ভালবাসা নেই – এক

আমি তখন ক্লাস ওয়ানে পড়ি।স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খাওয়া সেরে উঠলাম।স্যার চলে আসছে পরতে বসলাম।আম্মু এসে বলল আজকে স্যার যেন তাড়াতাড়ি ছুটি দেয়।আমাদের বাড়ির এক আঙ্কেলের মেয়ের নাম রাখবে তাই।আমার খুশি দেখে কে।যথারীতি অনুষ্ঠানে গেলাম নাম রাখা হল নিরা।আমি প্রাইমারীর গন্ডি পেরিয়ে হাইতে।নিরা আমাদের বাসায় আসত আমি অবসরে ওর সাথে খেলতাম।প্রায় প্রতিদিনই ও আসত আম্মুকে পুরো বাড়ির সবার অবস্থা বর্ননা করত।ও স্কুলে এডমিট হল প্রথম প্রথম আমিই ওকে নিয়ে যেতাম।পরে ও একাই যেত।পড়ালেখা নিয়ে দুজনই ব্যাস্ত।তারপরেও ছুটির দিনটাই আমরা জমিয়ে আড্ডা দিতাম।বাড়িতে জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা হল ওদের ফ্যামিলির সাথে।ব্যাস ও আর এ দিকটাই আসতনা।মাঝে মধ্যে রাস্তায় ওর সাথে দেখা হত।ও কেমন যেন লজ্জা পেত।আমি ও স্কুল লাইফ শেষ করে কলেজ লাইফে পা দিলাম।গ্রামে মায়ের কাছে যাওয়া হত না।বাবা ছুটির সময় মাকেই নিয়ে আসত।কেননা বাবা মায়ের অনলিওয়ান আমি আর গ্রামে জায়গা জমির ঝামেলা আমার না যাওয়ায় ভালো।এর মধ্যে মা অসুস্থ থাকায় গ্রামে গেলাম মাকে দেখতে।বাবা বলে দিয়েছে মাকে একনজর দেখেই যেন শহরে চলে আসি।সামনে আমার পরীক্ষা তাই আমি ও চলে আসছিলাম।কিন্তু মা কেন জানি আরেকটু দেরী করার জন্য বলল।দেখি এক উঠতি বয়সী যৌবনে সবে মাএ পা দিয়েছে এমন একটা মেয়ে আমাদের উঠোন বেয়ে উঠছে।আমার সামনে দিয়ে মায়ের ঘরে ঢুকলো মাকে কিসব বলে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আমার দিকে তাকিয়ে হালকা একটা হাসি দিয়ে চলে গেল।মা এসে বলল কিরে চিনতে পারলি ও নিরা।আমি তো পুরাই টাশকি খাইয়া গেলাম।এই মেয়ে এত্তো বড় হই গেছে।ওই দিন আর যাওয়া হইল না।সন্ধ্যা হয়ে গেছে।পরদিন সকালে রওনা দিলাম পথে ওর সাথে দেখা।দৌড়ে আসল চলে যাচ্ছেন।ফুফিতো বলল আজকে থাকবেন।নারে পরীক্ষা আছে।কালকে তুই কথা বললিনাযে পার্ট মারিস।না দেখছিলাম আপনে আমারে মনে রাখছেন কিনা।তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস।ভাল থাকিস আসিরে।এরপর ফাইনাল পরীক্ষা চলে আসল মা,বাবা দুজনই টাউনে চলে আসল।মায়ের সাথে একদিন আমার প্রেমিকার দেখা করায়ে দিলাম।She was very beautifull but কেন জানি মা তেমন কিছু বললেন না।মা গ্রামে চলে গেলেন আমি পরীক্ষা শেষ তাই গ্রামে যেতে চাইলাম বাট আম্মু নিষেধ করল।তারপর থেকে আম্মুর সাথে তেমন কথা হতো না।ফোন করলে বেশির ভাগ সময় নিরা ধরত মোবাইলের সুবিধার্থে ওর সাথে জমিয়ে আড্ডা মারা হতো।বুঝলাম ও সেই ছোট্টটি নেই।ও আমাকে প্রেম ভালবাসা এসব নিয়ে প্রশ্ন করতো প্রায় প্রতি দিন।তারপর একদিন আমার প্রেয়সীর কথা ওকে বলি।

২ thoughts on “ভালবাসা নেই – এক

  1. একটু স্পেস দিয়ে প্যারা করে
    একটু স্পেস দিয়ে প্যারা করে লিখলে পড়তে আরাম লাগে। ভবিষ্যতে এই ব্যাপারে একটু নজর দিয়েন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *