কোন পথে ইউরোপ??


ক্রুশের ভারে ন্যুব্জ অ্যাঙ্গেলা মারকেলের কান্নার আওয়াজ শোনা যায়। হে মারকেল, ২৪ সেপ্টেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মত চ্যান্সেলর আপনি ঠিকই হতে যাচ্ছেন, কিন্তু এই নির্বাচন জার্মানির অভ্যন্তরে যে বিকাশমান সমস্যাকে সামনে নিয়ে এল তাকে কিভাবে সামলাবেন আপনি?

এই নির্বাচনে যে সমস্যাগুলো সামনে এসেছে তা মূলত দুটি। কিন্তু জার্মানির এই আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো নিয়ে আমার চিন্তিত হবার কোন কারণ ছিল না, কিন্তু তবুও আমি চিন্তিত হচ্ছি কারণ হচ্ছে এই সমস্যাটা শুধু জার্মানিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, ছড়িয়ে যাবে সারা ইউরোপে, আর এটার প্রভাব পড়বে গোটা দুনিয়ায়।

যাই হোক, সমস্যাগুলোর দিকে যাওয়া যাক। প্রথম যে সমস্যাটি এসেছে তা হল, এর পূর্বে মারকেল যে গ্র্যান্ড কোয়ালিশন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তাতে মারকেলের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (সিডিইউ) সাথে যুক্ত ছিল এসপিডি আর গ্রীন পার্টি। এবারে দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া (৭০৯ আসনের মধ্যে ১৫৩টি) এসপিডি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (২৪৬) সাথে কোয়ালিশনে না গিয়ে বিরোধী দল হতেই পছন্দ করছে। এদিকে নতুন দল এফডিপি গ্র্যান্ড কোয়ালিশনে যুক্ত হওয়ায় এফডিপি আর গ্রীন পার্টি নিয়ে সরকার গঠন করছে সিডিইউ। কিন্তু এখানেই ঘটে গেল বিপদ। ক্ষমতায় যেতে গ্র্যান্ড কোয়ালিশনে আসন লাগবে ৩৫৪টি, কোয়ালিশন পেয়েছে ৩৯৩টি আসন (মাত্র)। তাতে মারকেল ক্ষমতায় আসতে পারছেন ঠিকই। কিন্তু এতদিন জার্মানিতে যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছিল এবারে সেই স্থিতিশীলতাই হয়ে যাচ্ছে প্রশ্নবিদ্ধ। শুধু তাই নয়, যে দুটো রাজনৈতিক দল নিয়ে মারকেলের সিডিইউ ক্ষমতায় আসছে সেই এফডিপি আর গ্রীন পার্টির আইডিওলজিকাল ভিউ সম্পূর্ণ আলাদা। পরিবেশবান্ধব গ্রীন পার্টি যেখানে জার্মানির ২০টি কয়লানির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার পক্ষে, সেখানে ব্যাবসা নির্ভর এফডিপি (ফ্রি ডেমোক্রেটিক পার্টি) এগুলো বন্ধ করার বিপক্ষে। শুধু তাই নয়, এদের পরষ্পরবিরোধী অবস্থান রয়েছে শরণার্থী সমস্যাতেও। এফডিপি ও গ্রীন পার্টির কেন্দ্রে আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৮০ ও ৬৭। এদের মধ্যে সমঝোতা আসলেই সম্ভব কিনা সেটা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। এই মতপার্থক্য জার্মানিতে আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে। এক্ষেত্রে একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠিত হতে পারে, কিন্তু মারকেল সেটা কখনও চাবে না। সমস্যাটা আরও বেশি প্রকট হচ্ছে কারণ জার্মানিতে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন প্রথা চালু আছে, যার কারণে ভোটারকে প্রার্থীর সাথে সাথে দলকেও ভোট দিতে হয়। আর এর ফলে সরকার কোয়ালিশন হলেও ক্যাবিনেটে কোন কোন দল থাকবে সেটা নিয়ে একটা বড় সমস্যা থাকেই।

যাই হোক, জার্মানির এই সাম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সমস্যার চাইতেও দ্বিতীয় সমস্যাটি আরও বেশি গুরুতর, কারণ এটাই ইউরোপ ও গোটা বিশ্বকে বেশি এফেক্ট করবে। আর এই সমস্যাটি হল জার্মানিতে উগ্র দক্ষিণপন্থি নিওনাজিদের উত্থান। জার্মানির এই নিওনাজি পলিটিকাল পার্টিটার নাম হচ্ছে অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি। গতবারই এরা জার্মানির ১৬টি রাজ্যের মধ্যে ১৩টির পার্লামেন্টে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছিল। এবারে এরা কেন্দ্রেও ৭০৯টি আসনের মধ্যে ৯৪টি আসন অধিকার করে ক্ষমতাশীল কোয়ালিশন ও দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ এসএফডির পর তৃতীয় শক্তিশালী অবস্থানে আছে এরাই।

এই নিওনাজিদের এত জনপ্রিয় হবার ফলে জার্মানিতে ও ইউরোপে কি এফেক্ট পড়বে সেদিকে যাবার আগে জার্মানিতে এদের উত্থানের কারণ সম্পর্কে আলোচনা করা জরুরি। জার্মানিতে এই নিওনাজিদের শক্তিশালী হবার একটি প্রধান কারণ হচ্ছে সেখানকার শরণার্থী সমস্যা। জার্মানিতে শরণার্থী বাড়ার সাথে সাথে এরা শরণার্থী ও মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে অনেক বেশি পপুলারিটি অর্জন করে। দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিজয় যা এই দক্ষিণপন্থীদের উত্থানকে আরও বেশি উৎসাহিত করেছে। তৃতীয় কারণটি হতে পারে, এদের উত্থান ঠেকাতে মেইনস্ট্রিম পলিটিকাল পার্টিগুলো কোন কৌশল গ্রহণ করে নি। এরা এই এএফডিকে তেমন কোন গুরুত্বই দেয় নি। চতুর্থ কারণ ছিল, যারা এএফডিকে ভোট দিয়েছে তাদের অনেকেই মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর উপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে কোন উপায় না পেয়ে এদেরকে ভোট দিয়েছে। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জার্মানিতে যেসব কনজারভেটিভ কনজারভেটিভ পার্টি হিসেবে মারকেলের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ভোট দিত, তারা এই পার্টির উপর আস্থা হারিয়ে ফেললে একটা বিকল্প কনজারভেটিভ দক্ষিণপন্থি পলিটিকাল পার্টির দিকেই আকৃষ্ট হবে। এবার সেটা হবার কারণেই দেখা গেছে মারকেলের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির কেন্দ্রে আসন সংখ্যা আগের ৪১.৫ শতাংশ থেকে নেমে ৩৩ শতাংশ হয়ে গেছে। আসন হারানোর পর এই বিষয়টা নিঃসন্দেহেই মারকেলের কাছে বিশাল শঙ্কার কারণ। পঞ্চম কারণ হতে পারে, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অবসর ভাতা, পরিবেশ ও ডিজিটাল রূপান্তরের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এএফডি দলের কোন স্পষ্ট অবস্থান নেই। এরা জনপ্রিয় হয়েছে কেবল শরণার্থী ও মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ দেখানোর কাছে। আমজনতার কনজারভেটিভ পোরশনের কাছে এইরকম বিশেষ অবস্থান নিয়ে খুব সহজেই জনপ্রিয় হওয়া যায়। ইতিহাস ঘেটে হিটলারের কথা একটু স্মরণ করে নিতে পারেন।

এবার আসি এই নিওনাজিদের উত্থানের পরিণতির ব্যাপারে। আগেই বলেছি তাদের তৃতীয় শক্তি হিসেবে উত্থান সবচেয়ে বেশি ভাবাবে মারকেলকে, কারণ তার পার্টির ভোট ব্যাংকই নিওনাজিদেরকে জাগিয়ে তুলেছে। সব যদি এভাবেই চলতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে এটা আরও বাড়ার কথা। এর অর্থ হচ্ছে একসময় সিডিইউ এর উপর যারা আস্থা রাখতেন তারা আর তাদের উপর আস্থা রাখতে পারছেন না। মারকেল তাই নির্বাচনের পর বলেছেন যে তিনি খতিয়ে দেখবেন যে কেন তাকে ছেড়ে এত মানুষ একটা কট্টোর দক্ষিণপন্থী দলকে ভোট দিল। যাই হোক এটা প্রথমত প্রমাণ করেছে যে জার্মানিতে কট্টরপন্থীদের অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে। কনজারভেটিভদের তীর্থক্ষেত্র বায়ার্ন প্রদেশেও এই প্রথমবারের মত সিডিইউ খারাপ ফল করেছে। ইতিহাসের দিকে চোখ রাখলে দেখা যায়, এডলফ হিটলার ও তার নাৎসি পার্টি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েই রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করেছিলেন। এখন এই এএফডি সেদিকেই যাচ্ছে কিনা দেখার বিষয়।

দ্বিতীয়ত যে বিষয়টা আনতে পারি তা হল, ২০১৫ সালে ইউরোপে বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর (সিরীয়, ইরাকি ও আফগান) আগমন ঘটলে পুরো ইউরোপের দৃশ্যপট পালটে যায়। সেখানে কট্টরপন্থীদের উত্থান ঘটা শুরু হয়। সেই সময় ১০ লাখেরও বেশি সিরীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে মারকেল সারা বিশ্বে অনেক প্রশংসিত হন। কিন্তু পার্শ্ববর্তী তিনটি দেশ হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও চেক রিপাবলিক এই শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দেবার বিপক্ষে ছিল। এই তিন দেশের সরকার প্রধান এবার যুক্তি দেবেন যে এরাই ঠিক ছিল।

তৃতীয়ত এই জার্মান নির্বাচন ইউরোপের কট্টরপন্থীদেরকে আরও বেশি উৎসাহিত করবে। সবার ধারণা সামনের চেক প্রজাতন্ত্রের নির্বাচনে আন্দ্রেই বাবিস আর তার দল ভাল করবে। এই বাবিস ট্রাম্পের মত করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চান। হাঙ্গেরির ভিক্টর ওরবান, পোল্যান্ডের জারুজলাভ কাসিনিস্কিও একই রকম দক্ষিণপন্থী। এদের উত্থান পুরও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দৃশ্যপট বদলে দেবে। ফ্রান্সে উগ্র দক্ষিণপন্থীকে পরাজিত করে মডারেট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ক্ষমতায় আসলেন, জার্মানিতে মডারেট এঙ্গেলা মারকেল ক্ষমতায় আসলেন। কিন্তু গোটা ইউরোপে যদি বিভিন্ন দেশে এভাবে উগ্র দক্ষিণপন্থীরাই ক্ষমতায় আসতে থাকে তাহলে জার্মানি আর ফ্রান্সের মডারেট নেতাদের ভূমিকাও অনেকটাই সীমিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে ফ্রান্স আর জার্মানির মত মডারেট দেশগুলোতে আভ্যন্তরীন কট্টর দক্ষিণপন্থী চাপ তো থাকছেই। এতে সামনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তথা ইউরোপের ভবিষ্যৎ কি হতে যাচ্ছে আর এতে সারা বিশ্বে কি প্রভাব পড়তে যাচ্ছে একটু হলেও আন্দাজ করা যায়।

চতুর্থত, এএফডির এই উত্থানে শরণার্থী ও রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থীদের উপর আরও কড়াকড়ি আরোপ শুরু হবে। ২০১৬ সালে জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছিল ৮ লাখ শরণার্থী, ২০১৭ সালে এই সংখ্যা কম। এছাড়া জাতিগত বৈষম্য যে বাড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এএফডি এর শীর্ষ নেতা আলেকজান্ডার গাউল্যান্ড গ্রীন পার্টির নেতাদের নিয়ে খুবই কটু মন্তব্য করেছেন। বলেছেন তাদের তুরস্কে যাওয়া উচিৎ, জার্মানির অতীত নিয়েও খুব প্রশংসামূলক মন্তব্য করেন যা আসলে বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া ক্ষমতাসীন কোয়ালিশন পার্টির অন্তর্দ্বন্দ্বের ব্যাপারে আগেই উল্লেখ করেছি। এত সমস্যার জন্য মারকেলের জন্য কোন বড় সিদ্ধান্ত নেয়াই অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং আমরা জার্মানিকে যেসব কাজের জন্য এত উদারপন্থী দৃষ্টিতে দেখছি, ভবিষ্যতে সেই পথে এগোনই জার্মানির জন্য অনেক কঠিন হয়ে যাবে। সঠিক নীতি, সাধারণ জীবনযাপন, শরণার্থীদের ব্যাপারে সহানুভূতি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐক্য ধরে রাখা, ট্রাম্পের কট্টর নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান ইত্যাদি বিশ্ব রাজনীতিতে অসাধারণ করে তুলেছে এই মারকেলকে।

কিন্তু এখন যদি এই অসাধারণ মহীয়সী ব্যক্তিত্বই এএফডিকে সন্তুষ্ট করার জন্য বাধ্য হয়ে তার নীতিতে পরিবর্তন আনেন তাহলে কী হবে? এএফডি চায় যে জার্মানি ইউরো জোন থেকে বেরিয়ে আসুক, যা মারকেল কখনই করতে চাবেন না, কিন্তু তিনি চাপে থাকবেন। ইইউতে জার্মানি বড় দেশ। জার্মানির যে কোন সিদ্ধান্তই ইইউ এর রাজনীতিতে বিশাল প্রভাব ফেলে। সুতরাং ইইউ এর ব্যবস্থাপনায়, বিশেষ করে আর্থিক ব্যবস্থাপনাতেও যথেষ্ট সংস্কার আসতে পারে। দক্ষিণপন্থীদের ব্যাপক উত্থানে পুরো ইউরোপের চেহারাই আগামীতে বদলে যেতে পারে। শরণার্থী ইস্যুতে ব্রিটেন ইইউ থেকে বেরিয়ে গেছে। সেখানে নির্বাচনে তেরেসা মে সুবিধা করতে পারেন নি, তিনি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে যান আরেকটা দলের উপর। কিন্তু এখন তো এঙ্গেলা মার্কেলেরও অবস্থা সেরকমই হতে যাচ্ছে। এএফডিকে ব্যালেন্স করার জন্য তাকে কোয়ালিশন পার্টনার এফডিপি আর গ্রীন পার্টিকে ছাড় দিতেই হবে, দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় তৈরি আর নিজের পার্টির উপরে আস্থা ফিরিয়ে নিয়ে আনার মত কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে মার্কেলকে, সেই সাথে ইইউতে কট্টোর দক্ষিণপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়টা আছেই। তিনি কি পারবেন?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমরা ইউরোপকে নতুন রূপে পেয়েছিলাম, সভ্যতা ও মানবিকতার আলোয় এই ইউরোপ আলোকিত করেছে সারা বিশ্বকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যে নৃশংসতা দেখেছিল ইউরোপের মানুষেরা, তার বিরুদ্ধে দৃঢ় কণ্ঠে বিশ্বমানবিকতার জয়গান গেয়ে আমাদেরকে পথ দেখিয়েছে এর পরের বেশ কিছু প্রজন্ম। কিন্তু এখন কি সেই বিশ্বযুদ্ধোত্তর মানবিক চেতনা ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যাচ্ছে? যদি তাই হয় তাহলে এতদিন যে চাকচিক্যময় ইউরোপ আমাদের সামনে আদর্শ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, যার দর্পনে আমরা আমাদের কল্পনা মূর্ত হয়ে উঠত সেই ইউরোপকে আমরা হারিয়ে ফেলব। আমরা তো অনেকেই ট্রাম্প আগমনে উত্তর আমেরিকার রাজনীতির এহেন দশা দেখে গেল গেল রব তুলে মূর্ছা যাই। ইউরোপে এতগুলো জাতি রাষ্ট্রে যে এত এত ট্রাম্প, ট্রাম্পের বাপ ও ট্রাম্পের বাপের বাপ পয়দা হচ্ছে সেসব নিয়ে হয়তো ভাবার সময় এখন চলে এসেছে।

২ thoughts on “কোন পথে ইউরোপ??

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *