অষ্টম আশ্চর্য,আপনিও কি হুজুরের মুখে শুনে অনুভুতিতে আঘাত পেয়েছেন?

স্লোগান দিয়ে হত্যা করা আর সেই হত্যাকে বৈধতা দেয়া হয় যে ধর্মে তাকে কি মানবতা বা সাম্যের ধর্ম বলবেন?অবস্যই না।আল্লাহুয়াকবর বলে হত্যা করার পর কোরান থেকে কোট করে হত্যাকে বৈধ করেছে।হিন্দু নির্যাতন করে গনিমতের মাল হিসাবে ব্যাবহারের ফতোয়া দিতে পারে এমন ধর্ম কি অসম্প্রদায়ীক হয়?হয় না।তবুও আমাদের মডারেট মুসলিম ইনিয়ে বিনিয়ে বলে আমার ধর্ম শান্তির ধর্ম!

আর হ্যা মডারেট বললে শুধু কোট-টাই লাগানো আর মাথায় টুপি পরা মুসলিমই না।আমারে সয়ং প্রধানমুন্ত্রী যে কিনা নবীর সম্পর্কে কটুক্তি করলে কষ্ট পায়।যদিও নবী সম্পর্কে কটুক্তি কি ভাবে হয় সেটা অষ্টম আশ্চর্য বললে ভুল হবে না।এই যেমন নবী তার পালক পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করেছে কিংবা বাল্যবিয়ে করেছে বা বহুবিয়ে করেছে এইগুলো বললেই কটুক্তি হয়।এইগুলো সত্য কথা। সব মোল্লা হুজুর এইগুলা জানে মাগার কথা গুলো skip করে যায়।আর এই কথা গুলো নাস্তিক মুক্তমনা প্রকাশ করে।এটাই কটুক্তি হয়।

গুরুজনে বলছে কানা কে কানা বলতে নাই,সে অনেক কষ্ট পায়।
অবস্য এ সময় কানারে কানা বললে অনুভুতিতে আঘাত লাগে।শান্তির ধর্মও ঠিক তাই।ধর্মের ভন্ডামি তুলে ধলেই ধর্মের অনুভুতিতে লাগে।ফলাফলা নাস্তিক হত্যা আর প্রধানমুন্ত্রীর অনুভুতি ভেঙে চুরমার হওয়া।

যাই হোক আমাদের মুসলিম মডারেট প্রধানমুন্ত্রীর সাথে বিশেষ কিছু জঙ্গির মিল পাওয়া যায়।জঙ্গি ধরার পর প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনি কি ব্লগে কি লেখে তা পড়েছেন?তাদের উত্তর হুজুরের মুখে শুনেছে।

তা প্রধানমুন্ত্রী মশাই আপনি কি মুক্তমনাদের লেখা পড়ে অনুভুতিতে আহত হয়েছেন না হুজুরের মুখে শুনেছেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *