প্লানেট ফিফটি-ফিফটি চ্যাম্পিয়ন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে ‘প্লানেট ফিফটি-ফিফটি চ্যাম্পিয়ন’ এবং ‘এজেন্ট অব চেইঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য বিরল সম্মান অর্জন করেছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এখন শুধু বাংলাদেশের নয়, সারাবিশ্বের নেত্রীতে পরিণত হচ্ছেন। নারীর ক্ষমতায়নে গোটা বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। যথার্থ কর্মের কারণেই জাতিসংঘ তাকে এই পুরস্কার দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই অর্জন শুধু তার একার না,সমগ্র দেশবাসীর। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। বিএনপি-জামায়াত জোট দেশকে ধ্বংস করে রেখে গিয়েছিল। ধ্বংস হওয়া দেশকে তিনি উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছেন, সারাবিশ্বের সামনে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু করছেন, যে বিপুল পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে, তা দিয়ে ৯টি পদ্মাসেতু করা সম্ভব হবে। জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ দমনেও সারাবিশ্বের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। তার নেতৃত্ব আজ বিশ্বের কাছে প্রশংসিত। তার সফল নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশের জনগণের আশীর্বাদ। তিনি শুধু নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্যমুক্ত করেননি, দেশের মানুষকে আত্মমর্যাদা দিয়েছেন। কারোর অনুকম্পা বা দয়ায় নয়, নিজ কর্মদক্ষতায় দেশের ১৬ কোটি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বের ১০০ নেতার মধ্যে অন্যতম। বিশ্বের একমাত্র মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ১৩ বছর ধরে সফল নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার এই বিরল সম্মান ও অর্জনে গোটা বাংলাদেশ গর্বিত। তার এই অর্জন বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে সারাবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। আগে দেশের মানুষ ভাবত কী খাব, কী পড়ব। এখন সেই অবস্থা আর নেই। দেশ থেকে তিনি দরিদ্র্যতা দূর করে দিয়েছেন। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের ঠিকানা, গর্ব। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা তিনি অর্জন করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *