুনরায় অভিযুক্ত করা হয়। অশোক পান্ডে যিনি হিন্দু ল’ বোর্ডের প্রধান, ফিদার মাথার জন্যে ১০১ কোটি রুপি পুরষ্কার ঘোষণা করেন। অবশ্য ভারতমাতা ক্যাপশনটি ফিদার দেওয়া ছিল না। এ ক্যাপশন দিয়েছিলেন তার ছবির প্রদর্শকরা। ফিদা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাবে বলেন- ‘আমার কাজ কাউকে আঘাত দিলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি মনে করি মানবতার প্রশ্নটি শিল্পের আগে স্থান পাবার বিষয়। কাজেই আমি কখনো কারোর অনুভূতিতে আঘাত দিতে চাই না। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কিশান কালু এক রায় দেন। সেই রায়ের সারমর্মে বলা হয়– ফিদার ভারতমাতা চিত্রটি অশ্লীল নয়, নয় কামোদ্দীপক এবং এই চিত্র কোনো বিকৃত কামনার উদ্রেক করে না। চরম দুর্দশাগ্রস্ত একজন নারীর বিমূর্ত চিত্রের মাধ্যমে জাতির একটি অবয়ব দেখাতে চেয়েছেন তিনি। তার চিত্রটির নান্দনিকতা নগ্নতা, অশ্লীলতাকে বাধাগ্রস্ত করে। চিত্রটি তার মতে কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে না। অতঃপর সুপ্রিমকোর্ট এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল খারিজ করে দেন।

      সংবিগ্ন পাখিকূল, আশা করি উপরের তথ্যগুলো আপনার কৌতূহল নিবারণ করবে। আবারো ধন্যবাদ।

  2. তালিকাটি সুবিশাল…
    অনেক তথ্য

    তালিকাটি সুবিশাল…
    অনেক তথ্য জানা গেল, ধন্যবাদ। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
    তবে লিখার শেষে আপানর অর্থাৎ লিখকের কিছু বক্তব্য থাকলে ভাল হত!!
    আমি অনেক তথ্য জানা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত পড়েছি পাঠকের সুস্পষ্ট মন্তব্যের জন্যে…
    হতাশ হলাম।

    1. তারিক লিংকন, আপনাকে অসংখ্য
      তারিক লিংকন, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মতামতের জন্য। ব্যাক্তিগত মন্তব্য আমি সচেতন ভাবেই পরিহার করেছি। আমার ইচ্ছা ছিল বিশ্বের নানান প্রান্তে নিষিদ্ধ হওয়া বিখ্যাত লেখক বা লেখা সম্পর্কে পাঠককে হালকা ধারণা দেওয়া। এটি অবশ্যই কোন পূর্ণাজ্ঞ তালিকা নয়। বই নানান কারণে নিষিদ্ধ হতে পারে এবং অতিতেও নিষিদ্ধ হওয়ার ভিন্ন ভিন্ন কারণ ছিল। এ ক্ষেত্রে বিস্তারিত আলোচনা দাবী রাখে। এই লেখার স্বল্প পরিসরে সে আলোচনা টানিনি। ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত আলোচনার ইচ্ছা থাকল। ধন্যবাদ আপনাকে।

  3. হুম জানতে পারলাম অনেক বইয়ের
    হুম জানতে পারলাম অনেক বইয়ের নাম।
    আর হ্যাঁ , “হুমায়ূন আজাদ” নয় “হুমায়ুন আজাদ”। :খুশি:

  4. যারা বই নিষিদ্ধ করে তারা
    যারা বই নিষিদ্ধ করে তারা গর্দভ ছাড়া আর কি? নিষিদ্ধ করলে সেই বইয়ের কাটতি আরও বাড়ে এটা সবাই জানে। 😀

    1. কাটতি বাড়ার ব্যাপারটা একটু
      কাটতি বাড়ার ব্যাপারটা একটু আপেক্ষিক। আমাদের দেশে হয়তো কতৃপক্ষ নিষিদ্ধ করেই কাজ খালাস করে, সেই বই একটু চেষ্টা করলে যে কেউ যোগার করতে পারেন। তবে সব দেশেই যে সেরকম তা কিন্তু না। ওসব দেশে নিষিদ্ধ বই পড়া, বহন, সংরক্ষণ সবই দণ্ডনীয়। সে কারণে নিষিদ্ধ বই পাঠকের আড়ালে রাখা অনেকটাই সমর্থ হয়।

  5. ভাবছি একটা বই লিখে ক্ষমতাসীন
    ভাবছি একটা বই লিখে ক্ষমতাসীন মামা-খালু জোগাড় করে নিজের বই নিজেই নিষিদ্ধ করার ব্যাবস্থা করবো!
    নতুন লেখকদের বই জনপ্রিয় করতে এছাড়া আর ভালো কোন বিকল্প আছে কি?
    😛

  6. বেশ তথ্যবহুল পোস্ট। তারিক
    বেশ তথ্যবহুল পোস্ট। তারিক লিংকন ভাইয়ের সাথে একমত। আপনার মন্তব্য থাকলে ভাল হত।

    অনটপিক: ভাবতেছি এক্ষান বৈ লিইক্ষা, সেইডারে নিশিধ্য করামু। তার্পর বৈয়ের কাটতি কে দেখে…

    1. ক্লান্ত কালবৈশাখি আপনাকে
      ক্লান্ত কালবৈশাখি আপনাকে ধন্যবাদ। আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর তারিক লিংকন ভাইয়ের মন্তব্যে উল্লেখ করলাম। ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত একটি স্বতন্ত্র পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা থাকল। সাথে থাকবেন।

  7. নিষিদ্ধ বইয়ের নিষিদ্ধ হওয়ার
    নিষিদ্ধ বইয়ের নিষিদ্ধ হওয়ার কারন সহ একটা লিস্ট পেলাম আপনার লেখাটা পড়ে ।নিষিদ্ধ” সিল লাগা বলেই বইগুলো পড়ার কিউরিসিটি বেড়ে গেল। লেখার শিরোনামে নিষিদ্ধ শব্দটা ছিল বলেই কি ১৯৮তম পাঠক আমি?

    1. অনিন্দ্য অনি ভাই, বেশ ভাল
      :ভেংচি: অনিন্দ্য অনি ভাই, বেশ ভাল পয়েন্ট ধরেছেন। নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানবজাতির আকর্ষণ অফুরন্ত। অনেক ধন্যবাদ, সাথে থাকবেন।

Leave a Reply to ক্লান্ত কালবৈশাখি Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *