শিয়াল পন্ডিতের ছাগু শিক্ষার ইতিবৃত্ত

একদা এক বোকা কুমির শিক্ষা অর্জন করিতে আসিল শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালায়। আপনেরা যারা ভাবিতেছেন গল্পে গন্ডগোল আছে, মানে শিয়াল পন্ডিতের কাছে কুমিরের ৭ বাচ্চার শিক্ষা অর্জন করার বদলে খোদ বোকা কুমির কেনো আসিলো তাদের আস্বস্ত করিতেছি যে উহা ভিন্ন গল্প। এই গল্পের বোকা কুমির নিজেই শিকার করিয়া নিজের উদর ঠান্ডা করিতে পারেনা, বাচ্চা পালিবে কিরূপে? এই বোকা কুমির শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালায় আসিল শিকার উপযোগী তাবৎ পশু সমাজ ও উহার শিকার পদ্ধতি লইয়া শিক্ষা লাভ করিতে। শিক্ষা শেষে গরু, মহিষ, হরিন যা কিছু কুমিরএর প্রকৃতিপ্রদত্ত্ব মালিকানায় পরে উহাদের শিকার করিয়া খাইয়া কুমির উদরপূর্তি করিবে। মোট ১৫ দিনের কোর্স। গুরু দক্ষিনা দিতে হইলো এডভান্স ১৫ কেজি ইলিশ মাছ। শিয়াল পন্ডিতের ইলিশ মাছ বড়ই পছন্দ।

হাতেখড়ির প্রথম দিনেই শিয়াল পন্ডিত ইলিশ মাছ ভাজা খাইতে খাইতে একটা কিম্ভুত কিমাকার বদগন্ধময় জন্তু বোকা কুমিরএর সামনে লইয়া আসিল। শিয়াল পন্ডিত বলিল, “এই জন্তুটি চিনিয়া রাখো, ইহার নাম ছাগু। জগতে একমাত্র এই ছাগু খাইয়াই তুমি সারা জীবন সুখে শান্তিতে দিনাতিপাত করিতে পারিবে। সুতরাং ইহাকে দেখো ও ভালো করিয়া চিনিয়া রাখো”। ছাগুকে ভালো মতো পরোখ করিয়া দেখিয়া বোকা কুমির হা করিয়া উহাকে খাইবার উপক্রম করিলেই শিয়াল পন্ডিতের লাঠির বাড়ি পরিল উহার মাথায়। শিয়াল পন্ডিত বলিল, “বোকা কুমির, তোমার ছাগুশিক্ষা সমাপ্ত হয়নাই। ছাগুশিক্ষা সমাপ্তি হওয়ার আগে পর্যন্ত তুমি ছাগু খাইতে পারিবানা। মোট ৭ প্রকারের ছাগু আছে। প্রতিদিন তুমি নতুন একটা ছাগু দেখিবে এবং উহাদের ফারাক ও মিল দেখিয়া ছাগুশিক্ষায় এলেম অর্জন করিবে। ইহা ছাড়াও ছাগুকে তুমি যুদ্ধাপরাধী হিসাবে খাইবে নাকি মানবতাবিরোধী হিসাবে খাইবে এইরকম নানান তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া তোমার শিক্ষা করিতে হইবে। তাহার আগে পর্যন্ত তোমার ছাগু খাওয়া জায়েজ হইবেনা।

বোকা কুমির অনেকদিনের অভুক্ত। ছাগু দেখিয়া মারিয়া খাইবার জন্যে উহার প্রাণ আনচান করিতে ছিল। কিন্তু ঠান্ডা রক্তের প্রাণী হওয়ায় কুমির দীর্ঘদিন না খাইয়া থাকিতে পারে, আরো অন্তত ৭টা দিন সে ধৈর্য্য ধরার স্বিদ্ধান্ত নিলো। একে একে ৭ দিন শিয়াল পন্ডিত ৭ খানা ছাগু কুমিরের সামনে লইয়া আসিল। নানান রঙের, নানান ছোপের, নানান আকাড়ের ৭ খানা ছাগু দেখিয়া ৭ দিনেই বোকা কুমির ছাগু বিশেষজ্ঞ হইয়া উঠিল। কিন্তু গোল বাধিল সপ্তম দিনের মাথায়। সেইদিনও রোজকার মতোই শিয়াল পন্ডিত ইলিশ মাছ ভাজা খাইতে খাইতে একখানা নাদুস নাদুস ছাগু লইয়া উপস্থিত হইলো কুমিরের সামনে। নাদুস নুদুস ছাগুর বৈশিষ্ট বর্ণনা শেষ হইছে কি হয়নাই ক্ষুধার্ত কুমির ছাগুর পাছায় প্রায় কামড় বসাইয়া দিলো আর কি। শিয়াল পন্ডিত হায় হায় করিয়া কুমিরকে নিবারণ করিল। ব্যাথিত চিত্ত্বে কুমির বলিল, কিন্তু গুরু আপনিইতো বলিয়াছিলেন ৭ দিন পার হইলে ছাগু শিক্ষা সমাপ্ত হইবে এবং আমি ছাগু খাইতে পারিবো। শিয়াল পন্ডিত এবার বলিল, “দেখো বোকা কুমির, আমি যাহা জানি তুমি তাহা জানোনা, আমি যাহা বুঝি তুমি তাহা বোঝনা, আমার কাছে অনেক গোপন খবর ও ইতিহাস রহিয়াছে যা সম্বন্ধে তুমি অবগত নও”; কিছুই না বুঝিয়া বোকা কুমির ফ্যাল ফ্যাল করিয়া শিয়াল পন্ডিতের মুখের দিকে তাকাইয়া রইলো। শিয়াল কহিল, “পরিস্থিতি পরিবর্তিত হইয়াছে, চারিদিকে মানবতাবিরোধী ষড়যন্ত্রের আভাস। এই অবস্থায় আগে তোমার ছাগুর লেঞ্জা শিক্ষা সমাপ্ত করিতে হইবে। আর তাছারা ছাগু তুমি যুদ্ধাপরাধী হিসাবে খাইবে না মানবতাবিরোধী হিসাবে খাইবে ইহা তোমার আগে শিখিতে হইবে”; ক্ষুধার্ত কুমির এইবার তর্ক জুড়িল, “কিন্তু হুজুর, যাহা খাওয়ার জিনিস উহা খাইয়া ফেলিলেই তো ল্যাঠা চুকিয়া যায়, এতকিছু হিসাব করিয়া খাইতে হবে কেনো? শিয়াল পন্ডিত এইবার বিরক্ত মুখে জবাব দেন, “দেখো বোকা কুমির, আমি যাহা জানি তুমি তাহা জানোনা, আমি যাহা বুঝি তুমি তাহা বোঝনা, আমার কাছে অনেক গোপন খবর ও ইতিহাস রহিয়াছে যা সম্বন্ধে তুমি অবগত নও। এরপরও যদি তুমি আমার সাথে তর্ক করো তাইলে তুমি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি”; এই কথা শুনিয়া কুমির সেইদিনের মতো চুপ গেলো।

অস্টম দিনে শিয়াল পন্ডিত একখানা মুরগি লইয়া আসিল এবং কুমিরকে বলিলো, “দেখো, কি অসামান্য ছাগু”; বোকা কুমির আরো বোকা বোকা চেহারায় জিজ্ঞাসা করিল, “কিন্তু হুজুর এতো মুরগি দেখা যায়”। শিয়াল পন্ডিত কহিল, “না, ইহা ছাগু। দেখো, ইহার লেঞ্জা আছে। সুতরাং ইহা ছাগু। লেঞ্জা ইজ আ ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড”; এইভাবে পরের ৫ দিন শিয়াল পন্ডিত একখানা গরু, একখানা বিলাই, একখানা খরগোস, একখানা ইন্দুর ও একখানা সাপ কুমিরের কাছে লইয়া আসিলো এবং কহিল, “দেখো, কি অসামান্য ছাগু। লেঞ্জা ইজ আ ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড”; কুমির এখন আর কিছু বলেনা, বিমর্ষ মুখে ১৫ দিন পার করিবার আশায় সে দিন গুনে। কিন্তু চতুর্দশ দিনে যখন শিয়াল পন্ডিত ইলিশ মাছ খাইতে খাইতে কোন জন্তু ব্যাতিরেকে উপস্থিত হইলো কুমির তখন নড়িয়া চরিয়া বসিল। মাছ খাওয়া শেষে শিয়াল পন্ডিত উহার পকেট থেইকা এক ঠোঙা চীনা বাদাম বাহির করিয়া কুমিরের মুখের সামনে ধরিয়া কইল, “দেখো, কি অসামান্য ছাগু”। কুমির অবাক হইয়া সুধাইলো, কিন্তু গুরু, উহাদের লেঞ্জা কোথায়? শিয়াল কহিল, “ইহাই তো ঘোড় দুর্যোগের বিষয়, উহাদের লেঞ্জা হিডেন”; কুমির পালটা জিগাইলো, “কিন্তু হুজুর, আপনেইতো শিখাইছেন যে, “লেঞ্জা ইজ আ ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড”; শিয়াল পন্ডিত এবার বলিল, “দেখো বোকা কুমির, আমি যাহা জানি তুমি তাহা জানোনা, আমি যাহা বুঝি তুমি তাহা বোঝনা, আমার কাছে অনেক গোপন খবর ও ইতিহাস রহিয়াছে যা সম্বন্ধে তুমি অবগত নও। এরপরও যদি তুমি আমার সাথে তর্ক করো তাইলে তুমি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি”। এই কহিয়া শিয়াল পন্ডিত রূষ্ঠ চিত্ত্বে পাঠশালা ত্যাগ করিল, আর ক্ষুধার্ত কুমির বিমর্ষ চিত্ত্বে কোনরকমে আর ১টা দিন পার করিবার আশায় বসিয়া রহিল।

পঞ্চদশতম দিনে শিয়াল পন্ডিত একখানা কাঠাল লইয়া উপস্থিত হইলো এবং কহিল, “ইহা একটি চীনাবাদাম”; কুমির কোন তর্ক না করিয়া কহিল, “আইচ্ছা যান, ইহা একটি চিনাবাদাম। এইবার আমারে ছাগু খাইতে দেন”; শিয়াল পন্ডিত এইবার গভির মুখে কহিল, “দেখো পরিস্থিতি পরিবর্তিত হইয়াছে, ছাগু শিক্ষার সাথে তোমাকে এখন চীনাবাদাম শিক্ষাও করিতে হইবে। আর তাছাড়া ছাগুদের তুমি যুদ্ধাপরাধী হিসাবে খাইবে না কি মানবতাবিরোধী হিসাবে খাইবে তা এখনো ঠিক করা যায়নাই। সেইসাথে ছাগু ভোজন প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক ভাবেও অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং পরিস্কার হইতে হইবে”; কুমির এবারো কোন তর্ক না করিয়া শুধাইলো, তাইলে এখন আমার কি করনীয়? শিয়াল কহিল “তুমি যাও, আমার জন্যে আরো ১৫ কেজি ইলিশ মৎস লইয়া আসো এবং আরো ১৫ দিনের এডভান্স ছাগুশিক্ষা ও চিনাবাদামশিক্ষা কোর্সে ভর্তি হও। নয়তো এই বদমাইশ ছাগুরা প্রাণে বাচিয়া যাইবে”।

বোকা কুমির কিছুক্ষন চুপ করিয়া বসিয়া থাকে। উহার পরে বিরাট হা করিয়া শিয়াল পন্ডিতের উপর ঝাপাইয়া পরে। শিয়াল পন্ডিত ভয়ে চিৎকার করিয়া উঠে, আরে বোকা কুমির, তুমি কি করিতেছো? ক্ষুধার জ্বালায় কি বিবেক হারাইয়াছো? কুমির কহিল, না হুজুর, আমি ছাগু খাইতেছি। আপনের লেঞ্জা আছে, আপনে একজন ছাগু। লেঞ্জা ইজ আ ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড, এই বলিয়া কুমির শিয়াল পন্ডিতকে মারিয়া উহার গোস্ত খাইয়া ক্ষুধা নিবারণ করিল।

১৬ thoughts on “শিয়াল পন্ডিতের ছাগু শিক্ষার ইতিবৃত্ত

  1. (No subject)
    :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  2. হাহাহাহাহাহাহাহা…. পুরা
    হাহাহাহাহাহাহাহা…. পুরা পাডায়া দিছেন।
    :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  3. বোকা কুমির কিছুক্ষন চুপ

    বোকা কুমির কিছুক্ষন চুপ করিয়া বসিয়া থাকে। উহার পরে বিরাট হা করিয়া শিয়াল পন্ডিতের উপর ঝাপাইয়া পরে। শিয়াল পন্ডিত ভয়ে চিৎকার করিয়া উঠে, আরে বোকা কুমির, তুমি কি করিতেছো? ক্ষুধার জ্বালায় কি বিবেক হারাইয়াছো? কুমির কহিল, না হুজুর, আমি ছাগু খাইতেছি। আপনের লেঞ্জা আছে, আপনে একজন ছাগু। লেঞ্জা ইজ আ ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড, এই বলিয়া কুমির শিয়াল পন্ডিতকে মারিয়া উহার গোস্ত খাইয়া ক্ষুধা নিবারণ করিল।

    ইহাই বড় বাস্তবতা। একদিন এরকমই হইবে। :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

  4. আর কত!
    খুলে দিবো সব ভন্ড আর

    আর কত!

    খুলে দিবো সব ভন্ড আর বেঈমানদের মুখোশ।

    পোস্ট মাশাল্লাহ হয়েছে। :নৃত্য: :নৃত্য:

  5. এক কথায় অসাধারণ বলতে পারি!!
    এক কথায় অসাধারণ বলতে পারি!! ব্যাপক মজা পাইলাম…
    কিন্তু একটু তবে থেকে গেল!! সবাই কি এড়িয়ে গেল?
    বুঝলাম না… কুমির কি শেষ পর্যন্ত শিয়ালকে খাবে নাকি কুমিরকে ছাগু খাওয়ানো হবে তা এখন সময় সাপেক্ষ ঠেকছে আমার কাছে… আর সাধারণ জনগনকে কুমিরের সাথে তুলনা করাটা থিকন হল না!!
    কিন্তু, গল্প চমৎকার!! আর কোন কথা হবে না…
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  6. আমি ছাগু খামু!!
    আমি ছাগু খামু!! :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  7. খি খি খি খি খি..……
    উক্ত

    খি খি খি খি খি..……
    উক্ত গল্পের হিডেন ল্যান্জাটি ভোরের আলো ন্যায় আমার কাছে প্রস্ফুটিত হইয়াছে…আমি অত্যইন্ত প্রহসিত হইয়াছি.…

  8. ভাল হয়েছে, অসাধারণ হয়েছে
    ভাল হয়েছে, অসাধারণ হয়েছে দেখেছি । অস্থির কথাটা কোন অর্থে নুনদু ভাই, বুঝলাম না…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *