বাংলাদেশের পবিত্র জাতীয় পতাকা হচ্ছে অপমানিত

বাংলাদেশের পবিত্র জাতীয় পতাকা হচ্ছে অপমানিত
সাইয়িদ রফিকুল হক

৩০লক্ষ শহীদের তাজাপ্রাণের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের লালসবুজের পতাকা। এই পতাকা মহামূল্যবান। খেলাধূলার মতো সামান্য ও ফালতু কাজে এই পতাকার অপব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। প্রতিনিয়ত দেখা যায়, খেলাধূলাশেষে স্টেডিয়ামসহ এর আশেপাশের এলাকার রাস্তায় পড়ে রয়েছে আমাদের জাতীয় পতাকা! শুধু তাই নয়, এভাবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলাতেও রাস্তায় ছোট-ছোট অসংখ্য জাতীয় পতাকা পড়ে থাকতে দেখা যায়! এসব জেনেশুনে ধৃষ্টতা। আর এসব যারা করছে তারা কোনো দেশপ্রেমিক নয়। এরা বাংলাদেশের আত্মস্বীকৃত-ভণ্ড। আর এই ভণ্ডগুলো খেলাধূলার নামে আমাদের পবিত্র জাতীয় পতাকার অবমাননা করছে। এদের কারণে পবিত্র জাতীয় পতাকা হচ্ছে পদদলিত! এই পশুদের বোধোদয় হবে কবে?


দেশের জাতীয় পতাকা সবচেয়ে পবিত্র জিনিস। আর এটি কোথায় উড়াতে হবে অনেক বাঙালি আজও তা জানে না!

পতাকা কাঁধে ঝুলালেই দেশপ্রেমিক হওয়া যায় না। এই দেশের একশ্রেণীর পাষণ্ড কবে জাতীয় পতাকার মূল্য বুঝবে? পতাকা কত যে দামি এরা কবে তা বুঝবে? এরা কবে দেশের ও জাতীয় পতাকার মর্যাদা বুঝতে শিখবে?
এই পতাকা এতো দামি আর এতো মূল্যবান যে, বিশ্বে এর সমকক্ষ আর কোনো পতাকা নাই। এই পতাকার জন্য হাসিমুখে জীবন দিয়েছে বাংলাদেশের ৩০লক্ষ মানুষ। বিশ্বে এমন একটি নজির আর-কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর সেই মহামূল্যবান জাতীয় পতাকা পড়ে থাকতে দেখা যায় দেশের রাস্তাঘাটে! কতটা পশু হলে ওই অমানুষগুলো এমনটি করতে পারে। খেলাধূলার নামে যারা প্রতিনিয়ত আমাদের জাতীয় পতাকার অবমাননা করছে, তারা আসলেই পশু। রাষ্ট্র কি এই পশুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করবে না?

সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
০১/০৯/২০১৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *