রিক্স থেকে লাফ দিয়ে পরে হল না মেয়ের আত্বহত্যা…।।

বাসা থেকে বের হইছি চা খাউয়ার জন্য,ফুটফাত দিয়ে হাটতেছি আমি আর আমার বন্ধু। হঠাত দেখি এক মেয়ে রিক্সা থেকে লাফ দিয়ে রাস্তায় পরল।আরেকটু হলে একটা কার দিত ঘ্যাচাং।ভাগ্য ভাল গাড়ি থামাইতে পারচিলাম।তারপর এগিয়ে গিয়ে দেখি মেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে।কেউ এগিয়ে ও আসে না। আমি আর আমার বন্ধু পরলাম বেকায়দায় তারপর এক মুরুব্বি টাইপের লোক কে ডেকে নিয়ে মুরুব্বির সাহায্যে কোনরকমে রিক্সায় বসালাম।তার পর মোখে পানি দিয়ে জ্ঞ্যান ফিরে পাওয়ায় সস্তি বোধ করলাম।কাহিনী এখানেই শেষ হতে পারত…।।

কিন্তু জ্ঞ্যান ফিরার পর মেয়ের আবুল তাবুল কথা বার্তায় আর সজুরে এম্পি থ্রি টাইপের কান্নায় আবার মুর্চা গেলাম।এখন কি করা যায় মুরুব্বি ও কয় বাবারা আমি কিছু জানিনা,এত সময়ে চারপাশ পরিপুর্ন হয়ে গেল নায়কদের উপস্থিতিতে।মেয়ে ত আবার অজ্ঞান,কি করা যায় মেয়ের ব্যগ থেকে ফোন বের করে ডায়েলে দ্বীপ নামে সেইভ করা এক নাম্বারে দিলাম ফোন,
-হ্যালো
-কে ভাই…?
-ভাই আপনার নাম্বারটি ডায়েলে দেখে ফোন দিলাম,আপনি ত দ্বীপ…
-হা আপনি কে ভাই…?
-আসলে এই নাম্বারটি যার উনি আরোগ্য ক্লিনিকের সামনে অজ্ঞান অবস্তায় পরে আছেন…
-আমি কি করব,? আমি ত চিনিনা,সরি ভাই আমার পরিচিত না,রং নাম্বার।।(আমি ত তব্ধা)
-আপনার নাম্বার ত সেইভ, তাও কিছুক্ষন আগে কথা ……(বলতেই ঘ্যাচাং তারপর মোবাইল অফ)
বোঝতে বাকী রইল না উনি ই ফিল্মের নায়ক তারপর নেক্সট ডায়েল নাম্বারটি মামা লিখা দিলাম ফোন জিজ্ঞেস করতেই ঠাসকি খাইলাম উনিও নাকি চিনেন না।এমন সময় মেয়েটি কান্না শুরু করল আর বলতে লাগল ওই ক্লিনিকে আমার মামা জব করে।ক্লিনিকে খবর পাঠাতেই এক মুরুব্বি টাইপের লোক এসে নিয়ে গেল কাউকে কিছু না বলে।।

রিক্সা ড্রাইবারের কাছ থেকে জানতে পারলাম মেয়েটি বাসা থেকে বের হয়েই কাধতে কাধতে রিক্সায় উঠছে।আর ও জানতে পারলাম যে মেয়েটি লাফ ই দিয়েছিল,পরে যায় নি।আর মেয়েটির অমি পিয়াল টাইপের চোখ দেখে বোঝার বাকী রইল না মেয়েটি যে কতকাল ধরে ঘুমায় না।।

** প্রেম করবা ভাল কথা,তয় রিক্সা থেকে লাফ দিতে হয় ক্যান।যখন মেয়েটি অজ্ঞান অবস্তায় ছিল তখন লাল টি-শার্ট পরা একটা ছেলে বারবার মোটর সাইকেলে করে আসা যাউয়া করছিল মাগার সাহায্য করেনি।এই লাল টি-শার্ট ই হয়ত সেই ছেলে।

এত সস্থা অনুভূতি দিয়ে ভালবাসা হয়না,নিজের জীবন ওই টুংকা ভালবাসা থেকে অনেক দামী।অনেকেই হয়ত এই ষ্ট্যাটাস পরে ছেলেদের মনে মনে ধুয়ে ফেলবেন,তাদেরকে বলব এই ক্ষেত্রে “ হাড়ির একটা চাল টিপলেই পুরা হাড়ির ভাতের খবর পাউয়া যায়” প্রবাধটি ব্যবহার না করে “ হাতের পাচ আঙ্গুল সমান না” এই প্রবাধটি চিন্তা করবেন।একটি ছেলের জন্য গোটা ছেলে জাতি খারাফ হয়ে যায় না।

৬ thoughts on “রিক্স থেকে লাফ দিয়ে পরে হল না মেয়ের আত্বহত্যা…।।

  1. অমি পিয়াল চোখ!!!!!!!!!! পিয়াল
    অমি পিয়াল চোখ!!!!!!!!!! পিয়াল ভাই রে মেসেজ দিয়া জানাইদেন শুধু বাকি কাজটা উনিই করব।

  2. অতিরিক্ত বানান ভুল পোস্ট এর
    অতিরিক্ত বানান ভুল পোস্ট এর গুনগত মান কমিয়ে দেয়। যাই হোক । শুভেচ্ছা রইল ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *