প্রভুর ধর্ম ও কুকর্ম

প্রথমে পরিচয় করিয়ে দিই। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে মাস্টার্স কম্প্লিট করে এখন গাঁইবান্ধায় ড্রাগ ইন্সপেক্টর হিসাবে কর্মরত।

দু-হাজার চোদ্দ সালের কথা। মেয়েটিও ধর্মভীরু ইসকন করত সেই সূত্রে পরিচয় ও প্রেম। মেয়েটি তার ধার্মীক মানসিকতা দেখেই প্রেমে পড়েন। মেয়েটি ভদ্র ও ধর্মভীরু ;খুব সরল সোজাও। এ বয়সে যতটুকু বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ হওয়ার কথা তা হয়নি। সেই সরলতার সুযোগ নিয়েই প্ররোচনা করল গৌতম। চলতে থাকে ধার্মীক এই হিন্দু কুলাঙ্গারের প্রেম। চিপায়-চাপায় বসে চাপাচাপি করত। চুমু,ডলাডলি, এমনকি বিছানায় শোয়া পর্যন্ত গড়ায় প্রেমটি।

এক পর্যায়ে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। ২১/৯/২০১৪ ইং রোজ রবিবার হিন্দু গান্ধর্বমতে মাল্যদান, সিঁদুরদান ও সপ্তপদের মাধ্যমে বিয়ে হয়। তারপর সে ড্রাগ ইন্সপেক্টর হওয়ার অাগে দশলাখ টাকা যৌতুক নেয়। তারপর চলতে থাকে সংসারের টানপড়ন। ছেলেটি অন্য জাইগায় পনেরলাখ টাকা যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ে ঠিক করে। মেয়েটি জানতে পেরে তার স্বরনাপন্ন হয়। এ যাত্রায় ঐ মেয়েটি প্ররলচনার কথা জানতে পারে। বিয়ে ক্যানসেল করে।

এই মেয়েটি ( সিঁদুর পরানো বউ) তার দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী তার শ্বশুরবাড়ি যায় পূত্রবধুর দাবি নিয়ে। একসময় গ্রামের গম্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সামনে একটি অঙ্গিকার নামায় স্বাক্ষর করে পূত্রবধু হিসাবে মেনে নিয়ে বাড়িতে থাকার অনুমতি দেয়। এরপর তালাবদ্ধ অবস্থায় দুমাস অবস্থান করে। এ দুমাস যেন তার জীবনের বিভীষিকাময় মাস। অত্যাচার, নীপিড়ন, চাপা মারধরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। অারো দশলাখ টাকা যৌতুক চায় মেয়ের বাবা। দু

মাস পর মেয়েটিকে কোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। মেয়েটির নামে কেস করা হয়েছে এমনটি বলে–সে নাকি অাত্মহত্যা ও অন্যান্য ভয়ভীতি দেখিয়ে পূত্রবধু দাবি করে জোর করে তার বাসায় অবস্থান করছে। অথচ এই দুমাসে অত্যাচার অনাচার করা হয়েছে শতবার। সেটি কেউ দেখেনি। ঐদিন কোর্ট থেকে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। মেয়ের মুখে শোনা।

একটি মেডিকেল রিপোর্ট বলছে তাকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে যে রিপোর্টটি তার কাছ থেকে দেখা। দুশ্চরিত্রর এই গৌতম তাকেই নয় এমন অনেক মেয়ের সাথে প্ররোচনা করে চলেছে। বর্তমানে গাঁইবান্ধায় ড্রাগ ইন্সপেক্টর হিসাবে কর্মরত।

হিন্দু রেজিস্ট্রি যেহেতু চালু হয়নি সেহেতু গুটি কয়েক প্রভুরা ছাড়া কেউ বিষয়টি জানে না। তাদের সামনে হয় বিয়েটি। তারা রাবির বঙ্গবন্ধু হলের ১২৬ নং রুমে থেকে ধর্মীয় কাজে ব্যস্ত। এসব মানবতা তাদের নেই তার ভগবান বিশ্রী কৃষ্ণ ছাড়া ও কুলাঙ্গার গৌতম প্রভু ছাড়া কাউকে চিনে না। এরা এখন ছেলে পক্ষে কথা বলছে। কেউ মুখ খুলছে না। এসব শুওরের বাচ্চা জারজেরা ধর্ম বোঝে মানবতা বোঝে না। কৃষ্ণ বোঝে রাধা- কৃষ্ণের প্রেম বোঝেনা। হিন্দুদের মাঝে ইসকনপন্থী যেসব শুওরেরা অাছে বাঞ্চতরা সব লুইচ্চার হাড্ডি এক একটা। ধর্মীও গান গাওয়ার সময় তাকানোর স্টাইল দেখলেই বোঝা যায়।

কি করবে এখন মেয়েটি? তার নেই কি কোন অধিকার? এই গৌতম চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে মেয়েটির পাশে দাড়ানোর কি একটি মানুষও পাওয়া যাবে না সোনার বাংলায়। এসব শুওরদের কি কিছু করার উপায় নেই??

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *