থামলে ভাল লাগে

শাহবাগ আন্দোলনের হর্তা-কর্তারা এখন পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি ব্যস্ত। আশা করি কাদা যখন শেষ হবে, তখন তারা আবার একত্রিত হবেন হাতাহাতিতে। তাদের জন্য আগে থেকেই পল্টন ময়দান বুকিং দিয়ে রাখা উচিত। তা না হইলে, তারা অনলাইন জগতকে মতিঝিল শাপলা চত্বর বানাইয়া ফেলতে পারেন।হর্তাকর্তা রা হাজার হাজার ফলোয়ার নিয়া একজন আরেকজনের উপর ঝাঁপাইয়া পড়ছেন। একজন আরেকজনের মুখোশ উন্মোচন করছেন, বাল ছিঁড়ছেন। প্রত্যেকেই হতে চাচ্ছেন অনলাইন সম্রাট। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কয়েকদিন আগে দেখলাম, কোথাকার থেকে এক CP gang না CP রেস্তরাঁর উদ্ভব হইলো, ওইটা নিয়া মাতামাতি। তারপর আবার ওইটার তথ্য ফাঁসের অভিযোগ। বুঝলাম না, ওই গ্যাং যদি ছাগু পোন্দানের জন্যই হয়ে থাকে, তাহলে তাই করুক। কিন্তু তা না করে, একজন আরেকজনরে পোন্দানি শুরু করছে। কে আওয়ামীলীগ করে, কে জামাত করে, এইটা বড় ব্যাপার না। ব্যাপার হইলো, রাজাকারের ফাঁসি। আন্দোলন করতে হইলে একসাথে। আলাদা ভাবে করতে করতে এখন বাম দলগুলাও আস্তে আস্তে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। মঞ্চ হয়ে যাচ্ছে লেজুরবৃত্তির খোরাক। ভাই, সময় থাকতে থাকতে রাজাকারের ফাঁসি দিয়া ফেলেন। না হইলে পরে দেখবেন, আপনারা নিজেরাই ফাঁসির দড়িতে ঝুইলা পড়ছেন, তা প্রাকটিকালি হোক আর ভারচুয়ালিই হোক।

৬ thoughts on “থামলে ভাল লাগে

  1. এটা এখন প্রমাণীত যে, একদল
    এটা এখন প্রমাণীত যে, একদল মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবীদারই সব বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এদের চিহ্নিত করে সবার আগে বর্জন করা দরকার।

    1. মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নাকি
      মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নাকি ছদ্ধ কে বলিবে?
      যা হোক, এইটাই ঠিক থামলে ভাল লাগে…
      জামাতিরা এই ষড়যন্ত্র করছে না তার নিশ্চয়তা কি?
      যত যাই হোক ‘সত্যের জয় প্রত্যাসন্ন ও অবধারিতভাবে অনিবার্য’…

  2. কে আওয়ামীলীগ করে, কে জামাত

    কে আওয়ামীলীগ করে, কে জামাত করে, এইটা বড় ব্যাপার না। ব্যাপার হইলো, রাজাকারের ফাঁসি।

    :থাম্বসআপ:
    কাদা ছুড়াছুড়ি একটু বেশি হইয়া যাইতেছে ।
    কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো – ”এত কাদার উৎপত্তি কি বুড়িগঙ্গা!! ” :হাসি: :হাসি:

  3. বিভেদ সৃষ্টিকারি যেই হোক ! সে
    বিভেদ সৃষ্টিকারি যেই হোক ! সে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ভান করুক আর যাই করুক তাকে প্রত্যাখান করাটাই বাঞ্চনীয়….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *