অভ্যাসের অপমৃত্যু

আগে বাসার কাছেই বা বাইরে আড্ডা দিতে গেলে টঙের দোকানে চা খাইতাম অনেক। ইদানীং আর যেতে ইচ্ছে করে না কারণ ওই জায়গায় গেলেই দেখি সবাই রাজাকারের গুণগান গায়। এগুলা আমি শুনতেও পারি না আবার বিপরীতে প্রতিবাদও করতে পারি না জানের ভয়ে। বাধ্য হয়ে আর যাই না। এই লোকগুলা যেই রকম হিংস্র তাতে বেশি কথা না বলাই ভাল। এই কারনেই ৫ মে যেভাবে পুলিশ ছাগু কিলাইছে, তাতে আমি যারপর নাই আনন্দিত হয়েছি। আর খুশি হইতাম যদি আসলেই ২৫০০ লোক মরত। বাস্তবতা বিবর্জিত মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত এই সব ছাগলগুলার জন্য দেশের উন্নয়ন তো হচ্ছেই না, বরং এগুলা চারিদিকে ল্যাদাইয়া দেশটাকে আরো দুর্গন্ধময় করে তুলছে।

৭ thoughts on “অভ্যাসের অপমৃত্যু

  1. এগুলা অধিকাংশ আলিয়া মাদ্রাসার
    এগুলা অধিকাংশ আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্র,যেখানে শুধু ধর্মীয় সিক্ষা দেওয়া হয় , এজন্যই এদের নিজের বলতে কিছু থাকে না । অন্যান্য মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে ।

  2. এই হারামখরের দলেরা স্বর্গের
    এই হারামখরের দলেরা স্বর্গের লোভে সাধের মর্ত্যকেও নরক বানায় ফেলছে…

  3. আমাকেও এমন অসহ্য পরিস্থিতিতে
    আমাকেও এমন অসহ্য পরিস্থিতিতে পরতে হয়। অফিসে আমার পাশেই দুজন ছাগু বসে। তারা এমন সব কথা বলে যে মাঝে মাঝে সহ্যের বাইরে চলে যায়। তখন কিছু না বলে পারি না। এবং যেহেতু তারা ছাগু সেহেতু তর্কে না পেরে গজগজ করতে করতে রুম থেকে বের হয়ে যায়। তখন আমি আনন্দচিত্ত্যে হেডফোনে গান শুনি । :নৃত্য: :নৃত্য:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *