দাড়ি-টুপি বাঙ্গালীর সত্যিকার চাওয়া

গীটার নিয়া রাস্তায় রাস্তায় ঘুরাঘুরি ইদানিং বেশীই পড়তাছে। গীটার হাতে দেখলেই রাস্তার ছেলেগুলা তাকায় থাকে। চাউনিতেই বলে দেয়, সবাই এমন একটা কিছুই হতে চায় যে গীটার নিয়া ঘোরে। লাজলজ্জার মাথা খেয়ে বলেই ফেললাম, যারা তাকায় থাকে তারাও চায় গীটার নিয়া ঘুরতে, মানে আমার মতো হতে! নিজেরে বেকুব লাগে তখন যখন কেউ আমারে সেলিব্রেটি মনে কইরা আমার মতো হইতে চায়। কিছু বেহায়া বেলাজ তো বলেই ওঠে ভাই গীটার বাজানো শিখুম, বা ভাই আপনার গীটারখান একটু বাজাই( যদিও তারা বাজাইতে জানে না)।
একসময় গীটার হাতে দাড়ি-টুপি পরা কারুর সামনে যেতে লজ্জা লাগত। বেচারা আল্লাকে পাওয়ার জন্য দুনিয়াদারী বাদ দিছে আর আমি গীটার নিয়া মজা করতাছি! কিন্তু ইদানিং লজ্জা করেনা। খুব বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি কয়দিন দাড়ি-টুপির লোকগুলাও গীটারের দিকে চেয়ে থাকে করুণ দৃষ্টিতে! সাধারণ মানুষগুলোর দৃস্টি দেখে দেখে অভ্যস্ত, তাই ইদানিং বুঝতে পারছি দাড়ি-টুপি বাঙালি কি চায়!
আসলে এটাই আমাদের সমাজ! টাকা না থাকলে মানুষ ছেলেরে কঊমি মাদ্রাসায় দেয়, টাকা থাকলে স্কুলে। আজ আমার বাপের টাকা আছে বলেই আমি গীটার নিয়া ঘুরি। আর ওই দাড়ি-টুপির হেফাজতের গুরুদায়িত্ব কাধে তুলে নেওয়া মহান মানুষগুলোও নবীকে মুখে আদর্শ মানলেও মনে মনে আদর্শ মেনেছে আমাকে।

৬ thoughts on “দাড়ি-টুপি বাঙ্গালীর সত্যিকার চাওয়া

    1. ওইডা তেমন আহামরি কিছু না।
      ওইডা তেমন আহামরি কিছু না। হাতে গীটার থাকলেই হয়না সাধনা লাগে। আমার সেইডাই নাই। পোলাপাইন গীটারের দিকে হা কইরা চাইয়া থাকে আর আমি মজা লই।

  1. মাদ্রাসায় টাকা ঢালেন, ব্যাঙের
    মাদ্রাসায় টাকা ঢালেন, ব্যাঙের ছাতার মত আল্লাহর ঘর বানান, তখন গীটার ছাড়াও আপনি সেলিব্রেটি!! :চশমুদ্দিন: :খুশি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *