নীল পায়রা

এর আগে দুইটা গল্প দিয়েছিলাম। আপনারা প্রশংসা করে আমার সাহস দিলেন বাড়িয়ে। এই (আপাতত মনে হচ্ছে)শেষ বারের মত ব্লগে আরেকটা গল্প দিলাম। এটা আমার প্রথম দিকের লিখা গল্প। নিজের কাছেই পড়লে কেমন যেন লাগে। এবং অনেক ছোট একটা গল্প। সবার জন্যে রইল শুভ কামনা। :p

– এখন আমি পায়রা খুব মনোযোগ দিয়ে দেখি

– তাই? কেন?

– তোমার সাথে পরিচয় হবার পর থেকে। গতকাল ও একটা পায়রা দেখলাম। খুব অদ্ভুত লাগল। দার্শনিকের মত কিরকম ফোকাসহীন একটা দৃষ্টি

– তাই?

এর আগে দুইটা গল্প দিয়েছিলাম। আপনারা প্রশংসা করে আমার সাহস দিলেন বাড়িয়ে। এই (আপাতত মনে হচ্ছে)শেষ বারের মত ব্লগে আরেকটা গল্প দিলাম। এটা আমার প্রথম দিকের লিখা গল্প। নিজের কাছেই পড়লে কেমন যেন লাগে। এবং অনেক ছোট একটা গল্প। সবার জন্যে রইল শুভ কামনা। :p

– এখন আমি পায়রা খুব মনোযোগ দিয়ে দেখি

– তাই? কেন?

– তোমার সাথে পরিচয় হবার পর থেকে। গতকাল ও একটা পায়রা দেখলাম। খুব অদ্ভুত লাগল। দার্শনিকের মত কিরকম ফোকাসহীন একটা দৃষ্টি

– তাই?

– হুম। তবে জন্মগত দার্শনিক না। দারিদ্রের চাপে কিংবা নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে যে রকম দার্শনিক হয় আরকি। চোয়ালের দিকের মাসলসগুলো সামান্য শক্ত থাকে।

– অবজার্ভ করেছ?

– না। কিন্তু আমার মনে হল। মনে হল এরকমই হওয়ার কথা।

– তোমার প্রত্যেকটা কথা আমি বুঝতে পারি কিন্তু আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারি না।

– কেন?

– বিষয়টা নিয়ে আগে কখনো ভাবিনি তাই।

– তোমার ভাবনার জগত্‍টা কিরকম?

– অগোছালো। সবকিছু একটু একটু ভেবে রাখতে পছন্দ করি। তাহলে সবকিছু সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা থাকে। যতবেশি চিন্তা করবে তুমি ততবেশি কনফিইজড হবে যদি তুমি নিরপেক্ষ অবজার্ভার হও।

– বেশি চিন্তা = কনফিইশান? আমি এখন কনফিইজড।
-প্রত্যেকটা চিন্তা অনেক ভেরিয়েবল। একটা সাবজেক্ট নিয়ে তুমি কনস্টান্টলি চিন্তা করতে থাক দেখবে ডিসিশানগুলো পর্যায়বৃত্ত হচ্ছ। ঘুরে ফিরে আগের জায়গাতেই আবার চেন্জ।

– হুম!!!

– আমি কনস্টান্টলি চিন্তা করে একটা সত্য পাই। যার জন্য এখন বেশি চিন্তা করি না।

– সত্যটা কি?

– সত্যটা হচ্ছে ‘সত্য বলে কিছু নেই, everything is very relative’.

-রবী ঠাকুর মনে হয় এরকম একটা কথা বলেছিলেন, ‘স্বপ্ন শুধু সত্যি আর সত্যি কিছুই নয়’

– হুম জানি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এটা আমাকে ফিল্ করায়নি। আমি নিজে নিজে ফিল্ করেছি।

– quite interesting!!!

– আস্তিকতা, নাস্তিকতার তর্ক কি শেষ হবার মত? না সম্ভব? এত থিওরি, এত হাইপোথিসিস. . . যুক্তির পিঠে যুক্তিগুলো কেমন এগিয়ে যাচ্ছে রেল ট্র্যাকের মত সমান্তরালভাবে। বিপরীত সম্পর্কযুক্ত দুটো তত্ত্ব, না কোথাও শেষ হবে!

– কিন্তু যে কোন একটা তো সত্য হবে?

– নাহ্। একটাও না। বললাম না সত্য বলতে কিছু নেই! সম্পূর্ণ দুটি অপজিট থিওরির কোন মীমাংসা নেই। যারা যে থিওরি ফিল্ করে সেটাকেই সত্য ভাবে। বাকিগুলো মনে করে মিথ্যা এবং সেটা মনে প্রাণে। যারা এক ধাপ উপরে চিন্তা করতে পারে তারা মনে করে তারা ট্র্যাকটা পাড় হয়ে এসেছে। তারা দেখে, বুঝে, শুনে ডিসিশান নিয়েছে। infact তারাও ভুল। তারা মনে করে এখানেই শেষ। they don’t look forward.

– তুমিতো অনেক ডিপলি চিন্তা করতে পার!

– আমার তা মনে হয় না। মনে হয় অনেক অবজারভেন্ট। নিউট্রাল অবজারভেশন।

– একটা সত্যি কথা বলি?

– বল..

– আগে ভাবিনি তুমি এতো চিন্তা করে রেখে দিয়েছ। এখন যেকোন টপিক তুলতে ভয় হচ্ছে।

– (স্মাইলি)

– আমার যেকোন থট্ বলতে সংকোচ হচ্ছে। মনে হচ্ছে একটা ভুল করব আর তুমি ধরে ফেলবে।

– না তা না। তোমার চিন্তায় রোমান্টিসিজমটা অনেক বেশি। এটাও আমার খুব ভাল লাগে। সবকিছু নিজের আয়ত্বে।

– হুম

– আমি এখন left দিব। বাবা ডাকছে।

– wait

– কেন?

– একটা অনেক সস্তা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করব। অনেক সস্তা। just don’t laught at me.

– ok

– তোমার কাছে ‘love’ জিনিসটা কেমন? মানে কিরকম? want something allegory.

– mmmm. . . . . .mmmm. . . .

-. . . . . . . . . . . . . . . . . . .

– রাতে বলি?

– কি চিন্তা করতে হবে?

– নাহ্। চিন্তা করা আছে।

– ok.bye

[neel_payra is offline]

‘shudarshan’ খানিক্ষণ একা একা ঘুরাঘুরি করল, স্ট্যাটাস দিল, প্রোফাইল এডিট করল, রিলিজন চেন্জ করল ‘romanticism’. একটা বন্ধুকে মেইল করল-
‘কিছু কিছু কথা বললে আলোড়ন ঘটে। শুনলেও এমন হতে পারে। ভিতরে একটু quake হয়। ক্ষুদ্রতাবোধ ঝরঝর করে পরে যায়।’

সামান্য কিছুক্ষণ পর reply আসল-
‘becoming philosopher.Is something wrong with you?

আবারও reply-
‘nope. something great.’

আবারও reply-
‘getting confused’.

‘shudarshan’ আর কোন reply করল না। আবার status দিল-

‘সবকিছু খুব lite লাগছে. . . . . :|’

. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

[neel_payra is online]

– সবকিছু খুব লাইট লাগছে কেন?

– জানিনা। সবাইকে একটা কিছু বলতে চাই। কেউ সেভাবে ফিল্ করতে চায়না। গত্‍বাধা কথাবার্তা, রসিকতা।

– তাই? do i belong to them?

– নাহ্। আলোড়ন সৃষ্টিকারী।

– বুঝলাম না

– বুঝার দরকার নেই। তোমাকে কি একটা প্রশ্ন করেছিলাম খেয়াল আছে?

– কোনটা যেন?

– ভুলে গেছ? ওই যে, সস্তা প্রশ্নটা. . .

– ও

– তারপর?

– তুমি ব্যাপারটা কিরকম দেখ?

– হাসবে না তো?

– নাহ্। আমি জানি তুমি romantic.

– হ্যা তাই. . .

– [Silent]

-. . . love টা আমার কাছে খুব রহস্যময় এবং পবিত্র।

– ছেলেমেয়ের ভালোবাসাটা?

– হুম। যতক্ষণ এটা exist করে ততক্ষণ শুধু মুগ্ধতা। complain নেই, ক্লান্তি নেই, স্বার্থ নেই।

– আমার কাছে এই love টা অনেক fake এন্ড hypocracy লাগে। মানে নিজের সাথে নিজের প্রতারণা।

– really !!! কেন?

– হুম। যেটার বেস অনলি সেক্স এট্রাকশান সেটা আমার কাছে কখনোই গুরুত্বপূর্ণ না।

– তুমি শিওর এটা শুধু সেক্স এট্রাকশান?

– হুম। এটা base create করে। বাকী ভালোবাসাটুকু বন্ধুত্বের। তারপর মায়া। ব্যাস্ ।

– আমার মনে হয় না। আমার মনে হয় রহস্যময় কিছু আছে।

– ব্যবচ্ছেদ কর। কেটেকুটে ছিড়ে ফেল অনুভূতিটাকে। উকি মেরে দেখ। দেখবে কিছু নেই। ছেলে মেয়ের প্রতি affection টার বেস্ এটাই যে sex attraction.

– মানতে পারছি না।

– so, i’ve nothing to do.

– হুম তাই। but you gotta investigate more. . . .

– হুম। same to you..

– আচ্ছা তুমি কোন মেয়েকে love কর?

– mmm.. আপাতত ফিল্ করছি। কিছুদিন পর love এ convert হবে। আমি চিন্তা করে দেখেছি এর ভেতর কোন sex attraction নেই। শুধু ভাল লাগা।

– তুমি মোহের ভেতর আছ। এবং এখন অযৌক্তিত। শুধুই অনুভূতি।

– তুমি ই তো বললে সত্য বলে কিছু নেই তাহলে যুক্তিই তো বৃথা। কিছুই নেই। কিছুই নেই।

– হতে পারে। চলে যাচ্ছি। getting sleepy.

– will miss you tonight

– friendship এর জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

– আর কিছুর জন্য?

– mean?

– for special something?

– friendship ই সবচেয়ে special জিনিস। ওটা ভালো মত করতে পারলে বাকি সব fade.

– এটাতেই পরিপূর্ণতা?

– হ্যা

– সত্যি?

– সত্যি

– really?

– really.

– confident?

– confident

– নাহ্। আমরা সবাই আরেকটা জিনিস খুঁজছি।

– বাদ দাও। good night. have a nice dream.

[neel_payra is offline]

– wait

[neel_payra is not online]

. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

shudarshan অনলাইন হল। Neel payra online হল না। shudarshan একটু explore করল। friendlist check করল। neel payra অনলাইন হল না।

তারপর দিন. . . তারপরের দিন. . . তারও পরদিন. . . shudarshan অপেক্ষা করল। অপেক্ষা করল. . .। স্মার্টনেস সামান্য বিকিয়ে দিয়ে মেইল করল, ‘miss you so much.. কোথায় তুমি? দূরবীনে চোখ রাখলাম. . . .’

কোন reply আসল না ঐদিন। তারপরের দিন ও না। তারপরের দিন ও না. . . .

আরও কিছুদিন পর shudarshan আরো একটু স্মার্টনেস বিকিয়ে দিয়ে আবারও মেইল করল, ‘কোন reply নেই। chat off করেছ? waiting for you’

এরও কোন reply নেই।

তারপর আরও কিছুদিন। shudarshan অপেক্ষা করল। তারমধ্যে ইনফিরিওরিটি কমপ্লক্স দেখা দিল। সামান্য ছোট ছোট লাগল। সিদ্ধান্তও নিল ‘no more mail’ একবার ইচ্ছে হল friendlist থেকে neel_payra কে ডিলিট করতে। সাহস হল না। shudarshan ভাবল সাহস হচ্ছে না কেন???

তারপরের কিছুদিন shudarshan এর sub-conscious waiting. এরপর ক্ষানিকটা conscious ক্ষানিকটা sub-conscious.
একসময় হঠাত্‍ করে একটা সিদ্ধান্ত নিল। তার নিজেকে ছোট লাগল খুব তবুও সিদ্ধান্ত নিল।

neel_payra কে একটা মেইল পাঠাল। নিজের রহস্যময়তা হারিয়ে ফেলল। নিজের পেছনে যুক্তি দেখাল, ‘কারও কাছে ছোট হতে প্রবলেম নেই।’

ঠিক ঐদিন ওটার কোন Reply আসেনি।
এরপরদিন. . .

[neel_payra is online]

shudarshan দেখেও নক করল না। নিজেকে রহস্যময়তায় ঢাকতে চাইল।

– ভালো আছ?

– এতদিন পর!!! কেন?

– এমনি। সবকিছু fade.

– আমার মেইলগুলো তো পেয়েছ

– হুম। যখন পাঠিয়েছ তখনই।

– তাহলে? reply নেই কেন? :@

-. . . . . . . . . .

-???

-. . . . . .

– Strange !

– তুমি আমাকে ভালোবাস?

– হুম। আমি শিওর এটাতে কোন sex attraction নেই। আমি মেইল করে বিস্তারিত বলেছি। trust me. . . .

– এমন হল কেন?

– জানিনা। এটা অনেক স্পনটেনিয়াস। আমি অনেক ভেবছি। আমি তোমাকে দেখিনি, তোমার সাথে ফেন কন্টাক্ট করিনি। তবুও i fall in this. কেন? তুমি যেরকমই হও আমার কোন কমপ্লেইন নেই। তোমার soul টাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

– really?

– হুম।

– আমি লাস্ট ওয়ান মানথ তোমার সাথে ইচ্ছে করে কন্টাক্ট করিনি। অপরাধবোধে ভুগেছি।

– why?

– শুনলে অনেক কষ্ট পাবে। তাই বলতে চাচ্ছি না।

– শুনতে চাই।

– তুমি হার্ট হবে। ব্যাপারটা এক সময় এত সিরিয়াস হবে ভাবিনি। I am sorry.

– Don’t make me confused. plz clear কর। pressure create হচ্ছে।

– বললাম তো কষ্ট পাবে।

– কি এমন? you have a boy friend এই টাইপ?

– নাহ্ । সম্পূর্ণ অন্যরকম।

– বল

– But you have to pardon me.

– I will do this. I believe in love.

-. . . . . . . .

– ???

– feeling uneasy

– plz. . . I am waiting

– যাই হোক, আমার এই id টা Fake. আমি আসলে ছেলে। just fun করার জন্য এই আইডি create করেছি।

– 😐 (speechless)

– sorry

– অনেক অপমানিত হলাম। trust me কোন কষ্ট পাই নি। কে তুমি?

– রবি

– ও, it was too insulting.

– sorry… but you are so good companion and friend. তোমার জন্য কষ্ট হচ্ছে।

-. . . . . . . . . . . . . .

-. . . . . . . . . . . .

-. . . . . . . . . . . . . .

-. . . . . . . . . . . .

– কেন এরকম হল?

– sorry… but still we can be very good friend.

– হুম। no problem.

– কিন্তু সুতোটা কেটে গেছে না?

– হুম

– আবারও সরি। good bye

[neel_payra is offline]

ID টা এক কি দু’মাসের জন্য offline হয়েছিল। কিন্তু shudarshan তাকে কোন মেইল করল না। বলল না, ‘miss you so much’

অনেকদিন পর shudarshan একটা মেইল পেল। From :- neel_payra

‘অনেকদিন হল তোমার সাথে কন্টাক্ট নেই। একবারের জন্য ও কি বুঝতে পেরেছ love জিনিসটার base টা গড়ে sex attarction দিয়ে? why can’t you make a relationship with me? আমিতো আগের neel_payra. পার্থক্য শুধু gender এ না? আরও একটু ভাববে?’

Reply :- ‘sex attraction টা কি খারাপ? সুন্দর করে দেখলে সুন্দর হতে পারে না?’

এর reply :- ‘যে আনন্দের জন্য অন্য কিছুর উপর ডিপেন্ড করতে হয় তা নির্মল হয় না।’

এর reply :- may be. . . .

. . . . . . . . . . . . . . . . . . .
. . . . . . .

shudarshan একটা unknown number থেকে কল পেল। তখন রাত একটা।

– হ্যালো

– কেমন আছ?

– ভালো। তুমি?

– ভালো। আমাকে চিনেছ?

– নাহ্।

[আবারও রহস্যময়তা। সুদর্শন নিজেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। একটা মেয়ে ফোন করেছে। সুদর্শন calculate করছে কে হতে পারে? হারবে না।]

– ও। আমি নীল পায়রা।

– [নীরব]

– অবাক হলে?

– অনেক। কিন্তু এখন নেই। খুব অবভিয়াস মনে হচ্ছে।

– আমি ওইদিন ইচ্ছে করেই ছেলে সেজেছি শুধু বোঝানোর জন্য যে love জিনিসটার বেস এর মধ্যে মহত্ত্ব নেই এবং কত ভেরিয়েবল।

– বুঝতে পেরেছি

– তবুও আমরা কত ইলোজিক্যাল না. . . ? শুধু ছুটে বেড়াচ্ছি হন্য হয়ে। কিসের আশায়?

– কিসের?

– we are just programmed. অনেক হতাশ আমি।

– তুমি কেন ফেন করেছ?

– সবকিছু programise করতে।

সুদর্শনের বুকটা শুধু ধ্বক করল। একটু কাঁটা দিল। আবারও বোকা হতে ইচ্ছে করল।

– এতে তো মহত্ত্ব নেই, সৌন্দর্য নেই, বিশুদ্ধতা নেই। তাহলে?

– তাহলে তুমি তোমার আগের নীল পায়রাকে কল্পনা করনি? কল্পনা করে love করনি? অবসরে?

– হ্যা। মনে হত একটা মেয়ে ল্যাপটপ নিয়ে বসে আছে। খট্ খট্ শব্দ করে লিখছে। তাকে নিয়ে কল্পনা করতাম। বাদ দাও। আমি ফোন রাখব।

– আচ্ছা গুড নাইট

– তোমার মনে রাখা উচিত what is love coz you taught me.

– হুম। love মানে জেনেশুনে বোকামী। আজ এসেছিলাম সারারাত বোকামী করার জন্য।

– আবার বোকা হতে বলছ?

– হুম। বোকাদের কাছেই সবকিছু সুন্দর।

– হলাম।

– আমিও হলাম . . . . .

সারারাত বোকামী চলল। একইভাবে এর পরদিন. . . এরপরদিন. . . এরপরদিন. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .

১৮ thoughts on “নীল পায়রা

  1. বোকাদের কাছেই সবকিছু

    বোকাদের কাছেই সবকিছু সুন্দর।

    কিছু বলার নাই । জাস্ট :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. অসাম… জাস্ট অসাম… আমার
    অসাম… জাস্ট অসাম… আমার পড়া অন্যতম সেরা প্রেমের গল্প। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    এই (আপাতত মনে হচ্ছে)শেষ বারের মত ব্লগে আরেকটা গল্প দিলাম।

    আপাতত কেন এটা মনে হচ্ছে? কেন শেষ? মানলাম না… কিছুতেই না… :কথাইবলমুনা:

    1. ধন্যবাদ। আমি গল্প দিব না
      ধন্যবাদ। আমি গল্প দিব না ইস্টিশন মাষ্টারের ভয়ে। :p সিরিয়াসলি।

      1. ইস্টিশন মাস্টার কি করছে? খালি
        ইস্টিশন মাস্টার কি করছে? খালি বলেন। দরকার হলে মাস্টরের ফাঁসির দাবী নিয়া আন্দোলন শুরু করুম। :ভেংচি: :দেখুমনা:

        1. আমার ধারনা কোন ব্লগের এডমিনরা
          :p আমার ধারনা কোন ব্লগের এডমিনরা গাল গপ্প খুব একটা পছন্দ করে না। আগে সমাজ তারপরে গপ্প :p

          1. আপনার গপ্প পছন্দ করে মাস্টর
            আপনার গপ্প পছন্দ করে মাস্টর সাব স্টিকি পর্যন্ত করে দিলো, আপনি এখন এইসব কি কন? মাইর চিনেন? :টাইমশ্যাষ:

  3. আজব
    গল্প

    আজব :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:
    গল্প স্টিকি করছে। আর কি চান! আপনি যদি গল্প না লেখেন, তবে আপনার পোস্ট আর পড়ুম না। :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    1. হা হা হা হা। আচ্ছা। ঠিক আছে।
      :p হা হা হা হা। আচ্ছা। ঠিক আছে। দিব। আমি অনেকটা মজা করে বলেছিলাম কথাগুলো। যাই হোক, অনেক ধন্যবাদ :p

  4. এক কথায় অসাধারণ…
    কি নেই

    এক কথায় অসাধারণ…
    কি নেই এতে!! প্রেম, দর্শন, কাম, অসাধারণ লিখনি, টুইস্ট, উদ্বেগ (Suspense),
    চরমসীমা (Climax),বাস্তবতা… আর প্রশান্তি!!
    খুব ভাল লাগল…

    একটু বলতে চাইঃ
    প্রেমের বেস গড়ে দেই কাম কোন সন্দেহ নেই তবে মানুষ ভাললাগা খুজে সাইকিক ইউনিটিতে (Psychic Unity)! এই দুইয়ের মিশ্রণের যে ভালবাসা তা চিরন্তন থাকবে…
    অনেকটা সারত্রে-বেবওয়া (Sartre and Beauvoir)এর মত।

  5. চমৎকার। আপনার গল্পের ভক্ত হয়ে
    চমৎকার। আপনার গল্পের ভক্ত হয়ে গেলাম। চালিয়ে যান। গল্প লেখা বন্ধ হলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না।

    1. আহ যদি সবাই এমন ভাল কাজের
      আহ যদি সবাই এমন ভাল কাজের জন্যে থ্রেট করত, কতই না সুন্দর হত সমাজটা…
      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *