আইজুদ্দিন-ফেসবুকে সবাই আদর করে ডাকে আইজু।

ডাক্তার আইজু। তার পরিচয় নাকি ফাঁস হয়েছে। ৬ বছর পর তাকে পাওয়া গেছে আর তা যে সত্যি এর প্রমান হিসাবে আইজু তার আইডি ডিএক্টিভ করেছে।

প্রথমে আইজুর সাথে সম্পর্কটা বলি। আইজুকে আমি মনে প্রানে “বিরো(যার কথায়, কাজে মারাত্মক বিরক্ত হই)” করি। তার পচানিমুলক পোস্ট, তার জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস আর ফেসবুককে পর্ণ সাইট বানানোর আপ্রান চেষ্টা। আমি যে আসলে কতটা কতটা অপছন্দ করি এগুলো আসলেই প্রকাশ করতে পারব না। এই আইজুর কাজ এ হল মানুষের পিছে লাগা। ভুল ভ্রান্তি,গুজব, সন্দেহ দিয়ে ফেসবুক ভরায় দেওয়া।

যারা ব্লগ নিয়ে একটুও ধারনা রাখে তারা এনাকে চেনে! যারা আওমি তারাও চেনে, আবার বিএনপি-জামায়াত ও চেনে। গুটি কয়েকজন মানুষ আর নতুন আণ্ডা বাচ্চা ব্লগার বাদে প্রায় সবাই এ আইজুকে পছন্দ করে না। কিন্তু তাতে কি? আইজুর খ্যাতই কি কমেছে? কেউ আইজুর দিকে আঙ্গুল নারিয়ে কথা বলেছে?

না। কিছুই হয় নি। যারা নিতান্তই আইজু বিরোধী তারাও কিন্তু নিয়মিত আইজুর স্টেটাস চেক করত। লাইক দিত। আমিও এর মধ্যেই একজন।

অনেক ভাল মানুষ, অনেক ফেমাস মানুষরে আইজু কালার করাইছে, পচাইছে সবার সামনে। নির্দ্বিধায় সেক্সুয়াল ব্যাপারকে জঘন্য ভঙ্গিতে পেশ করেছে। কতজনের সাথে ইঞ্জাস্টিস করেছে। কতরকমের গুজব ছরাইছে। গালি দিতে দিতে ফেসবুকরে পুরা নরক বানায় ফেলত। তখন মনে হত, এই ব্যাটারে যদি পাই জিবনেও তাইলে বুরিগঙ্গায় ভাষায় দিমু। আরও কত কি করুম।

আচ্ছা, কিন্তু মাঝে মাঝে কি আইজু ভাল স্টেটাস দেয়নাই? আইজুর কারনে কি অনেক সত্য উন্মোচন হয় নাই? আইজু কি ফেসবুক আর ব্লগ ছাগুমুক্ত করতে ভূমিকা রাখে নাই? (আইজুর সেক্স রেলেটে্ড পোস্ট দেখে কি আমরা মুচকি হাশি নাই?)

দ্বিতীয়ত,

ভাল-খারাপ-কুত্তা এসবের মিস্রনেই হয় একটা দল। অনলাইন দল ভেবে দেখ তো আইজু ছাড়া কেমন বেমানান লাগে না?
আইজু না থাকলে কে আমাদের মাথায় রক্ত উঠায় দিবে? কারে আমরা শান্তিমত গালি দিব? কারে খুন করার প্রবল ইচ্ছা নিয়ে বেচে থাকব?

আমাদের কথা বাদ গেল, ছাগুদের লাইন এ রাখবে কে? গুজব রটাবে কে? আমাদের স্রদ্ধার মানুষগুলো নিয়ে খারাপ কথা লিখবে কে?
প্রশ্নগুলো দেখে মনে হচ্ছে আইজু গেলেই ভাল তাইনা? কিন্তু এগুলো কি দরকার না? একটু হলেও তো দরকার! একবার মাথা ঠাণ্ডা করে ভাবুন তো।

আরেকটা কথা,

অনলাইন ও কি ডিবি হয়ে গেল নাকি? কোন মানুষ যদি তার পরিচয় প্রকাশ করতে না চায় তাহলে কোন অধিকারে তারে নিয়ে ঘাঁটানো হয়? ব্লগ এ কি আমরা স্বাধীন না? তাহলে কেন আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাদের তথ্য নিয়ে এতকিছু করা হবে?

প্রতিটা ব্লগ এ এখন আইজু নিয়ে লেখা। আমি নিজেও তো লিখতেছি।
বড়জোড় অধিকার আছে গালি দেওয়ার, পচানির তাই বলে সবার সামনে পরিচয় ইচ্ছার বিরুদ্ধে তুলে দেয়া? আমরা তো এমন না! আমরা কি স্রদ্ধা করি না অন্যের প্রাইভেছি?
এখন যদি কেউ কয়, আইজুও তো অনেক মানুষের অনেক কিছু করছে! সে করছে, তার বুদ্ধির, পচানি ক্ষমতা, বাইনচোদ হবার অতিপ্রবল খমতা-এসব ক্ষমতায় ই করছে।

আপনার থাকলে আপ্নিও করুন। তাই বলে কার পরিচয় নিয়ে এত কিছু করা?
জাই বলেন তাই বলেন, আমি মানি না দুঃখিত।

পরিশেষে, আইজু আমি অন্যদের কথা জানি না। তবে আপনার শুন্যতা অনুভব করছি।
আপনাকে আমি “বিরো” করি আর করব। ইটারনাল বিরো বলতে পারেন। আপনার মত খাঙ্কির পোলা আমি খুব কম ই দেখছি।

তবুও, ফিরে আশুন।

[আমি নতুন লেখক, ভুল থাকলে ক্ষমা প্রার্থী। আমার যা বলার তা বলেছি, কার অন্য মত থাকলে আমি দুঃখিত]

১১ thoughts on “আইজুদ্দিন-ফেসবুকে সবাই আদর করে ডাকে আইজু।

  1. আইজুদ্দীনের পরিচয় নিয়া নাটকটা
    আইজুদ্দীনের পরিচয় নিয়া নাটকটা যারা করল, তারা কোন অধিকারে ব্লগে ফেসবুকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লেখে? অনলাইন পলিটিক্স এক আজিব জিনিষ শেখাচ্ছে সবাইকে, পছন্দ না হলে ছাগু ট্যাগ দিতে হবে; কথা হবে আলোচনা নয় গালিগালাজ করে। আইজু নাটক একটা জিনিষ বুঝিয়ে দিল, এই সমস্ত গবেষকেরা আর যাই হোক, ভালমানুষ না

  2. টিনের চাল এ কাক আমি তো অবাক ।
    টিনের চাল এ কাক আমি তো অবাক । আইজু টপিক বহুত তও হইল… চ্যাঁপটার এবার ক্লোজ হোক

  3. একটি আইজুদ্দিনীয় বালছাল ভালই
    একটি আইজুদ্দিনীয় বালছাল ভালই লাগত খারাপ না , তবে যাই হোক ব্যাফুক বিনুদুন ফাইলাম ।
    :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:
    ==============================================================================

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *