দুখ ভাসানিয়া

ও মেয়ে তোর বিষাদ কেন
শাড়ির আঁচল জুড়ে ?
হাতের মাঝে মুখ লুকোলি
কোন আগুনে পুড়ে ?

সেই আগুনটি অচেনা খুব ?
খুব কী ধংসপ্রবণ ?
কবে থেকে জ্বলছে বুকে
কতো হাজার শ্রাবণ ?

আগুণ বুকে ফাগুণ মাসে
কৃষ্ণচূড়া হাসে,
দুঃখগুলো কুড়িয়ে মালা
কে গাঁথতে ভালোবাসে ?

পোড়ামুখী আমাকে দ্যাখ তাকা হৃদয় খুলে
চোখের মাঝে সাগর লুকোই অতি সঙ্গোপনে ।
সোনার খাঁচায় সুখ লুকোনো মানে সর্বজনে
জানলিনা মন সবার বসত দুঃখ নদীর কুলে ।

তোকেই বলি হে অভাগী
মিছেই মরিস কেঁদে
এইবার তুই রুখে দাঁড়া
কোমরখানি বেঁধে

তোর দু’কুল যদি ভাসলো ভীষণ
করাল ঢেউয়ের তোড়ে,
বুক বেঁধে তুই আবার দাঁড়া
আঁধার শেষের ভোরে ।

১৩ thoughts on “দুখ ভাসানিয়া

    1. ” তোর দু’কুল যদি ভাসলো
      ” তোর দু’কুল যদি ভাসলো ভীষণ
      করাল ঢেউয়ের তোড়ে,
      বুক বেঁধে তুই আবার দাঁড়া
      আঁধার শেষের ভোরে । ”

  1. কবিতার বিষয়বস্তু ভাল । তবে
    কবিতার বিষয়বস্তু ভাল । তবে আপনি কবিতার উপস্থাপনাতে ছন্দের দিকে বেশি নজর দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে । ছন্দ নয় । আগে বিসয়বস্তুর বর্ণিল উপস্থাপনা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *