বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব বৃত্তান্ত

অপ্রত্যাশিত কোনো কিছু পাওয়া কিংবা দেওয়া অবশ্য ভালো বন্ধুর বৈশিষ্ট্যের মাঝে পড়ে।
ধরুন আমি অভাবের সময় এক বন্ধুর কাছে কিছু টাকা চাইলাম কিন্তু তাঁর দেওয়ার সামর্থ থাকার পরও দিলো না। এতে অবশ্যই আমার খারাপ লাগতে পারে।
ধরুন আরেকসময় আমার টাকার প্রয়োজন নেই। স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারছি তখন যদি কোনো বন্ধু এসে বলে, এ টাকাগুলো নেয়। আচ্ছামত খরচ করিস। পরে দিয়ে দিলে চলবে। তখন তা নেওয়ার মতো তেমন আগ্রহ কাজ করে না। এটা নেওয়া মানে বেহুদা একটা বোঝা নিজের মাঝে চাপিয়ে নেওয়া।
যখন পানির অভাবে আমার হৃদয়ে ফাটল ধরার জোগাড় তখন যদি পানি না পাই আর যখন আমার পানির দরকার নেই তখন পানি খাওয়াতে খাওয়াতে গলা অবধি পুরিয়ে দিলে আমার বমি আসবেই। আর এটাকে আন্তরিকতা বলে না কেবল দেখেশুনে গর্তে ফেলে দেওয়ায় বলে।
আমি এগুলো কেন বলছি হয়তো মতিমান এবং ধীমানরা কয়েক লাইনের মধ্যে উত্তর পেয়ে গেছেন।
হ্যাঁ। ঠিক ধরেছেন। আমাদের অন্তরঙ্গের বন্ধু। যার বন্ধুত্যের ফলে বান্ধবীর কোমল হাত ধরার মতো কামনা সৃষ্টি হয় না সেই ভারতের কথা বলছি।
আমাদের মা যখন পানির অভাবে সংকটাপন্ন তখন তাঁরা বলে, এতসব চিন্তা করে লাভ নেই। পানি কোনো কথা হলো দিবো আর কি!
আর যখন আমাদের মা’র মৃত্যু নিশ্চিত হয় শবযাত্রা করে তখন তাঁরা হৌ-হুল্লোড় করে রাস্তার ধারে লাথি খাওয়া নেড়ি কুত্তাটার মতো চিৎকার বলে, তোমরা না পানি চেয়েছিলে তোমাদের জন্য শুধু পানি কেন? শরবত নিয়ে এসেছি।
পরে তাঁরা সেই শরবত দাহ করার পর ছাইয়ের উপর ঢেলে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *