ভালবাসা নেই – দুই

এরপর থেকে আম্মুকে ফোন করলে আম্মুই ধরত।নিরার কথা জানতে চাইলে মা বলে বেড়াতে গেছে হয়ত।আনন্দ ফুর্তি করে দিন কেটে যাচ্ছিল।এর মধ্যে একদিন সাফিয়া কে নিয়ে ঘুরতে গেছি পতেঙ্গা ওখানে সিমার সাথে দেখা।আমরা একি কোচিংয়ে পড়তাম একি সাথে বসতাম সবকিছু একসাথেই করতাম।একদিন আমি ঘুমাই পড়ছিলাম একেবারে ওর কোলে পুরো দেড়ঘন্টা ও ওইভাবে ছিল যতক্ষন না আমার ঘুম ভেঙ্গেছিল।আমরা যাচ্ছিলাম বান্দরবান।এজন্য অবশ্যই কম খোটা দেয় নাই।ও আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরে।আর ওদিকে সাফিয়া দেয় উল্টো দিকে হাঁটা।ওকে অনেক বুঝালাম বাট ও আর আমার সাথে থাকতে চায়না।ও সিমাকে জড়িয়ে আমাকে অনেক বাজে কথা বলে এন্ড ফাইনালি উই আর নাও সিঙ্গেল।এরমধ্যে রেজাল্ট বের হওয়ার সময় হয়ে আসল।হঠাৎ করে মা ফোন করে বলল মেডিকেল আয়।বুকের ভিতরটা কেমন করে উঠল।মেডিকেল কেন?মেডিকেল এসে দেখি বাড়ির অনেকেই এসেছে।যা বুঝলাম নিরা বিষ খেয়েছে।ডাক্তারের সাথে দেখা করলাম ড. বলল সি ইজ ওকে বাট ভেরী বেড কন্ডিশান ব্লাড দূষিত হয়ে গেছে ব্লাড ক্লিন করা হচ্ছে।মায়ের কাছে গেলাম মা এসব কিভাবে হল।মা এই প্রথম আমাকে চড় মারলেন।প্রেম করিস এটা সবাইকে বলে বেড়াতে হবে।মা এসব কি বলছ তুমি আমি তো কাউকে বলিনি।নিরাকে বলিসনি তুই।বলেছি ও বলল ভাইয়া তোমার কোন পছন্দের মানুষ আছে তাই।কাকে কি বলা উচিত বলার আগে ভাববিতো নাকি।আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা।তুই যেদিন ওকে সাফিয়ার কথা বললি এরপর থেকে ও আমার কাছে আসত না।আমি ভাবলাম হয়ত পরীক্ষা টরীক্ষা কিছু অথবা কোথাও গেছে।আজকে ওর বাবার সাথে জমি নিয়া ঝগড়া হইছে।ও আমার কাছেই আসছিল দেখা করতে।ওকে দেখে হঠাৎ আমি রেগে গেলাম।বললাম কেন এসেছিস পোড়ামূখী,হতচ্ছাড়া,নচ্ছার।কোন মুখে আসছিস তুই।ও বলল ফুফি তুমিই না বলছ এটা আমার ঘর যখন খুশি আসতে পারি।তা পারিস এতদিন কইছিলি আমি ভাবছি তোর আবার কি হইল।না কিছু হয় নাই এমনি।তোর ওই হাতে কি?কই নাতো।তুই এই ফটোটা নিয়ে এলি যে।এইটার জন্যে তুই কদিন আগে কাদঁছিলি না।এটা রেখে দাও।সে আমাকে রোজ কাদঁতে হবে।মানুষটা আমার হবে না ফটো দিয়ে করব কি।কি বলছিস এসব।তোমার ছেলে আরেক জনকে ভালবাসে।কে এই খবর দিল তোকে।সে নিজেই।আমি যায় সন্ধ্যা হয়ে এল।পথে পাশের বাড়ির ওর বন্ধু দিশার সাথে দেখা দিশা বলল কিরে শশুর বাড়ির থেকে আসছিস মনে হয়।দিশাকে কিছু না বলে কাদঁতে কাদঁতে দিশাদের মুরগীর খোয়াড়ের পিছনে চলে গেল।দিশা ভাবল হয়ত মুরগী টুরগী আনতে ওই দিকে গেছে।

১ thought on “ভালবাসা নেই – দুই

  1. চোখ দুটোকে বিশ্রাম দিতে হবে,
    চোখ দুটোকে বিশ্রাম দিতে হবে, লেখাগুলো বেশ হিজিবিজি। যতি চিহ্নের ব্যবহার বর্তিকা মেনে লেখার চেষ্টা করুন। গল্পে কন্টেন্টের অভাব রয়েছে।

Leave a Reply to অসুস্থ মগজ Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *