রাজাকারের ঠাই নাই

যুগেযুগে দেশদ্রোহীদের কবর হয়ে আসছে গণশৌচাগার,
-আবু জাহেলের কবর পাবলিক টয়লেটে পরিণত হয়েছিলো।
-মির জাফরের কবর ফলকে লেখা আছে “এখানে জুতা নিয়ে উঠুন”।
-ইটালিতে এরিক প্রাইবেক নামের এক নাৎসি যুদ্ধাপরাধী মারা গেছে, কোথাও তার কবর হচ্ছে না। ইটালির মানুষ তাকে তাদের দেশে কবর দিতে দেবে না। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল আর্জেন্টিনা থেকে, সেখানেও তার কবর হবে না সাফ জানিয়ে দিয়েছে সে দেশের সরকার। যুদ্ধাপরাধীর লাশ পড়ে আছে মর্গে, কেউ বলছে তাকে এমন জায়গায় ফেলা হোক কেউ যাতে জানতে না পারে।
-একনায়ক হিটলারের সহকারী রুডল্ফ হেস-এর দেহাবশেষ পুড়িয়ে তার ছাই সাগরে ফেলে দেয়া হয়।
হিটলারের নাৎসি বাহিনী ৬০ লাখ মানুষ হত্যা করেছিলো ৫ বছরে। আর পাকিস্তানিরা মাত্র নয় মাসে ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছে, অর্থাৎ নিষ্ঠুরতায় নাৎসি বাহীনিকেও ছাড়িয়ে গেছে ওরা। সেটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র সেই শয়তানদের দোসর রাজাকার-আলবদরদের সহযোগিতায়।
কিন্তু অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে আমাদের দেশী জন্মজারজগুলোর বিচারের ক্ষেত্রে আমরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে পারলেও মৃত্যুর পর আমরা সেই আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে পারছি না। তাদের কবরকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন ব্যাবসাকেন্দ্র, তাদের জীবনকে মহিমান্বিত করে দেখানোর প্রয়াস এখনোও লক্ষণীয়।
এদের মৃত্যুর সাথে সাথে এদের আদর্শকেও যদি দাফন করে দেয়া না যায় তাহলে যুগে যুগে গোলামদের, মুজাহিদ ও কাশিমদের জন্ম হতেই থাকবে। সেজন্যই পরবর্তী প্রজন্মকে এসব সত্য জানাতে পাঠ্যপুস্তকে রাজাকারদের কৃতকর্ম এবং শেষ পরিণতি তুলে ধরার সময় এসেছে এখনই…
এই কথাই চিন্তা করি। রাজাকার দের তো ঝুলানো গেল। তাদের আদর্শ গুলো কে মোছা যাবে কিভাবে?
প্রজন্ম এতটা বেঈমান নয়,তারাও দৃষ্টান্ত রেখেছে যেমন
“গো’আ মূত্রালয়!”
স্থানঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র’র ২য় তলা।
নিজামী টয়লেট,শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পার্ক,ময়মনসিংহ।
(টিএসসিতে গেলেই আমার জলবিয়োগ করতে মন চায়,আর বাড়িতে গেলে জয়নুল আআবেদিন পার্কে জলবিয়োগ আমার চাই ই চাই)

২ thoughts on “রাজাকারের ঠাই নাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *