বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যে কাংখিত লক্ষ্য অর্জন

পারস্পরিক স্বার্থে উভয় দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বেশি জোরদারকরণের উপর গুরুত্বারোপ অত্যন্ত জরুরী। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশের পশ্চাদ সংযোগ শিল্পের প্রয়োজন অপরিসীম। ভারত থেকে ফেব্রিক্স আমদানির মাধ্যমে বাংলাদেশ লাভবান হতে পারে। একইসঙ্গে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে সিনথেটিক, ফেব্রিক্স জাতীয় শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে বিপুলভাবে উপকৃত হবে। জাতীয় শিল্প স্থাপনে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে বিনিয়োগ করলে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে। বাণিজ্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন চুক্তি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যে কাংখিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। গ্রামীণফোন লিঃ এবং ব্র্যাক ব্যাংক যৌথভাবে একটি প্রচারণামূলক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে যার অধীনে গ্রামীণফোনের স্টার গ্রাহকগণ অত্যন্ত আকর্ষণীয় মূল্যে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা পাবেন। সাধারণ হোম/ স্যলারি/ অটো/ ডক্টরস ঋণের ক্ষেত্র গ্রামীণফোনের স্টার গ্রাহকগণ ব্র্যাক ব্যাংকের সাধারণ সূদের হার থেকে ০.৫০ শতাংশ এবং প্রসেসিং ফি ০.৫০ শতাংশ কম পাবেন। এছাড়াও স্যালারি/ডক্টরস লোন অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সুদের হার ০.৫০ শতাংশ কম হবে। এছাড়াও গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের ভিসা ও মাস্টারস ক্রেডিট কার্ড নিলে বার্ষিক ফি ১০০ শতাংশ মওকুফ হবে। উভয় দেশের স্বার্থে এসব বাধা দূরীকরণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সফর বিনিময়, যোগাযোগ বৃদ্ধি, কারিগরি সহায়তার আদান-প্রদানসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বর্তমান বাণিজ্যে আরও ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।

১ thought on “বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যে কাংখিত লক্ষ্য অর্জন

  1. বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং মুক্ত
    বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং মুক্ত বাজার অর্থনীতি একটি দেশের অবকাঠামো উওন্নয়ণে নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সেক্ষেত্রে যে কোন আন্তর্জাতিক চুক্তির পূর্বে উভয় দেশের অবস্থান সমান হওয়া বাঞ্ছনীয়। সমতা না থাকলে চুক্তি হয় না সেটা হয় উপনিবেশ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *