সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট নিয়ন্ত্রনে সরকারের ফিল্টারিং প্রযুক্তি

সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসহ ইন্টারনেট ব্যবস্থায় নজরদারিতে (ফিল্টারিং) ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোতে(আইআইজি) বিশেষ প্রযুক্তি বসানোর জন্য বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছে সরকার। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) গত ৮ এপ্রিল আন্তজার্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ‘ইন্টারনেট সেফটি সলিউশন’ চেয়ে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেয়।


সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসহ ইন্টারনেট ব্যবস্থায় নজরদারিতে (ফিল্টারিং) ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়েগুলোতে(আইআইজি) বিশেষ প্রযুক্তি বসানোর জন্য বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছে সরকার। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) গত ৮ এপ্রিল আন্তজার্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ‘ইন্টারনেট সেফটি সলিউশন’ চেয়ে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেয়।

বিটিআরসির বিজ্ঞাপনে বলা হয়, আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে এমন ইন্টারনেট নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করে দিতে হবে যাতে মূল সাইট চালু রেখেই সহজে আপত্তিকর বিষয়গুলো ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে ফেলা যায়। এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমন হবে, যাতে আইআইজিগুলোতে বসানোর পরও ইন্টারেনেটের গতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং আইআইজিগুলো নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারবে। আইআইজিগুলোতে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বসানোর পর ওয়েব ইন্টারফেসের মাধ্যমে এর মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে বিটিআরসির প্রধান কাযালয়ে। ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে সলিউশনস প্রোভাইডারকেও সার্বক্ষণিক সহায়তা দিতে হবে।

এই আগ্রহপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল গত ২০ মে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সলিউশনস প্রোভাইডার কোম্পানি গত রবিবার বিটিআরসিতে আগ্রহপত্র(এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট/)জমা দিয়েছে। এগুলো যাচাই বাছাই করে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বিটিআরসি বলছে, রাষ্ট্রীয়, সমাজ, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ায়- ওয়েবসাইটগুলো থেকে এমন বিষয় সনাক্ত করে তা বন্ধ করে দেয়া হবে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে।

প্রতিটি আইআইজিতে এ প্রযুক্তি বসানোর পর ইন্টারনেটের নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণের মূল ক্ষমতা থাকবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির হাতে। এ প্রযুক্তি চালুর পর ফেইসবুকের আপত্তিকর বিষয়গুলো বাদ দেয়ার সহজ হবে বলে মনে করছে বিটিআরসি । তাদের মতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করার আর প্রয়োজন হবে না, এই প্রযুক্তি দিয়েই নিয়ন্ত্রন করা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এ প্রযুক্তি চালু করা হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৬টি আইআইজি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ব্যন্ডউইডথ নিয়ন্ত্রণ ও পাইকারি ব্যান্ডউইডথ আইএসপিগুলো বিক্রি করে। আর আইএসপিগুলো গ্রাহক পযায়ে সেবা দেয়। আইআইজি প্রতিষ্ঠানের এক প্রযুক্তি কর্মকর্তা জানায়, এ ধরনের নিয়ন্ত্রণ সফটঅয়্যার বা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যে কারো ব্যক্তিগত একাউন্টে সহজেই প্রবেশ করা যাবে এবং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

এর আগে আমি এই বিষয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। সেখানে অনেকেই বলেছিলেন, টেকনিক্যালি এটা সম্ভব না। কিন্তু সরকার তো টেন্ডার ছেড়েছে। আবার সেখানে কয়েকটা আন্তজার্তিক ইন্টারনেট সলিউশনস প্রোভাইডার কোম্পানিও আগ্রহ পত্র জমা দিয়েছে। তাহলে কি এটা সম্ভব না জেনেও এতো টাকার অপচয় করতে যাচ্ছে সরকার!

৮ thoughts on “সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট নিয়ন্ত্রনে সরকারের ফিল্টারিং প্রযুক্তি

  1. ফেসবুকের ব্যাপার টা বুঝলাম
    ফেসবুকের ব্যাপার টা বুঝলাম নাম , ফেসবুক অথরিটির তো কোন সরকারের কাছে দায়বদ্ধ না তাদের ডাটাবেস একসেস করার জন্য । সে সফটওয়্যার আনা হবে সেটা কতটুকু কার্যকর সেটাই এখন দেখার বিষয়… :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

  2. ছাগুরা তো সমানে রিপোর্ট করে
    ছাগুরা তো সমানে রিপোর্ট করে স্ট্যাটাস গায়েব করে দিচ্ছে ফেসবুক থেকে। সরকারও কি হ্যাকার ভাড়া করবে নাকি :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি:

  3. আমি কোনভাবেই বুঝতেছি না, এটা
    আমি কোনভাবেই বুঝতেছি না, এটা আসলেই কার্যকর কি না। কারন ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তো সংরক্ষিত থাকবে সার্ভারগুলোতে। ফিল্টারিং কি আদৌ সম্ভব?

  4. এর আগে আমি এই বিষয়ে একটা
    এর আগে আমি এই বিষয়ে একটা পোষ্ট দিছিলাম। সেখানে অনেকেই বলেছিলেন এটা সম্ভব না। কিন্তু সরকার তো টেন্ডার ছেড়েছে। আবার সেখানে কয়েকটা আন্তজার্তিক ইন্টারনেট সলিউশনস প্রোভাইডার কোম্পানিও আগ্রহ পত্র জমা দিয়েছে

  5. এটা সরকারকে ভুল বুঝিয়ে
    এটা সরকারকে ভুল বুঝিয়ে আমলাদের বা একটা স্বার্থন্বেসী মহলেরনিছক ধান্ধাবাজি ছাড়া আর কিছু না।

  6. কেমনে এটা কাজ করবে সেটাই
    কেমনে এটা কাজ করবে সেটাই মাথায় ঢুকে নাই। ট্যাকা কামানীর নতুন ধান্দা। এই প্রজেক্টে কতো কোটি গেলো সেটাই আসল বিষয়।

  7. হুম…কিছুটাতো চিন্তার বিষয়
    হুম…কিছুটাতো চিন্তার বিষয় অবশ্যই.…যদি এটা আসলেই কার্যকর হয় তাহলে তো হাঁচি দেয়ার আগেও সরকারের অনুমতি লাগবে…

  8. ফেইসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে এই
    ফেইসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে এই ব্যপারে কোন চুক্তি করে নিয়ে ফিল্টার সিস্টেম বা বিশেষ সিকিউরিটি সিস্টেম চালু করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *