নারী চিন্তায় ৪র্থ মাত্রা

অনেক কিছু ভাবার পর দেখলাম আসলে ধর্ম নারীর জন্য অনুপযোগী
ইহা পুরুষের জন্যই উপযোগী।
মজার বিষয় এই নারীরাই এর উপর বেশি অন্তর্ভুক্ত ।
অথচ ধর্মীয় গ্রন্থ গুলর ভিতর এমন কোন পজিটিভ বিষয় নেই যা পলন করার দরকার নারীদের । আমি মনে করি তাদের আরও এর বিপরিতে অবস্থান করা উচিৎ ।
প্রশ্ন হল কেন নারীরা এর ভিতর থেকে বের হতে পারছে না ?

আমার মতে কয়েকটি কারনে তারা এর ভেতর থেকে বের হতে পারে না ।তার নিম্নরূপ দেয়া হলঃ
১. অজ্ঞতা
২. সমাজ
৩.লোভ
৪.ভয়

অবশ্য এই কয়টির বিষয় কে কেন্দ্র করে ধর্মেরঢাক বাজাচ্ছে অন্ধরা ।
১. অজ্ঞতাঃ আমি যখন কোন নারীকে বলি তুমি তো ধার্মিক । ভালো কথা তুমি কি কখনো তোমার গ্রন্থ বাংলা অর্থ সহকারে পরেছ?
উত্তরে বলে না । তার মানে সে অজ্ঞ সে জানে না এর অর্থ কি ?
২. সমাজঃ আমি মনে করি সমজ হল ধর্মের বাহক । গ্রাম সম্পর্কে যাদের ধারনা আছে তারা এর ব্যাখ্যা ভালো দিতে পারবে ।তাই আর এই বিষয় নিয়ে কথা বারালাম না ।
৩. লোভঃ এই বিষয়ের উপর নারীরা বেস পিছনে পরে আছে হয়তো । কারন তাদের লোভ করে কোন ফয়দা নেই বাস্তবিক এই জগতে বা কাল্পনিক পরজগতে ।অথচ অনেকেই পরজগতের ঐ দলের একজন হওয়ার চেষ্টায় উন্মাদ হয়ে পালন করে মাঝে মাঝে লড়াই ও করে ।
৪.ভয়ঃ ভয় কথাটা খুব মারাত্মক । সবাই এই বিষয়ে সতর্ক । ঐ যে একটা কথা আছে গলা সবারি শুকায় । নারীদের ক্ষেত্রে ও তাই পরলোকে কাল্পনিক মারাত্মক ভয়ের শিকার হয়ে পালন করে ।

সুস্থ মগজ খাটিয়ে একবার ৩০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভাবুন
দেখতে পাবেন ইচ্ছে করে কেউ ধর্ম পালন করে না । সবাই এই ৪ টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে পালন করছে ।
তাই আমি আবার বলি লক্ষ্য করে শুনুন ধর্ম আবিস্কার হয়েছেই নারীদেরকে শোষণ করতে আর ধর্মের মুল পুরুষের জন্য নারীর জন্য ভুল ।

অবশ্য সবকিছুর মুল অজ্ঞতা। কোন নারী যদি তার কিতাব পরিপূর্ণ বাংলা অর্থ সহকারে পরে ও স্বতন্ত্র ভাবনা দিয়ে বিবেচনা করে তাহলে সে হয় এর বিপরিতে যাবে না হয় সে গলায় দরি দিবে । এ আমার একান্ত বিশ্বাস ।

এবার আসুন সনাতনি নারীবাদ নিয়ে কিছু আলাপ করিঃ
অনেকেই কপালে ইয়া বড় একটা লাল টিপ পরে সিঁথিতে সিঁদুর লাগিয়ে চেচিয়ে বেড়ায় নারীর সমধিকার আদায়ের জন্য । অথচ সে নিজেই বাহক ও পরাধিনতার শিকার । বললে পরে বলবে এটা নিরাপত্তার জন্য দেই । আসলে এটা একটা অজুহাত । আমি অনেক দেখছি রাস্তায় বসে সমান অধিকার নিয়ে গলা ফাটায় আর ঘরে আসলে খুদা পেট নিয়ে বসে থাকে স্বামীর অপেক্ষায় । কারন এরা তো শপথ করে এসেছে অগ্নিকে ।

হিন্দু বিয়ের নিয়ম খুব জঘন্য । সেখানে বিয়ে শুরু হয় স্বামীর চরন পূজা করে । তার মানে সারাজীবন স্বামীর পা ধোয়া জল খাবে । ধিক্কার জানাই সেই সব নারীবাদীদের যারা ঘরে বসে স্বর্গে যাওয়ার জন্য পরাধিনতা স্বীকার করে আর বাইরে আসলে গলা ফাটায় । আসলে মনে মনে নারীরা ঠিকি ধর্ম চর্চা করে তাই মনের মানুষের সঙ্গে ছোট হয় ।

এরকম তামসিক নারীবাদীর সংখ্যায় অনেক । আপনার কাছে , ঘরে , বাইরে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে । আর যারা ঘরে বাইরে সত্যের ও বাস্তবের অন্বেষণ করে তারা হয় নষ্ট । ও আচ্ছা এ সমাজে তো শুধু নারীরা নষ্ট হয়। এরা তো শস্য দানা, ফল
এরা তো নষ্ট হবেই ।

যাই হোক অনেক বলেছি । সময় নেই বন্ধু অপেক্ষা করছে । আরও অনেক কিছু বলতে চেয়েছিলাম । আমার কথায় কিছু বানান ভুল হতে পারে । ইতিবাচক ভাবে সংশোধন করে নিবেন। আর পারলে স্বতন্ত্র ভাবনা দ্বারা বিবেচনা করবেন ।
ধন্যবাদ
#টিপটপ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *