মুসলিম যুবককে ভালবেসে হিন্দু মেয়ের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তর!

প্রতিটি মানব সন্তান জন্ম মাত্রই তিনি তাঁর মা ও বাবার কাছে ঋনী। ৩৯ সপ্তাহের প্রতিটি মূহুর্ত কী অসহ্য যন্ত্রণা ধারণ করে যে মা তাকে গর্ভে ধারণ করেছেন, জম্নের পর আতুরঘর থেকে দাঁড়িয়ে হাঁটাচলা অবধি কত রাত্র যে মা ঘুমুতে পারেনি, এটা সেদিনই অনুভব করে যেদিন ঐ মেয়েটি একদিন নিজেই সন্তান ধারণ করে ও মা হয়। বাবা কী অসম্ভব পরিশ্রম করে ও কত স্বপ্ন বুনেন সন্তানকে নিয়ে, বট বৃক্ষের মতো আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তার ছায়া তৈরী করে সন্তানের ভবিষ্যত রচনার জাল বুনন করেন – মা ও বাবার সেসব অজস্র ঋণ হিন্দু মেয়েটিগুলি এত নিমর্মভাবে পরিশোধ করে – এটা কখনো কাম্য হতে পারে না। যে সন্তানের আগমনে বাবা-মা উভয়ে অনেক কষ্ট স্বীকার করেও তাঁদের ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে, সন্তান জম্নের পর যে বাবা-মা উভয়ে ঈশ্বরের কাছে তাদের নিজেদের জন্য প্রার্থনা করেনা, যা করেছেন তাদের সন্তানের জন্য, সেই লালিত সন্তান ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ছেলেদের হাত ধরে পালায় এবং মৃত্যুর পুর্বেই ওরা তাদের মা ও বাবাকে নরক যন্ত্রনা উপহার দেয় –সে সব মেয়েগুলি সুখী হতে পারবে কি করে?



মুসলিম যুবককে ভালবেসে হিন্দু মেয়ের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তর! একি ভালবাসা না মোহ? মা ও বাবার অকৃত্রিম ভালবাসার সাথে বিশ্বাসঘাতকতার পরিণাম যে কত ভয়াবহ এ শুধু ভুক্তভোগীরাই জানেন।

অতি সম্প্রতি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় যে লক্ষ্মীপুর জেলার চক্রবর্তী ব্রাহ্মন পরিবারের এককন্যা যে কি না সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে শিক্ষকতা করছেন – তিনি প্রেম ও মোহাবিষ্ট হয়ে ঘর পালিয়ে একমুসলিম যুবক বিয়ে করেন এবং পিতৃালয় ছেড়ে লক্ষ্মীপুর শহরে এককক্ষের একটি বাসা ভাড়ায় নতুন সংসার শুরু করেন। কিন্তু নতুন সংসার শুরুর মাস খানেক পর প্রেমিক বর মেয়েটিকে একা রেখে উদাও। হিন্দু ব্রাহ্মন পরিবারের মেয়েটি বর্তমানে ভীষন একা, কারণ মেয়েটি যাদের অকৃত্রিম ভালবাসা ত্যাগ করে এসেছেন সেই হিন্দু ব্রাহ্মন পিতা ও তার পরিবার মেয়েটিকে পুনরায় তাদের ঘরে তুলে নিতে আসবে না। অন্যদিকে মুসলিম যুবকটির পরিবারও মেয়েটির কোন খোঁজ খবর নিচ্ছে না। এটি হিন্দু ব্রাহ্মণপরিবারের মেয়ে এবং পরিবারের অমতে তাদের ছেলে বিয়ে করেছে, যা তাদের জন্য ভবিষ্যতে সমস্যা (বোঝা) হয়ে দাঁড়াতে পারে। অতি সঙ্গতঃ কারণে লক্ষ্মীপুরের এ ঘটনাটির মেয়ে ও তাঁর পিতৃপরিচয় তুলে ধরা হলো না।

পিতা-মাতার অমতে/অজান্তে ও তাদের অকৃত্রিম ভালবাসা অশ্বীকার করে কিংবা তাদের মনে কষ্ট দিয়ে – মোহাবিষ্ট হয়ে ভিন্ন ধর্মের কারো সাথে প্রেম, দৈহিক সম্পর্ক ও প্রণয়ের পরিনাম কি করুন হতে পারে তার হাজার হাজার উদাহরন আমাদের চারপাশেই রয়েছে আছে। একজন ফেইজবুক বন্ধু জনাব মহসিন আলম, একজন সৎ পুলিশ কর্মকর্তা, তিনি তাঁর ফেসবুক ওয়ালে এধরনের ঘটনা ও করুন পরিনতি অতি সম্প্রতি তুলে ধরেছেন – উদাহরণ হিসাবে তাঁর লেখাটি হুবহু তুলে ধরছি – (সূত্র https://www.facebook.com/mohammad.mohsin.1257/posts/1590099577687777)
******************************************************************

“সম্ভ্রান্ত স্বচ্ছল হিন্দু পরিবারের মেয়ে ছিল রত্না । একমাত্র এই মেয়ের প্রতি আদর ভালবাসার কোন কমতি রাখেননি বাবা-মা। ঘাটতি রাখেননি কোন চাহিদাই। মেয়ের আবদার পূরণ করতে গিয়েই স্কুলে কোচিংয়ের পাশাপাশি বাসাতেও শিক্ষক রেখেছিলেন তারা। আর এই সিদ্ধান্তনটাই পাল্টে দেয় রত্নার জীবনের রেখা। পাঠ্য পড়ানোর ফাঁকে ফাঁকে রত্নাকে ‘প্রেমের’ পাঠের জটিল সমীকরণটাও মিলিয়ে দেয় গৃহশিক্ষক সাইফুল। পাঠ্য বাদ দিয়ে ‘প্রেমের’ পাঠেই মজে যায় রত্না। প্রেমের চূড়ান্ত পরিণতি দিতে প্রথমে পরিবার, এরপর এলাকা এবং ধর্মও ছেড়ে দেয় রত্না। ভাবছেন কাঠখোট্টা ওসির কী বোর্ডের বাটনগুলো থেকে প্রেম কাহিনী বের হচ্ছে কেন? আপনাদের জানানোর কয়েক মিনিট আগেই আসলে জানছি এ কাহিনীটা। রত্না এখন আমার হাজতে। ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বায়েজিদ বোস্তামি এলাকা থেকে। পলাতক যে প্রেমকাহিনী পড়লেন সেটাও এখনকার নয়, ৩৫ বছর আগের! জি, ৩৫ বছর আগে রাঙ্গুনিয়া থেকে গৃহশিক্ষকের সাথে পালিয়ে বায়েজিদ এলাকায় স্থানীয় হয় রত্না। চার মেয়ে ও দুই ছেলের এই জননী এখন ১৪ মামলার আসামী। সাদা-কালো যুগের তার রঙ্গিন প্রেমের করুণ পরিণতিটা জানলাম তার মুখ থেকেই।

পালিয়ে আসার পর ভিন্ন এক সাইফুলের সাথে পরিচয় হয় রত্নার। গৃহশিক্ষক সেই সাইফুল আর স্বামী এই সাইফুলের মধ্যে অনেক তফাৎ। কয়েক মাসের মধ্যেই বুঝতে পারল তার স্বামী মাদকসেবী। রত্নার চেয়ে এই মাদকের প্রতিই তার বেশী ভালবাসা। রত্নার জন্য সে মাদক ছাড়তে পারে না। কিন্তু মাদকের জন্য রত্নার গায়ে ঠিকই হাত তুলতে পারে। বায়েজিদে ১০১ টি ঘরের মালিক সাইফুল ছিল কার্যত বেকার। আয়ের কোন উৎস ছিল না। মাদকের টাকা যোগাড়ে প্রথমে ঘরের আসবাবপত্র, এক পর্যায়ে ঘর বিক্রি শুরু করে সে। এভাবে এক পর্যায়ে তার থাকার ঘরটি ছাড়া সবগুলো ঘরই বিক্রি হয়ে যায়। কিন্তু এরপরও তার নেশার প্রতি অদম্য টানটা থেকে যায়। এই নেশার জন্যই কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় সাইফুল। ‘ভালবাসার’ মানুষকে বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত এই মাদকের জগতেই নেমে পড়ে রত্না। প্রথমে চোলাই মদ। এরপর একে একে গাঁজা ও ইয়াবাও বিক্রি শুরু করে সে। তবুও শেষ রক্ষা করতে পারেনি স্বামী সাইফুলের। ২০১০ সালে বিষপানে আত্মহত্যা করে সে।

নতুন জীবনের সন্ধানে নতুন করে আবারও সংসার শুরু করে রত্না। এবার স্বামী ফজলে করিম টিপু। কিন্তু এ যেন উত্তপ্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে ঝাঁপ। সাইফুলের চেয়েও ভয়ংকর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল টিপু। এখানেও তাই সে আগের পথেই নামতে হয় রত্নাকে। এই নয় যে, রত্না কখনো ভাল হওয়ার চেষ্টা করেনি। কিছু কিছু টাকা জমিয়ে এলাকায় ছোট একটি দোকান দিয়েছে সে। ছোট ছেলে কাউছারকে নিয়ে এই দোকানেই কাজ করে সে। আর সুযোগ মতো চোলাই মদ ও গাঁজা সরবরাহ করে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে গিয়েই ধরা পড়েছে ১৪ বার। মামলাও হয়েছে ১৪ টি। মামলার খরচ যোগাতে যতবারই এই পথে নেমেছে ততবারই মাকড়সার জালের মতো মামলা আষ্ঠেপৃষ্টে লেগেছে। জীবনের এই পর্যায়ে এসে অনুশোচনায় ভুগছে সে। সে মনে করে, বাবা-মার ভালবাসার সাথে যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তারই পরিণাম এই অভিশপ্ত জীবন। জেল থেকে ফিরে আবারও সেই ৩৫ বছরের আগের নিষ্পাপ জীবনটাতে ফিরতে চায় রত্না। একবারের জন্য হলেও ফিরতে চায় তার বাবা মা’র কাছে। ক্ষমা করুক কিংবা না করুক বাবা-মায়ের পা ধরে একবার কাঁদতে চায় সে”।
******************************************************************

প্রাসঙ্গিক কিছু কথাঃ-
হিন্দু মেয়ে কর্তৃক মুসলিম যুবক বিবাহের প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ছেলেটি হিন্দু মেয়েটিকে শিকারের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত সচেতন ভাবেই মেয়েটির সাথে প্রথমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে। সরল বিশ্বাসে বোকা মেয়েগুলো সেই বন্ধুত্বের মিথ্যা ফাঁদে পা দিয়ে ধরা পড়ে এবং অন্ধ আবেগের বশীভূত হয়ে পরবর্তীতে প্রেম মোহে আবদ্ধ হয়। বলাবাহুল্য উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে ছেলে আর মেয়ে কামনাহীন বন্ধুত্বে সম্পর্ক কখনোই গড়ে উঠতে পারে না। বরং বন্ধুত্বের নামে যা হয় – তা হলো কামনা তাড়িত কথিত প্রেমের অভিনয় যা দেহের স্বাদ ও নিখাদ গন্ধ আস্বাধনের প্রচন্ড চেষ্টা।

ছেলেটির নিকট এটা একধরনের প্রকল্প বলা চলে। যুবকটিনিজেকে কিছুটা ভাল মানুষের আবরণে নিজেকে আড়ালে রাখেন, যা স্হিরকৃত শিকার একদম বুঝতে পারে না। প্রাকৃতিকভাবে মেয়েরা প্রথমদিকে সহজ সরল মনের হয়ে থাকেএবং স্বভাবজাতভাবে তারুন্যে ওরা নিজেকে অন্য দশজন মানুষের মতই ভাবতে করতে শুরু করে। অন্যদিকে শিকারী ছেলে বন্ধুটি নিজেকে মানুষ করলেও লক্ষ্যে স্হিরকৃত মেয়েটিকে শুধু উপভোগের সামগ্রী ও সুন্দরী নারী মৃর্তি রুপেই কল্পনা করে। কিছুদিন পর হিন্দু মেয়েটির নিকট শিকারী ছেলেটার কাম তাড়না ধরা পড়ার পর শিকারী ছেলেটি মেয়েটিকে দূর্বল করার উদ্দেশ্যে কিছু কিছু বাক্য বলতে শুরু করে – যেমন “ধর্ম কোন ব্যাপার না, ভালবাসাটাই আসল” “আমি তোমাকে ভালবাসি”, “তোমাকে না পেলে আমি মরে যাবো” ইত্যাদি ইত্যাদি – যেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বাক্যবান। এসব আবেগী বক্তব্য মেয়েটি দূর্বল থেকে আরো দূর্বল করে দেয়। মিষ্টি কথণ আর মেয়েটিকে না পেয়ে আত্ম-হননের হুমকি দেয়া এসব ছেলেদের একধরনের ছলনা ব্যতীত আর কিছু নয়। সত্যিকারের সিঁদেল চোর যেমন চুরি করার পূর্বে ঘরের মালিককে জানিয়ে চুরি করে না, ডাকাত যেমন ডাকাতি করতে গৃহ কর্তাকে অগ্রিম নোটিশ দিয়ে করে না, ঠিক তেমনি মানসিকভাবে প্রস্তুত সত্যকারের আত্মহননকারী ব্যক্তি আত্মহননের পূর্বে কাউকে বুঝতে দেয় না – অন্ততঃ মনোবিজ্ঞান তাই বলে।

মানুষ হিসাবে যে যে ধর্মেরই অনুসারীই হোক না কেন – প্রতিটি মানব সন্তান জন্মমাত্রই প্রথমে তিনি তাঁর মা ও বাবার কাছে ঋনী। ৩৯ সপ্তাহের প্রতিটি মূহুর্ত কী অসহ্য যন্ত্রণা ধারণ করে যে মা তাকে গর্ভে ধারণ করেছেন, জম্নের পর আতুরঘর থেকে দাঁড়িয়ে হাঁটাচলা অবধি কত রাত্র যে মা ঘুমুতে পারেন না, সেসব মেয়েরা এটা সেদিনই অনুভব করতে পারে যেদিন মেয়েটি নিজেই সন্তান ধারণ করে ও মা হয়। বাবা কী অসম্ভব পরিশ্রম করেন ও কত স্বপ্ন বুনেন সন্তানকে নিয়ে, বট বৃক্ষের মতো আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তার ছায়া বলয় গড়ে তোলার চেষ্টা করে নিজ সন্তানের ভবিষ্যত রচনার উদ্দেশ্যে। মা ও বাবার সেসব অজস্র ঋণ কিছু কিছু হিন্দু মেয়েটি প্রেম মোহে আবদ্ধ হয়ে এত নিমর্মভাবে পরিশোধ করে – যা কখনো কাম্য হতে পারে না। যে সন্তানের আগমনে বাবা-মা উভয়ে অনেক কষ্ট স্বীকার করার পরও তাঁদের ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, সন্তান জম্নের পর যে বাবা-মা উভয়ে ঈশ্বরের কাছে তাদের নিজেদের জন্য প্রার্থনা করেনা, যা করেছেন তাদের সন্তানের মঙ্গল কামনায়, সেই লালিত সন্তান ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ছেলেদের হাত ধরে পালায় এবং মা ও বাবার মৃত্যুর পুর্বেই যেসব সন্তানরা তাদের মা ও বাবাকে নরক যন্ত্রনা উপহার দেয় –সেসব মেয়েগুলি সংসারী হয়ে সুখী হতে পারবে কি করে?

প্রতিটি মানুষ জন্ম মাত্র মাত্র বাবা-মা কাছে ঋনী থাকে বহুভাবে। এছাড়াও যে বংশ বা যে সমাজে সে জন্মগ্রহন করে – সে বংশ ও সমাজের কাছে ঋণী থাকে। বোকা হিন্দু মেয়েগুলোর উদ্দেশ্যে শুধু বলা যায় “ঋণ” বোঝ কিংবা না বোঝ জন্মদাতা বাবা ও জন্মদাত্রী মায়ের প্রতি অন্ততঃ অকৃতজ্ঞ হওয়া কখনো উচিত নয় । জীবনটা একান্তভাবে প্রতিটি মানুষের। তাই সঠিক সিদ্ধান্তের উপর প্রতিটি মানুষের পরবর্তী জীবন যেমন নির্ভর করে ঠিক তেমনি সন্তানের মর্তের ঈশ্বর (বাবা) ও ঈশ্বরী (মা)র মান মর্যাদা, আশা আঙ্খকা নির্ভর করে – যাদের চেয়ে আপন কেউ নেই। তাদের চেয়ে বেশী তোমাদের বেশী ভাল কেহ চাইতে পারে না।…(চিত্রগুপ্ত ৩০ জুলাই ২০১৭ইং)

৪ thoughts on “মুসলিম যুবককে ভালবেসে হিন্দু মেয়ের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তর!

  1. ভারতের দালালরা বাংলাদেশ ছাড়।
    ভারতের দালালরা বাংলাদেশ ছাড়। এদেশে থেকে … … শুধু ভারত ভারত করে। মালাউনের বাচ্ছারা মানুষ হবে না। হিন্দুই থাকবে।

    1. একটি সামাজিক সমস্যা দুটো
      একটি সামাজিক সমস্যা দুটো জ্যান্ত উদাহরন সহ আলোকপাত করা হল – এখানে “মালউন” “ভারত” এসব কথা আসছে কেন?
      আপনার মন্তব্য প্রমান করে কি আপনিই যে মানুষের ???

  2. হিন্দু মেয়ে কর্তৃক মুসলিম

    হিন্দু মেয়ে কর্তৃক মুসলিম যুবক বিবাহের প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ছেলেটি হিন্দু মেয়েটিকে শিকারের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত সচেতন ভাবেই মেয়েটির সাথে প্রথমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে।

    পৃথিবীর অনেক পুরুষই একজন হিন্দু মেয়েকে বিছানায় পেতে চাইবে। হিন্দি সিনামায় হিন্দু মেয়েদের মাজা আর পাছা দোলানোর অপুর্ব দৃশ্য আর দ্বিতীয়টি নেই। মন্দিরের দেয়ালে দেয়ালে দেব-দেবীর কামলিলার ছবি তো আছেই। আর সানি লিওনির কথা আর নাই বা বললাম।তাই ছাত্র বয়েস থেকেই হিন্দু মেয়েকে বঊ হিসেবে চাইতাম। কিন্তু পটাতে পারিনি।

  3. চমৎকার আর যৌক্তিক লেখা। ভাল
    চমৎকার আর যৌক্তিক লেখা। ভাল লাগলো

    ==============================================
    আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর গতকাল আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *