দুইয়ে দুইয়ে চার নয় সুতরাং চার কোন সমতা নয়।

আমরা যে কথায় কথায় বলি দুইয়ে দুইয়ে মিলে গেলে চার।চার বলতে আমরা বুঝি কোন সমতা সূচক অর্থ ।আসলে দুইয়ে দুইয়ে কখনও মেলানো সম্ভব হয়নি আর যদি হয়ে থাকে তাহলে চারকে সমতা মানা যায় অন্যথায় না।এখন বলি কেন সমতায় যাওয়া যায় না,ধরুন আপনি অাধা সের দুধের সাথে আধা সের পানি মিশালেন তখন এটাকে কি বলবেন? পানি নাকি দুধ?যদি পানি বলেন তাহলে তা দুধের জন্য সমতা নয় আর যদি বলেন দুধ তাহলে বিপরীত।আবার যদি এদেরকে মিলিয়ে বলেন দুধপানি/কিংবা পানিদুধ সেখানেও একটা বৈষম্য থাকে। আপনি কাকে আগে রাখছেন? তাছাড়া যদি এদের মিলিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তারা অন্য একটি নতুন রূপে পরিবর্তিত হয়, সেখানে কোন সমতার প্রশ্ন থাকে না।কারন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে সমতার প্রশ্ন আসে না । কিংবা ধরুন আপনি একটা সুঁতোর সাথে আর একটা সুঁতো মিলিয়ে এক করলেন। কিন্তু আপনি ভেবে দেখেছেন কি আপনি যে দুটো সুঁতো একসাথে মিলিয়েছেন তাদের ওজন,আয়তন কিংবা উপাদান একই ছিল কি না?যদি না থাকে তাহলে তাদের সমতা ছিল না আর যদি তা থাকে তবে তাদের মিলিত রূপও কোন সমতা দান করতে ব্যার্থ।কারন আপনি যদি মানেন শুন্যের সাথে শুন্য যতই যোগ করবেন তার উত্তর শূন্য হবে।তাহলে নিজের সাথে যতই নিজে মিলবে তা হবে শূন্য কারন হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভাবকে দায়ী করা যায়।
সুতরাং আপনি যদি অংক দিয়ে জীবনের সব হিসেব মেলাতে চান তবে তা হবে আপনার জীবনের অংকের সব থেকে বড় ভূল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *