বঙ্গবন্ধু ও ভারত ও প্রধানমন্ত্রীর সফর

“ভারতের রাজধানী দিল্লির পার্ক স্ট্রিটের নাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চার দিনের সরকারি সফরে ভারত যাওয়ার এক দিন আগে নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি) এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। এনডিএমসি বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে বলে জানিয়েছে।প্রথম অালো থেকে খবরটা নিশ্চিত হলাম।তবে এটাও ঠিক ভারত যেমন অামাদের বন্ধু প্রীতম রাষ্ট্র তেমনি স্বার্থান্ধও।নয়াদিল্লী মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের এমন সিদ্ধান্ত অবশ্যই ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বের অারো একধাপ এগিয়ে গেল।এবং এই সিদ্ধান্তকে প্রীত ও সাধুবাদ জানাই।

একটা দিক খেয়াল করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের একদিন অাগেই এমন একটা সিদ্ধান্তকে অাপনি কিভাবে নিয়েছেন।অামি ভালভাবেই নিয়েছি তবে এটা অনেকটা অাই ওয়াশও বলা চলে।

এদিকে তিস্তা চুক্তি অামাদের এখন সবচাইতে বেশি গুরুতর।কিন্তু দিল্লী কি এ বিষয়ে কোন চুক্তি বা মমতার সাথে কোন বোঝাপড়ায় অাসতে পারবে!

ভারত সবসময় তাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে অাসছে।এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটবে না। তবে বন্ধু প্রীতম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশর স্বার্থ তাদের ভাবা উচিত।

অার একটা বিষয় ফুটে উঠেছে সামরিক সমঝোতা। কিন্তু বাংলাদেশের সাথে চীনের একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।এখন যদি ভারতে কোন সামরিক চুক্তি হয় তবে ত্রীদেশীয় এ সম্প্রতি কি অক্ষুন্ন থাকবে এটাও ভাবায়। তবে অামার মনে হয় না এতে তেমন কেন ইফেক্ট ফেলবে। মাননীয় প্রধামন্ত্রীর উপর অামার পূর্ণ অাস্থা ও বিশ্বাস অাছে।উনি ইতপূর্বে অনেক বিষয়ে খুব বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন।যেমন গতকাল মাশরাফিকে ফোন করে শুভেচ্ছা ও তার বিদায় পুনঃবিবেচনা করার কথা বলেছেন। এটাই তার বিচক্ষণতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

যাই হোক রাজাকারের উত্তরাধীকারীরা বঙ্গবন্ধুকে প্রকৃত সন্মান না দিতে পারলেও ভারত এত বড় সন্মানে সন্মানিত করল এটা অনেক বড় পাওয়া।

এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রইলাম। যেহেতু তিনি এর অাগে প্রতিক্ষেত্রে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন।এখানেও সামরিক চুক্তির পাশাপাশি তিস্তা চুক্তিকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিবেন।কারন অামাদের পানির প্রয়োজন সর্বাগ্রে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *