গণহত্যার দেশ

জেনোসাইড! ওয়াট ইস জেনোসাইড? ফুল ন্যাশন, আশরাফ অলরেডি হেস ডিক্লার্ড এবাউট দ্যা ইভেন্ট। স্বৈরতন্ত্র আসলে তোমাগো পুটকি মারা যায়, তার লাইগা গণতন্ত্রের মোড়কে ঠেলা খাইতে বহুত মজা লাগে, না? আসল অপরাধিদের অর্থাৎ অবরোধ কর্মসূচীর অনুমতি যে চেয়েছে আর যে দিয়েছে তাদের শাস্তি চাই, হুজুগে নীরহদের নয়। রাস্তার কুকুরাও জানে কারা রাজপথের শান্তি নষ্ট করেছিলো। জামায়েত শিবির নিষিদ্ধ করার জন্য আবারো সরকারের কাছে অনুরোধ করছি। গোলাম আজম, কামরুজ্জামান, সাঈদি, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় দেয়ার আগে যদি জামায়েত শিবির নিষিদ্ধ না করেন তাহলের দেশের শান্তি নষ্ট করার দায় একমাত্র আপনাকেই নিতে হবে। কারণ তাদের নিষিদ্ধ না করে আপনার পেটুয়া ছাত্রলীগ বাহিনী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় অধিনস্থ বাহিনী দিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী মারলে সাড়া বিশ্ব এটাকে গণহত্যাই বলবে। জাতিসংঘ তাদের নিজেদের স্বার্থে বাংলাদেশকে গৃহযুদ্ধনিস্ত দেশের তালিকায় ফেলবে না। কিন্তু দেশে কি পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে একটু ভাবেন। তাই আইনানুগ কাজ করে সরকার পক্ষকে স্বচ্ছ থাকার আহবান জানাচ্ছি। নীরহদের নিয়ে খেলা করার প্রয়াস বন্ধ করুন।
আমারা নীরহ বলে আর কতবার লাশের স্তুপ ও রক্ত গঙ্গায় ভাসবো। আপনার অক্ষত থেকে কিভাবে আমাদের এত ক্ষত সহ্য করতে পারেন? আপনাদের বিবেক কি নাই? সেইম! হাউ মাছ লাইয়ার অল অফ ইউ আর।
অল আর বীচ।

৭ thoughts on “গণহত্যার দেশ

  1. কিছুই করার নাই, দেশ বাচানের
    কিছুই করার নাই, দেশ বাচানের জন্য হাজার ছাগল হত্যা কুন ব্যাপার না, কুরবানির সময় তো ওরা লক্ষাধিক ছাগল জবাই করে কিন্তু তখন তো মানবতার প্রশ্ন উঠেনা

  2. বিভিন্ন মিডিয়াতে হেফাজতিদের
    বিভিন্ন মিডিয়াতে হেফাজতিদের তান্ডবের পূর্বাভাস দেয়ার পরও কেন সরকার তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দিলেন ? ঢাকার রাজপথের হকারদের পথে বসানোর জন্য ? নাকি পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন দেয়ার জন্য ? নাকি জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে আগুন দেয়ার জন্য ? হেফাজতে ইসলামী নামে আত্ম প্রকাশ করা শফী ব্লগপুরিরা যে, হেফাজেতে জামাতি এটা বুঝার জন্য বিরাট কোন পন্ডিত হওয়ার দরকার নাই… সুতরাং এখনও সময় আছে জামাতিদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক, নইলে দেশের মানুষের জান-মালের আরও ক্ষতি অবধারিত…

  3. রাজনীতির খেলায় সবাই শেয়ানে
    রাজনীতির খেলায় সবাই শেয়ানে শেয়ানে। সরকার ঠিকই জানত এইরকম কিছু একটা হবে। জানলেও ঠেকাবে কেন? কারন এইরকম হলে তো সামনের ভোটের হিসাবে সরকারেরই লাভ। মাঝখান দিয়ে কে বা কি পুড়ে ছারখার হোল তাতে ওদের বয়েই গেছে। বিএনপি-জামাতও সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে এ থেকে ফায়দা নিতে। পারে নাই। মাঝখানে হেফাজতিরা হইছে কনডমের মতন ইউজড।

  4. হেফাজতি মূর্খরা সারা জীবণ
    হেফাজতি মূর্খরা সারা জীবণ কনডমের মতই ইউজ হতে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক ! বামন হয়ে চাঁদ ধরতে গেলে যা হয় আর কি ……

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *