মেধার বিস্ফোরণ নাকি মেধার মৃত্যু?

আমরা জিপিএ পদ্ধতি আসার আগেই মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পাট চুকিয়ে ফেলেছি। এবং এখন প্রতিবছর রেজাল্ট বের হলেই, “ এইবার রেকর্ড সংখ্যক পাস” “রেকর্ড সংখ্যক এপ্লাস” এইটাই হয় সকল পত্রিকার হেডলাইন। মানে প্রতি বছরেই ছাত্র-ছাত্রীরা পূর্ববর্তী ব্যাচের চাইতে ভালো করছে। খুবই আনন্দের সংবাদ। দেশের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়াতে উন্নতি করলেই ত দেশ এগুবে। ভাবসম্প্রসারন লিখতাম না আমরা? “শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড”।. ত রেজাল্ট ভালো হচ্ছে মানে আমাদের জাতির মেরুদন্ড শক্ত থেকে আরো শক্ততর হচ্ছে। জাতির ভবিষ্যত পুরা টিউব লাইট না দুঃখিত ফিলিপস লাইটের মতো ফকফকা। কিন্তু একটু ধাক্কা খাই একটা জায়গাতে এসে। কোনো একটি জাতিসত্ত্বার মৌলিক বৈশিষ্ট এমন হঠাত করে কিভাবে পালটে যায়? যেখানে ২০০০ সনের আগে পাসের হার থাকত ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে এমনকি ২০০০ সনেও পাসের হার ছিলো ৩০ সেখানে ২০১৩ তে এসে সেটি ৮৯ হয়ে যায় কিভাবে? কোথা থেকে কোনো এক হ্যারি পর্টার এসে জাদুর কাঠি দিয়ে আমাদের সকল ছাত্রছাত্রীদের এইরকম আশংকাজনকভাবে মেধাবী বানিয়ে ফেললো? এই মেধাবিদের সাথে ত আমাদের একটি বিরাট কমিউনিকেশন গ্যাপ হয়ে যাবে। তাই না? এখন ৯০ হাজার ছাত্রছাত্রী এ প্লাস পাচ্ছে। যদি আমরা এই এপ্লাসকে নম্বরে কনভার্ট করি তাহলে নম্বর হবে ৮০০ এর উপর। আমাদের সময়ে ত ভাই গ্রেডিং ছিলোনা। “গ্রেডিং” তখন আসি আসি করছিলো। সেই আমলে ৬০০ নম্বর পেলে তাকে ফার্স্ট ডিভিশন বলা হতো। কেউ যদি ৭৫০ নম্বর পেতো তাহলে সেটিকে “স্টার মার্ক” বলা হতো। ৮০০ এর উপরে কেউ নম্বর পেলে মানুষ একবারের জায়গায় দুইবার তাকিয়ে দেখতো ছাত্র বা ছাত্রীটিকে। ৮০০ নম্বর!! উরে বাবা!! আর প্রতিটি বোর্ডের প্রথম ২০ জন ছাত্র-ছাত্রী যারা হতো তাদেরকে “স্ট্যান্ড” উপাধি দেয়া হতো। স্ট্যান্ড করা কাউকে সচক্ষে দেখতে পারাটা আমাদের জীবনের একটি স্মরনীয় ব্যাপার ছিলো। যাক, তখন আমরা সবাই গরু-গাধা কিছিমের ছিলাম আর এখন যারা পরীক্ষা দেয় তারা সিটে বসলেই ৮০০ তুলে ফেলে। বিরাট মাপের “জিনিয়াস” না হলে এখন ফেল করা অসম্ভব একটি ব্যাপার। তাই এই প্রজন্মের সাথে আমাদের ইন্টেলেকচুয়াল গ্যাপ তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই ব্যাপারটি নিয়ে আজকে লিখতে বসলাম।

ব্যাপারটি নিয়ে বেশ কয়েকবার লিখেছি ফেসবুকে। ইচ্ছে ছিলো এইটা নিয়ে একটি ডাটা আর্কাইভ করে গ্রাফিকাল প্রেজেন্টশন আঁকারে একটি ব্লগ দিবো। অফিসে হরতালের দিন তেমন একটা কাজ থাকেনা। তাই দিনের অনেকটা সময় ধরেই চেষ্টা করেছিলাম ডাটা সংগ্রহ করতে। কিন্তু বাংলা-ইংলিশ-আরবী-ফারসি সকল ভাষাতেও চেষ্টা করেও ডাটা সংগ্রহ করতে পারিনি তেমন। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের যে ওয়েবসাইটটি আছে সেটিতে আর্কাইভ সেকশনে যেয়ে দেখি পুরাতন রেজাল্টের আর্কাইভ আছে। নিজেকে একটা গালি দিলাম। সবকিছুতেই নেগেটিভ দেখি। এই যে আমাদের বোর্ড কি সুন্দর করে আগের সকল বছরের সকল ডাটা সংগ্রহে রেখেছে আর আমি ভেবেছিলাম এখানে এসে কোনো কাজই হবেনা। কিন্তু ভ্রান্তি ভাঙ্গতে একটির বেশি ক্লিক লাগলোনা। আর্কাইভের লিংক দেয়া আছে ঠিকি কিন্তু ক্লিক করলেই 404 Error. কোনো ডাটা নেই। হুদাই লিংক দিয়া রাখছে। যাক। তাই যা চেয়েছিলাম সেভাবে পারিনি কিন্তু ব্যাপারটির “রিস্ক ফ্যাক্টর” কনসিডেরশনে এনে এটা নিয়ে না লিখে পারছিনা। প্রথমেই আসুন আমরা নিচের চার্টটি দেখি।

খেয়াল করুন।২০০১ এ এ প্লাসের সংখ্যা ছিলো ৭৬ যা পরবর্তী বছরেই হয়ে যায় ৩২৭(৪.৩ গুন), এরপরের বছর তা হয়ে যায় ১৩৮৯১১১,বৃদ্ধিহার ৪.২৪ গুন কিন্তু এক্ষেত্রে সংখ্যার বৃদ্ধিটাও লক্ষ্যনীয়। এরপর চার্টটিতে ২০০৪ সন থেকে ২০০৫ সনে একটি থান্ডারবোল্ট দেখা যায়। হ্যারি পোর্টার তার স্পেশাল পাওয়ার ইউজ করে ২০০৩ থেকে ২০০৮ এই পাঁচ বছরের ব্যবধানে এ প্লাস বৃদ্ধিহার বাড়িয়ে দেন ৩০.১৮গুন!! এই না হলে যাদু। যে দেশে এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও ছাদে ভিড় করে দাঁড়ায় সাইদি হুজুরের নূরানি চেহারা দেখা যায় কি না সেটি দেখার জন্য এবং কেউ কেউ দেখেও ফেলে , আর দেখাতেই ক্ষান্ত না,গায়েবি ক্যামেরা(নাসার ক্যামেরাতেও যখন ধরা দেয় নাই তাইলে সেটি গায়েবি ক্যামেরা ছাড়া আর কি?) দিয়ে ছবি তুলে সেটির ছবি দিয়ে ফেসবুকের নিউজফিড ভরিয়ে দেয়;এরকম কুসংস্কারে ভরা দেশে পাঁচ বছরে ৮০০ নম্বরধারীদের সংখ্যা ৩০ গুন বৃদ্ধি পাওয়া অবশ্যই ছোটবেলায় ভিডিও গেমে খেলা নায়কের স্পেশাল পাওয়ারের কল্যানেই সম্ভব। একই কান্ড দেখতে পাবেন ’০৯ আর পরে। ১০-১১ এর পর। মজার ব্যাপার খেয়াল করেন। এই দুই বছরে এপ্লাস ধারীর সংখ্যা খুব কাছাকাছি। কিন্তু দুই বছরের সেগমেন্ট হিসাবে নিলে বেড়েছে ২০ হাজার। কি দারুন জাদু ,তাই না? আসুন এইবার নিচের চার্টটি দেখি। ডাটা খুঁজে না পাওয়াতে একটা রাফ স্কেল করলাম। ২০০১ এ যেখানে পাসের হার ৩০ শতাংশ সেটি ২০১৩তে ৮৯ শতাংশ। ১২ বছরে ৩গুন!!

সকালে যখন এই ব্যাপারটি নিয়ে একজনের সাথে অফিসে বসে গল্প করছিলাম আর চার্টটি দেখাচ্ছিলাম তখন আমার পাশের ডেস্কে বসে থাকা এ্যান্টারপ্রাইজ লেভেলে স্টোরেজ আর ভার্চুয়েলাইজেশনের সলিউশন টিমের প্রি-সেলস কনসালটেন্ট ছেলেটি বলল, “ভাই আপনার সমস্যা কি? হেরা জিপিএ ৫ পাইতেছে পাওক না।” ঠিকি ত, আমার সমস্যা কি? সবাই এ প্লাস পিটাচ্ছে, পরীক্ষার সিটে বসলেই পাস করে যাচ্ছে। মিষ্টির দোকানের বিকি-কিনি বাড়ছে। অভিভাবকেরা খুশিতে গদগদ হয়ে ছেলেকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানানোর স্বপ্নটা সত্যি হতে দেখতে পাচ্ছে, এখানে আমার সমস্যা কি? সমস্যা আছে। সমস্যা হলো ২০০১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত আমি টিচিং প্রফেশনের সংগে যুক্ত ছিলাম। না কোনো স্কুল-কলেজে না। দশম থেকে ভার্সিটি এ্যাডমিশনের বিভিন্ন কোচিং এবং ব্যাক্তিগত প্রাইভেট টিচিং এ জড়িত ছিলাম।আপনাদের সকলের দোয়াতে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক দু’টোতেই আমার ৮০০ এর উপর নম্বর ছিলো। তাই ৮০০ নম্বরের মানে কি তা কিছুটা হলেও বুঝি। পাছার চামড়া তুলে নিতেন তখন স্যাররা ৭০ এর উপর একটা নাম্বার দিতে। তাই ব্যাপারটি আমি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। বাহির থেকে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন পত্রিকাতে বিভিন্ন বিশ্লেষকরা বিভিন্ন পজিটিভ দিক বলে বেড়াচ্ছেন। অভিভাবকেরা এখন সচেতন,ছাত্র-ছাত্রীরা এখন অনেক বেশি পড়ালেখা করে। স্কুল-কলেজের মান বেড়েছে। অংক-ইংরেজীর দূর্বলতা কেটেছে…ব্লা ব্লা ব্লা। আসলে যা হয়েছে তা হচ্ছে “অশ্ব ডিম্ব”।. দুইটা এপ্লাস হোল্ডার ছাত্র-ছাত্রীকে যখন জিজ্ঞাস করি ১ কে ০ দিয়ে ভাগ করলে উত্তর কত হবে তখন যদি আমি উত্তর পাই যে ০ হবে তখন আমার গলায় ছুড়ি চালালেও আমি বিশ্বাস করবোনা যে সেই স্টুডেন্ট ম্যাথে এপ্লাস ত দূর ৪০ও পাবার যোগ্যতা রাখে। আপনাদের কি মত? এখন এসেছে সৃজনশীল নামক পদ্ধতি। খুবই চমৎকার একটি ব্যবস্থা। শিক্ষামন্ত্রীকে আমি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই এই উদ্যোগের জন্য। কিন্তু সেই সৃজনশীল সিস্টেমেও যদি দেখি সৃজনশীলতা ত দূর কি বাত আগের মুখস্ত বিদ্যার চাইতেও খারাপ অবস্থা। যা মনে আসছে লিখে যাচ্ছে আর টিচার সেটাতেই নাম্বার দিতে বাধ্য হচ্ছেন তখন ব্যবস্থার প্রশংসা করব নাকি শিক্ষামন্ত্রনালয়ের পিন্ডি চটকাবো সেটিই ভেবে পাইনা।

আমি যেহেতু কোনো স্কুল-কলেজের টিচার না তাই আমার পক্ষে এখানে খোলাশা করে বলা সম্ভব যা স্কুল-কলেজের টিচাররা পারেন না। আমি স্বচক্ষে দেখেছি বোর্ড থেকে খাতার সাথে কি কি নির্দেশনা থাকে। যত লিবারেলভাবে খাতা দেখা সম্ভব তত লিবারেলভাবে খাতা দেখতে বলা হয়। “লিবারেল” এর মানদন্ড কি হবে? একটা ছোট্ট উদাহরন দেই। আমার বড় মামা একটা স্কুলের টিচার ছিলেন। ত তিনি প্রায়ই উনার স্কুলের বিভিন্ন সাময়িকী পরীক্ষার খাতা আমাদের বাসায় দিয়ে যেতেন,আমার বড় ভাই দেখে দিতো। মামা ছিলেন আইলসা কিছিমের আর খাতা দেখার চান্স পেয়ে আমার বড় ভাই ত খুবই সিরিয়াস। প্রথম দিন যা হলো। মামা খাতা দিয়ে গেলেন। উত্তর পত্রে ছাত্র লিখে রেখেছে, “স্যার আমি বিলাসীর চরিত্র মুখস্ত করি নাই, নামকরনের স্বার্থকতা মুখস্ত করেছি,ঐটাই লিখে দিলাম,প্লিজ স্যার পাস করায়ে দিয়েন” ( আমি ফান করছিনা,সিরিয়াসলি ঐ স্কুলের তখন এই হাল ছিলো।) আমার ভাই ত কেটেকুটে একেবারে বিশ্বের মানচিত্র বানিয়ে দিয়েছে সব খাতা। পরেরদিন মামা এসে বলে, “হায় হায় এইটা কি করছিস?” সব ফেল? ভাইয়া বলল, “ যা লিখছে সেই অনুযায়ী নাম্বার দিছি,ফেল পাস ত আমার হাতে না।” মামা হেসে হেসে বললেন আরে বেটা আমাদের স্কুলের খাতা এমনে দেখতে নাই। ভাইয়া জিগাইলো কেমনে দেখেন? মামা উত্তর দিলো, “বিঘা গুইনা”। .হাতের বিঘা গুইনা নাম্বার দিবি। এক বিঘা মানে ৫ নাম্বার,কি লিখছে তা ভুলেও দেখবিনা। যাই হওক সেই ছাত্ররা বিঘা গুনে নাম্বার পেয়ে স্কুলের সাময়িকী পরীক্ষাতে পার পেয়ে যেতো বটে কিন্তু এখন সেই বিঘা গুনে নাম্বার পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা এপ্লাস পেয়ে যাচ্ছে, এই যা পার্থক্য।

পুরা সিস্টেমটা নিয়েই আমি ভীষন শংকিত। ট্র্যাডিশনটা আসলে শুরু করে আওয়ামীলীগ সরকার ২০০০ সন থেকে। তখনকার আমলে পরীক্ষাতে নকল হতো খুব বেশি। এমনকি কিছু কিছু স্কুল ফেমাস ছিলো নকলের জন্য। ছেলে-পেলে টাকা দিয়ে সেইসকল স্কুলে সিট ফেলত যেনো নকল করে পাস করতে পারে। স্যাররাই নকল করতে সহয়তা করতেন। সেই নকল থেকে রেহায় পেতে সেইসময় পরীক্ষার প্রশ্ন সোজা করা, খাতা লিবেরেলভাবে দেখা এইসকল আইন কায়েম হয় এবং প্রথমদিকে উদ্যোগটি আসলেই ভালো ছিলো। নকলের হার কমে গিয়েছিলো ড্রামাটিকেল্লি। কিন্তু সেই ট্র্যান্ডটি পরবর্তীতে মোর ড্রামাটিকেল্লি ভিন্ন দিকে টার্ন নেয়। খাতা লিবারেলভাবে দেখার সাথে যুক্ত হয় গ্রেস নম্বর দেয়া। ১৮-২০ নম্বর কোনো ছাত্র পেলে তাঁকে পাস করিয়ে দেয়ার ডাইরেক্ট নির্দেশনা আছে এখন বোর্ডে। এমনকি খাতা ফেরত এসেছে,এমন ঘটনা আমি নিজে দেখেছি। ৬০/৭০ পেলে তাঁকে টেনেটুনে ৮০ পাইয়ে দাও,এই নির্দেশনাও থাকে। বোর্ডের চ্যায়ারমেনের মনে হয় ১০ শতাংশ গ্রেস নাম্বার দেয়ার অধিকার থাকে। সেটিরও সমানে অপব্যবহার করা হচ্ছে। ফলত বাড়ছে পাসের হার,বাড়ছে জিপিএ ৫ এর হার। কিন্তু মেধার হার? উল্টো দিকে হাঁটা ধরেছে। আপনি যখন জানবেন যে আপনি অল্প পরিশ্রমেই ভালো করবেন তাহলে নেহায়েত গাধা না হলে কি আপনি বেশি পরিশ্রম করবেন?

এতে যে রিস্ক ফ্যাক্টর তা হচ্ছে যারা আসলেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী তাঁকে আলদা করা যাচ্ছেনা। লেভেল প্লেয়িং গ্রাউন্ড না হলে সেটি যাচাইয়ের কোনো উপায়ও নাই। তাই একজন সত্যিকারের ভালো ছাত্র যখন দেখছে ক্লাসের সবচাইতে খারাপ ছাত্রটিও তার সমান রেজাল্ট করেছে সেটি তার জন্য সুখকর হবার কথা না,নয় কি? আপনার পরিশ্রম যদি আরেকজন পরিশ্রম না করে পেয়ে যায় সেটি কি ঠিক? রিভার্স সাইড থেকে দেখলে যে ছেলেটি আসলে জিপিএ ৫ পাওয়ার যোগ্যতা রাখেনা সে যখন পেয়ে যাচ্ছে তখন তার নিজের সম্পর্কে একটি উচ্চ ধারনা তৈরি করে দিচ্ছে যা তাকে ভবিষ্যতে আরো ভালোভাবে পড়াশোনা করার চেষ্টা থেকে বিরত রাখছে। অভিভাবকদের এক্সপেক্টশন বেড়ে যাচ্ছে যা এসে ধরা খাছে এডমিশনের সময়। ৯০+ জিপিএ ৫ ধারীদের মাঝে সরকারী ভার্সিটিতে কয়জনের আসন হবে? তারা কি হতাশ হবেনা? এই পুরো সিস্টেমটাতেই গলদ। গ্রেডিং এর যে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়েছে সেটিতেও গলদ। স্ট্যান্ডার্ড ডিফারেন্স থাকা উচিৎ ৫ কিন্তু আমাদের ১০/২০ ।

মেধা মানে শুধু অংক, বিজ্ঞান পারা না। প্রতিটি মানুষই স্পেশাল। বিথোফেনের অংক জানার দরকার নাই যেমন নাই আইনস্টাইনের সুর জানার দরকার। “মেধা” মানে একজন মানুষ একটি নির্দৃষ্ট সেক্টরে তার প্রতিভার ছাপ রাখবে। সেটি অংক হতে পারে আবার আমাদের সাকিবের মতো ব্যাট হাতে শ্রীলংকাকে তুলোধুনোও হতে পারে। এই কথাটি যেদিন আমাদের মগজে ঢুকবে সেইদিন আমরা আসল মেধাবীদের সন্ধান পাবো,নইলে সার্কাসের ঘোড়ার মতো “ট্রেইন্ড মেধাবি” পয়দা করে যাবো।

৫২ thoughts on “মেধার বিস্ফোরণ নাকি মেধার মৃত্যু?

  1. ভালো একটা টপিকে লিখেছেন।
    ভালো একটা টপিকে লিখেছেন। আমাদের দেশের সমস্যা হচ্ছে, কোন সিস্টেমকেই আমরা সেই সিস্টেম অনুযায়ী ফলো করি না। নিজেদের মতো করে একটা জগাখিচুড়ী বানিয়ে নেই। আপনার মনে আছে কিনা, প্রথম যখন নৈর্ব্যত্তিক পদ্ধতি চালু হলো তখন বোর্ড থেকে ৫০০টি প্রশ্নের একটা সেট ছিল প্রতিটি বিষয়ের জন্য। মাত্র ৫০০টি প্রশ্নের উত্তর মুখস্ত করেই অনেকে ৫০ এ ৫০ পেয়ে যেতো। আমি নিজে দেখেছি অনেকেই উত্তর কি সেটা না মুখস্ত করে উত্তরটা ক, নাকি ঘ সেটা মুখস্ত করে ফেলত। এই ছিল অবস্থা। পরে সেটা বাতিল করা হয়।
    ঠিক একইভাবে গ্রেডিং সিস্টেম সারা বিশ্বে প্রচলিত আছে। কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে না, কিন্তু আমাদের দেশেই কেন এই সমস্যা? আমি ঠিক জানিনা অন্য দেশের গ্রেডিং সিস্টেমে কর পার্সেন্ট শিক্ষার্থী এ+ পায়। এতো বেশী এ+ পাওয়াটাও একটা সমস্যা কিনা সেই বিষয়েও আমার কোন ধারণা নেই। যারা এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ উনারাই ভালো বলতে পারবেন। তবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাট গলদ আছে সেটা আপনার লেখার শেষ প্যারায় এসে বলে দিয়েছেন।

    মেধা মানে শুধু অংক, বিজ্ঞান পারা না। প্রতিটি মানুষই স্পেশাল। বিথোফেনের অংক জানার দরকার নাই যেমন নাই আইনস্টাইনের সুর জানার দরকার। “মেধা” মানে একজন মানুষ একটি নির্দৃষ্ট সেক্টরে তার প্রতিভার ছাপ রাখবে। সেটি অংক হতে পারে আবার আমাদের সাকিবের মতো ব্যাট হাতে শ্রীলংকাকে তুলোধুনোও হতে পারে। এই কথাটি যেদিন আমাদের মগজে ঢুকবে সেইদিন আমরা আসল মেধাবীদের সন্ধান পাবো,নইলে সার্কাসের ঘোড়ার মতো “ট্রেইন্ড মেধাবি” পয়দা করে যাবো।

    এটাই হচ্ছে মূল সমস্যা। আমাদের দেশের অভিবাবকদের মধ্যে এখনও এই আকাঙ্ক্ষা দৃঢ়ভাবে প্রথিত, ছেলে বা মেয়েকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় চাকুরে হতে হবে। এই মানসিকতা চেঞ্জ হওয়া দরকার। থ্রি ইডিওটস বা তারে জামিন পার মুভি দেখে আমরা শুধু খ্যাক খ্যাক করে হাসতে বা, চোখের জল নাকের জল এক করে কাঁদতেই শিখেছি, সেখান থেকে শিক্ষা নিতে শিখিনি।

    1. হ ভাই মনে আছে। আমাদের আগের
      হ ভাই মনে আছে। আমাদের আগের ব্যাচে ছিলো এইটা। আমাদের সাথের অনেক পুলাপান আমাদের আগে মেট্রিক পাস কইরা ফালাইছিলো এই সিস্টেমে পরীক্ষা দিয়া। ৫০০ও লাগতোনা। আগের বছরের ৫০টা বাদ দিয়া ৪৫০টা মুখস্ত করলেই হইত। আমরা আবার ঐ সিস্টেম বহাল রাখার জন্য আন্দোলনও করছিলাম :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি:

      তখন ত অতশত বুঝিনা। আমাগো কথা আছিলো আমাদের আগের ব্যাচ যদি ঐ সুবিধা পায় তাইলে আমরা ক্যান পামুনা? যাক আল্লাহ্‌ বাচাইছে যে ঐটা আর বলবত রাখে নাই।

      1. আমরা হচ্ছি নতুন সিলেবাস, মানে
        আমরা হচ্ছি নতুন সিলেবাস, মানে বই যে পুরাই চেঞ্জ হইল সেই বছরের প্রথম ব্যাচ।
        পুরাতনকে আমরাই বিদায় জানাইছিলাম। :নৃত্য:

        1. এইবার আমরা পুরাতনকে বিদায়
          এইবার আমরা পুরাতনকে বিদায় জানাবো…..!

          এস.এস.সি ব্যাচ-১৪

          :অপেক্ষায়আছি: :নৃত্য: :বুখেআয়বাবুল:

        2. আমি হচ্ছি মারকিং সিস্টেম এর
          আমি হচ্ছি মারকিং সিস্টেম এর লাস্ট ব্যাচ…
          অর্থাৎ এসএসসি-২০০০ (বন্ধুরা মিলেনিয়াম ব্যাচ বলে)!!
          আমার মনে হয়, পুরাতনকে আমরাই বিদায় জানাইছিলাম।
          আপনারা নতুনকে বরণ করেছেন!! :কনফিউজড: :কনফিউজড:

    2. থ্রি ইডিওটস বা তারে জামিন পার

      থ্রি ইডিওটস বা তারে জামিন পার মুভি দেখে আমরা শুধু খ্যাক খ্যাক করে হাসতে বা, চোখের জল নাকের জল এক করে কাঁদতেই শিখেছি, সেখান থেকে শিক্ষা নিতে শিখিনি।

      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

  2. ভাই ভার্সিটি গুলার অবস্থাও
    ভাই ভার্সিটি গুলার অবস্থাও ভাল না, সারাজীবনে যাও বা ছিলাম তার সব হারাইসি উচ্চশিক্ষিত হতে গিয়ে

  3. অনেক গুলো বিষয়ের প্রতি আমি
    অনেক গুলো বিষয়ের প্রতি আমি একমত না, আপনি শুধু হেরি পর্টারের জাদুর কথা বলতেছেন কিন্তু আজকালকার পোলাপান যে লেখা পড়াও আমাদের চেয়ে বেশি করে সেটা আপনি না মানলেও আমি মানি। আপনার বেক্তিগত অভিজ্ঞতা কি জানিনা কিন্তু আমার বেক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে এখনকার ছেলে মেয়েরা লেখা পড়ার প্রতি আমাদের চেয়ে বেশি মনোযোগী, এবং পড়েও বেশি। একটা উদহারন দেই-আমি যখন আমাদের গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে পড়েছি তখন দেখেছি আমি যখন ফার্স্ট হওয়ার পর সেকেন্ড হওয়ার জন্য খুজতে হইত সব বিষয়ে পাশ করছে এমন একজনকে। কখন খুজে পাওয়া যাইত কখনো যাইত না। আর এখন দেখা যায় ১ নম্বর কম পাওয়ার জন্য মেধা তালিকায় কয়েক ধাপ পিছনে চলে যায়। তো এই ছেলে-মেয়ে গুলো যখন বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিবে তারা কেন পাশ করবে না? কেন তারা এ+ পাবে না? তাঁদের কারনে কেন এ+ এর সংখ্যা আর পাশের হার বাড়বে না? আগেরকার পোলাপান গুদারা ঘাটের নাও বাইয়া আইসা স্কুলে আইত আবার স্কুল থেকে যাইয়া নাও বাইত। এখনকার দিনে এমন পাওয়া যায় খুব কম। সবাইই লেখা পড়ার প্রতি সচেতন। আমাদের বেবস্থাপনাতে সমস্যা আছে কিন্তু এই ছেলেপেলেদেরকে ক্রেডিট দিতে আমার কোন আপত্তি নাই। আমার সকল অবজারভেশনই গ্রাম কেন্দ্রিক, কারন আমি ছোট থেকে বড় হইছি গ্রামে এখনো গ্রামেই আছি। আপনাদের শহরের চিত্র আমি জানিনা। তবে আপনার শেষ প্যারার সাথে আমি একমত-

    মেধা মানে শুধু অংক, বিজ্ঞান পারা না। প্রতিটি মানুষই স্পেশাল। বিথোফেনের অংক জানার দরকার নাই যেমন নাই আইনস্টাইনের সুর জানার দরকার। “মেধা” মানে একজন মানুষ একটি নির্দৃষ্ট সেক্টরে তার প্রতিভার ছাপ রাখবে। সেটি অংক হতে পারে আবার আমাদের সাকিবের মতো ব্যাট হাতে শ্রীলংকাকে তুলোধুনোও হতে পারে। এই কথাটি যেদিন আমাদের মগজে ঢুকবে সেইদিন আমরা আসল মেধাবীদের সন্ধান পাবো,নইলে সার্কাসের ঘোড়ার মতো “ট্রেইন্ড মেধাবি” পয়দা করে যাবো।

    1. অবজার্ভেশন ব্যাপারটা একেকজন
      অবজার্ভেশন ব্যাপারটা একেকজন একেকভাবে করে।যেমন একটা গ্লাসের অর্ধেক পানি ভরা থাকলে সেই জায়গায় তিনটা অবর্ভেশন আসতে পারে, যেমনঃ
      ১।.গ্লাসটি অর্ধেক ভরা।
      ২.গ্লাসটি অর্ধক খালি।
      ২.গ্লাসটি আসলে পুরাটাই ভরা। অর্ধেক পানি দিয়া আর বাকি অর্ধেক বাতাস দিয়ে।
      এই তিনটা অবর্ভেশনের মধ্যে তিন নাম্বারটা সঠিক কারন তিনি গভীর অবজার্ভেশন করেছেন এবং তিনি পদার্থবিজ্ঞান ভালো বোঝেন।

      আপনার যে অবর্ভেশন মানে এখনকার ছেলেমেয়েরা বেশি পড়ে সেটি ঐ গ্লাসের অবর্ভেশনের প্রথম দুইটার মতো। বাইরে থেকে দেখছেন। আসলে এখনকার বাচ্চাদের উপর বেশি পড়ার বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়। যেমন আমার ছাত্রদের ডেইলি রুটিন বলি। সকালে প্রাইভেট…তারপর স্কুল…তারপর কোচিং…তারপর বাসায় হাউজ টিউটর অনেকসময় বিষয়ভিত্তিকভাবে এক বা একাধিক হাউজ শিক্ষক। এখন আপনার অবজার্ভেশনে কি বলে? ইজ ইট দ্যা রাইট প্রসেস টু রেইজ এ স্টুডেন্ট? সে নিজে চিন্তা করা বা একটি বিষয় নিয়ে ভাবার জন্য,১টি অংক নিজে নিজে ৩০ মিনিট চেষ্টা করে মিলানোর জন্য সময়ই পায়না। যেই কারনে তাদের বেসিকে বিরাট ফাঁক থেকে যায়। আপনার বেসিক তখনই ভালো হবে যখন আপনি সেটির উপর নিজে চর্চা করবেন। কিন্তু সেই সুযোগটাই এখন দেয়া হচ্ছেনা,ফলত আমরা যে সকল নামকা ওয়াস্তে “মেধাবি” পাচ্ছি তারা আসলে মুখস্ত বিদ্যায় পারদর্শি একপাল মেশিন। ইউ টিউবে ঢুকতে পারছিনা। না দেখা থাকলে “পিংকফ্লয়েডের” এ্যানাদার ব্রিক অন দ্যা ওয়াল গানটি দেখবেন।

      আর আপনি কি আমার দেয়া ডাটা এবং বৃদ্ধির যে রেট সেগুলো ভালোভাবে পড়ে মন্তব্য করেছেন নাকি জাস্ট করার জন্য করে দিলেন। পোস্টে আছে ৫ বছরের মাঝে এ প্লাস বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০ গুন। ইজ ইট পসিবল ইফ দেয়ার ইজ নো ব্যাকডোর? কমনসেন্স নামক একটা জিনিস থাকে ,সেটিকে ব্যবহার করাটা খুবই প্রয়োজন।

      এখনকার ছেলেমেয়েরা পড়ে বেশি(বাধ্য হয়ে) কিন্তু মেধার মান আগের চাইতে নিম্নগামী, বা আসল মেধাবীর মান বাড়েনি সেটিই আমি চিত্রায়িত করতে চেয়েছি। আপনার বোধগম্য হলোনা। ব্যার্থতা কার বুঝতেছিনা।

    2. হ্যাঁ, অবশ্যই তারা বেশি পড়ছে।
      হ্যাঁ, অবশ্যই তারা বেশি পড়ছে। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, বেশি পড়া একটা ছেলেও পাচ্ছে এ+ আবার বইয়ের সাথে সম্পর্কহীন একটা ছেলেও পাচ্ছে এ+ তাহলে দু’জনের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? এই প্রায় লাখখানেক এ+ দেয়ার(হ্যাঁ আমি পাওয়া নয় দেয়া শব্দটিই ব্যবহার করছি) মানসিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে…

  4. নিজে মূর্খ মানুষ। তাই অতশত
    নিজে মূর্খ মানুষ। তাই অতশত বুঝি না। তয় এটা ধরতে পারছি। ভালো ফলাফলের নামে আমাদেরকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে।

    1. “মূর্খ মানব মন্ত্রী হইছে
      “মূর্খ মানব মন্ত্রী হইছে লাত্থি মাইরা চেয়ার ভাঙ্গ”–ফকির লাল!!
      এখন মূর্খ মানব ব্লগার হইছে, কি করা যায়?
      :ভাবতেছি: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি:

    1. শুধু ভাল?
      অধমের পোস্ট আমার

      শুধু ভাল?
      অধমের পোস্ট আমার কাছে অতি উত্তম মনে হইছে…
      অধমকে অসংখ্য :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  5. পাসের হার বাড়ছে কিন্তু
    পাসের হার বাড়ছে কিন্তু পরবর্তী শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত উন্নতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোথায়? পাশ করে বের হয়ে অলি গলিতে সে কলেজ ভার্সিটি আছে সেখানে পড়তে হলে ভাল রেজাল্ট করে কি লাভ…। :চিন্তায়আছি:

    1. ঐখানে ত গেমটা দাদা। এই
      ঐখানে ত গেমটা দাদা। এই ছেলেগুলা এপ্লাস নিয়ে কি আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে? ইজ্জত আছেনা? তারা যাবে ঐসকল ব্যাঙ্গের ছাতার মতো প্রাইভেট ভার্সিটিতে… এইটাই আসল গেম

  6. পাশের হার বাড়লে সমস্যা কি?
    পাশের হার বাড়লে সমস্যা কি? পরীক্ষার সিস্টেম ও পড়া-লেখা সিস্টেম পরিবর্তনের কারণে পাসের হার বাড়ছে। তাছাড়া এখনকার অভিভাবকরা আগের অভিভাবকদের চেয়ে অনেক সচেতন। শিক্ষা মন্ত্রী নিঃশ্চয় ছাত্র-ছাত্রীদের খাতায় গিয়ে লিখে দিয়ে আসেনা। নাকি যত দোষ, নন্দঘোষ!

    আমার আপত্তি হচ্ছে অন্য জায়গায়। যে হারে আমাদের ছেলে-মেয়েরা পাশ করছে, সে হারে পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ছে না। শিক্ষাখাতে সরকারের এটা বড় ব্যর্থতা। প্রতি বছর নতুন নতুন পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা উচিত। এটা যদি না করা হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে শিক্ষার বাণিজ্যকরণে সরকারের মদদ আছে।

    পোস্টটা স্টিকি করে বিষয়টা নিয়ে ব্যপক আলোচনা হওয়া উচিত। মাস্টার সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষন করলাম।

    1. পাশ এবং এ+ এর হার বাড়লে
      পাশ এবং এ+ এর হার বাড়লে সমস্যা হচ্ছে, আমি তখন চাইলেই সবচেয়ে ভাল এবং সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিকে আলাদা করার কোন মানদণ্ড পাব না।

      দেশের ৯০০০০+ শিক্ষার্থীকে আলাদা করার কোন উপায় আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থার কাছে নেই, এর থেকে ভয়াবহ বিষয় শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য কী হতে পারে???

    2. পরীক্ষার সিস্টেম ও পড়া-লেখা

      পরীক্ষার সিস্টেম ও পড়া-লেখা সিস্টেম পরিবর্তনের কারণে পাসের হার বাড়ছে। – See more at: http://www.istishon.com/node/1848#new

      পরীক্ষার সিস্টেমের কোন পরিবর্তনের ফলে হঠাত করে এই উত্থান তা দয়া করে স্পেসিফিকভাবে বলুন। ঠিক কোন পরিবর্তনের ফলে এই জাদুমন্ত্রের মতো সবাই পাস করা শুরু করলো এবং পাঁচ বছরের মাঝে ৩০ গুন এপ্লাস বৃদ্ধি পেলো? সেই কারনটি-ই আমি পোস্টে উল্লেখ করেছি। আপনিও আপনার মাথাটা একটু খাটান;এইটা ত কোনো ট্যাবলেট না যে খাওয়ায়ে দিলাম আর সবাই ধুম করে মেধাবি হয়ে গেলো,নাকি? অভিভাবরা আগের চাইতে অনেক বেশি সচেতন ,মানলাম। তবে সেটি আসলে হিতে বিপরীত হচ্ছে। জোর করে পড়াতে গিয়ে ছেলেমেয়েদের সৃজনশীলতাটাই নষ্ট করে দিচ্ছে সেই সাথে মেধাবিকাশের রাস্তাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এখনকার ছেলেমেয়েরা গড়ে ৯০ ভাগই টিচারদের উপর নির্ভরশীল। ছোটবেলা থেকেই গরুকে যেভাবে রাখাল বালক ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যায় সেভাবে পিছনে একজন মাস্টর লাগিয়ে রাখে। নিজেরা বসে একটু নোট করবে বা নিজে নিজে অংক,বিজ্ঞান বোঝার চেষ্টা করবে সেই পথটাও এখন রুদ্ধ করে দিয়েছেন অভিভাবকরা। উপরের একটা কমেন্টে আমি একজন ছাত্রের একদিনের রুটিন লিখে দিয়েছি, একটু দেখে নেন।

      শিক্ষা মন্ত্রী নিঃশ্চয় ছাত্র-ছাত্রীদের খাতায় গিয়ে লিখে দিয়ে আসেনা। নাকি যত দোষ, নন্দঘোষ! – See more at: http://www.istishon.com/node/1848#new

      আবারও আপনাকে প্রশ্ন করতে বাধ্য হচ্ছি। আপনি কি পোস্ট পড়েছেন নাকি শিরোনাম দেখেই মন্তব্য করে ফেলেছেন? শিক্ষামন্ত্রী লিখে দিয়ে আসেন না কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রানলয় থেকে কি কি নির্দেশনা আসে সেটি আমি পোস্টে উল্লেখ করেছি। আর সেই নির্দেশনাগুলোর সাথে যখন এ-প্লাস আর পাসের হার বৃদ্ধির সামঞ্জস্য পেয়ে যাই তখন আমরা ধরে নিতেই পারি যে শিক্ষা মন্ত্রানলয় থেকে যে ডিরেকশন থাকে যে, ১৮-২০ পেলেও পাস করায়ে দাও, ৬০/৭০ পেলেও তাকে ধরে এ-প্লাস পাইয়ে দাও কথাটি সত্যি। আমাকে একজন শিক্ষক নিজে বলেছেন যে উনার কাছে ১০০ খাতা ফেরত এসেছে কারন ঐগুলো ২০ নম্বরের আশপাশে ছিলো এবং তিনি সেগুলোকে পাস করাননি,তাই পাস করাতে ব্যাক করেছে। বিশ্বাস করা না করা আপনার ব্যাপার। নিজের আইকিউ ইউজ করবেন কি করবেন না সেটিও আপনার ব্যাপার। আমি শুধুমাত্র তথ্য দিলাম।

      আর সমস্যা কি সেটিও আমি পোস্টে উল্লেখ করেছি।লেভেল প্লেয়িং গ্রাউন্ড না করে যুদ্ধে নামিয়ে দেয়াটা কি সঠিক? এবং এই রেজাল্ট ভর্তি পরীক্ষাতেও যোগ হয়,তাই খেয়াল করে। একজন কম মেধাবি আর একজন আসল মেধাবি সমান নম্বর নিয়ে ভর্তি পরীক্ষাতে বসছে। ইজ ইট ফেয়ার? আমার কাছে ফেয়ার না,আপনার কাছে লাগলে :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

      শিক্ষার বানিজ্যকরনের অবশ্যই বিপক্ষে আমি। শিক্ষা কোনো পন্য নয়,শিক্ষা আমার অধিকার। রেজাল্টের যে এই হঠাত বিস্ফোরন দেখছে তার পিছনে কিন্তু ঐ শিক্ষার বানিজ্যিকীকরনেরও হাত আছে। দেশে যেহেতু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিমিটেড তাই যারা পাস করছে এপ্লাস পিটাচ্ছে তারা অবশ্যই কোনো প্রাইভেট ভার্সিটিতে ভর্তি হচ্ছে বাধ্য হয়ে। আসল গেমটাই এখানে। কিলিয়ার হইছে?

      আপনাকে ত পুরাতন ব্লগারই জানতাম। তাই পোস্ট স্টিকি করার পিছনে কি কি ক্রাইটেরিয়া কাজ করে তা আপনার জানা না থাকার কথা না। আপনার কাছে দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যবান শিক্ষাজীবন নিয়ে এই “রাজনৈতিক ফাইজলামী” আপনার কাছে জরুরী মনে না হইতে পারে কিন্তু অন্যদের কাছে মনে হইতেও পারে। আপনি ব্যাপক আলোচনার আহবান জানিয়েছেন কিন্তু কাউকেই সেই আলোচনাতে যোগ দিতে না দেখে আশা করি আপনি আশাহত হবেন না। পরেরবার অবশ্যই অন্যান্য ব্লগাররা আপনার সাথে একমত হবেন।

  7. আমার ১১ দিনের ইস্টিশন
    আমার ১১ দিনের ইস্টিশন অভিজ্ঞতার সেরা পোস্ট। CP গ্যাং এর এই নোংরা ক্যাচালের মধ্যে এমন একটা পোস্ট সত্যিই আশা বাঁচিয়ে রাখে।

    মডারেশন প্যানেলের প্রতি অনুরোধ থাকল,এটিকে এক্সপ্রেস পোস্ট হিসেবে পিন করতে।

    1. এই CP গ্যাং ক্যাচালে অফ হইয়া
      এই CP গ্যাং ক্যাচালে অফ হইয়া গেছি!!
      আজ ফিরলাম!! আমার অভিজ্ঞতায় যা বুঝছি টা হল মডারেশন প্যানেল জনপ্রিয় বা, হুজুগে পোস্টকে অগ্রাধিকার দেয়! ঘটনমূলক লিখায় তাদের মাথা ব্যাথা নাই…
      এমনটি হলে এই ব্লগ এত ব্লগিং এর তাল মিলাতে সফলভাবে ব্যর্থ হবে!!
      আশা করি মডারেশন প্যানেলের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে!!

      1. আপনার সাথে একমত হইতে পারলাম
        আপনার সাথে একমত হইতে পারলাম না। ব্লগের কালচার সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার নয় বলেই বোধ হয় এমন মন্তব্য করেছেন। একটা ব্লগে যে কেউই পোস্ট দিতে পারে, কারন এটা কমিউনিটি ব্লগ। তবে প্রতিটি ব্লগে পোস্ট দেওয়ার একটা নীতিমালা রাখা হয়। যেমন ইস্টিশনবিধি যতটুকু বুঝেছি, এখানে বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা কারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অর্থাৎ ব্লগিয় ভাষায় আমরা যাদের ছাগু বলি তাদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অর্থাৎ তারা ছাগু টাইপ পোস্ট দিলে পোস্ট মডারেশনের আওতায় আনা হবে। এছাড়া অন্য যে কেউই পোস্ট দিতে পারেন। যদি না সেটা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যান্য জাতীয় অনুভূতির সাথে সাংঘর্ষিক হয়।

        এখন আসুন অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রশ্নে। একটা ব্লগে কোনো পোস্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে তখনই বলা যাবে, যখন মডারেশন প্যানেল ঐ পোস্টটিকে নির্বাচিত বা স্টিকি পোস্ট হিসেবে সিলেক্ট করবে। ইস্টিশনের যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় চার মাস হলো। আপনি কি এমন একটাও পোস্টের উদাহরণ দিতে পারবেন যেখানে জনপ্রিয় বা হুজুগে পোস্টকে এখাণে স্টিকি করা হয়েছে? বরং এমন সব পোস্টকে স্টিকি করতে দেখেছি যেসব পোস্ট বেশীর ভাব পাঠক এড়িয়ে যান, অথচ পোস্টের মান অত্যন্ত ভালো এবং চিন্তার খোঁড়াক যোগায়। আর আপনি যদি জংশনের দিকে তাকিয়ে এই মন্তব্য করে থাকেন তাহলে বলব , আপনি ভুল বুঝেছেন। কারন জংশনে সেই পোস্ট গুলোই থাকে যেগুলো পাঠকরা বেশী পড়েছে। এখন পাঠক কোন পোস্ট বেশী পড়বে সেটার নিয়ন্ত্রন নিশ্চয়ই মডারেশনের প্যানেলের হাতে নাই? তাই না?

        1. স্টিকি নিয়া মানুষের
          স্টিকি নিয়া মানুষের প্রব্লেমটা কোন জায়গায় ঠিক বুঝতে পারতেছিনা। ব্লগীয় রাজনীতি জিনিসটা আজকাল “ভিলেজ পলিটিক্স” এর রূপ নিচ্ছে দেখি। আমার পোস্টই আর স্টিকি কইরেন না যে ইস্টিশন মাষ্টার। মাফ চাই

      2. ঘটনমূলক লিখায় তাদের মাথা

        ঘটনমূলক লিখায় তাদের মাথা ব্যাথা নাই…

        দয়া করে একখান ঘটনমূলক লেখার লিংক দেন যেটা ইস্টিশন মাস্টার স্কিপ করে গেছেন। অনেকদিন “ঘটনমূলক” লেখা পড়া হয়না। একটু পড়তাম মুঞ্চায়। :-B :-B

        1. পোস্ট স্টিকি হয়েছে দেখে কেউ
          পোস্ট স্টিকি হয়েছে দেখে কেউ আপত্তি তুলেছে বলে তো মনে হইল না অধম ভাই। :-B

          1. দুইজনরে দেখলাম ত।আমার জানামতে
            দুইজনরে দেখলাম ত।আমার জানামতে জনগুরুত্বপূর্ণ বা আলোচনার দাবি রাখে এমন পোস্টই স্টিকি করা হয়ে থাকে। এখানে লেখক বা লেখার মানও তত গুরুত্বপূর্ণ না। “বিষয়” টা গুরুত্বপূর্ণ। এখন কারো কাছে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে না হলে সেটি ভিন্ন আলোচনা। তারা কি সিপি গ্যাং, আসিফ মহিউদ্দিন বা ডঃ আইজুর হিস্টরি এইসকল “হিট” খাওয়া ব্লগ যেগুলো আসলে শুধুমাত্র ব্যাক্তিকেন্দ্রিক ঝগড়া ঝাটি বা আরো ভালোভাবে বলতে গেলে পাড়ার দুই মাস্তান বাহিনীর মধ্যে মারামারি করা টাইপ জিনিসকে স্টিকি করে সেটি নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী? লেখাতে কোনো ভুল পাইলে বা আমার এ্যানালাইসিসে কোনো গলদ থাকলে সেটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তা রাইখা পোস্ট কেনো স্টিকি হইল সেটি নিয়ে চিন্তায় মরে যাইতেছে। চিন্তা না করে নিজেরাই একটা জরুরী ইস্যু নিয়ে লেখুক,দেখুক সেটিকে আমরা স্টিকি করার আহ্বান জানাই কি না।

          2. আমি তো আপত্তি দেখলাম না। একজন
            আমি তো আপত্তি দেখলাম না। একজন আপনার পোস্টের মতামতের সাথে দ্বিমত করেছে কিন্তু পোস্ট স্টিকি করে আলোচনা করতে বলেছে। আরেকজন আপনার পোস্টের ভূয়সী প্রশংসা করেছে, সমালোচনা করেছে মডারেশন প্যানেলের। মডারেশন প্যানেল নাকি এইরকম গুরুত্বপুর্ন পোস্ট বাদ দিয়া চুলকানি মার্কা পোস্ট বেশী প্রমোট করে। নাকি আমি ভুল দেখলাম? :মানেকি:

          3. আমার ভাই শরীর খারাপ। তাই
            আমার ভাই শরীর খারাপ। :অসুস্থ: তাই পোস্টে ঢুইকা কোনোমতে কমেন্ট পড়ে যদি কেউ দ্বীমত করে তাইলে সেগুলার প্রতিউত্তর দিচ্ছি,নাইলে আবার বলবে পোস্ট দিয়া পালাইছে :বিষয়ডাকী:

            তাই হয়ত ভুল পড়ছি। সরি বা দুঃখিত যেটাই নেন। নাগরিকেও মাঝে একই অভিজ্ঞতা হইছিলো ত তাই ভাবছিলাম নাগরিকের ভুত এখানেও তারা করতেছে :চোখমারা:

  8. এত কথা বুঝি না, আমার কথা
    এত কথা বুঝি না, আমার কথা একটাইঃ
    “শিক্ষার উদ্দেশ্য মুল্যবোধ সৃষ্টি, অর্থ উপার্জন নয়”

    % দিয়ে কিছুই হবে না, মানুষকে সভ্য আর মানবিক করতে হবে!! আপনি ব্যপারটার মুলে না গিয়ে সামগ্রিক ব্যাপারটার সাধারণভাবে বাহ্যিক সিম্পটম পিছনে ছুটেছেন…
    আসল সমাধানে যাইতে চাইলে জগতব্যাপী সমাধান করতে হবে! হাইপারলিঙ্কটি পড়ে দেখুন…

  9. দেশে গোল্ডেন এ+ এর সংখ্যা
    দেশে গোল্ডেন এ+ এর সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু জ্ঞানীর সংখ্যা কমছে।

    1. জ্ঞান আসলে এ+ বা স্ট্যান্ড
      জ্ঞান আসলে এ+ বা স্ট্যান্ড দিয়ে হয় না! অনেক স্বল্পশিক্ষিতও অনেক জ্ঞানী হতে পারে…
      আবার অনেক বড় বড় ডিগ্রি নিয়েও অমানুষ থেকে যাওয়ার প্রমান বাঙ্গালীর কাছে ভুরি ভুরি!!
      শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য মূল্যবোধ সৃষ্টি এই লক্ষকে সামনে নিয়েই তাবৎ দুনিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা ডেলে সাজানো দরকার… অর্থের জন্যে এমন বাজারি শিক্ষা ব্যবস্থা পরিহার করা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে!!!

      1. অর্থের জন্যে এমন বাজারি

        অর্থের জন্যে এমন বাজারি শিক্ষা ব্যবস্থা পরিহার করা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে!!!

        :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  10. হাতের বিঘা গুইনা নাম্বার

    হাতের বিঘা গুইনা নাম্বার দিবি। এক বিঘা মানে ৫ নাম্বার,কি লিখছে তা ভুলেও দেখবিনা

    কিছু করার নেই দাদা সমস্যা ‘PROBLEM’ হয়ে গেছে ।
    ===========================================================

    1. সিগনেচারে ফেসবুক প্রোফাইলটা
      সিগনেচারে ফেসবুক প্রোফাইলটা দেখতে ভালো দেখায় না। আপনার প্রোফাইলে আপনার ফেসবুক লিংক এড করার অপশন আছে।

  11. অনলাইনে নিয়মিত আসা হয় না আর
    অনলাইনে নিয়মিত আসা হয় না আর তাই প্রিয় ব্লগারদের দারুন দারুন পোস্টগুলো মিস করছি ভীষণ। সে যাই হোক কথা হলো আপনি আমার জিপিএ অনুভুতিতে আঘাত হেনেছেন এরজন্য আপনাকে শাস্তি পেতেই হবে।

    শাস্তি পরে হোক এবার নিজের জীবনের কিছু কথা বলি, প্রথমবার যখন স্কুলে দশম শ্রেণীর টেস্ট পরীক্ষা দিচ্ছিলাম সেবার অংকের স্যার বললো প্রাইভেট পড়তে। স্যারের মুখের উপরই বলে দিলাম পড়তে আমার আপত্তি নাই যদি মাসের শেষে দক্ষিনা না নেন। বিশ্বাস করুন আমার বাসার সকলেই দেখেছে কিভাবে পড়েছিলাম আমি। শুধু কি পড়ার টেবিল? স্নান, হাগা, মুতা সবখানেই পড়েছি। এখনো মনে পড়ে হাগতে বসে উপপাদ্য রিভাইস দিয়েছিলাম অথচ ফলাফলে দেখা গেলো আমি ফেল মেরেছি ঐ অংকেই। বাকী সব বিষয়ে পাস করলেও ম্যাথের করুণ দশার কারণে আটকে দেয়া হয়। পরবর্তী বছরে একদিনও ক্লাস না করে পরীক্ষার আগে করে স্যারের বাসায় গিয়ে একটু কথা বলে (কিছু দিই নাই কিন্তু) নেচে গেয়ে পরীক্ষা দিয়ে টেস্টে পাস করেছিলাম। আর সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো ম্যাট্রিক পরীক্ষার সময় গান শুনে শুনে পরীক্ষা দিতে যেতাম আর হলে রঙ করা লম্বা চুল রাখার দায়ে আধা ঘন্টার পানিশমেন্ট পেয়েও “এ” গ্রেডে পাস করেছিলাম।

    এখন আপনার এ পোস্টের জন্য আমার এই “এ” গ্রেড পাওয়াটা পুরাই লুলায়িত হয়ে গেলো :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    1. এখানে কইছেন ভালো হইছে কেউ
      এখানে কইছেন ভালো হইছে কেউ শুনতনা। কিন্তু বাইরে কাউরে বইলেন না কিন্তু? এই যুগে এ গ্রেড মানে ত আমার চাইতেও অধম =P~ =P~

      1. ধুর কে কয় অধম? কত একটা পার্ট
        ধুর কে কয় অধম? কত একটা পার্ট লইয়া চলি সেটা কেমনে বুঝাই?
        যাউকজ্ঞা দাদা সত্যি কইতে লজ্জা নাই

        ১ কে ০ দিয়ে ভাগ করলে উত্তর কত হবে তখন যদি আমি উত্তর পাই যে ০ হবে

        এইটা মানতে নারাজ কেন তার মাজেজাটা যদি জানাইতেন তাইলে শিখতে পারতাম।

        1. কোন কিছুকে শূণ্য দিয়ে ভাগ
          কোন কিছুকে শূণ্য দিয়ে ভাগ করলে কী হয় সেটা কেউ জানে না। জ্ঞানী ব্যক্তিদের অর্ধেক বলে অসীম আর বাকি অর্ধেক বলে অসংজ্ঞায়িত…

        2. পাবলিক পরীক্ষাটা এখন আর

          পাবলিক পরীক্ষাটা এখন আর পুলাপাইনের কম্পিটেশন না, রাজনৈতিক দলগুলার কম্পিটেশন॥

          সহমত

        3. উত্তর পাইছেন ত ? শূন্য দিয়ে
          উত্তর পাইছেন ত ? শূন্য দিয়ে কোনোকিছুকেই ভাগ করা সম্ভব না। এখন আলোচনা করলে অনেক বড় হয়ে যাবে। আপাতত এইটাই জানেন। শূন্য দিয়ে ভাগ করলে সেটিকে অসীম বলত আগের ম্যাথমেটিশিয়ানিরা কিন্তু এখনকার ম্যাথমেটীশিয়ানরা বলেন অসংগায়িত। মানে এর ব্যাখ্যা নাই। জিগাইলেনই যখন তখন আপনার একখান টেস্ট লই। নিচের ইকুয়েশনটা দেখেন। কন ত দেহি এখানে ভুলটা কই?
          Let,
          a=b

          a^2=ab,(উভয়পক্ষকে a দিয়ে গুন করে)

          a^2-b^2=ab-b^2 (উভয়পক্ষ থেকে b^2 মাইনাস করে)

          (a+b)(a-b)= b(a-b)

          a+b=b, উভয়পক্ষকে (a-b)দ্বারা ভাগ করে

          a+a=a যেহেতু a=b

          2a=a

          2=1?

          কন দেহি এইখানে ভুলটা কই? 😀 😀 😀 😀

  12. পাঁচ বছর পরে যে হিসেব দিতে হয়
    পাঁচ বছর পরে যে হিসেব দিতে হয় ‘আমাদের সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে এই এই উন্নতি করছে’ ।
    আসলে পাবলিক পরীক্ষাটা এখন আর পুলাপাইনের কম্পিটেশন না, রাজনৈতিক দলগুলার কম্পিটেশন॥ 🙁

  13. হুহ !!সেই কস্মিন কালে , চরম
    হুহ !!সেই কস্মিন কালে , চরম আরামের সহিত পরীক্ষা দিয়া , বহুত কষ্ট কইরা , না পইড়া , পেছনে/পাসে/সাম্নে দেইখা লুজ আদান প্রদান কইরা এস এস সি দিছিলুম :শয়তান: :শয়তান: । সুনার অ্যাঁ + পাইছিলুম, । আপনি আমার জি পি এ অনুভুতিতে তে আঘাত করিয়াছেন । 😀 :হাসি: :হাসি: :হাসি: ।

    সিস্টেম বদলানোর আগে আমাদের অভিভাবক দের মানসিকতা এমন কি স্টুডেন্ট দের এ + সম্পর্কিত ভ্রান্ত বিশ্বাস বদলাতে হবে ।

    1. সিস্টেম পাল্টালে তারা
      সিস্টেম পাল্টালে তারা অটোমেটিক বোঝে যাবে। কেউ এ্যা প্লাস পেয়ে “আমি এ্যা প্লাস পাওয়ার যোগ্য না,এমনিতেই পেয়ে গেছি” এমন কথা বলবে সেটি আশা করা হাস্যকর,তাই না?

  14. অভিভাবক জাত কে কিছুটা
    অভিভাবক জাত কে কিছুটা কৃতিত্ব(!!!) দিতেই হবে। তারা এখন মেরুদণ্ড চান না, কাগজের সার্টিফিকেট চান…

    সময়োপযোগী লেখা… :ফুল: :ফুল:

    1. আপনি তো তাও কাগজের
      আপনি তো তাও কাগজের সার্টিফিকেইটটা দেখাতে পেরেছেন। আমি যে তাও পারি নি… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *