আয়নাবাজি না গলাবাজি??

একটা মানুষ চুরি, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি করবে তারপর তাকে অপরাধী আখ্যা দেবেন? এই ব্যাপারে আমার একটু খারাপ অভ্যাস আছে, আমি মানুষকে অনেক সময় judge করি ছোট ছোট কর্মকান্ড দিয়ে। ঐ judgement এর উপর ভিত্তি করে সম্পর্ক কতটা আগাবে তা মেপে ফেলি। অনেক সময় ভুল হয় কিন্তু অধিকাংশ সময় তা ঠিক হয়। এটা হয়তবা কিছুটা হীন চর্চা কিন্তু কাজ হয়। ধরুন আপনি খুব খরুচে লোক, স্বভাবত কার্পণ্য একেবারে নেই, আপনি কোন পরিচিতের সাথে দেখা করতে গেলেন, দশ মিনিট বসিয়ে রেখে কোন জলখাবার সাধলো না সেই লোকের সাথে ব্যবসা, বন্ধুত্ব অন্য কোন সম্পর্ক হবেনা। আপনি নিপাট ভালমানুষ হলে হয়ত পারবেন, আমি পারবনা।

অমিতাভ রেজা চৌধুরীর টাকা ছাড়া কিছু লাগেনা, টাকার জন্য দেশ, মুক্তিযুদ্ধ, চেতনা ইত্যাদির সান্ডে মান্ডে উনি ক্লোজ করে দিতে পারেন। তো সুশিক্ষিত এই পেশাদার ভদ্রলোক কবে চুরি ডাকাতি রেইপ খুন করবে আর ওনাকে অপরাধী তকমা দেয়া হবে সেই জন্য বসে থাকবনা। আমি সৃষ্টিশীল অসৃষ্টিশীল কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্বিত চর্বণ করিনা, সমাজের ন্যায় অন্যায় প্রচলিত সংজ্ঞায় আমার দ্বিমত আছে। কিন্তু, এক বিশাল কিন্তু….নয়া চৌধুরী বাবু টাকার কাছে বিক্রি হলেও সীমাহীন অন্যায় হতোনা, কিন্তু দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধ, চেতনারেও উনি বাজারে উঠাবেন টাকা পাইলে…এইটা ক্ষমার অযোগ্য।
দেখি কি ব্যাখ্যা আসে।!!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *