সংলাপ,আপোষ অথবা মৃত্যু ।

দেশ এখন প্রতিনিয়ত কু-রাজনীতির শ্রেনীচক্রে ঘূর্নয়মান,যেখানে রূপান্তর কিংবা পরিবর্তন অনুপুস্থিত।ততোধিক রাজনৈতিক ইস্যু আমাদের আঁকড়ে ধরে রেখেছে। হল মার্ক কেলেঙ্কারি ,পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারি, শেয়ার বাজার ধংস,রেল কেলেঙ্কারি, যুদ্ধাপরাধীর বিচার,সাভার ট্রাজেডি ,শাহবাগ চত্তর,শাপলা চত্তর,আস্তিক,নাস্তিক,গণহারে হরতাল,সব কিছুর রামাডোলে বর্তমানের অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারী। সামনে অনাগত সাইড বেঞ্চে বসে থাকা ইস্যু (সংলাপ) নিয়ে আমরা যেন দীর্ঘমেয়াদী পাশা খেলায় মেতে আছি,অথবা বলা যেতে পারে আমাদের মাতিয়ে রাখা হচ্ছে।


দেশ এখন প্রতিনিয়ত কু-রাজনীতির শ্রেনীচক্রে ঘূর্নয়মান,যেখানে রূপান্তর কিংবা পরিবর্তন অনুপুস্থিত।ততোধিক রাজনৈতিক ইস্যু আমাদের আঁকড়ে ধরে রেখেছে। হল মার্ক কেলেঙ্কারি ,পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারি, শেয়ার বাজার ধংস,রেল কেলেঙ্কারি, যুদ্ধাপরাধীর বিচার,সাভার ট্রাজেডি ,শাহবাগ চত্তর,শাপলা চত্তর,আস্তিক,নাস্তিক,গণহারে হরতাল,সব কিছুর রামাডোলে বর্তমানের অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারী। সামনে অনাগত সাইড বেঞ্চে বসে থাকা ইস্যু (সংলাপ) নিয়ে আমরা যেন দীর্ঘমেয়াদী পাশা খেলায় মেতে আছি,অথবা বলা যেতে পারে আমাদের মাতিয়ে রাখা হচ্ছে।

চলমান সংকট দেশের অর্থনীতিকে কুকুর চোদা করছে। দৃশ্যত,দেশ ৪২ বছর পাড় করেছে।আমি মনে করি, দেশ দুই রাজনৈতিক দলের কুকুর চোদা খেয়ে স্বাধীনতার সময়কাল হতে আরও ৪২ বছর পিছিয়েছে। যে দেশে সমঝোতার রাজনীতির পরিবর্তে স্বার্থের রাজনীতির পরিচর্যা চলে,সে দেশে আমাদের মতো হতাশাবাদীদেরই বাস করা উচিত।

চৌকশ চোখে তাকালে আপনি এগুলোর কেন্দ্রে দেখবেন আগামী নির্বাচন। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হলো সকল সংকটের নিপথ্যের অবস্থান ।
রাজনীতি যা হচ্ছে তা হলো ক্ষমতা কুক্ষিগত করার মোড়গ লড়াই,যে দল একটু হোঁচট খাবে সে “ডিস্কোয়ালিফাই”।
সোজা কথা,সমসাময়িক টল্ক অফ দ্যা টপিক “সংলাপ” যা এখন অপরিপক্ব দাবা খেলাড়ুর মতো যেনতেনো ভাবে ব্যবহার করছেন উভয় পক্ষের রাজনীতিবিদরা স্বার্থ হাসিলের আশায় কিন্তু কার্যত নিস্ফল । আমরা একটি গঠনমুলক সংলাপের আশায় বুক বাধি,আর তারা নাক ডেকে ঘুমায়। রাজনৈতিক দল গুলো যার যার সীদ্ধান্ত ও পরিকল্পনায় ছাড় দিতে নাড়াজ ‘নো কম্প্রোমাইজ ‘ দেশ রসাতলে যাক।
‘নো কম্প্রোমাইজ ‘ ইস্যু নিয়ে তওবা কেটে সংলাপ যদি তদুপুরি ঘটেও,সেটা কি অদৌ ভালো ফল আনবে? একটু ইতিহাস ঘাটা যাক-
অতীতে কনো সংলাপ জাতিকে বস্তুনিষ্ঠ ফলাফল দিতে পারে নি,
প্রয়াত আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া এবং আব্দুল জলিল এর নিস্ফল সংলাপ ও তার ফলে
১/১১ এর মতো যারজ সন্তানের জন্ম যার সাক্ষ দেয়। ব্যর্থ সংলাপের কারন “নো কম্প্রোমাইজ থিউরি “,আর সেই আপোষহীন সংলাপের ফলাফল ভোগ করেছিল চতুর শেয়াল। আপনাদের নিশ্চয়ই শেয়ালের রুটিভাগের গল্পটি মনে করিয়ে দেবার প্রয়োজন নেই।
এখন বর্তমানে আসা যাক। মজার ব্যপার হলো এখনো পুরনো নাটকের সেই একই চিত্র অভিনীত হচ্ছে। জনৈক এক দার্শনিক বলেছিলেন, ” কখনো তোমার অতীত কে ভূলে যেও না,অতীত হচ্ছে তোমার সবচেয়ে ভালো শিক্ষক “। ভূলে যাই,আমরা সব ভূলে যাই। ক্ষোভ থেকে বলতেই হয়,আমরা রাজনৈতিক ভাবে অতি নির্লজ্জ জাতি। তা না হলে আজ আমাদের নোংড়া ও স্বার্থ হাসিলের রাজনীতির মতো প্রতিহিংসার রাজনীতি চোখে পড়তো না। আপোষ করতে গেলে কি প্রয়োজন সেটা বিবেচনা করবেন প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের ধারক এবং বাহকরা।আমরা কেন তাদের আপোষহীনতার রোষানলে পড়ে জীবন অপচয় করব? কি অধিকার আছে ঐ রক্ত শোষকদের বিনা অপরাধে আমাদের জীবন নিয়ে হা ডু ডু খেলার? জনগন কি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি? এই দল বলে জনগণ আমাদের সাথে আছে, ঐ দল বলে জনগণ আমাদের সাথে আছে। বাংলাদেশে কি তাহলে ৩২ কোটি লোক বাস করে?
একবিংশ শতাব্দীর যুগে জনগণ কে এত বোকা ভাবা ভূল হবে। দুই দল আপষ করুন নয় নব তরুনদের যায়গা করে দিন। আপনারা অতীব মাত্রায় বৃদ্ধ,অচল,অবৈধ হয়ে পরেছেন। গণতন্ত্রের নামে,পরিবার তন্ত ,শোষণ তন্ত্র কায়েম করছেন। এখনো সময় আছে সমঝোতার রাজনীতি, সুস্থধারার রাজনীতিতে ফিরে আসুন,নতুবা পালাবার যায়গা খুঁজে পাবেন না। গুটি কয়েক আপনাদের রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের কারনে দেশটাকে গণহারে ধর্ষন করবেন না।

বি:দ্র :

(বাঘ হল কুমিরের শত্রু তাই বলে মানুষের বন্ধু নয়।কখনো বাঘ যদি কুমিরের মুখ থেকে মানুষকে বাচিয়ে নিয়ে আসে তার মানে এই না যে সে মানুষের বন্ধু,বরং নিজেই মানুষটিকে খাবে বলেই বাঁচিয়ে এনেছে।অতএব বাঁচতে হলে কুমির ও বাঘ উভয়কেই মারতে হবে, নাহয় তাদের আহার সামগ্রী হয়েই থাকতে হবে)

অতএব খুব খেয়াল কইরা……..’….

৫ thoughts on “সংলাপ,আপোষ অথবা মৃত্যু ।

  1. বাঘ হল কুমিরের শত্রু তাই বলে

    বাঘ হল কুমিরের শত্রু তাই বলে মানুষের বন্ধু নয়।কখনো বাঘ যদি কুমিরের মুখ থেকে মানুষকে বাচিয়ে নিয়ে আসে তার মানে এই না যে সে মানুষের বন্ধু,বরং নিজেই মানুষটিকে খাবে বলেই বাঁচিয়ে এনেছে।অতএব বাঁচতে হলে কুমির ও বাঘ উভয়কেই মারতে হবে, নাহয় তাদের আহার সামগ্রী হয়েই থাকতে হবে

  2. এরকম লেখা আরও দরকার। আরও
    এরকম লেখা আরও দরকার। আরও অধিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করে পরিস্থিতির প্রকটতা আরও নাঙ্গাভাবে তুইলা ধরতে হবে যাতে এর থেকা উত্তরণের আকাঙ্খা আরও তিব্রতা পায় । ন্যাক্কারজনক পরিনতি পা চাটা জাগরণ পুনোরায় ফিরুক দ্রহি চেহারায়।

  3. ভংগুর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভিত
    ভংগুর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভিত কাঁপানো দরকার, দরকার এর মূল উচ্ছেদ করা এবং তা অতি শীঘ্রই। ।

  4. আসলেই বাঁচতে হলে কুমির ও বাঘ
    আসলেই বাঁচতে হলে কুমির ও বাঘ উভয়কেই মারতে হবে । শুধু সমস্যা একটা – মানুষকে যথাযথ সচেতনতার সাথে সঠিক পথে আনা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *